আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

বাস-নসিমনের সংঘর্ষ, গোপালগঞ্জে তিন ব্যবসায়ী নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ এপ্রিল ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

গোপালগঞ্জে বাস ও নসিমনের সংঘর্ষে তিন কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও একজন। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাশুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার আন্দারকোটা গ্রামের দীনেশ অধিকারী (৫৫), সঞ্জয় বৈরাগী (৩৫) ও মিহীর বৈরাগী (৩৪)। কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে রুশ বিমান হামলায় নিহত ১২

তিনি জানান, শুক্রবার সদর উপজেলার তালা বাজার থেকে নছিমনের করে গোপালগঞ্জ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন ৪ সবজি ব্যবসায়ী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই স্থানে পৌঁছালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দিলে নছিমনটি ছিটকে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ব্যবসায়ী ও চালক দিনেশ অধিকারী নিহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে সেখানে অপর ব্যবসায়ী সঞ্জয় বৈরাগী (৩৫) ও মিহীর বৈরাগীর (৩৪) মৃত্যু হয়।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাসচাপায় ভিক্ষুক নিহত, বাস জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় লাকী বেগম (৫০) নামের এক নারী ভিক্ষুক যাত্রীবাহী বাসচাপায় নিহত হয়েছেন। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে।

নিহত লাকী বেগম কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার আব্দুল কাদের মিয়ার স্ত্রী। তিনি আখাউড়া খরমপুর মাজারে বসবাস করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী বেগম তার ছেলেকে নিয়ে খরমপুর ও আশেপাশের এলাকায় ভিক্ষা করতেন। বুধবার দুপুরের পর প্রতিদিনের মতো তিনি ভিক্ষা করতে বাইপাস এলাকায় যান।

এ সময় সুলতানপুর থেকে ছেড়ে আসা দিগন্ত পরিবহনের একটি বাস লাকী বেগমকে চাপা দিলে গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসী তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আখাউড়া থানার ওসি নুরে আলম বলেন, এক ভিক্ষুক বাসচাপায় মারা গেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর



মসিক মেয়র হিসেবে ইকরামুল হক টিটুকে দেখতে চায় নগরবাসী

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) নির্বাচন আগামী ৯ মার্চ। এই তারিখ ঘোষণার পর থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। শহরে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনসহ অনেকেই গণসংযোগ চলছে। আসন্ন এই নির্বাচনে নগরের উন্নয়নে আবারও মেয়র হওয়ার সুযোগ চেয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।

২০১৮ সালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র হয়েছিলেন মো. ইকরামুল হক টিটু। তবে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে তাকে।

ইকরামুল হক টিটু পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন মিলে টানা ১৫ বছর ধরে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন। এক্ষেত্রে নগরের উন্নয়নের পাশাপাশি সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সখ্য, বিনয়ী মনোভাব, সবার ডাকে ছুটে যাওয়া, বিপদে পাশে থাকা- এসব নানা গুণাবলীর কারণে মেয়র টিটুর রয়েছে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা। আর আলোচনায় থাকা অন্য প্রার্থীরা এবারই প্রথম নামছেন ভোটের মাঠে।

জনবল সংকট, অপ্রতুল রাজস্ব এবং মোট আয়তনের ৭০ ভাগ উন্নয়নে পশ্চাতপদ এলাকার নিয়ে যাত্রা শুরু, করোনার এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমকে সন্তোজনক লক্ষ্য অর্জনে একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা বলেই মনে করছে নগরবাসী। তরুণ ও অভিজ্ঞ মেয়র টিটুর আন্তরিকতা, জনসংশ্লিষ্টতা এবং নেতৃত্বকে এর কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মেয়র তার দায়িত্ব নেওয়ার পরই সিটির সড়ক ড্রেনের উন্নয়নে ১ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব প্রেরণ করেন যা এখন সিটির উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকার কাজ চলছে। এতে তৈরি হচ্ছে ১১৭ কিলোমিটার বিসি রোড, ২৩৯ কিলোমিটার আরসিসি রোড, ১.৬১ কিলোমিটার সিসি রোড, ২৩৮ কিলোমিটার ড্রেন ১১.৩৭ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন।

এছাড়াও তৈরি করা হচ্ছে কালভার্টসহ অন্যান্য অবকাঠামো। এছাড়াও সিটি কর্পোরেশন অন্যন্য প্রকল্প থেকে ৯২ কিলোমিটার নতুন রাস্তা এবং ৪৫ কিলোমিটার ড্রেনের কাজ সম্পন্ন করেছে। শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যারও উন্নতি ঘটিয়েছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। একসময় যখন একটু বৃষ্টিতেই শহরে পানি জমে যেত সেখানে আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপ ড্রেনের মাধ্যমে ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক শহরকে যুক্ত করার ফলে শহরের জলাবদ্ধতার অনেকাংশে নিরসন হয়েছে। মিন্টু কলেজ থেকে বিপিন পার্ক স্টেশন রোড থেকে থানাঘাট পর্যন্ত আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপ ড্রেন নির্মাণ, কাশবন আবাসিক এলাকার ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক নির্মাণ, নাটককঘর লেন থেকে ডিবি রোড হয়ে সেহড়াখাল পর্যন্ত আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপড্রেন ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়া বর্তমানে চলমান শহরের ভেতরে নতুন বাজার রেল ক্রসিং থেকে ব্যাটবল চত্বর পর্যন্ত আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপ ড্রেনের কাজ একটি ভালো উদ্যোগ বলে মনে করছে নগরবাসী। এতে করে শহরের খালগুলো থেকে পানি বের হওয়াটা আরও সহজতর হবে, যা সামগ্রিক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাবে। এছাড়া গত বছর জুলাই থেকে সিটি কর্পোরেশনে উদ্যোগে প্রায় ১৫ কিলোমিটার খালের দখল উচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে। ময়মনসিংহ শহরকে একসময় যারা আবর্জনার শহর হিসেবে দেখেছেন তাদের দৃষ্টিতে ময়মনসিংহের পরিবর্তনটা ধরা পড়বে। বিলুপ্ত পৌরসভার জনবল নিয়েও প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মে.টন বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা করছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। চলছে রাত্রীকালীন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

এছাড়া, বাসা-বাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহে ক্লিনসিটি নামক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করে বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রিজম ফাউন্ডেশন লি. এর সহযোগিতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। এছাড়াও, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পটিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শহর আলোকিতকরণেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখাতে সক্ষম হয়েছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রায় ১৭১ কিলোমিটার সড়কে পোলসহ আধুনিক এলইডি বাতি স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

গত কয়েকমাসে এসব সড়কবাতির উদ্বোধন করেছেন মেয়র। নগর উন্নয়নে আরও অধিক অগ্রগতি সম্ভব ছিলো বলে মনে করেন সিটি কর্পোরেশন মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু। তিনি জানান, করোনার অভিঘাত এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টি না হলে নগর উন্নয়নে আরও কাজ করা সম্ভব হত।

করোনা পরিস্থিতিতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে করোনা মোকাবেলা, মানুষকে নিরাপদে রাখা এবং মানুষের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে যে কাজ করেছেন তা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

এছাড়া ২০২২ সালে স্থাপন করা হয়েছে একটি নগর মাতৃসদন এবং তিনটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এসব কেন্দ্র থেকে মা, শিশু সহ সাধারণ জনগণ কম খরচ বা বিনা মূ্ল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। মশক নিধনে হটস্পট চিহ্নিতকরণ এবং নিয়মিত ক্রাশ প্রোগ্রামের ফলে সিটিতে এখনও স্থানীয়ভাবে এডিস মশার কামড়ে আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, ভিটামিন এ প্ল্যাস ক্যাম্পেইন, ইপিআই কার্যক্রম, কৃমি নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদিতেও মসিকের রয়েছে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সফলতা।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মসিকের প্রচেষ্টাও ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১১৯২ জনকে বিউটি পার্লার, কম্পিউটার, ড্রাইভিং, মোবাইল সার্ভিসিং ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ, ২৫৭৬ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি, ১৪৭৬ জনকে পুষ্টি সহায়তা, ৩১২ জন কিশোরীকে স্বাস্থ্য-পুষ্টি পরামর্শ ও পুষ্টি উপকরণ প্রদান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নলকূপ, রোড লাইট, ড্রেন, টয়লেট, সেপটিক ট্যাংক ইত্যাদি নির্মাণের মাধ্যমে সহযোগিতা প্রদান করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু শম্ভুগঞ্জ ব্রিজের কাছে স্থাপন করেছেন জয়বাংলা চত্বর। চত্বরটি মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর স্মরণে এক অনন্য স্থাপত্যে পরিণত হয়েছে। এছাড়া, টাউনহলে স্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধু গ্যালারি। এখানেও প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী বঙ্গবন্ধু দুর্লভ ছবি, ডকুমেন্টারি, বানী ইত্যাদি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, নাগরিকদের নিরাপত্তা আর নগরের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে মহাপরিকল্পনা তৈরি করে উন্নয়নের চেষ্টা করেছি। সিটির উন্নয়নে ১৫৭৫ কোটি টাকার মধ্যে মাত্র ৩০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যানজট নিরসন, সড়ক প্রশস্তকরণ, বর্জ্য ব্যস্থাপনা, বাস ট্রাক স্ট্যান্ড নির্মাণ, শিশু পার্ক নির্মাণ ইত্যাদি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরকে আধুনিক এবং জনবান্ধব করে তুলতে নগরবাসী আবারও আমাকে সুযোগ দেবে বলে আমি মনে করি।


আরও খবর



টাইমড আউটের ইতিহাস গড়া আম্পায়ার এরাসমাসের অবসর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

গেল ওয়ানডে বিশ্বকাপে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইমড আউট হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। তাকে আউট দেওয়া আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিংকে বিদায় বললেন। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওয়েলিংটনে শুরু হওয়া নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া টেস্টই হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আইসিসির এলিট প্যানেলের এই দক্ষিণ আফ্রিকানের শেষ ম্যাচ।

ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে অবসর বিষয়ে ৬০ বছর বয়সী এরাসমাস বলেন, সিদ্ধান্তটা আমি গত বছরের অক্টোবরে নিয়েছি। আইসিসিকে সেটা জানিয়েও দিয়েছি যে এপ্রিলে আমার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আর থাকছি না।

এরাসমাস তার ১৮ বছরের আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারে দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন। এছাড়া মেলবোর্নে ২০১৫ ফাইনালে ছিলেন টিভি আম্পায়ার। আর চার বছর পর লর্ডসে বেয়ারেস্ট অব অল মার্জিনস-এর ফাইনালে ছিলেন মাঠেই। ভালো আম্পায়ারিংয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬, ২০১৭ ও ২০২১ সালে আইসিসি বর্ষসেরা আম্পায়ারের পুরস্কার (ডেভিড শেফার্ড ট্রফি) জেতেন তিনি।

এরাসমাস অবশ্য একটি জায়গায় সব আম্পয়ার থেকে আলাদা হয়ে আছেন। ভারতে অনুষ্ঠিত ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচে সাকিব আল হাসানের আবেদনে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে টাইমড আউট দিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। কেননা ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবার এমন আউটের ঘটনা ঘটে।

অবসর প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এ কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় সঠিক সিদ্ধান্ত জানানোর মুহূর্তে। এটা সব সময় কঠিন এবং বিশেষ ব্যাপার। কাজটা ঠিকভাবে করতে পারলে আনন্দ লাগে।

এর আগে ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ের অভিষেক হয় এরাসমাসের। তিন সংস্করণে সব মিলিয়ে তিনি ৩৭৮ ম্যাচ (১২৫ টেস্ট, ১৯২ ওয়ানডে, ৬১ টি-টোয়েন্টি) পরিচালনা করেছেন। এছাড়া মেয়েদের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ৭৯টি। ২০১০ সালে স্বদেশি আম্পায়ার রুডি কোয়ের্টজেন অবসর নিলে তার জায়গায় আইসিসির এলিট প্যানেলভুক্ত হন। তবে তার অবসরে আইসিসি এলিট প্যানেলে আম্পায়ারের সংখ্যা কমে হলো ১১। একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে রয়ে গেলেন অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক।

অবশ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আম্পায়ারিং ছেড়ে দিলেও কিছুদিন বিরতির পর ঘরোয়া ক্রিকেটে চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন এরাসমাস, প্রথম দুই মাস আমি শীতকালীন ছুটি কাটাব। আমরা দেশের মধ্যেই ভ্রমণের পরিকল্পনা করে রেখেছি। সেপ্টেম্বর থেকে আমি ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার (সিএসএ) অধীন চলে যাব। তারা আমাকে কীভাবে ব্যবহার করবে, সেটা চূড়ান্ত করতে হবে। পরবর্তী মৌসুমে আমি ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং করব এবং একই সঙ্গে পরামর্শকের ভূমিকা পালন করব। আমি খায়া মাজোলা উইকে (সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত একটি স্কুলের অনুষ্ঠান) অথবা ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে যেতে পারি। সেখানে আমি খেলা দেখব এবং আম্পায়ারদের পরামর্শ দেব।

আম্পায়ারিং শুরুর আগে পুরোদস্তুর খেলোয়াড় ছিলেন এরাসমাস। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাদেশিক দল বোল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ৫৩টি প্রথম শ্রেণির ও ৫৪টি লিস্ট ম্যাচ।


আরও খবর



অপহরণের ১৮ দিন পর নদীর তীরে মিলল জেলের লাশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারে উখিয়া উপজেলার আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তের খালে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের ১৮ দিন পর নাফ নদীর তীরে এক জেলের লাশ পাওয়া গেছে। স্বজনদের দাবি আরাকান আর্মির সদস্যরা ওই জেলেকে অপহরণ করেছিল।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতেরবিল সীমান্তের নাফ নদীর তীরের বেড়িবাধ থেকে অপহরণের শিকার জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত মোস্তাফিজুর রহমান উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়ার মৃত আব্দুস ছালামের ছেলে। তিনি পেশায় জেলে ও দিনমজুর।

নিহতের ছোট ভাই মো. আমির হোসেন জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি সকালে নাফ নদীতে অন্য জেলেদের সঙ্গে তার ভাই মোস্তাফিজু মাছ ধরতে যান। এক পর্যায়ে আরাকান আর্মির সদস্যরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি বিজিবি ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হলেও ভাইয়ের সন্ধান পাননি। অপহরণকারীরা স্বজনদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগও করেনি।

স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যার আগে উখিয়া উপজেলার রহমতেরবিল সীমান্তে চিংড়ি ঘেরে কাজ করছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম। এক পর্যায়ে তিনি নাফ নদীর বেড়িবাধের ওপর মোস্তাফিজুর রহমানকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি স্বজনদের জানান। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বিজিবির সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণকারীরা তাকে বেঁধে রাখায় অনাহারে মৃত্যুর পর মরদেহ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ফেলে রেখে গেছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বলেন, সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে খবরটি শোনার পর পুলিশ নিহতের বাড়ি থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার শরীরের আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তবে তার পায়ে রশি বা শিকল জাতীয় কোন কিছু দিয়ে বেঁধে রাখার চিহ্ন রয়েছে। অপহরণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিহত মোস্তফিজকে অপহরণ করা হয়েছে এব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি, এটি তাদের ভাষ্য।

ওসি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: কক্সবাজার

আরও খবর



ভারতে কৃষক আন্দোলন: রাজধানীমুখী ট্রাক্টর মিছিল আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতে কৃষকদের দিল্লি চলো আন্দোলনে সোমবারের (২৬ ফেব্রুয়ারি) কর্মসূচি রাজধানী অভিমুখে ট্রাক্টর মিছিল। পূর্বনির্ধারিত এ কর্মসূচি ঘিরে দিল্লির চারপাশে তীব্র যানজটের শঙ্কার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। মিছিলকে সামনে রেখে দিল্লি-নয়ডা সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ইতমধ্যেই কৃষক সংগঠন ভারতীয় কিসান ইউনিয়ন (বিকেইউ) যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাক্টর মিছিল শুরু করেছে। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে সংযুক্ত কিসান মঞ্চ (এসকেএম)। রাবুপুরার মেহেন্দিপুর থেকে শুরু হওয়া ট্রাক্টর মিছিলটি ফালাইদায় গিয়ে শেষ হবে।

এদিকে, কৃষকদের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে পুলিশ। এর সঙ্গে দিল্লি ও নয়ডায় প্রবেশ এবং বের হওয়ার পথে নিরাপত্তা জোরদার করায় লুহারলি টোলপ্লাজা ও মহামায়া উড়ালসড়ক দিয়ে ট্রাক্টর নিয়ে যমুনা এক্সেপ্রেসওয়েতে ঢোকার পরিকল্পনায় রয়েছে কৃষক সংগঠনগুলো।

এ পথে চলাচলকারী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে চলার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। প্রয়োজনে যাত্রীদের মেট্রোরেলে চলাচল করতে বলা হয়েছে। রোববার দিল্লি পুলিশ সিংঘু ও তিকরি সীমান্তে বসানো বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কিছু অংশ তুলে নিয়েছে। কেননা ওই অঞ্চলের কৃষকেরা পূর্বনির্ধারিত দিল্লি অভিমুখী ট্রাক্টর মিছিল না করার কথা জানিয়েছেন।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪