আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

বাউবির এসএসসি পরীক্ষা শুক্রবার থেকে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এবার মোট ৮৩ হাজার ১৩৪ জনের পরীক্ষায় বসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ৫২৬ এবং ছাত্রী ৩০ হাজার ৬০৮ জন

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) অধীন এবারের এসএসসি পরীক্ষা আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৩০৩টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এবার মোট ৮৩ হাজার ১৩৪ জনের পরীক্ষায় বসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ৫২৬ এবং ছাত্রী ৩০ হাজার ৬০৮ জন।

প্রতিবারের মতো এবারও প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণের জন্য টিম পাঠাবে বাউবি।

শুধু শুক্র ও শনিবার সকাল ও বিকেলে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষ হবে।


আরও খবর



আমরা এখন একা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বহুকাল আগে একবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছি। তখন সময়টা ভালো না, দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বঙ্গবন্ধুর অবদান এসব কিছুকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল

পুরো করোনার সময় একটা বাসার চার দেয়ালের ভেতরে আটকা থেকে সময় কাটিয়েছি। তখন বসে বসে নানা কিছু চিন্তা করেছি, তার মাঝে একটা ছিল করোনার উপদ্রব শেষ হওয়ার পর কী করব তার নানারকম পরিকল্পনা। সবচেয়ে বড় কল্পনাটা ছিল রাজশাহী গিয়ে হাসান আজিজুল হক স্যারের সাথে দেখা করে তাঁর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে আসা। স্যারের সাথে অনেকবার দেখা হয়েছে, অনেকবার কথা হয়েছে, কিন্তু আর কেউ নেই শুধু আমি আর স্যার, তার সাথে বসে সাহিত্য, দেশ, ইতিহাস, রাজনীতি এইসব সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথা বলার একটা ছেলেমানুষী শখ ছিল। যত সময় গিয়েছে সেটা নিয়ে আমার সেই শখটা অনেক বেড়ে গিয়েছিল।

খবর পেয়েছিলাম স্যারের শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, তার ছেলের বক্তব্য থেকে জানতে পেরেছিলাম তার স্মৃতি শক্তিও কমে আসছে, অনেক সময় পরিচিত মানুষজনকে চিনতে পারেন না। তারপর দেখলাম স্যারকে চিকিৎসার জন্যে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে, খুব ভয় পেয়েছিলাম তখন। তাঁর ছেলের কাছে স্যারের খোঁজ নিয়েছি। করোনার সময়টিতে আমরা আইসিইউ নামে একটা ভয়ংকর শব্দ শিখেছি, দেখে আসছি একবার কেউ তার ভেতরে গেলে প্রায় কখনোই বেঁচে ফিরে আসছেন না। স্যার কিন্তু সুস্থ হয়ে বের হয়ে এসেছেন, আবার রাজশাহী ফিরে গিয়েছেন দেখে অনেক শান্তি পেয়েছিলাম।

আমি জানি স্যার পরিণত বয়সে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন শেষে অসাধারণ কালজয়ী কিছু লেখা আমাদের উপহার দিয়ে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে থেকে দেশের অসংখ্য মানুষের অভিভাবক হয়ে আত্মীয় পরিজন গুণগ্রাহীদের মাঝে থেকে বিদায় নিয়েছেন। আমাদের হয়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলে এটা মেনেই নিতে হবে। কিন্তু যখন মনে হয় তিনি আর নেই তখনই মনে হয় এখন আমরা একা। একেবারেই একা।

শুধু তাই না কয়েক সপ্তাহ আগে দেখলাম স্যার পত্রিকায় একটি লেখা দিয়েছেন, লেখার বিষয়বস্তুটুকু আমাকে যতটুকু আনন্দ দিয়েছে তার থেকে বেশি আনন্দ দিয়েছে স্যার আবার লিখছেন সেই তথ্যটুকু। আমি যখন রাজশাহী যাওয়ার কথা চিন্তা করছি তখন একেবারে হঠাৎ করে জানতে পারলাম স্যার আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। হঠাৎ করে মনে হল একেবারে একা হয়ে গেছি। আমাদের বুঝি দেখে শুনে রাখার আর কেউ নেই।

বহুকাল আগে একবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছি। তখন সময়টা ভালো না, দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বঙ্গবন্ধুর অবদান এসব কিছুকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে। সেই দুঃসময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েরা মিলে মুক্তিযুদ্ধের জন্য ভালোবাসাটুকু ধরে রাখার জন্য একটা সংগঠন করেছে। সেই বাচ্চা ছেলেমেয়েরা আমাকে ডেকেছে, আমি তাদের সাথে কথাবার্তা বলছি। হঠাৎ করে দেখি সেই বাচ্চা ছেলেমেয়েদের মাঝে একজন বড় মানুষ—খবর পেয়ে হাসান আজিজুল হক স্যার চলে এসেছেন। দেশের বাইরে ছিলাম বলে দেশের এই বড় বড় কবি, সাহিত্যিক শিল্পীদের সাথে আমার পরিচয় নেই, তার উপর সবাই ঢাকাকেন্দ্রিক শুধু স্যার রাজশাহী থাকেন! স্যারের সাথে পরিচয় হল, কথা হল। তারপর থেকে যতবার রাজশাহী গিয়েছি স্যারের সাথে একটিবার হলেও দেখা করে এসেছি, স্যার হাসিমুখে আমার যন্ত্রণা সহ্য করেছেন।

আমি সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে, অভ্যাস অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথাবার্তা বলে জামায়াত শিবিরের চক্ষুশূল হয়ে আছি। দুইদিন পরে পরেই আমাকে নিয়ে ঝামেলা হয়, কখনো বাসায় বোমা পড়ে, কখনো ফাঁসির দাবি, কখনো আমার বিরোদ্ধে আন্দোলন—স্যার প্রতিবার রাজশাহী থেকে আমাকে ফোন করেন, সাহস দেন। আমার পাশে আছেন বলে আমিও ভরসা পাই, বাড়াবাড়ি করছি কিনা জানি না, কিন্তু ভুল করছি না সেই বিষয়টা বুঝতে পারি।

এই দেশে যারা থেকেছে, মুক্তিযুদ্ধের জন্য ভালোবাসাটুকু ধরে রাখার জন্য তাদের সবাইকেই কাজ করতে হয়েছে, সেজন্য ঝামেলাও কম হয়নি। কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হওয়ার পরও স্যারের পরিচয় শুধু অধ্যাপক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল চেতনার একজন অভিভাবকও। এতো কিছুর পরেও স্যারের সবচেয়ে বড় পরিচয় হচ্ছে লেখক। আমি নিজে আমার ছেলেমানুষী লেখার চেষ্টা করি বলে আমি বুঝতে পারি আমরা কেন দায়সারা লেখক আর স্যার কেন সত্যিকারের লেখক—শুধু লেখক নয়, বড় লেখক! খুব বেশি লিখেননি কিন্তু যেটুকু লিখেছেন একেবারে খাটি সোনা। দেখে ভালো লাগে যে স্যারের লেখার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে তাঁকে ঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

বহুদিন আগে এলিস ওয়াকারের লেখা দি কালার পারপল’ নামে একটা উপন্যাস পড়েছিলাম (আমার ধারণা এই নামে তৈরি চলচ্চিত্রটি মূল বই থেকে বেশি পরিচিত)। যারা মূল বইটি পড়েছেন তারা জানেন এই বইয়ের ভাষা কিন্তু আমাদের পরিচিত ইংরেজি নয়, আমেরিকান কালো মানুষদের নিজস্ব এক ধরনের ভাষা। প্রথম এক দুই পৃষ্ঠা পড়লেই এই ভাষাটিতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া যায়, তখন এই নূতন ভাষাটিকে রীতিমত মিষ্টি একটি ভাষা বলে মনে হতে থাকে। আমাদের বাংলা ভাষায় লেখা বইয়েও কেউ এক দুইটি সংলাপ নয় পুরো বইটি এভাবে লিখেছেন কিনা আমার সেটি নিয়ে কৌতূহল ছিল।

হাসান আজিজুল হক স্যারের আগুনপাখী বইটি পড়ে আমার সেই অতৃপ্তিটুকু প্রথমবার পূরণ হয়েছে। প্রমিত ভাষায় বই পড়ে পড়ে হঠাৎ করে একটা স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষায় একটা মেয়ের জবানিতে পুরো বইটুকু পড়ে মনে হয় সামনে বুঝি একটা নূতন দিগন্ত খুলে গিয়েছে। বইয়ের ভাষা হচ্ছে মাত্র একটি দিক, বইটিতে সেই সময়ের এত নিখুঁত এবং এত মানবিক একটি ইতিহাস উঠে এসেছে যে তার তুলনা নেই।

বৃটিশ ঔপনিবেশ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ, আমাদের দেশে যে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি করেছিল তার একটা অসাধারণ বাস্তব ছবি এই বইয়ে পরম মমতায় তুলে ধরা হয়েছে সেটি না পড়া পযন্ত কেউ বুঝতে পারবে না। স্যারের সাথে যতবার দেখা হয়েছে প্রত্যেকবার সাধারণ কথাবার্তা হয়েছে কিন্তু আমার মনের গহীনে একজন সত্যিকার সাহিত্যিকের সাথে সাহিত্য নিয়ে কথা বলার একটা গোপন বাসনা ছিল। সেই বাসনাটুকু বাসনা হিসেবেই থেকে গেল।

হাসান আজিজুল হক স্যারের মেধাবী ছেলেটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য ইন্টারভিউ দিতে এসেছিল। সে যোগ্য প্রার্থী ছিল, এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিন্তু—সেই সময়টিতে হাসান আজিজুল হকের পুত্র হওয়ার অপরাধে এখানে নিয়োগ পায়নি, যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মত একজনের খুবই প্রয়োজন ছিল। তখন তার সাথে পরিচয় হয়েছিল এবং তার কাছে স্যারের অনেক গল্প শুনেছি। তার কাছে জেনেছি স্যারের হাতের লেখা নাকি খুবই দুর্বোধ্য, যারা তাঁর হাতের লেখার সাথে পরিচিত নন তাদের কাছে মনে হবে স্যার বুঝি কলম দিয়ে কাগজে দাগ দিয়ে গিয়েছেন মাঝে মাঝে শুধু কলমটি একটু উপরে নিচে করেছেন! শুধু সে তার হাতের লেখা মর্মোদ্ধার করতে পারে!

আমি স্যারের হাতের লেখা দেখিনি, তাই কথাটুকু কতটুকু বাবাকে নিয়ে কৌতুক কতটুকু সত্যি কখনো যাচাই করে দেখতে পারিনি! হাতের লেখা যেরকমই হয়ে থাকুক সেই লেখা দিয়ে তিনি যে অসাধারণ লেখাগুলো লিখে গিয়েছেন তার জন্য আমরা সবসময়েই স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব। আমি জানি স্যার পরিণত বয়সে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন শেষে অসাধারণ কালজয়ী কিছু লেখা আমাদের উপহার দিয়ে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে থেকে দেশের অসংখ্য মানুষের অভিভাবক হয়ে আত্মীয় পরিজন গুণগ্রাহীদের মাঝে থেকে বিদায় নিয়েছেন। আমাদের হয়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলে এটা মেনেই নিতে হবে। কিন্তু যখন মনে হয় তিনি আর নেই তখনই মনে হয় এখন আমরা একা। একেবারেই একা।

লেখক : কথাসাহিত্যিক, সাবেক অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।


আরও খবর
এই দুঃখ কোথায় রাখি?

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পেলো সুইডেন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ১০৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউরোপের দেশ সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। এর মাধ্যমে ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পেলো দেশটি। বুধবার (২৪ নভেম্বর) দেশটির পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয় গত ৫৪ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন চলতি মাসের শেষের দিকে দলটির নেতৃত্বে আসেন। বুধবার পার্লামেন্টে ভোটের সময় বিদায়ী নেতা স্টেফান লোফভেনের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। পার্লামেন্টর ১১৭ জন সদস্য তার পক্ষে ভোট দিয়েছে। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে ১৭৪টি। আর ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন পার্লামেন্টের ৫৭ জন সদস্য।

প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য সুইডেনের ৩৪৯ আসনের সংসদে অ্যান্ডারসনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১১৭ জন, ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন ৫৭ জন, বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৭৪ জন এবং একজন অনুপস্থিত ছিলেন।

সুইডেনের আইন অনুযায়ী, সংসদে একজন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থনের দরকার হয় না। প্রার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার প্রয়োজন নেই; তবে ১৭৫ জনকে বিপক্ষে ভোট দিতে হয়।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




১০ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়

১০ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩১৫তম (অধিবর্ষে ৩১৬তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫০ দিন বাকি রয়েছে। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।


ঘটনাবলি

    ১৪৯৮ - পর্তুগালের বিখ্যাত নাবিক ভাস্কো দা গামার সমুদ্র অভিযান শুরু হয়।

    ১৭৯৩ - শিক্ষাব্রতী ধর্মযাজক উইলয়াম কেরি ইংল্যান্ড থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান।

    ১৭৯৮ -  ব্রিটিশ গভর্নরের আদেশে কলকাতায় রবিবারে ঘোড়দৌড় ও সব রকম জুয়াখেলা নিষিদ্ধ হয়।

    ১৮৬৬ - কেশব চন্দ্র সেনের নেতৃত্বে কলকাতায় ভারতবর্ষীয় আদি ব্রহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯০৮ -  এলিজাবেথ ন্যারেথ অ্যান্ডারসন বৃটেনের প্রথম মহিলা নির্বাচিত হন।

    ১৯১৭ -  রাশিয়ায় বিপ্লবের পর লেনিনের নেতৃত্বে গঠিত হয় শ্রমিক-কৃষকের প্রথম সরকার।

    ১৯১৮ - মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।

    ১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিরা ফ্রান্স দখল করে।

    ১৯৫২ - ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথম ভিডিও রেকর্ডারের কার্যক্রম প্রদর্শিতি হয়।

    ১৯৫৩ - পোলিও রোগের ভাইরাস আবিস্কৃত হয়।

    ১৯৬৫ - ব্রিটেনে হত্যার দায়ে মৃত্যুদন্ড আইন রহিত ঘোষণা করা হয়।

    ১৯৬৬ - এডুইন ইউগেন অলড্রিন এবং জেমস এ লোভেল নভোযান জিনিনি-১২ তে চড়ে চারদিনের সফরে মহাশূন্যে যাত্রা করেন।

    ১৯৬৮ - মালদ্বীপের প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।

    ১৯৭০ - ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯৭২ - বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    ১৯৮২ - দক্ষিণ লেবাননে ঘাঁটি গেড়ে বসা ইহুদীবাদী ইসরাইলের সেনা কমান্ডের সদর দফতরে শহীদ আহমাদ কাসির ভয়াবহ বোমা হামলা চালান।

    ১৯৮৯ - বার্লিন প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু হয়।

    ১৯৯০ -  নেপালের রাজা বীরেন্দ্র নতুন সংবিধান চালু করে দলহীন পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

    ১৯৯০ -  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উপসাগর এলাকায় দুই লাল সেনা পাঠায়।

    ১৯৯১ - কিউবা থেকে সোভিয়েত ফৌজ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করা হয়।

    ১৯৯৫ - মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে কমনওয়েলথ থেকে নাইজেরিয়ার সদস্যবাতিল করা হয়।

    ১৯৯৬ - বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত বাণিজ্য চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    ১৯৯৯ -  জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়।

 

জন্ম

    ১৪৯৩ - পারাচেলসুস, সুইস জার্মান চিকিৎসক, উদ্ভিদবিদ ও জ্যোতিষী।

    ১৭৪৩ - কার্ল পিটার থাউনবেরগ, সুইডিশ উদ্ভিদবিদ, পতঙ্গবিশারদ ও মনোবৈজ্ঞানিক।

    ১৭৭১ - মারি ফ্রাঁসোয়া বিশা, আধুনিক কোষতত্ত্বের জনক।

    ১৮১৮ - রাশিয়ার খ্যাতনামা উপন্যাস লেখক ইভান তুরগেনেভ।

    ১৮২১ - ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি, বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক।

    ১৮৩২ - এমিলে গাবরিয়াউ, তিনি ছিলেন ফরাসি লেখক ও সাংবাদিক।

    ১৮৪১ - ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের রাজা সপ্তম অ্যাডওয়ার্ড।

    ১৮৬৪ - আলফ্রেড হারমান ফ্রিয়েড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।

    ১৮৭২ - ভারতের খ্যাতনামা হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী আবদুল করিম খাঁ।

    ১৮৭৬ - স্যার আবদুল হালিম গজনভি, বাঙালি রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি।

    ১৮৭৭ - আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, তিনি ছিলেন বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের ফার্সী ভাষী মুসলিম কবি, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ।

    ১৮৮৫ - ডি.এইচ লরেন্স, ইংরেজ সাহিত্যিক।

    ১৮৮৮ - মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী।

    ১৮৯৭ - রোনাল্ড জর্জ রেফর্ড নোরিশ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

    ১৯০১ - আলেকসান্দার ফাদায়েভ, সোভিয়েত লেখক।

    ১৯০৭ - সুফী মোতাহার হোসেন, বাঙালি কবি।

    ১৯০৮ - গজেন্দ্রকুমার মিত্র, ভারতীয় কথাসাহিত্যিক ও প্রকাশক।

    ১৯১১ - জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, বিংশ শতকের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি গায়ক ও কবি।

    ১৯১৩ - হেডি লেমার, তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

    ১৯১৪ - হাওয়ার্ড ফাস্ট, মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

    ১৯২৮ - হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার ও কূটনীতিবিদ।

    ১৯২৮ - কার্লোস ফুয়েন্তেস, মেক্সিকান ঔপন্যাসিক।

    ১৯২৯ - ইমরে কার্তেজ, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান লেখক।

    ১৯৩২ - অনিতা বসু , ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব

    ১৯৩৫ - রবীন্দ্র সংগীতে ১৯৯৭ সালে সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত অর্ঘ্য সেন, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

    ১৯৩৬ - মালা সিনহা, নেপালী-ভারতীয় অভিনেত্রী।

    ১৯৩৬ - সুজান কোনার, মার্কিন টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

    ১৯৩৯ - আব্দেল মাজিদ লাখাল, তিউনিশিয়ার অভিনেতা ও পরিচালক।

    ১৯৪৮ - লুইজ ফেলিপে স্কলারি, তিনি সাবেক ব্রাজিলের ফুটবলার ও ম্যানেজার।

    ১৯৬০ - আনড্রেয়াস ব্রেহমা, তিনি সাবেক জার্মান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

    ১৯৬৪ - অ্যালিসন ডোডয়, আইরিশ মডেল ও অভিনেত্রী।

    ১৯৬৭ - রিকি আটর, তিনি ইংরেজ ফুটবলার।

    ১৯৭৪ - লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও, মার্কিন অভিনেতা ও প্রযোজক।

    ১৯৭৭ - মানিশ, পর্তুগিজ ফুটবলার।

    ১৯৮৩ - ফিলিপ লাম, জার্মান ফুটবলার।

    ১৯৮৪ - সেভেন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার গায়ক, ড্যান্সার ও অভিনেতা।

    ১৯৯০ - জরজিনিও ওয়িজনাল্ডুম, ওলন্দাজ ফুটবলার।

 

মৃত্যু

    ০৯৫৯ - কনস্টান্টটাইন সপ্তম, তিনি ছিলেন বাইজেন্টাইনের সম্রাট।

    ১০২৮ - কনস্ট্যান্টিন অষ্টম, তিনি ছিলেন বাইজেন্টাইন সম্রাট।

    ১৭৭৮ - গিওভানি বাটিস্টা পিরানেসি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান ভাস্কর ও চিত্রকর।

    ১৮২৩ - অর্থনীতিবিদ ডেভিট রিকার্ডো।

    ১৮৪৮ -  রবার্ট বলুম, তিনি ছিলেন জার্মান কবি ও রাজনীতিবিদ।

    ১৮৫৫ - সারেন কিয়েরকেগর ডেনীয় দার্শনিক এবং তাত্ত্বিক।

    ১৯১৯ - পাভেল খিস্ট্যাকভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান চিত্রশিল্পী ও শিক্ষক।

    ১৯২৩ - সমাজসেবক রাজনীতিক লেখক আশ্বিনীকুমার দত্ত।

    ১৯৪৮ - পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

    ১৯৫৩ - ইংরেজ কবি ডিলান টমাস।

    ১৯৫৩ - সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবন সৌদ।

    ১৯৭০ - জেনারেল চার্লস দ্য গল, তিনি ছিলেন ফরাসি সাধারণ ও নীতি ও ১৮ তম প্রেসিডেন্ট।

    ১৯৭১ - সোভিয়েত রাষ্ট্রনায়ক নিকিতা ক্রুশ্চেভ।

    ১৯৭৩ - আর্টটুরি ইলমারি ভিরটানেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

    ১৯৮০ - উপমহাদেশের বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা পি সি যোশী।

    ১৯৮৪ - প্রখ্যাত বাঙালি নট ও নাট্যকার মহেন্দ্র গুপ্ত।

    ১৯৮৫ - মারি-জর্জ পাস্কাল, তিনি ছিলেন ফরাসি অভিনেত্রী।

    ১৯৮৭ - প্রগতিবাদী রাজনৈতিক নেত্রী মণিকুন্তলা সেন।

    ১৯৯৯ - মোহাম্মদউল্লাহ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

    ২০০১ - জিওভান্নি লিওন, তিনি ছিলেন ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

    ২০০৪ - আইরিস চ্যাং, তিনি ছিলেন আমেরিকান ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও লেখক।

    ২০০৪- ইয়াসির আরাফাত, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিলিস্তিন ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ, ফিলিস্তিন জাতীয় কর্তৃপক্ষের ১ম প্রেসিডেন্ট।

    ২০০৫ - পিটার ড্রুকের, অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, তাত্তিক ও শিক্ষাবিদ।

    ২০০৮ - ইমাম সামুডরা, তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ান সন্ত্রাসীর।

    ২০১২ - সের্গেই নিকলস্কয়, তিনি ছিলেন রাশিয়ান গণিতবিদ ও অধ্যাপক।

 

ছুটি ও অন্যান্য

জাতীয় শিক্ষা দিবস (ভারত)


আরও খবর
শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১

১৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১




সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার (২১ নভেম্বর) সকাল আটটায় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং সোয়া আটটায় প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।

এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং তিন বাহিনী প্রধান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে। প্রতি বছর দিনটিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২১ উপলক্ষে  ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং নির্বাচিত সংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। গণভবন থেকে ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিকেল ৪টায় ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটিতেও গণভবন থেকে ভিডিও টেলিকনফারেন্সে যুক্ত হবে প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনী প্রধান  এবং বিমান বাহিনী প্রধান স্ব-স্ব বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান করবেন।

এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান ২৩ নভেম্বর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, তাদের উত্তরাধিকারীদের অনুরূপ সংবর্ধনা প্রদান করবেন।

ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, কক্সবাজার, বগুড়া, সিলেট, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, যশোর, রংপুর ও খুলনা সেনানিবাস ঘাঁটিতে সংশ্লিষ্ট এরিয়া সদর দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

এদিকে, দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য ঢাকার বাইরে দেশের অন্যান্য সেনা গ্যারিসন, নৌ জাহাজ, স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ঢাকা, খুলনা, চাঁদপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামে বিশেষভাবে সজ্জিত নৌবাহিনী জাহাজসমূহ ২১ নভেম্বর বেলা ২ টা হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের দেখার জন্য নিকটস্থ ঘাটে অবস্থান নোঙ্গরকৃত অবস্থায় রাখা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে শনিবার রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে ২০ নভেম্বর (শনিবার) বাংলাদেশ টেলিভিশন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর সশস্ত্র বাহিনীর পরিবেশনায় বিশেষ অনির্বাণ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়।

২১ নভেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ বেতার বিশেষ দূর্বার সম্প্রচার করা হবে।

টেলিভিশনের জন্য নির্মিত ‘‘বিশেষ অনির্বাণ’’অনুষ্ঠানটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলসমূহেও পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সম্প্রচার করা হবে। সশস্ত্র বাহিনীর পরিচালনাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার (অনলাইন ভিত্তিক) আয়োজন করা হয়েছে।


আরও খবর



বকশীবাজার মোড় অবরোধ করেছেন ছাত্রীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হাফ ভাড়া দিতে গিয়ে বাসচালকের সহকারীর (হেল্পার) মাধ্যমে হেনস্তার শিকার হওয়ায় রাজধানীর বকশীবাজার মোড় অবরোধ করেছেন ছাত্রীরা। 

রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রীরা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, ঠিকানা বাসে শনিবার হাফ ভাড়া দেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন চালকের সহকারী। অভিযুক্তের বিচার ও হাফ ভাড়া নিশ্চিতের জন্য ঘোষণা এলে তারা আন্দোলন শেষ করবেন। এসময় তারা একটা একটা বাস ধর, ধোলাই কর, আমার বোন লাঞ্ছিত কেন? বিচার চাই, উই ওয়ান্ট জাস্টিসসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলন চলাকালে অধ্যক্ষ সাবিকুন নাহার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়নি। তবে তুই তুকারি করা হয়েছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। ঠিকানা ও মৌমিতা বাসের মালিকপক্ষ আসবে।

এদিকে অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলেও তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে চানখারপুল-পলাশী দিয়ে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

 

নিউজ ট্যাগ: সড়ক অবরোধ

আরও খবর