আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বায়ুবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

Image

কক্সবাজারে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হচ্ছে। দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরীক্ষামূলক যুক্ত হতে যাচ্ছে।

বুধবার কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে দেশের বৃহত্তম এই বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এ কথা জানান।

তৌফিক ইলাহী বলেন, দেশের বিদ্যুতের চাহিদার জোগান দিতে সরকার বেসরকারি খাতে আরও নতুন করে বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুযোগ দিচ্ছে। কক্সবাজারের খুরুশকুলের এ প্রকল্প চলতি বছরের শেষের দিকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে। তবে এর আগেই পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে।

বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনকালে প্রকল্পের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা।

গত বছরের ৩০ মার্চ কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে ৬০ মেগাওয়াটের বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, বাতাস থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য মোট ২২টি টারবাইন স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি টারবাইন ৩ মেগাওয়াট বিদ্যু উৎপাদন করবে। ইতোমধ্যে ১০টি টারবাইন স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাকআপের জন্য স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দুটি টারবাইন বসানো হবে।

এ ছাড়া প্রকল্পটিতে ১২০ মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য আরও ২০টি টারবাইনের প্রয়োজন হবে।


আরও খবর



চার বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, ভূমিধসের শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চারটি বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে দুই বিভাগে ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে আজ (১৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার/২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (৯৮৯ মিলিমিটার/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে।

ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, দুপুরের মধ্যে দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১৯ জুন) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




সংসদে বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় তিনি বাজেট পেশ শুরু করেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন চলছে। অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত আছেন।

প্রস্তাবিত সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকছে।

আজ দুপুরে প্রস্তাবিত বাজেটের অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে প্রস্তাবিত বাজেটে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাজেট ঘোষণার জন্য রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডের সরকারি বাসভবন থেকে রওনা দেন তিনি। পরে বেলা পৌনে ১১টায় সংসদে পৌঁছান অর্থমন্ত্রী। বাসভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, যতটুকু সম্ভব ভালো করার চেষ্টা করছি। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করবে এবারের বাজেট।


আরও খবর



লোকসভা নির্বাচন: ভোট গণনার প্রথম ঘণ্টায় এগিয়ে এনডিএ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড শেষে চলছে ভোট গণনা। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) এই ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথমে গণনা হচ্ছে পোস্টাল ব্যালটের ভোট।

এরপর একে একে খুলতে শুরু করবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন’ সংক্ষেপে ইভিএম। এদিকে ভোট গণনা শুরুর প্রথম ঘণ্টায় এগিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির ক্ষমতাসীন জোট এনডিএ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভোট গণনা শুরু হয়েছে সকাল আটটায়। প্রথম ঘণ্টার প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এগিয়ে রয়েছে ২৭৮টি আসনে। আর বিরোধী ইন্ডিয়া’ জোট এগিয়ে ১৮৪টি আসনে।

এদিকে ভোট গণনা শুরুর পর নিজের আসনে প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বারাণসী লোকসভা আসনে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এছাড়া অমিত শাহ, রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবও তাদের নিজ নিজ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ভারতে ছয় সপ্তাহব্যাপী ম্যারাথন নির্বাচনের পর মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোট গণনা শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৮টায়। ভোট নেওয়া হয়েছে, ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম দিয়ে, যার ফলে ভোট গণনা খুব দ্রুত শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বের সব চেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ ৫৪৩ আসন বিশিষ্ট লোকসভার জন্য ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। যে দল বা জোট ২৭২ বা তার বেশি আসন পাবে, তারা দেশের পরবর্তী সরকার গঠন করবে।

এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে মূলত দুটি জোটের মধ্যে- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং বিরোধী কংগ্রেসের মিত্রদের নিয়ে গঠিত ইন্ডিয়া’ জোট।

এনডিএ জয়লাভ করলে মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ইন্ডিয়া’ জোট জয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিরোধী জোট নির্বাচনী প্রচারণার সময় কোনও নেতাকেই তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’ হিসেবে উপস্থাপন করেনি।


আরও খবর



ট্রেনে ঈদযাত্রা: ১৪ জুনের টিকিট বিক্রি চলছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে হচ্ছে। আজ বিক্রি হচ্ছে ১৪ জুনের টিকিট।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রী সাধারণের টিকিট কেনা সহজলভ্য করার জন্য পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। আর পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত সব ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে।

মঙ্গলবার যারা টিকিট ক্রয় করছেন তারা আগামী ১৪ জুন ভ্রমণ করতে পারবেন। একজন যাত্রী ঈদের আগে যাত্রা ও ফিরতিতে সর্বোচ্চ একবার টিকিট ক্রয় করতে পারবেন এবং সর্বাধিক ৪টি আসনের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে যাত্রীর সর্বোচ্চ এই চারটি টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সহযাত্রীদের নাম সংযুক্ত করে দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। ঈদযাত্রার এই টিকিট রিফান্ড করা যাবে না। টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে প্রতিবার টিকিট ক্রয়ের সময় নিবন্ধনকৃত মোবাইল নম্বরে ওটিপি প্রেরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১৭, ১৮ ও ১৯ জুনের টিকিট বিক্রি করা হবে।

ঈদযাত্রার ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ জুন। ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ২০ থেকে ২৪ জুনের ফিরতি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে।

২০ জুনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে ১০ জুন। ২১ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১১ জুন। ২২ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১২ জুন। ২৩ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৩ জুন। আর ২৪ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৪ জুন।

ঈদযাত্রায় বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সব মিলে ২০টি, অর্থাৎ ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এসব বিশেষ ট্রেনের টিকিট যাত্রার আগে স্টেশনের কাউন্টারে বিক্রি করা হবে।

এবারের ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ঢাকা থেকে বর্হিগামী ট্রেনের মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি।

এদিকে রেলের পশ্চিমাঞ্চলে কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য ১২ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ক্যাটল ট্রেন’ পরিচালনা করা হবে। আর পূর্বাঞ্চলে ক্যাটল ট্রেন চলবে ১২ জুন।


আরও খবর



ঈদের দিন যেসব এলাকায় হতে পারে অতিভারী বৃষ্টি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আজ জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ দিন। আগামীকাল আষাঢ় মাসের এক তারিখ। সে অনুযায়ী দেশে এখন বর্ষা মৌসুম। আর তিনদিন পর, ১৭ জুন পবিত্র ঈদুল আজহা। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় গত এক সপ্তাহের বেশি সময় থেকে সারাদেশে বৃষ্টির আভাস দিয়ে আসছে আবহাওয়া অফিস। সে অনুযায়ী, ঈদের দিনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা বলেন, এখন মনসুন মৌসুম, সে অনুযায়ী সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এখন যেভাবে যাচ্ছে ঈদের দিন সেভাবে থাকবে। সে ক্ষেত্রে ঈদের দিনও বৃষ্টি হবে এটা স্বাভাবিক। তবে অঞ্চল ভেদে বৃষ্টির পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও জানান, ঢাকা বিভাগের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তা সামান্য পরিমাণে হতে পারে।

অন্যদিকে, রাজশাহী খুলনা ও বরিশালে খুবই সামান্য বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা।

আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসলে এখন যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে ঠিক সেভাবেই থাকবে। খুব বেশি পরিবর্তন হবে না। তবে কাল আরও স্পষ্ট হওয়া যাবে।

ঈদের দিন তাপমাত্রা নিয়ে বলেন, যে অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম সে জায়গায় তাপপ্রবাহ থাকবে। সে অনুযায়ী খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীতে তাপপ্রবাহ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঈদের পর থেকে সারাদেশে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে বলেও জানান আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম।

এদিকে শুক্রবার সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24