আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ জাতিসংঘের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তোরণের সুপারিশ গৃহীত হয়েছে। একমাত্র দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ৩টি মানদণ্ডই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশ সময় বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাতে এক টুইটা বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা। রেজুলেশনটি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে উত্তরণের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলো।

এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি যুগান্তকারী অর্জন যা এমন এক সময়ে অর্জিত হলো যখন বাংলাদেশ মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে।

টুইট বার্তায় এ বিষয়ে রাবাব ফাতিমা লিখেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ঐতিহাসিন সুপারিশ গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী (৫০ বছর) ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনের ক্ষেত্রে এর চেয়ে দারুণ উপলক্ষ আর কি হতে পারে! জাতির বহুদিনের আশা-আকাঙ্খা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-২০২১ অবশেষে পূর্ণতা পেলো। জয় বাংলা।

এর আগে চলতি বছরে ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) বৈঠকে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছিল। এর ৯ মাসের মাথায় সেটি জাতিসংঘে গৃহীত হলো। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকবে না। উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভূক্ত হবে।

যদিও এটি ২০২৪ সালে লাভ করার কথা ছিল। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ দুই বছর সময় চেয়ে নিয়েছিল।

একমাত্র দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের যে ৩টি মানদণ্ডই বাংলাদেশ পূরণ করেছে সেগুলো হলোমাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা। মূলত এ তিনটি সূচকের ভিত্তিতেই জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে থাকে।

জাতিসংঘের পর্যালোচনা অনুযায়ী ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। কিন্তু সে সময় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে (নভেম্বর-২০২১) সেটা ২ হাজার ৫৫৪ ডলার।

মানবসম্পদ সূচকে জাতিসংঘের নির্ধারিত মানদণ্ড ছিল সর্বনিম্ন ৬৬। আর তখন বাংলাদেশের ছিল ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ৩২ কিংবা তার কম। সে সময় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭ এ।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সাল থেকে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে ২০১৮ সালে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) সবগুলো শর্ত পূরণ করে।

নিউজ ট্যাগ: জাতিসংঘ

আরও খবর



দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখাবে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে- এ অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থী দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ সড়ক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়কে প্রশাসনকে ঘুষ দিয়ে চালকের লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে। এজন্য তারা সড়কের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখাবে বলেও জানিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের নেতা সোহাগী সামিয়া বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব। সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে, আমরা সড়কের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখাব।

১১ দফা দাবিতে আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও (শুক্রবার) রামপুরায় সড়কে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রামপুরা ব্রিজের পাশে হাতিরঝিল কর্নারে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ এসে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

ছুটির দিনেও খিলগাঁও মডেল হাইস্কুল, খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আশপাশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ইউনিফর্ম পরে অংশ নেন। ১১ দফা দাবিতে নানা শ্লোগান দেন তারা।  তবে অন্যান্য দিনের মতো শিক্ষার্থীরা যান চলাচল বন্ধ করেননি। তারা সড়কের এক পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।

পরে ওই সমাবেশ থেকে শনিবার দুপুর ১২টায় রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নিয়ে সড়ক দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি খিলগাঁও মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া। তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষার মধ্যে পরীক্ষার্থীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, সেভাবেই এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।


আরও খবর



শরীরে লম্বা লেজ নিয়ে জন্ম হল শিশুর!

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৯০০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাজিলে ১২ সেন্টিমিটার লম্বা একটি লেজসহ জন্ম হয়েছে এক মানবশিশুর। সম্প্রতি পেডিয়াট্রিক কেস রিপোর্টস নামে একটি জার্নালের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ওই জার্নালে শিশুটির কোনো পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। এতে বলা হয়েছে, শিশুটি অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয়। তবে এর জন্য শিশুটির শরীরে আর  কোনো জটিলতা ছিল না। 

শিশুটির শরীরে বাঁ পাশে মাজার নিচ থেকে একদম লেজের মতো কিছু একটা নেমে গেছে যেটা লম্বায় ১২ সেন্টিমিটার। আর ওই অংশটির সাথে জোড়া লাগানো আছে গোলাকার আরেকটি অংশ, যার সর্বোচ্চ ব্যাস ৪ সেন্টিমিটার। আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করে শিশুটির শরীরে অন্য কোনো সমস্যা বা ব্যতিক্রমী কিছু আর পাওয়া যায়নি।

মানবশরীরে কখনও যদি লেজের মতো কোনো অঙ্গ দেখা যায়, তবে সেটিকে দুভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এর একটিকে বলা হয় ট্রু টেল আর অন্যটি হলো সিউডো টেল।


এরমধ্যে সিউডো টেলটা হলো মূলত শরীরের একটি বর্ধিত অংশ যেটা মূলত অ্যাডিপোজ ও কার্টিলাগিনাউস টিস্যু দিয়ে তৈরি, আর এ ধরনের লেজে হাড়ের কিছু উপাদান বিদ্যমান থাকে। আর ট্রু হিউম্যান টেল যেটাকে বলা হয়, সেটা একেবারেই বিরল, এখন পর্যন্ত ৪০টি শিশুর ক্ষেত্রে হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। 

এই সত্যিকারের লেজ বলতে আসলে ভ্রুণের লেজের কথা বলা হয়, স্বাভাবিক অবস্থায় যেটা শিশুর জন্মের আগ পর্যন্ত থাকে। সাধারণত ভ্রুণের বয়স যখন চার সপ্তাহ হয়, তখন ভ্রুণে ছোট্ট একটি লেজ তৈরি হয়। তবে ভ্রুণের বয়স যখন ১২ সপ্তাহ মতো হয় তখন শ্বেত রক্ত কণিকায এই লেজটা শোষিত হয়।

বিরল কিছু ক্ষেত্রে, এ শিশুটার ক্ষেত্রে যেমন হয়েছে, শ্বেত রক্ত কণিকায় লেজটার কিছু হয় না এবং ভ্রুণ পরিণত হতে থাকলেও লেজটা তার সঙ্গে থেকেই যায়। তবে চিকিৎসকরা দ্কেনো জটিলতা ছাড়াই অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে শিশুটির শরীর থেকে লেজটি ফেলে দিয়েছেন। এর পরে পুরোপুরি সুস্থ আছে শিশুটি।  


আরও খবর
এক কাঁকড়ার দাম ৩৭ লাখ টাকারও বেশি

মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১




খালেদাকে বাসায় রেখেছি, এটাই কি বেশি নয়?

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আমরা অমানুষ নই। অমানুষ নই দেখেই আমার এক্সিকিউটিভ অথরিটি দিয়ে তাকে বাসায় থাকার, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাকিটা আইনগত ব্যপার

খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে নিয়ে বাসায় থাকতে দিয়েছি, এটাই কি বেশি নয়? আপনাকে যদি কেউ হত্যার চেষ্টা করত, আপনি কি তাকে গলায় ফুলের মালা দিয়ে নিয়ে আসতেন?

বুধবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক বিদেশে নিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, আপনার পরিবারকে যদি কেউ হত্যা করত, আর সেই হত্যাকারীকে যদি কেউ বিচার না করে পুরস্কৃত করে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিত, তার জন্য আপনি কী করতেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রেনেড হামলার পর খালেদা জিয়া বলল, আমি নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম। কোটালিপাড়ায় বোমা যখন পুঁতে রাখে, এর আগে তার বক্তব্য কী ছিল- শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, বিরোধীদলীয় নেতাও হতে পারবে না। ভেবেছিল মরেই তো যাব। রাখে আল্লাহ, মারে কে; মারে আল্লাহ, রাখে কে? আমার বেলায় হচ্ছে, রাখে আল্লাহ, মারে কে। তারপরও আবার খালেদা জিয়ার জন্য এত দয়া দেখাতে বলেন? কেউ এই প্রশ্ন করলে আমার মনে হয় অন্তত একটু লজ্জা হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা অমানুষ নই। অমানুষ নই দেখেই আমার এক্সিকিউটিভ অথরিটি দিয়ে তাকে বাসায় থাকার, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাকিটা আইনগত ব্যপার। তারপরও দুর্নীতি করে দেশটাকে একেবারে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। গ্রেনেড হামলায় আমাদের এতজন আহত হন, ২২ জন মারা যান, সংসদে বিষয়টি নিয়ে একদিনও আলোচনা করতে দেয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, এত বড় অমানবিক যে তাকেও আমি মানবতা দেখিয়েছি। আমার হাতে যেটুকু পাওয়ার, সেটুকু আমি দেখিয়েছি। আর কত চান, এখন সে অসুস্থ, এই আমি বললাম না, রাখে আল্লাহ মারে কে; মারে আল্লাহ রাখে কে। সেটিই মনে করে বসে থাকুন। এখানে আমার কিছু করার নেই। আমার যতটুকু করার আমি করেছি। বাকিটা আইনের ব্যাপার।’

প্রধানমন্ত্রী ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস সফর করেন। সফরকালে তিনি কপ২৬ সম্মেলন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২১, ইউনেস্কো সদর দফতরে সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান, ইউনেস্কোর ৪১তম সাধারণ সম্মেলন, প্যারিস শান্তি ফোরাম, ইউনেস্কোর ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রায় দুই সপ্তাহের সফর শেষে গত ১৪ নভেম্বর দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানাতে আজ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।


আরও খবর



‘খালেদার জন্য বিদেশ থেকে ডাক্তার আনার সুযোগ রয়েছে’

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিএনপি যদি বিদেশ থেকে বড় বড় ডাক্তার আনতে চায়, আনতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকার কোনো বাধা দেবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরসভা মিলনায়তনে ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে আইনে যা করা সম্ভব খালেদা জিয়ার জন্য তা করা হয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না দেশের আদালত দ্বারা তিনি সাজাপ্রাপ্ত। একজন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আইন দ্বারা যে সুবিধা দেওয়া দরকার তা দেওয়া হয়েছে। বিএনপিকে এটাও মনে রাখতে হবে দেশের আইনে যা আছে, তার বাইরে গিয়ে সরকার কিছু করবে না।

বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরও বলেন, ইউপি নির্বাচনে আখাউড়ায় কাউকে দলীয় প্রতীক নৌকা দেওয়া হবে না। যার যে পদে ইচ্ছা নির্বাচন করতে পারবে। তবে জনসমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচন করবেন। মনে রাখবেন ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দল থেকে দেশ বড়। জনগণ যাতে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে তাই দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। নির্বাচনকে কেন্দ্র কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ (অব.) মো. জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র তাকজিল খলিজা কাজল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনির হোসেন, সেলিম ভূইয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ ভূইয়া বাদল, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন বাবুল, ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন বেগ শাপলু, সাধারণ সম্পাদ সাখাওয়াত হোসেন নয়ন প্রমুখ।


আরও খবর



ভাসানীর সমাধিতে রেজা-নুরদের ওপর হামলা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া এবং সংগঠনটির সদস্য সচিব ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

বুধবার দুপুরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এ হামলা চালান বলে অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের। হামলায় রেজা কিবরিয়া ও নুর আহত হয়েছেন।

সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুর রহমান তুহিন বলেন, হামলায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

তুহিন বলেন, রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হক নুর এখনো টাঙ্গাইলে আছেন। হামলা পরবর্তী বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

হামলায় গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ হায়দার গুরুতর আহত হয়েছেন। রেজা কিবরিয়া মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।

ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তারা নিরব ভূমিকা পালন করে অভিযোগ করেন তিনি।

হামলা ও সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।

এ ঘটনার পর থেকে ভাসানীর সমাধি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে সংগঠিত সমাধি এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। তারা কিবরিয়া ও নুরবিরোধী নানা স্লোগান দেন।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবির পাল বলেন, ড. রেজা ও ভিপি নুর সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তার প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের উপর হামলা করেন। এতে ছাত্রলীগের চার সদস্য আহত হয়।

টাঙ্গাইলের অতিরক্তি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরওয়ার হোসেন বলেন, গণঅধিকার পরিষদের নেতারা মওলানা ভাসানীর সমাধির কাছাকাছি পৌঁছার পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এক পর্যায়ে ড. কিবরিয়া ও নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের পুলিশি নিরাপত্তায় ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করেন তিনি।


আরও খবর