আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

বাড়িতেই সিজার করা সেই পশু ডাক্তার গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৭৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় প্রসূতিকে সিজার করা সেই পশু চিকিৎসক আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোনা আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ বিচারক জেল হাজতে পাঠান।বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল হক।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় মামলা হয়েছে। মৃত প্রসূতির স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। অভিযুক্ত পশু চিকৎসক একই উপজেলার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা। ওসি বলেন, রাতেই ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে উপজেলা প্রশাসন নিজ উদ্যোগে অভিযোগ ছাড়াই বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সন্ধ্যায় ওই এলাকা পরিদর্শন করেন।

গত বুধবার চন্দ্রপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে শরীফা আক্তার নামের প্রসূতির সিজার করলে নবজাতকসহ তিনি মারা যান। শরীফা বারহাট্টা সরকারি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পাস করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর এলাকায় বিয়ে হয় তার। সন্তান প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে ঈদের আগে গত সপ্তাহে চন্দ্রপুর বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় তাকে। চন্দ্রপুর গ্রামের বাবার বাড়ি দক্ষিণপাড়ায় পশু ডাক্তারের করা সিজারের পর নবজাতকসহ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা চৌধুরী ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শিহাব উদ্দিন। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সেখানে উপস্থিত এলাকাবাসী, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।


আরও খবর



গরমে হজমের সমস্যা? কী খেলে সুস্থ থাকবেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গরমের সময়ে একটু মসলাযুক্ত রান্না খেলেই অনেকের পেটের সমস্যা দেখা দেয়। কারও কারও আবার সারা বছরই হজমের সমস্যা থাকে। এছাড়াও গরমে হজমজনিত সমস্যায় বমি, জ্বর, আমাশয়সহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অপরিষ্কার পানি, বিশেষ কোনও খাবার সহ্য না হওয়া কিংবা ব্যাক্টেরিয়া-ছত্রাক সংক্রমিত খাবার থেকেই এসব সমস্যা দেখা দেয়। খাদ্যে বিষক্রিয়ার শিকার হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তা না হলে বিপদের আশঙ্কা থাকে।

বিশেষ কয়েকটি খাবার নিয়ম করে খেলেই এই বিষক্রিয়া থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে পারেন। যেমন-

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ পেটে সংক্রমণের কমাতে সাহায্য করে। হালকা গরম পানিতে দুই চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে খান। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

কলা: পটাশিয়াম ও ফাইবারে ভরপুর কলাও খাদ্য বিষক্রিয়া কমাতে দারুণ উপকারী। এই সময়ে দিনে দুথেকে তিনটি কলা খেতে পারেন।

তুলসি পাতা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই পাতার জুড়ি নেই। খাদ্য বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হলে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কয়েকটি তুলসি পাতা ও দুটি এলাচ চিবিয়ে খেয়ে নিন। এতে সংক্রমণ কমবে।

জিরা: পেটের যে কোনও সমস্যা দূর করতে জিরার কোনও জুড়ি নেই। খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে পেটে অস্বস্তি হয়। এ ক্ষেত্রে পাকস্থলির সংক্রমণ কমাতে একটা পাত্রে পানি নিয়ে তাতে জিরা, ধনেপাতার রস এবং অল্প লবণ মিশিয়ে বেশ কিছু ক্ষণ ফুটিয়ে নিন। হালকা ঠান্ডা হলে খেয়ে ফেলুন। এতে পেটের যন্ত্রণা দূর হবে। সেই সঙ্গে ব্যাক্টেরিয়াগুলিও ধ্বংস হবে।

রসুন: রসুনের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল গুণ রয়েছে। প্রতিদিন খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে টক্সিন পদার্থগুলি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। পেটের অসুখ হলেও রসুন খেতে পারেন। খালি রসুন খেতে না পারলে এক চা চামচ মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাবেন।


আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২




অর্থ আত্মসাৎ-পাচার : ডেসটিনির এক মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলার রায় বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঘোষণা করা হবে। বেলা ১১টার দিকে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে সব আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড আশা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে আসামিপক্ষ বলছে, দুদক অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। তাই আসামিরা রায়ে খালাস পাবেন।

দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ সালাম জাগো নিউজকে বলেন, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় বৃহস্পতিবার হবে। আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণে আমরা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। যে ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

এর আগে রোববার (২৭ মার্চ) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন- ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দুটি করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নাম সর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



১১ বছর পরে বড় পর্দায় ফিরছেন টুইঙ্কল খন্না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তাঁর অভিনয় নাকি খুব খারাপ। এ কথা বলেছিলেন অক্ষয় কুমার। সে কথায় সিলমোহর দিয়েছিলেন টুইঙ্কল খন্না নিজেই। ফলাফল? ২০০১-এ লাভ কে লিয়ে কুছভি করেগা মুক্তির পরে বলিউড তাঁকে আর পর্দায় পায়নি। বদলে তিনি অক্ষয়-ঘরনি। ছেলে আরভ মেয়ে নিতারার মা। বরং তিনি এই মুহূর্তে জনপ্রিয় লেখিকা। মঙ্গলবারের বড় খবর, ১১ বছর পরে ৪৮ বছর বয়সে সেই টুইঙ্কল খন্না ফের ফিরছেন বড় পর্দায়। বিপরীতে কি স্বামী অক্ষয়?

জানা যায়নি। লেখিকা আবার নায়িকা তাঁর নিজের লেখা গল্পেই। জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন দ্য লেজেন্ড অফ লক্ষ্মীপ্রসাদ-এর একটি গল্প সালাম নানি আপা। এই কাহিনিকেই পর্দায় রূপ দিতে চলেছেন বিজ্ঞাপন দুনিয়ার চেনা পরিচালক সোনাল ডাবরাল। এই ছবি দিয়েই বড় পর্দায় পরিচালনার হাতেখড়ি হচ্ছে তাঁর। প্রযোজনায় অ্যাপ্লজ এন্টারটেনমেন্ট, এলিপসেস এন্টারটেনমেন্ট এবং মিসেস ফানিবোনস মুভিজ। এই নিয়ে টুইঙ্কলের দুটি ছোটগল্প ছবি হল। ২০১৮-য় তৈরি প্যাডম্যান ছবিটি দ্য লেজেন্ড অফ লক্ষ্মীপ্রসাদ থেকেই নেওয়া। সেই ছবিতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন আক্কি।

নতুন ছবির গল্প কেমন? লেখিকা এই কাহিনিতে তাঁর দিদা এবং দিদার বোনের সম্পর্ককে খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সেই সঙ্গে রয়েছে জীবন সম্পর্কে, প্রেম, বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে টুইঙ্কলের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। সে সবই ধরা হবে ছবিতে। সূক্ষ্ম রসবোধে জারিত এ ছবির প্রাণভোমরা রহস্য-রোমাঞ্চও। ছবিতে কোন চরিত্রে দেখা যাবে টুইঙ্কলকে? কোনও ভাবে তাঁর মা ডিম্পল কাপাডিয়া কি থাকবেন ছবিতে? আপাতত সব প্রশ্নের জবাবেই মুখে কুলুপ বরসাত-এর নায়িকার।

নিউজ ট্যাগ: টুইঙ্কল খন্না

আরও খবর



নোয়াখালীতে জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সদরে একটি স্কুল থেকে গ্রেফতারকৃত জামায়াত ইসলামীর ৪৫ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। পুলিশ বলছে, তারা ওই একাডেমি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণি কক্ষে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, সোনাইমুড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ হানিফ (৫২) চাটখিল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুক (৫২) সেনবাগ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো.নুরুল আফসার (৫০) চাটখিল উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মহিউদ্দীন হাসান (৪৮)  কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলায়েত হোসেন (৫২) সহ ৪৫জন নেতাকর্মি।

রোববার (১৫ মে) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে আটককৃত আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এর আগে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের জয়কৃঞ্চপুর এলাকার আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মিরা সুধারাম থানা এলাকার মাইজদী আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলায় সরকার বিরোধী গোপন বৈঠক করার জন্য একত্রিত হয়। বৈঠক চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ও সুধারাম থানার ওসি আল ফারুক একাডেমিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ জন জামায়াত ইসলামী নেতাকর্মিকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরো জানান, এ সময় আটকৃতদের কাছে থাকা ধর্মীয় উগ্রতা সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ধরনের বই উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে জানা যায় যে, ধর্মীয় উগ্রতাকে পুঁজি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে সরকার বিরোধী ক্ষতিকারক বেআইনী কার্যকলাপের প্রস্তুতিমূলক অংশ হিসেবে এই গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। 

এসপি জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরও খবর



বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মনিরুল হক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মো. মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাক্কুর ব্যক্তিগত সহকারী মো. কবির হোসেন মজুমদার।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আজ আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক থেকে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্রটি দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি রাবেয়া চৌধুরীর হাতে পোঁছানো হয়েছে। যার অনুলিপি কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় বরাবর পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, আমি কুমিল্লা পৌরসভার সর্বশেষ চেয়ারম্যান ও সর্বশেষ মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছি। ২০১১ সালে কুমিল্লা পৌরসভা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে রূপান্তরিত হয়। ২০১২ সালের প্রথম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আমি সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হই এবং ২০১৭ সালে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে দ্বিতীয় বার নির্বাচিত হই।

আপনারা জানেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচন আগামী ১৫ জুন। আমার দল বিএনপি একটি যৌক্তিক দাবির প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আমার দলের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। কিন্তু আমার তৃণমূলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও নগরবাসীর অনুরোধে আমাকে বাধ্য হয়ে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হচ্ছে। আমি আমার দলীয় পদবি ধারণ করে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে আমার প্রিয় দল (বিএনপি) বিতর্কিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই দলীয় ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে আমি কুমিল্লা (দঃ) জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছি।

এদিকে এর আগে দুপুরে আরেক স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার স্বেচ্ছাসেবক দলের কুমিল্লা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা মহানগর সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুর ১টার দিকে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মলনে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় উপস্থিত না থাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে  মনিরুল হক সাক্কুকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০১২ সালে কুসিক নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি। সেই সময় সাক্কু দল থেকে পদত্যাগ করে নাগরিক কমিটির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে মেয়র পদে জয়ী হন। পরবর্তীতে তার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে পুনরায় তাকে বিএনপিতে নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের দ্বিতীয়বারের কুসিক নির্বাচনে মনিরুল হক সাক্কু বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে মেয়র পদে জয়ী হন।


আরও খবর