আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি কমাল চীন

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি কমাল চীন। চলতি মাসের ১১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা ভিসা আবেদন করবে তাদের জন্য পরিবর্তিত ভিসা ফি কমানো হবে।

শুক্রবার চীনা দূতাবাসের এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, ছয় মাসের নিচে ভিসার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল এন্টি ফি (রেগুলার ডেলিভারি) ২ হাজার ৪০০ টাকা এবং ডাবল এন্ট্রি ৩ হাজার ৬০০ টাকা। এক্সপ্রেস ও আর্জেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে চার্জ বেশি। ছয় মাসের বেশি মাল্টিপল ভিসার (রেগুলার ডেলিভারি) জন্য ফি হচ্ছে ৪ হাজার ৮০০ টাকা এবং ১২ থেকে ২৪ মাসের মাল্টিপল ভিসার ফি ৭ হাজার ২০০ টাকা।

নোটিশে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে চীন সরকার।

নিউজ ট্যাগ: ভিসা ফি চীন

আরও খবর
সময় এখন ক্যাম্পিংয়ের

বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩




আত্মসমর্পণ করায় মিয়ানমারের তিন জেনারেলের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর সাথে সংঘাতের এই পর্যায়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে আত্মসমর্পণ ও শহরের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটি। মিয়ানমারের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন তারা।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্রোহীদের মুহুর্মুহু হামলার মুখে শান রাজ্যের লোক্কাই শহরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য হয় জান্তা সেনারা। এছাড়া শত শত সেনা বিদ্রোহী জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এই শহরের নিয়ন্ত্রণ কৌশলগতভাবে ছেড়ে দেয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জান্তা সরকারের আদালত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শত শত সেনার এই আত্মসমর্পণ মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর জন্য কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও আত্মসমর্পণের পর শহরের দায়িত্বে থাকা সেনা কমান্ডার ও সেনাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সামরিক আইনে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া সামরিক ঘাঁটি ত্যাগ দণ্ডনীয় অপরাধ। এর জন্য মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তবে সবশেষ মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য জান্তা মুখপাত্রের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এমনকি কোন আদালতে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাও জানানো হয়নি।


আরও খবর



ক্যালিফোর্নিয়ায় মরুভূমি থেকে ৬ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার মোজেভ মরুভূমির দুর্গম এলাকা থেকে ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর পুলিশ পাঁচ সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ছয়জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতরা সবাই পুরুষ। নিহতদের মধ্যে চারজনের শরীরে আগুনে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে। 

আরও পড়ুন>> বাংলাদেশে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির আহ্বান জাতিসংঘের

পুলিশ আরও জানিয়েছে, অবৈধ গাঁজা নিয়ে বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, গাজা লেনদেনের জন্য তারা ওই স্থানে গিয়েছিলেন।

গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তি জরুরি সেবা ৯১১-এ ফোন করে জানালে, পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটির এখনো তদন্ত চলছে। মোট আটটি বন্দুক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গাঁজা ক্রয় বৈধ করা হলেও গাঁজার একটি কালোবাজার রয়ে গেছে।


আরও খবর



মনে হচ্ছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেই বসে আছি : ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

এজলাসে বসে বাংলাদেশের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের অন্য দুই বিচারপতিসহ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এজলাসে উঠেন। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানান। পরে একে একে বিচারকাজ চলতে থাকে।

একেবারে শেষ পর্যায়ে এজলাস ছাড়ার আগে ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আমার জন্য এটা সম্মানের যে আপনাদের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারলাম। তিনি বলেন, আমার অন্য দুই কলিগকে নিয়ে বসে আছি, মনেই হয়নি বাংলাদেশে আছি। কারণ, এমন আদেশ আমাকেও দিতে হয় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। এ সময় এজলাসে সবাই হেসে ওঠেন।

পরে বাংলাদেশের আইনজীবী ও বিচারপতিদের ভারতের বিচারকাজ পরিদর্শনে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আমন্ত্রণ জানিয়ে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আপনারা আসুন, আমাদের বিচারকাজও পরিদর্শন করুন। ভারত ও বাংলাদেশের বিচারের সংস্কৃতি একই রকম।

ভারতের প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আপনাদের বার সভাপতি আইনজীবীদের ট্রেনিংয়ের যে কথা বলেছেন, তা আমি ফরোয়ার্ড করে দেবো। তবে এক্ষেত্রে তরুণ আইনজীবীদের প্রাধান্য দিতে বলবো। পরে সর্বোচ্চ আদালতে নিয়ে আসায় প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে উঠে যান তিনি।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। তিনি দেশটির ৫০তম প্রধান বিচারপতি। ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর শপথ নেয়া বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের প্রধান বিচারপতি হিসেবে মেয়াদ ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।

ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বাবা ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত টানা সাত বছর তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবা-ছেলের দেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার এমন নজির ভারতে আর নেই। বাবার দেয়া দুটি রায়ও ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় খণ্ডন করেছিলেন। বলেছিলেন, বাবার দেয়া রায়ে গুরুতর ত্রুটি ছিল। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে এটাও নজিরবিহীন ঘটনা।

রামের জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের অংশীদার ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্যও ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলার রায় দিয়েছিলেন। আধার মামলার রায় দেয়া বেঞ্চের সদস্যও ছিলেন তিনি। সেই মামলার রায়ে চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, সব তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আধারকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করা হলে, তাতে ব্যক্তি অধিকার খর্ব হতে পারে।


আরও খবর



পিএসজি ছেড়ে পাঁচ বছরের জন্য রিয়ালে এমবাপ্পে!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

প্যারিস সেন্ত জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে পাঁচ বছরের জন্য রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় ইতোমধ্যে রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেছে। এবং দুই সপ্তাহ আগে রিয়াল মাদ্রিদের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তিনি। এরপর গেল সপ্তাহে ঘোষণা দেন যে চলতি গ্রীষ্মেই পিএসজি ছাড়বেন তিনি। এক্ষেত্রে পিএসজি যাতে তার চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার প্রতিবদ্ধকতা তৈরি না করে।

আগামী জুলাই মাসে পিএসজির সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। তাতে করে ফ্রি এজেন্ট হিসেবেই রিয়ালে যোগ দিবেন তিনি। জানা গেছে পাঁচ বছরের জন্য মাদ্রিদের ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। অর্থাৎ ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রথমে ধারনা করা হচ্ছিল এমবাপ্পে হবেন রিয়ালের সর্বোচ্চ বেতনভূক্ত খেলোয়াড়। প্রতি মৌসুমে পাবেন ১২ থেকে ১৭ মিলিয়ন পাউন্ড। তাতে জুদে বেলিংহ্যাম ও ভিনিসিউস জুনিয়রকে ছাড়িয়ে যাবেন তিনি। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে শুরুতেই তেমনটি হচ্ছে না। তিনি কিছুটা কম পাবেন। অবশ্য পিএসজিতে তিনি প্রতি মৌসুমে পেতেন ২২ মিলিয়ন পাউন্ড। এর সঙ্গে ছিল অন্যান্য আয়ের সুযোগ। সেক্ষেত্রে রিয়ালে এসে তার বেতন হয়ে যাচ্ছে অর্ধেক! এদিকে তাকে দলে নিতে রিয়ালকে ৮৫.৫ মিলিয়ন পাউন্ড সাইনিং ফি দিতে হবে।

অবশ্য রিয়াল যে এমবাপ্পেকে চেয়েছিল বর্তমানে সেই এমবাপ্পে নেই। তাকে ২০২১ সালে দলে নিতে চেয়েছিল স্পেনের ক্লাবটি। এমবাপ্পেও রিয়ালে যোগ দিতে মুখিয়ে ছিলেন। সে সময় তার জন্য পিএসজিকে ১৬০ মিলিয়ন দিতে চেয়েছিল রিয়াল। সেটাতে রাজি না হওয়ায় বাড়িয়ে ১৮০ মিলিয়ন করেছিল। তবুও রাজি হয়নি পিএসজি। এরপর তারা এমবাপ্পেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত রাখতে চুক্তি করতে চেয়েছিল। কিন্তু ফ্রান্সের অধিনায়ক এক প্রকার বাধ্য হয়ে দুই বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। অবশেষে তার চুক্তির মেয়াদ শেষে যোগ দিতে যাচ্ছেন রিয়ালে।

এমবাপ্পে ২০১৭ সালে মোনাকো থেকে পিএসজিতে ধারে যোগ দেন। এরপর ফ্রান্সের ক্লাবটি তাকে ১৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডে স্থায়ীভাবে নিয়ে নেয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত পিএসজির হয়ে তিনি ২৯০ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ২৪৩টি। চ্যাম্পিয়নস লিগে গোল করেছেন ৪৪টি।


আরও খবর



স্ত্রীসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা : পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

পরকীয়ার জেরে নিজের স্ত্রী ও সন্তান এবং এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার অপরাধে পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (বরখাস্ত) সৌমেন রায়কে (৩৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুষ্টিয়ার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমীন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।

সৌমেন রায় মাগুরা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের আসবা গ্রামের সুনীল রায়ের ছেলে। তিনি সর্বশেষ খুলনার ফুলতলা থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৩ জুন বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড় এলাকার নাজ ম্যানশন মার্কেটের বিকাশের দোকানের সামনে স্ত্রী আসমা খাতুন (২৫), আসমার ছেলে রবিন (৫) এবং আসমার পরকীয়া প্রেমিক শাকিলকে (২৮) সরকারি অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন এএসআই সৌমেন রায়। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে সার্ভিস রিভলভার, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ আটক করে।

পরে সেদিন বিকেলে তাকে বরখাস্ত করা হয়। একইদিন রাতে এএসআই সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম। পরদিন ১৪ জুন বিকেলে কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সৌমেন। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার আসামি সৌমেনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

২০২২ সালের ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন সৌমেন রায়। এরপর কুষ্টিয়া আদালতে বারবার আত্মসমর্পণের দিন ধার্য থাকলেও তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পলাতক সৌমেন।

মামলার বাদী হাসিনা বেগম বলেন, আমার মেয়ে, তার ছেলে রবিন ও শাকিল নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে সৌমেন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জেনেছি সে হাইকোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে ভারতে পালিয়েছে। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামিকে জামিন দেওয়ায় আমি হতাশ। আদালত সৌমেনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় আমি খুশি। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক।

প্রসঙ্গত, কুমারখালী থানায় দায়িত্বে থাকার সময় এএসআই সৌমেনের সঙ্গে একটি মামলাকে কেন্দ্র করে আসমার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় সৌমেন তার নাম মো. সুমন হোসেন রাখেন এবং সুমন নামেই মুসলিম বিধানমতে আসমাকে বিয়ে করেন। সৌমেন আসমার তৃতীয় স্বামী ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় তারা বাস করছিলেন।

এএসআই সৌমেন খুলনার ফুলতলা থানায় বদলি হওয়ার পর থেকেই বিকাশকর্মী শাকিলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আসমা। এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি সৌমেন। সেই ক্ষোভ থেকেই প্রকাশ্যে স্ত্রী আসমা, আসমার দ্বিতীয় স্বামীর ছেলে রবিন এবং পরকীয়া প্রেমিক শাকিলকে গুলি করে হত্যা করেন সৌমেন।

সৌমেন রায় ২০১৫ সালে কনস্টেবল থেকে এএসআই পদে উন্নীত হন। পরে ২০১৬ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায় যোগ দেন। সেখান থেকে মিরপুর থানার হালসা ক্যাম্প, বাগেরহাট থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত ছিলেন সৌমেন রায়।

নিউজ ট্যাগ: কুষ্টিয়া

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪