আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আসন বণ্টন নিয়ে কাল জাপার সঙ্গে আলোচনা: আমু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন বণ্টনের বিষয়ে আগামীকাল বুধবার জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানালেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় ১৪ দলীয় জোটের দুই শরিক দলের তিন নেতার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আসন বণ্টনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে নাগাদ পেতে পারে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, জাতীয় পার্টির সঙ্গে আগামীকাল বুধবার আলাপ হবে। তারপর একটা পর্যায়ে যেতে পারব। কিছু কনফ্লিক্ট হতে পারে সেগুলোও দেখতে হবে।

আরও পড়ুন>> শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে জাপার ৩ নেতা

তিনি বলেন, বিগত দিনে আমরা এক সঙ্গে নির্বাচন করেছি। নির্বাচন ও আন্দোলন এক সঙ্গে করি। আমরা এখনো বলছি, আমাদের নির্বাচন কিংবা আন্দোলন এক সঙ্গেই হবে। ১৪ দল জোটগতভাবে নির্বাচন করবে। সেই সিদ্ধান্তে আমরা অটুট রয়েছি। আসনের ব্যাপারে কোথায় কী করা যায়, কীভাবে আসন বণ্টন করা যায় সে ব্যাপারে আমরা আলোচনা করছি। সেই আলোচনার বিষয়বস্তু নেত্রীকে জানাব। আজকে মেনন সাহেব, ইনু সাহেব এসেছেন, আলোচনা হয়েছে, আমি কাল এই বিষয়গুলো নেত্রীকে জানাব। আলাপ করার পর আমরা একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব।

১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র বলেন, এখন পর্যন্ত যে সিদ্ধান্তগুলো হয়েছে সেগুলো সব চূড়ান্ত নয়। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগেরও শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছেন। কার বিরুদ্ধে কে থাকবে, কার বিরুদ্ধে কে থাকবে না, কে প্রত্যাহার করবে, কে প্রত্যাহার করবে না, এসব বিষয়ে দ্রুত আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে আমু বলেন, ১৪ দল একটি রাজনৈতিক আদর্শিক জোট। এটা ভাগাভাগির জোট নয়। ২০০১ সাল থেকে আমরা যুদ্ধ করে আসছি। ২০০৬ সালে যুদ্ধ করেছি। আমাদের কাছে কে আসন পেল, কে পেল না সেটা গুরুত্ব রাখে না। আমরা একটি আদর্শিক জোট হিসেবে কাজ করছি।


আরও খবর



এফবিসিসিআই-এর স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান হলেন ড. মো. সাদী-উজ-জামান

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ল্যান্ড ডেভেলপার্স-এর কো-চেয়ারম্যান (২০২৩-২০২৫) হওয়ার অসামান্য গৌরব অর্জন করলেন নতুনধরা গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ সাদী-উজ-জামান।

যিনি বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ) হতে মনোনীত হয়ে এফবিসিসিআই- এ আবাসন খাতে প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের একজন! গত সোমবার এফবিসিসিআই এর মহাসচিব মোহাম্মদ আলমগীর এর স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।

কমিটির ডিরেক্টর-ইন-চার্জ হয়েছেন জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী। দেশের স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় আবাসন ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গঠিত হয় এফবিসিসিআই এর এই স্থায়ী কমিটি!


আরও খবর



জামালপুরে ক্যাপসিকামের বাম্পার ফলন নিয়ে বিপাকে হৃদয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

জামালপুর ইসলামপুর উপজেলার যমুনার মধ্যবর্তী দুর্গম চরাঞ্চল সাপধরী ইউনিয়নের চেঙ্গানিয়া গ্রামে ক্যাপসিকাম নামে বৈশ্বিক সবজি চাষ করেছে তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা হৃদয় মিয়া। সে ওই গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে। এখন বেকারত্ব ঘুচিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। কিন্তু স্থানীয়ভাবে ক্যাপসিকাম বিক্রি না করতে পেরে বিপাকে পড়েছেন তিনি।

হৃদয় মিয়া ইউটিউবে ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাড়ির পাশে রূপসা ৪০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেন।

সরেজমিন দেখা যায়, প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ রঙের ক্যাপসিকাম। অধিক ফলনের আশায় ক্যাপসিকাম খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক হৃদয় মিয়া। তার হাতের ছোঁয়া আর যত্ন-পরিচর্যায় ক্যাপসিকামের চারাগুলো হয়ে উঠেছে হৃষ্টপুষ্ট।

হৃদয় মিয়া জানায়, চারা রোপণের দুমাস পর থেকেই গাছে ফল ধরা শুরু হয়। ৪০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষে বীজ কেনা, জমি প্রস্তুত, সার, বালাইনাশক ও মালর্চিং পেপার কেনা এবং শেড তৈরিসহ সব মিলিয়ে তার প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। যদিও নিজেরা কাজ করায় এর মধ্যে শ্রমিকের খরচ খুব বেশি লাগেনি। চারা রোপণের আড়াই মাস পর থেকে তিনি ক্যাপসিকাম বিক্রি শুরু করেন। তবে ক্যাপসিকাম স্থানীয়ভাবে বিক্রি করা যায় না। বিক্রি করতে হয়েছে ঢাকার কাওরান বাজারে। প্রতিমণ ক্যাপসিকাম বিক্রি করা হয়েছে ৮ থেকে ৪  হাজার টাকায়। ইতিমধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ক্যাপসিকাম বিক্রি করা হয়েছে। এখন খেতে যে পরিমাণ ফসল আছে, তাতে অন্তত দেড় লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি। তবে ক্যাপসিকাম সবজিটি এ অঞ্চলের মানুষ খেয়ে অব্যস্ত না থাকায় স্থানীয়ভাবে ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে পড়েছি।

অনলাইন ঘেঁটে জানা যায়, ক্যাপসিকাম একটি বৈশ্বিক সবজি। এটাকে মিষ্টি মরিচ নামেও ডাকা হয়। বাংলাদেশেও তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। মিষ্টি মরিচের আকার ও আকৃতি বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে তবে সাধারণ ফল গোলাকার ও ত্বক পুরু হয়। মিষ্টি মরিচ দেশীয় প্রচলিত সবজি না হলেও ইদানিং এর চাষ বাড়ছে হচ্ছে। বড় বড় শহরের আশেপাশে সীমিত পরিসরে কৃষকরা এর চাষ করে থাকেন, যা অভিজাত হোটেল ও বিভিন্ন বড় বড় মার্কেটে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়াও মিষ্টি মরিচের বিদেশে রপ্তানির সম্ভাবনাও প্রচুর, কারণ সারা বিশ্বে টমেটোর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সবজি হচ্ছে মিষ্টি মরিচ। পুষ্টি মনের দিক থেকে মিষ্টি মরিচ অত্যন্ত একটি মূল্যবান সবজি বলে পুষ্টিবিদদের অভিমত। তাঁদের মতে, প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' থাকার কারণে এবং অতি সহজেই টবে চাষ করা যায় বলে দেশের জনসাধারণকে মিষ্টি মরিচ চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে।

হৃদয় মিয়ার বাবা আবু সাঈদ বলেন, হৃদয় মিয়া দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে। সে ইউটিউব দেখে আধুনিক পদ্ধতিতে ৪০ শতাংশ জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করেছে। পরিপক্ক হওয়ার প্রতিটি ক্যাপসিকাম ওজন হয় আড়াইশ গ্রাম। যা বাজারে বিক্রি করে পরিবারের অভাব-অনটন ঘোঁচবে বলে আশাবাদী। তবে, স্থানীয় বাসিন্দারা ক্যাপসিকাম সবজিটি খাওয়ায় অভ্যস্ত না থাকায় ক্যাপসিকাম স্থানীয় কোনো হাট-বাজারে বিক্রি করতে পারছি না। অনেকটা বাধ্য হয়েই বিক্রি করতে হচ্ছে ঢাকার কাওয়ান বাজারে নিয়ে গিয়ে। এতে সময় ও অর্থ দুটোই অপচয় হচ্ছে।

ক্যাপসিকাম পাশাপাশি বিভিন্ন জাতের আধুনিকায়ন পদ্ধতিতে কিছু জমিতে নাগাফায়ার মরিচ, টমেটো স্মার্ট-১২১৭, নাপসান ফুলকপি ও কিছু জমিতে বিগবস বেগুনের চাষ করেছি। কিন্তু আমাদের এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় উৎপাদিত পণ্য সহসায় বিক্রি করা যায় না। ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে হচ্ছে রাজধানী ঢাকার কাওরান বাজারে।

সাপধরী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বিএসসি বলেন, তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা হৃদয় মিয়ার ক্যাপসিকাম চাষ করা দেখে এলাকাবাসী আনন্দিত। এর আগে আমরা এ জেলায় কোথাও ক্যাপসিকামের চাষ দেখিনি। প্রথমবারের মতো এলাকায় চাষ করায় প্রতিদিনই দূর-দুরান্ত থেকে লোকজন ক্যাপসিকামের খেত দেখতে আসছেন। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু ক্যাপসিকাম খেত পরিদর্শন করেছেন। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে স্থানীয় কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষ বাড়াবে বলেও আমার বিশ্বাস।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এল এম রেজুওয়ান বলেন, ক্যাপসিকাম উচ্চ মূল্যের একটি নতুন ফসল। এ উপজেলায় প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে এ ফসল চাষ করে সাফল্য লাভ করেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা হৃদয় মিয়া। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। বাজারে দাম ও চাহিদা ভালো হওয়ায় এ উপজেলায় আগামীতে ক্যাপসিকামের চাষ আরো বাড়বে বলে আশা করছি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য জমি চায় সৌদি আরব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ৬০০ একর জমি চেয়েছে সৌদি আরব। সেই জমি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৬০০ একর জমি দেওয়ার বিষয় নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, সৌদি আরবকে ৩০০ একর জমি মীরসরাই ইকোনোমিক জোনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও ৩০০ একর তারা চায়। মোট ৬০০ একর সেখানে দেওয়ার জন্য আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি, যাতে ডেডিকেটেড সৌদি ইনভেস্টমেন্ট সেখানে হয়।

বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের এনার্জি সেক্টরে সৌদি আরব ইনভেস্ট করতে যাচ্ছে। আমাদের গ্রিন ইনার্জি সেক্টরে তারা ইনভেস্ট করার জন্য আগ্রহী। ফ্লটিং সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তারা আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনাল তারা অপারেট করতে যাচ্ছে। সেখানে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তারা ইনভেস্ট করবে। সেটি ২০ বছরের জন্য তাদের ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত মি. ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্ভাব্য সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। এই বছরের সেকেন্ড হাফে তার সফর কীভাবে হতে পারে, সে নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।


আরও খবর



পাকিস্তানে দফারফা শেষে সরকারে আসছে নতুন জোট

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কয়েকটি আসনে ফল ঘোষণা করা বাকি থাকলেও পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) কেন্দ্র এবং পাঞ্জাব প্রদেশে জোট সরকার গঠনে একমত হয়েছে।

পিএমএল-এনের প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরীফ পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে দেখা করে পাকিস্তানের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

এ ছাড়া পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মহসিন নকভির বাসভবনে পিপিপি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও দেখা করেছেন শাহবাজ। তিনি জারদারির সঙ্গে ভবিষ্যৎ সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং নওয়াজ শরিফের বার্তাও পৌঁছে দিয়েছেন।

ভোটের দুদিন পার হলেও এখনো সব আসনের ফল ঘোষণা করতে পারেনি পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। ২৬৫ আসনের মধ্যে ২৫২টি আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দলের চেয়ে বেশ ভালো ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তাদের অধিকাংশই ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে ফলাফলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। এই দুটি দলই জোট গঠনের বিষয়ে একমত হয়েছে।

জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬৫ আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৫২টি আসনের ফল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ১০৬টি আসন। তাদের মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী ৯৭ জন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন পেয়েছে ৭২টি আসন এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি পেয়েছে ৫২টি আসন।


আরও খবর



উখিয়ায় ভেসে আসা মরদেহ থেকে ৯৯টি বুলেট ও ২টি ম্যাগজিন উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়ায় খালের ঝিরি দিয়ে মিয়ানমার থেকে অজ্ঞাত মরদেহের সঙ্গে থাকা ৯৯টি বুলেট ও ২টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ১২টার দিকে উখিয়ার বালুখালি খালে এ মরদেহটি জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বালুখালি এলাকার মুদির দোকানদার মিসবাহ উদ্দিন। ওই মরদেহটি শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বালুখালি খালে নাফ নদী হয়ে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছিল। পরে ভাটার সময় দেখলাম সেটি সরে দূরে চলে গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, রবিবার মরদেহটি আবারও ভেসে আসলো। এখনো সেটি দেখা যাচ্ছে। এটা দেখার জন্য অনেক লোক জড়ো হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামীম হোসাইন বলেন, ভেসে আসা মরদেহটি খাঁকি রঙের হেলমেড পরিহিত ছিল। কোমরে ব্যাল্ট ছিল, শরীরের সঙ্গে বাঁধা একটি ব্যাগ থেকে ৯৯টি বুলেট, ২টি ম্যাগজিন পাওয়া যায়।

মরদেহটি মিয়ানমার থেকে ভেসে আসতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। কারণ সম্প্রতি উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় কোন লোক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪