আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন সম্ভব নয় : মমতা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তার রাজ্যের অংশগ্রহণ ছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হওয়া উচিত নয়। সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা এক চিঠিতে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

চিঠিতে মমতা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়। কারণ পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের মানুষের সেচ ও পানীয়র জন্য পানির প্রয়োজন। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে তিস্তায় পানির প্রবাহ কমে গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে যদি বাংলাদেশের সাথে পানি ভাগাভাগি করা হয়, তাহলে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ সেচের পানির অপ্রতুলতার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

মোদিকে লেখা চিঠিতে মমতা বলেছেন, ‘‘এছাড়া উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের পানীয় জলের চাহিদা মেটাতেও তিস্তার পানির প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়।’’

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আলোচনার একদিন পর সোমবার ওই চিঠি লিখেছেন মমতা। এতে তিনি বলেছেন, রাজ্য সরকারের পরামর্শ এবং মতামত ছাড়া এই ধরনের একতরফা আলোচনা ও পরামর্শ গ্রহণযোগ্য কিংবা কাম্য নয়।

মমতা লিখেছেন, ‘‘আমি বুঝতে পেরেছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ ফারাক্কা চুক্তি (১৯৯৬) পুনর্নবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে; যার মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হতে চলেছে। আপনি জানেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পানি বণ্টনের পরিমাণ নির্ধারণের এই চুক্তির পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ওপর বিশাল প্রভাব রয়েছে।’’ পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এই ধরনের চুক্তিতে ‌‌সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময়, ভারত-বাংলাদেশ রেলপথ ও বাস পরিষেবা চালুর দিকে ইঙ্গিত করে পশ্চিমবঙ্গের এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে বাংলাদেশের সাথে কয়েকটি বিষয়ে সহযোগিতা করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।

তবে পানি অত্যন্ত মূল্যবান এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর হাতিয়ার। আমরা এমন একটি সংবেদনশীল ইস্যুতে আপস করতে পারি না; যা জনগণের ওপর মারাত্মক এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে, চিঠিতে লেখেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় নদী তিস্তার পানি বন্টনের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সিকিমে কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ এবং নদীর ঊর্ধ্ব জলাভূমি এলাকায় বন উজাড়ের কারণে ভারতের দিকে তিস্তা ইতিমধ্যে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখন ভাগাভাগি করার মতো পর্যাপ্ত পানি নেই।

মমতা লিখেছেন, বৈঠকে ভারত সরকার বাংলাদেশে তিস্তাকে পুনরুজ্জীবিত করার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। আমি অবাক হয়েছি যে, জলশক্তি মন্ত্রণালয় ভারতে নদীটিকে তার আসল রূপে ফেরানোর জন্য কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়নি।

এর আগে, গত শনিবার নয়াদিল্লিতে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নসহ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ওই সময় নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের দিকে তিস্তার পানি সংরক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতি উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল শিগিগিরই বাংলাদেশ সফর করবে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বাজারে প্রতিটি পণ্যের দামেই আগুন, ক্রেতাদের কপালে ভাঁজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কোনোভাবেই কমছে না। এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম শুনে কপালে ভাঁজ পড়ছে ক্রেতাদের। শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব বাজারে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ ব্যবধানে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। খুচরা দোকানে বাছায় করা পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে। এগুলো আকারে একটু বড়। সাধারণ মানের পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

পেঁয়াজ বিক্রেতা মেহেদি হাসান বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম (বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ) যত শেষের দিকে যাচ্ছে, দাম তত বাড়ছে। আগামীতে এ দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে সেটা বলা যাচ্ছে না। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ কম। কারণ ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করে দিয়েছে। ওই দামে পেঁয়াজ আমদানি করলে শুল্ককরসহ দেশে আনতে প্রায় ৮০ টাকা খরচ হয়। যে কারণে ভারতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে না। এতে বাজার শুধু দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করেই চলছে। যে কারণে দাম বেশি।

অন্যদিকে বাজারে বেড়েছে আলুর দামও। গত সপ্তাহে খুচরায় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে। তবে দরদাম করলে কোনো কোনো দোকানে ৬০ টাকায় মিলছে।

ঈদুল আজহার আগে আগেই এবার বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। কুরবানির সময়ে ঢাকায় কাঁচা মরিচের কেজি ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। কিছুটা কমে এখন বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

বাজারের বেশিরভাগ সবজির দাম চড়া। প্রতিকেজি ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কিছু। ওই দামের মধ্যে আছে পটল, ঢ্যাঁড়স, কাঁচা পেঁপে। তবে কচুর লতি, বরবটি, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে আরও ২০ টাকা বেশি দরে, অর্থাৎ ৮০ টাকার আশপাশে প্রতি কেজি। এছাড়া করলা ও বড় তালবেগুনের দাম ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।

ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দামে খুব একটা স্বস্তি দেখা যায়নি। বড় মগবাজারে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম আকারের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা এবং এক কেজির ইলিশ এক হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাক দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।


আরও খবর



বেরোবিতে নিহত আবু সাঈদের নামে গেট-চত্বর

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিতে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদের নামে গেট ও চত্বরের নামকরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় ক্যাম্পাসে তার গায়েবানা জানাজার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১ নম্বর গেটের নাম পরিবর্তন করে রাখেন শহীদ আবু সাঈদ গেট এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্কের মোড়ের নাম রাখেন শহীদ আবু সাঈদ চত্বর

এ বিষয়ে আবু তালেব নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের সহপাঠীকে আমরা হারিয়েছি। তাকে আর ফিরে পাবো না। কিন্তু তার নামে গেটের নাম রাখছি। যতদিন বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে ততদিন আবু সাঈদ গেট নামে চিনবে সবাই।

সোহরাব হোসেন নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, যেই গেটের সামনে আমাদের ভাই রক্ত দিয়েছে, সেই গেটকে স্মরণীয় রাখতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার নামে রাখবো।

নিহত আবু সাঈদ বোরোবির ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি কোটাবিরোধী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।


আরও খবর



রামপুরা পুলিশ বক্সে আগুন, সড়কে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর রামপুরা পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে সেখানে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ২ ও ৩ নম্বর গেটের সামনের সড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। তবে সেখান থেকে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দুপুর পৌনে ১২টায়ও এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছিল।

ঢাকাসহ সারাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চলছে। এ কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই রাজধানীজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকে।

সকাল থেকে সকালে রাজধানীর রামপুরা, মৌচাক, মালিবাগ, শান্তিনগর, কাকরাইল, পুরানা পল্টন ও গুলিস্তান এলাকায় যান চলাচল একেবারেই সীমিত। ব্যক্তিগত গাড়িও কম। এসব এলাকার বেশিরভাগ দোকানপাটও বন্ধ দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ-বিজিবি-র‍্যাব ও সোয়াটের হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন বা সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। এ কর্মসূচি চলাকালে শুধু হাসপাতাল, গণমাধ্যমসহ অন্য জরুরি সেবাগুলো ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার রাতে শনির আখড়ার কাজলা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত সড়কের অন্তত ২০টি স্থানে আগুন দেওয়া হয়। সড়কে গাছের গুঁড়ি ও ইট ফেলে করে করে দেওয়া হয় যান চলাচল।

এর আগে বুধবার দিনভর ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রবিক্ষোভ, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ, গায়েবানা জানাজা, কফিন মিছিল ও দফায় দফায় সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।


আরও খবর



সিটি সেন্টারের অগ্রগতি বিষয়ে রাসিক ও এনা প্রোপার্টিজ’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর আওতায় নির্মিত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বহুতল ভবন সিটি সেন্টার এর অগ্রগতি বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে নগর ভবনে মেয়র দপ্তরকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

সভায় রাসিক মেয়র সিটি সেন্টারের অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এনা প্রোপার্টিজকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় এনা প্রপাটিজের সত্ত্বাধিকারী সাবেক এমপি প্রকৌশলী এনামুল হক, রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযীম, প্যানেল মেয়র-২ ও ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহমেদ, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাসেল জামান, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরমান আলী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন, সচিব মোবারক হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী নুর ইসলাম তুষার, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নুর-ঈ-সাঈদ, এনা প্রপার্টিজের জেনারেল ম্যানেজার হোসেন আলী, রিজওনাল ডিরেক্টর মোঃ সারওয়ার জাহান, প্রধান প্রকৌশলী শেখ সুলতান-উল ইসলাম, রাসিকের স্থপতি মো. জহুরুল আনোয়ার অনন্ত, সম্পত্তি কর্মকর্তা আবু নুর মোঃ মতিউর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মীর শাহরিয়ার সুলতান পরাগ, সহকারী প্রকৌশলী তানজির রহমান বন্ধন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: রাজশাহী

আরও খবর



চার মহানগরে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর, চট্টগ্রাম এবং বরিশাল মহানগরে আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। রোববার (৭ জুলাই) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরবকে আহ্বায়ক ও বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ফুটবলার আমিনুল হককে সদস্য সচিব করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দুই সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

অপরদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুকে আহ্বায়ক ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্য সচিব করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির দুই সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঢাকার বাইরে বিএনপি নেতা এরশাদুল্লাহকে আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাজিমুর রহমানকে সদস্য সচিব করে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দুই সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুককে আহ্বায়ক, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়াকে সদস্য সচিব ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিনকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক করে বরিশাল মহানগর বিএনপির তিন সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ‌১৪ জুন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ চট্টগ্রাম ও বরিশাল মহানগরের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। একইদিন বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪