আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম
মানবতাবিরোধী অপরাধ

বাগেরহাটের ৭ জনের রায় বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আগামী ৩০ নভেম্বর বাগেরহাটের খান আকরামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার মেছবাহ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, বিচারপতি মো. শাহীনুর ইসলামসহ তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

এ মামলায় সাত আসামির মধ্যে খান আকরাম হোসেন (৬০), শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন (৬২), মো. মকবুল মোল্লা (৭৯) কারাবন্দি। পলাতক রয়েছেন- খান আশরাফ আলী (৬৫), রুস্তম আলী মোল্লা (৭০), শেখ ইদ্রিস আলী (৬১) ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল (৬৪)।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত, তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন।

আসামিদের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আনা হয়। ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। পরে চার্জ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

রায়ে সর্বোচ্চ সাজা হবেএমন প্রত্যাশা করে প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা সবগুলো অভিযোগ আমরা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করি, তাদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।


আরও খবর



বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও কাজ শুরু হয়নি অদ্যাবধি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও অদ্যাবধি কাজ শুরু হয়নি। স্থান নির্বাচন, প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন দৃশ্যমান অবকাঠামো না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে বগুড়ার আপামোর জনগণ ও শিক্ষা সংশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

জানা যায় চার বছরেরও বেশি সময় আগে দ্বিতীয় দফায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছিল।

বিশ বছরের ব্যবধানে চার বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি বগুড়ায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে আইন প্রণয়ন করা হয়। দ্বিতীয় দফা এই আইন করার পরও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদাসীনতায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের অগ্রগতি নেই বলে মনে করছেন বগুড়াবাসী।

প্রায় ২৪ বছর আগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, যেহেতু বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান প্রাগ্রাসর বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চা, বিশেষ করিয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানসহ পঠন-পাঠন ও গবেষণার সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি ও সম্প্রসারণ কল্পে বৃহত্তর বগুড়া জেলার জামালপুর নামক স্থানেবগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা আইন করা হইলো।

এই আইন বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ নামে অভিহিত হবে। সে সময় স্থান নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হলেও পরবর্তীতে আর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। এর দুই দশক বা বিশ বছর পর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়। ২০০১ সালে আইন করে গেজেট প্রকাশকরা হলেও ভিসি নিয়োগ বা প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করা হয়নি। এর ফলে সেই সময় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন আইন করা হলেও তার বাস্তবায়ন ২০ বছরেরও সম্ভব হয়নি।

এরপর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি মন্ত্রীসভায় খসরা অনুমোদন দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ব্যাপারে বগুড়ার শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে কোন কাগজপত্র বগুড়ায় আসেনি। প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগও দেওয়া হয়নি। এমনকি জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। জায়গাও নির্ধারণ করা হয়নি।

দ্বিতীয় বার ২০২০ সালের সিদ্ধান্তের পর ৪ বছর পার হলেও কোন অগ্রগতি নাই। দ্বিতীয় বারের মত বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত আসার পর বগুড়ার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আশায় বুক বেঁধেছিলো, কিন্তু এত দিনেও সেই আশার প্রতিফলন দেখেনি বগুড়াবাসী।

২০২৩ সালে একাদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর আসনে বগুড়া জেলা আওয়াপমীলীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে নেওয়ার ঘোষনা দেন। তিনি ওই সংসদের  শেষ পর্যায়ে প্রায় ৯ মাস সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।

তার গৃহিত পদক্ষেপে জনগণ ইতিবাচক ভাবে নিলেও একাদশ সংসদের মেয়াদকালে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নূন্যতম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার প্রতিটি আসনে আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কোন সংসদ সদস্যই এ বিষয়ে কথা না বলায় হতাশ হয়েছে বগুড়াবাসী।

বগুড়ার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর সাথে কথা বললে তারা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন অগ্রগতি বা ভূমি অধিগ্রহণের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন।


আরও খবর



সংখ্যা নয়, দক্ষ চিকিৎসক তৈরিই মূল লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংখ্যা বাড়ানো নয়, দক্ষ চিকিৎসক তৈরির মূল লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলাভবনে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গতকালও বলেছি, আজও বলছি। আমরা সংখ্যায় নয়, দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করতে চাই। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।

ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও ভালোভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়ে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, সকালে বের হয়ে আমার বাসার কাছে তেজগাঁও কেন্দ্রে যাই। ওখানকার অবস্থা দেখার পর ঢাবিতে আসলাম। এখানে আসার পর রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ দেশের সকল কেন্দ্রের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলেছি। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি খুব কৃতজ্ঞ যে, আমার সহকর্মীরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। আশা করি, তাদের সহযোগিতায় পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সুন্দরভাবে শেষ করতে পারব।

এবারের পরীক্ষায় যত রকমের পূর্ব সতর্কতা দরকার, সব রকমের ব্যবস্থা নেওয় হয়েছে। পরীক্ষায় প্রবেশে আর্চওয়ের ব্যবহার, সকাল ৮টায় প্রবেশ এবং এক মাস আগে কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে যারা চিকিৎসক হয়েছে, তাদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে- জানতে চাইলে সামন্ত লাল সেন বলেন, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো রকম প্রশ্ন ফাঁস বা জালিয়াতি ছাড় দেব না।

বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিষয়টা আদালতে বিচারাধীন, আদালতের রায় প্রাপ্তির পর উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪ স্থানে এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয় সকালে। এর মধ্যে ঢাকায় কেন্দ্র পড়েছে পাঁচটি, ঢাকার বাইরে রয়েছে ১৪টি। সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ মিলিয়ে ৬ হাজার ২৯৫ আসনে এবার ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শিশু আয়ানের মৃত্যু : ৫ সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাড্ডার সাতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিটির রিপোর্ট আমাদের মনঃপূত হয়নি। আমরা ৫ সদস্যের নতুন কমিটি করে দিচ্ছি। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

কমিটিতে তিনজন চিকিৎসক, দুইজন সিভিল সোসাইটির ব্যক্তি ও একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে রাখা হয়েছে। কমিটি এক মাসের মধ্যে আয়ানের মৃত্যুর পুরো ঘটনা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ ডিসেম্বর বাড্ডা মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন শিশু আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ। সেখানে তাকে অস্ত্রোপচার পূর্ববর্তী এনেসথেসিয়া দেওয়া হয়।

তবে গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে। এই হাসপাতালের পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল শিশু আয়ান।

জানা গেছে, শিশুটিকে এনেসথেসিয়া প্রয়োগ করেন ডা. সাব্বির আহমেদ। আর সার্জারি করেছেন ডা. মেহজাবীন।


আরও খবর
পি কে হালদারের দুই সহযোগীর জামিন

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার রমজান মাস শুরু হবে আগামী ১২ বা ১৩ মার্চ। তবে রমজান শুরুর সময় ১২ মার্চ ধরে ঢাকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৪৪৫ হিজরির রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের এ সময়সূচি চূড়ান্ত করে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে এ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, প্রথম রমজান চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ১২ মার্চ প্রথম রমজানে ঢাকায় সেহরির শেষ সময় ভোর ৪টা ৫১ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ১০ মিনিট। তবে দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে ও ৯ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সেহরি ও ইফতার করবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।


দেশের অন্যান্য বিভাগ ও জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হবে।


আরও খবর
বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রবাসীদের জন্য হজের খরচ কমাল সৌদি আরব

সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শুভ্র দেবের ‘একুশে পদক’ নিয়ে সমালোচনা!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর মধ্যে শিল্পকলায় সংগীত ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পাচ্ছেন জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব। আর নৃত্যকলায় একুশে পদক পাচ্ছেন শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয়ে ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, আবৃত্তিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।

তবে নেটদুনিয়ায় কথা উঠেছে- শুভ্র দেবের একুশে পদক পাওয়া নিয়ে! যা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনাও। শুরুটা হয় বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে।

অনেকটা আক্ষেপ নিয়ে এই সুরস্রষ্টা বলেন, দেশের সংগীতে শুভ্র দেবের অবদান আছে। কিন্তু তার চেয়ে অনেক বেশি অবদান লাকী আখন্দ, আইয়ুব বাচ্চু, ফুয়াদ নাসের বাবু, নকিব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, হামিন আহমেদ, মাকসুদুল হক, মাহফুজ আনাম জেমস এবং প্রিয় গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী ও শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর। প্রিয় শুভ্র দেবের উচিত এই প্রসঙ্গে কথা বলা। নিজে পদক না গ্রহণ করে সত্যকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি এখনই শুরু হোক

তিনি আরও বলেন, শুভ্র দা আমার কাছের মানুষ। আমার ওপর রাগ করবেন কিন্তু সত্য বলছি, এই সত্য যদি স্বীকার করেন তাহলে শিল্পী হিসেবে তার জায়গা অনেক ওপরে থাকবে। এখানে শুভ্র দেব নামটি উপলক্ষ মাত্র। যিনি পদক পাচ্ছেন তিনি যদি উপলব্ধি করেন তার চেয়ে যোগ্যতর মানুষটি পদকের ক্ষেত্রে বঞ্চিত, তিনি তার কথা বলে যাবেন। সব ক্ষেত্রেই তা হওয়া উচিত। এই চর্চা থাকলে আরও বহু গুণী মানুষ পেতাম আমরা। যাই হোক, সত্যিকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি আজ থেকেই, এখনই শুরু হোক

প্রিন্স মাহমুদের এই কথাগুলোকে সমর্থন জানিয়েছেন সংগীতের বেশ কজন তারকা। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় যখন তুমুল আলোচনা-সমালোচনা, তখন বিষয়টি নিয়ে কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর পক্ষ থেকেও কথা বলা হয়।

গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ডদল এলআরবির ফেসবুক থেকে জানানো হয়, একটি বিষয় ক্লিয়ার করার প্রয়োজন বোধ করি, এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলো মূলত রাষ্ট্র নিজ তৎপরতায় দেয় না। এর বেশির ভাগই কোনো না কোনোভাবে লবিং ও নীতিনির্ধারক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন সাপেক্ষে মনোনীত হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন যে, আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার ক্লিয়ারলি বিষয়টি আগেই জানিয়েছেন যে- এই প্রক্রিয়ায় কোনো পদক বা পুরস্কারের জন্য তারা আগ্রহী নয়। রাষ্ট্র যদি স্বউদ্যোগে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটা রাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের স্বাধীন ভাবনা বলে বিবেচনা করা হবে। আরও জানা জরুরি যে, রাষ্ট্র আইয়ুব বাচ্চুকে একটা পুরস্কার দিয়ে খুব একটা সম্মানিত করতে পারবে বলে মনে হয় না। বরং এতে রাষ্ট্রের কিছু অগৌরব ঘোচার সমূহ সম্ভাবনা বিদ্যমান।

এদিকে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এমন আলোচনা-সমালোচনা নজরে এসেছে শুভ্র দেবেরও। একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার ক্যারিয়ার হয়ে গেছে ৩৯ বছর। ২৫ বছরের ওপরে বাংলা গান নিয়েই কাজ করেছি। বাংলা গান বিশ্ব দরবারে পৌছানোর জন্য আমি কাজ করে গেছি। এটা কোনো পুরস্কারের জন্য নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাকে যারা চেনেন তারা অনেকেই বলেছেন, দেরিতে হলেও আপনি পেয়েছেন। আমি ইন্ডাস্ট্রিতে যা দিয়েছি এটা আসলে কম শিল্পীই। আমি আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কারই পেয়েছি। খালি তো গান গেলেই হয় না। অনেক সংগীত বোদ্ধারা আমাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার কেউ ঈর্ষান্বিতও হয়েছে। যারা আমাকে নিয়ে কথা বলছেন, তারা কিন্তু আমার লেভেলের না।

প্রিন্স মাহমুদ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ক্যারিয়ারের দিক থেকে প্রিন্স মাহমুদ আমার অনেক জুনিয়র। ও আমার পল্লবীর বাসায় বসে থাকত, আমাকে দিয়ে একটা গান করার জন্য। একটা মিক্সড অ্যালবামের জন্য ও আমার বাসায় কয়েকবার গেছে। আসলে প্রিন্স তো আমাদের লেভেলের না, অনেক জুনিয়র। আর সত্যি কথা বলতে আমি তাদেরকেই কাউন্ট করব যাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বড় অবদান আছে। যারা কিছু করতে পেয়েছে তাদেরই আমি কাউন্ট করব। যাক কারও প্রতি আমার কোনো খারাপ চিন্তা-ভাবনা নাই।


আরও খবর
আজ গোয়াতে চার হাত এক হবে রাকুল-জ্যাকির!

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জয়ার ইরান জয়

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪