আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

আউটলুক ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন : শেখ হাসিনার প্রতি দৃঢ় সমর্থন থাকবে ভারতের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকেন্দ্রিক চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের প্রভাবশালী সাময়িকী আউটলুক ইন্ডিয়া। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ওপর বিরোধী দল, যুক্তরাষ্ট্র ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের চাপ থাকলেও পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের কোনো আগ্রহ নেই সরকারের। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারত প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কিছু বলেনি এবং ধারণা করা হচ্ছে তিনি (শেখ হাসিনা) যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটির প্রতি সমর্থন থাকবে নয়া দিল্লির।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দিল্লি এক্ষেত্রে লো প্রোফাইল বজায় রাখছে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপকারী হিসাবে চিহ্নিত হতে চায় না। গত এক বছর ধরে বিএনপিও বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছে। তবে দিল্লির অবস্থান পালটাবে বলে মনে হয় না। শেখ হাসিনা ও তার আওয়ামী লীগকে দৃঢ় সমর্থন জানাবে। এদিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়োগের জন্য শেখ হাসিনাকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন ধরে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে আসছে ওয়াশিংটন।

সাময়িকীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের ওপর প্রচণ্ড চাপ থাকলেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধীদের দাবি মানবে না। তিনি আত্মবিশ্বাসী যে ১৫ বছরের শাসনামলের ইতিবাচক রেকর্ড তাকে আবার ক্ষমতায় নিয়ে আসবে।

এদিকে ২০১৪ সালে বিএনপির নির্বাচন বয়কট করা ছিল কৌশলগত ভুল। বিএনপি ও তাদের জোট মিত্র জামায়াতে ইসলামী ওই সময় রাজপথে নজিরবিহীন সহিংসতার জন্ম দিয়েছিল। এবারও বিএনপির নির্বাচন বয়কটের কৌশল সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হতে পারে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জানুয়ারিতে যখন আরেকটি বিক্ষোভপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। রাজপথে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর লড়াই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে শত্রু-মিত্রের লড়াইয়ে জটিল অবস্থায় ভারত : শুক্রবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ঢাকা আবারও অস্থিতিশীল। এর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লিকে কিছু বিষয় আমলে নিতে হবে। প্রথমত, জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও বিদেশি শক্তির লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ঢাকার ওপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে বাংলাদেশে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন। এর ফলে শত্রু এবং মিত্রের মধ্যবর্তী এক জটিল অবস্থায় পড়েছে ভারত।

দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন বাংলাদেশ। বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ নেমে গেছে ২০ বিলিয়ন ডলারে। এ দিয়ে তিন মাসের আমদানি খরচ মেটানো কঠিন। এর সঙ্গে জীবনধারণের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়িয়েছে শতকরা ৯.৬ ভাগে। সম্পাদকীয়তে উল্লিখিত পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলা হয়, এ পরিস্থিতি জনঅসন্তোষে রশদ জুগিয়েছে, যেমনটা দেখা গেছে গার্মেন্ট শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান প্রতিবাদ বিক্ষোভে। একই সঙ্গে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিরোধী বিএনপি ও তার মিত্ররা। এসবই বলে দিচ্ছে, আরও একবার বাংলাদেশের রাজনীতি অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

নিউজ ট্যাগ: আউটলুক ইন্ডিয়া

আরও খবর



আজ টেডি ডে : যে কারণে এই দিন পালন করা হয়

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ভ্যালেনটাইনস ডে আসতে এখনও কয়েক দিন বাকি। চলছে ভ্যালেন্টাইনস উইক, অর্থাৎ প্রেমের সপ্তাহ। এই বিশেষ সপ্তাহের চতুর্থ দিন টেডি ডে। আর এই বিশেষ দিনে প্রিয়জনকে টেডি উপহার দেওয়ার রীতি আছে।

একেই ভালবাসার সপ্তাহ। তার উপর একেকদিন পালন করা হয় একেকটি বিশেষ আবহ। টেডি ডেও তেমনই এক বিশেষ আবহ। তবে এই দিবস কেন পালিত হয়, তা কি জানেন?

ভালোবাসার প্রকাশ নানাভাবেই হয়। ভালোবাসার পাশাপাশি প্রেম, আদর ও যত্নের প্রতীক হয়ে থাকে টেডি। তবে টেডি উপহার হিসেবে কেন এত বিখ্যাত? কবে থেকেই বা টেডি দেওয়ার রীতি শুরু হলো?

টেডি ডের ইতিহাস : টেডি ডের সঙ্গে অনেকটাই জড়িয়ে আছে টেডির গল্প। টেডি উপহার হিসেবে খুব বেশি দিন বিখ্যাত হয়নি। গত শতক থেকে এটি উপহার হিসেবে জনপ্রিয় হয়। কিন্তু তার পেছনে আছে এক গল্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই গল্পের নায়ক।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ শতকের গোড়ার দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট একবার শিকারে যান। শিকারের সময় একটি ভাল্লুককে দেখে তার মত বদলে ফেলেন।

ভাল্লুকটিকে ছেড়ে দেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। থিওডোরের এই ঘটনার কথা সঙ্গে সঙ্গে রটে যায়। তার এই মানবিক গুণ কার্টুনে ফুটিয়ে তোলেন ক্লিফোর্ড বেরিম্যান। কার্টুনে দেখা যায় একটা মিষ্টি ভাল্লুককে। কার্টুনটি জনপ্রিয় হয়েছিল। একই সঙ্গে সেই ভাল্লুকটিই জনপ্রিয় হয়ে যায়। এর পর মরিস মিকটোম ওই কার্টুন ভাল্লুকের আকারে একটী খেলনা পুতুল তৈরি করেন। যেটি টেডি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

জনপ্রিয় উপহার হিসেবে টেডির চল : শুরু থেকেই টেডি জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিল। শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর সঙ্গে জড়িত থাকায় সহজে জনপ্রিয়তা পায় ভাল্লুক। এর পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টেডি জনপ্রিয় উপহার হয়ে ওঠে।

টেডির চেহারার মধ্যে আছে এক নিষ্পাপ আদুরে ভাব। যে কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জায়গা করে নিল উপহার। কিশোরী, তরুণীদের মধ্যে টেডি প্রেম অচিরে বাড়তে থাকে। আর সেই থেকে প্রেমের একটি মিষ্টি উপহার টেডি। টেডি ডের সেই উপহারের জন্য বরাদ্দ একটি দিন। এদিন চাইলে সঙ্গী রং-বেরঙের টেডি উপহার দিতে পারেন।


আরও খবর
মজাদার ফুলকপির বিরিয়ানি

সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪




৬ মাসে মেট্রোরেলের আয় ১৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, রাজধানীতে মেট্রোরেল চালুর প্রথম ৬ মাসে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৬ হাজার ৫১৪ টাকা আয় হয়েছে। সোমবার (৪ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও এবং গত বছরের ৪ নভেম্বর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিয়মিত মেট্রোরেল চলাচল করছে।

ওবায়দুল কাদের জানান, অডিট ফার্মের নিরীক্ষা করা ২০২২-২৩ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী; জুন পর্যন্ত মোট আয় হয়েছে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৬ হাজার ৫১৪ টাকা।

তিনি বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (এমআরটি) লাইন-৬ মতিঝিল থেকে কমলাপুর বর্ধিত অংশের নির্মাণকাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এখন পর্যন্ত কাজের সার্বিক অগ্রগতি ২৫ শতাংশ। আগামী বছর জুনে এ অংশ চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।


আরও খবর



রমজানকে সামনে রেখে ভেজাল মসলার ব্যবসা রমরমা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে গুঁড়া হলুদ ও মরিচ তৈরির কারখানা। এসব কারখানায় ডলোচুন, ধানের কুড়া, ভুট্টার মোচা, রংসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল মিশিয়ে হলুদ ও মরিচ গুঁড়া বানিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাহে রমজানকে ঘিরে ভেজাল এই ভোগ্যপণ্য ব্যবসা জমে উঠেছে। এতে করে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বড় ছত্রগাছা গ্রামের নুর আলম ডিস্কো, পলাশ মিয়া, খালেক মিয়া, বকশীগঞ্জের রনি সরকার, আবু হোসেন, মধ্যপাড়ার আফছার আলী, নিজপাড়ার রফিকুল ইসলাম, ঠান্ডা মিয়া, আমবাগানের হাফিজার রহমান লাভলু, ধাপেরহাট বন্দরের দুদু হাজী ও রিপন সাহাসহ আরও একাধিক অসাধু ব্যক্তি তাদের কারখানায় ভেজাল গুঁড়া মরিচ ও হলুদ তৈরি করছেন।

খোঁজ নিয়ে যানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার হলুদ চাষখ্যাত এলাকা হচ্ছে ধাপেরহাট ইউনিয়ন। এখানকার অধিকাংশ কৃষক যুগযুগ ধরে হলুদ ও মরিচ আবাদ করে আসছেন। এর ফলে সেখানে হলুদ পল্লী এলাকা হিসেবেও নামকরণ করা হয়েছে। এরই সুযোগে ধাপেরহাট এলাকায় প্রায় ১৫টি কারখানায় বিভিন্ন ক্ষতিকারক উপকরণ মিশিয়ে গুঁড়া হলুদ ও মরিচ গুঁড়া তৈরি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করা হচ্ছে। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। এসব কারখানায় মাঝে মধ্যে প্রশাসনের অভিযান চললেও তবুও থামছে না ভেজাল কারবারি। আসছে রমজানকে সামনে রেখে আরও জোরেসোরে শুরু করা হয়েছে এই ব্যবসা। এদিকে এসব ভেজাল গুঁড়া মরিচ ও হলুদ খেয়ে মানবদেহের জন্য মরাত্বক ক্ষতি হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, কৃষকের কাছ থেকে কেনা শুকনো হলুদ ও মরিচে ভেজাল উপকরণ মেশানো হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে- ডলোচুন, ধানের কুড়া, ভুট্টার মোচা, রংসহ বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল। জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলে জানান তিনি।

কারখানার মালিক রনি সরকার বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের লাইসসেন্স রয়েছে। তারপরও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিকে টাকা দিয়ে গুঁড়া হলুদ ও মরিচ গুঁড়া তৈরি ব্যবসা পরিচালনা করছি।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গাইবান্ধার সহকারী পরিচালক আফসানা পারভীন বলেন, ভেজাল খাদ্যপণ্য প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ধাপেরহাটর এলাকার গুঁড়া হলুদ, মরচি তৈরি কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: গাইবান্ধা

আরও খবর



পাকিস্তান নির্বাচন : ফল ঘোষণায় অস্বাভাবিক বিলম্ব

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণায় অস্বাভাবিক বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে নির্বাচনের ফল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ করছেন ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, পাকিস্তানের অতীতের নির্বাচনগুলো বিবেচনায় নিলে এবার ফল ঘোষণায় এমন বিলম্ব অস্বাভাবিক।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে- দেশটিতে এর আগের নির্বাচনের দিন স্থানীয় সময় মধ্যরাতের মধ্যে কোন দল এগিয়ে ছিল সে সম্পর্কে একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া গিয়েছিল। আর এবার ভোট গ্রহণের ২০ ঘণ্টার পর শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৮টা পর্যন্ত ২৬৫ আসনের মধ্যে মাত্র ১০টি আসনের ফল পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডন পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে বলা হয়েছে, এই ১০ আসনের ৪টিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী, ৪টিতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন), ২টিতে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোট গ্রহণ শেষে খুবই ধীরগতিতে ভোট গণনার কাজ করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন সংযোগ স্থগিত ও সহিংসতার কারণে নির্বাচন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। এরপর ফল ঘোষণায়ও ধীরগতি দেখা যায়। এ অবস্থায় কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই বলছে, ফল প্রকাশে এই বিলম্ব ভোট কারচুপির লক্ষণ।

যদিও দেশটির টিভি চ্যানেলের অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে কিছুটা ইঙ্গিত করা হচ্ছে যে, ইমরান খানের দলের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। গত বছর দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে বন্দী ইমরান খানকে এই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয় এবং তার দল পিটিআইকে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী দিতে হয়েছে।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪




বিশ্ব ইজতেমায় চলছে দ্বিতীয় দিনের বয়ান

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টঙ্গীর তুরাগ নদীরতীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান চলছে। আজ শনিবার ফজরের নামাজের পর দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লির উদ্দেশ্যে পবিত্র কোরআন-হাদিসের আলোকে শুরু হয় এই বয়ান।

টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান এর মধ্যে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। আগামীকাল রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এবারের ইজতেমা।

দুদিন ধরে সার্বক্ষণিক ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত রয়েছেন মুসল্লিরা। প্রতিদিন ফজর থেকে এশা পর্যন্ত ঈমান, আমল, আখলাক ও দ্বীনের পথে মেহনতের ওপর আমবয়ান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শনিবার ফজরের পর বয়ান করেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ, বাংলা তরজমা করেন মুফতি ওসামা ইসলাম। সকাল সাড়ে ১০টায় তালিমে হালকা মোয়াল্লেমদের সঙ্গে কথা বলবেন ভারতের মাওলানা আব্দুল আজিম। জোহরের নামাজের পর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা শরিফ। বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা মাহমুদুল্লাহ।

আসরের নামাজের পর বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান। বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা আজিম উদ্দিন। বয়ানের পর যৌতুকবিহীন বিবাহ পড়ানো হবে।

মাগরিবের নামাজের পর বয়ান করবেন ভারতের মুফতি ইয়াকুব। বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

এছাড়া আগামীকাল রবিবার ফজরের পর বয়ান করবেন ভারতের মুফতি মাকসুদ। বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা আব্দুল্লাহ। বয়ানের পরই হেদায়েতের কথা ও দোয়া পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ। বয়ান বাংলায় তরজমা করবেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বলেন, আগামীকাল সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হতে পারে।

২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হয়। মাঝে ৪ দিন বিরতি দিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাযের অনুসারী (মাওলানা সাদপন্থি) মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিচ্ছেন। ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এবারের বিশ্ব ইজতেমার পরিসমাপ্তি ঘটবে।


আরও খবর