আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

আন্দোলনের মুখে প্রাধ্যক্ষকে প্রত্যাহার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছাত্রীদের আন্দোলনের মুখে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন লিজাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপাচার্য বলেন, সিরাজুন্নেসা হলের বর্তমান সহকারী প্রাধ্যক্ষ যোবাইদা কনক খানকে ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাফরিন লিজা বর্তমানে ছুটিতে আছেন।

উপাচার্যের এ ঘোষণার আগে বিকেল চারটার দিকে আন্দোলনরত ছাত্রীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। সংবাদ সম্মেলন তারা বলেন, শনিবার সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে তাঁদের প্রধান দাবি মানতে হবে; অর্থাৎ জাফরিন লিজাকে পরিবর্তন করে নতুন প্রাধ্যক্ষ নিয়োগ দিতে হবে। তা না হলে ছাত্রীরা হলের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।

তবে প্রাধ্যক্ষ জাফরিন লিজাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলনরত ছাত্রীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এরপর আজ দুপুর ১২টা থেকে আন্দোলনরত ছাত্রীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে উপাচার্য বৈঠক করেন। বৈঠকে ছাত্রীদের প্রতিনিধিদল উপাচার্যের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ উত্থাপন করে তিন দফা দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলো হলো সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ ও সহকারী প্রাধ্যক্ষদের পদত্যাগ, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা দূর করে সুস্থ-স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব ও দায়িত্বশীল প্রাধ্যক্ষ কমিটি নিয়োগ।

বৈঠক শেষে বেলা একটার দিকে উপাচার্য কার্যালয় থেকে বের হয়ে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি দাবি করে পুনরায় ছাত্রীদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এরপর আজ দুপুর ১২টা থেকে আন্দোলনরত ছাত্রীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে উপাচার্য বৈঠক করেন। বৈঠকে ছাত্রীদের প্রতিনিধিদল উপাচার্যের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ উত্থাপন করে তিন দফা দাবি তুলে ধরে।

দাবিগুলো হলো

সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ ও সহকারী প্রাধ্যক্ষদের পদত্যাগ, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা দূর করে সুস্থ-স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব ও দায়িত্বশীল প্রাধ্যক্ষ কমিটি নিয়োগ। বৈঠক শেষে বেলা একটার দিকে উপাচার্য কার্যালয় থেকে বের হয়ে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি দাবি করে পুনরায় ছাত্রীদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

নিউজ ট্যাগ: শাবিপ্রবি

আরও খবর



জয়পুরহাটে আলুর কেজি ৫ টাকা, দিশেহারা চাষিরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ১৮০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটে প্রতিদিনই আলুর দাম কমছে। ভালো ফলন হলেও বাজারে দাম না থাকায় লোকসানের মুখে পড়ছেন জয়পুরহাট জেলার আলুচাষীরা। বর্তমানে স্থানীয়ভাবে প্রতি কেজি আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকা। ফলে খরচের তুলনায় লোকসান বেড়ে যাওয়ায় দিশেহারা তারা।

জয়পুরহাট শহরের নতুনহাটে আলু বিক্রি করতে আসা চাষীরা জানান যে, বাজারে আলু প্রতি মণ ছিল ৪৫০ টাকা তা আজ বাজারে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ২৫০ টাকার আলু ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এভাবে দিন দিন আলুর দাম কমে যাচ্ছে। রোমানা পাইকারি (লাল) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা মণ। আর প্রতি কেজি ১০ টাকা। বট পাইকারি (লাল) মিউজিকা আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকা মণ। গ্রেনোলা আলু প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।

আলুর পাইকারি ক্রেতা জহুরুল ইসলাম ও পরিতোষ কুমার বলেন, আলুর বাজার একদিন আগে যা ছিল পরের দিন তা থাকছে না। দাম হুহু করে কমে যাচ্ছে। আমরা যেসব আলু কিনছি এসব আলু ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মোকামে সরবরাহ করা হচ্ছে। কাঁচাবাজারের মূল্য সঠিকভাবে বলা যায় না। কিন্তু আলুর বাজার একেবারেই উঠছে না।

বাজারে গ্রানোলা আলু বিক্রি করতে আসা চাষীরা বলেন, প্রতি বিঘায় আলুর ফলন হচ্ছে ৫৮-৬০ মণ। আলু চাষে জমিতে ১৮-২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাজার হিসেবে আলু বিক্রি  করলে ১২-১৫ হাজার টাকার বেশি বিক্রি করা সম্ভব নয়। এতে আমাদের কয়েক হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। সরকারিভাবে রফতানি ও দাম নির্ধারণ করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের পলিকাদোয়া গ্রামের আলুচাষী মাসুদ রানা বলেন, জমি থেকেই আলু বিক্রি করে দিচ্ছি। আজ বাজারে ৩৭০ টাকা দরে ৮০ মণ মিউজিকা আলু বিক্রি করেছি। তবে প্রতি মণ ১০ টাকা কমে ৩৬০ টাকা দরে ৩০ মণ আলু বিক্রি করেছেন হিসমী  গ্রামের মাহবুব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, জেলায় এবার ৪০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৭ হাজার ১০০ হেক্টর, পাঁচবিবিতে ৭ হাজার, কালাইয়ে ১১ হাজার ১০০, ক্ষেতলালে ৯ হাজার এবং আক্কেলপুরে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। কিন্তু ৪০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

জেলা বিপণন বিভাগের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আলুর ভরা মৌসুম চলছে। এবার আলুর ফলন ভালো হয়েছে। এজন্য আলুর দাম কম।

নিউজ ট্যাগ: জয়পুরহাট আলু

আরও খবর



ব্যাংকারদের সর্বনিম্ন বেতন বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে প্রথমবারের মতো ব্যাংকারদের জন্য সর্বনিম্ন বেতন বেঁধে দিয়েছে। এ ছাড়া লক্ষ্য অর্জন করতে না পারলে বা অদক্ষতার অজুহাতে কোনো ব্যাংকারকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে, যা মার্চ থেকে কার্যকর হবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসিস্টেন্ট অফিসার/ট্রেইনি এসিস্টেন্ট অফিসার/ট্রেইনি এসিস্টেন্ট ক্যাশ অফিসার অথবা সমপর্যায়ের কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হোক না কেন, ব্যাংকের এন্ট্রি লেভেলে এরূপ নিযুক্ত কর্মকর্তাগণের শিক্ষানবিসকালে ন্যূনতম বেতন-ভাতাদি হবে ২৮,০০০.০০ টাকা।

এতে বলা হয়, শিক্ষানবিসকাল সমাপনান্তে ৩.১ ক্রমিকে বর্ণিত কর্মকর্তাগণের প্রারম্ভিক মূল বেতনসহ ন্যূনতম সর্বমোট বেতনভাতাদি হবে ৩৯,০০০.০০ টাকা। নতুন নির্ধারিত বেতন-ভাতাদি কার্যকর করার পর একইপদে পূর্ব হতে কর্মরত কর্মকর্তাগণের বেতন-ভাতাদি আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করতে হবে;কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীর বেতন-ভাতাদি কোনো অবস্থাতেই বর্তমান বেতন-ভাতাদির চেয়ে কম হবে না।

আরও বলা হয়, মেসেঞ্জার/পরিচ্ছন্নতাকর্মী/নিরাপত্তাকর্মী/অফিস সহায়ক অথবা সমজাতীয় পদে/সর্বনিন্ম যে কোনো পদে নিয়োগকৃত কর্মচারীগণের ন্যূনতম প্রারম্ভিক বেতন-ভাতাদি হবে ২৪,০০০.০০ টাকা

নতুন নির্ধারিত বেতন-ভাতাদি ০১ মার্চ ২০২২ তারিখ হতে কার্যকর হবে।


আরও খবর
কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে

বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২২

মিশ্র প্রবণতায় চলছে পুঁজিবাজারের লেনদেন

বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২২




বেগমগঞ্জে দুটি সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় কয়েকটি নতুন রাস্তা নির্মাণ ও পুরোনো সড়ক সংস্কার কাজে সিডিউল বহির্ভূত ভাবে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারের জিওবি মেন্টেনেজ প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি বেগমগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ের তত্তাবধানে চলছে এই নির্মাণকাজ।

এর মধ্যে দুটি রাস্তা নির্মাণে একেবারে নিন্মমানের ইট, ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও সড়কের পাশে থাকা গাইড ওয়াল গুলোও একেবারে নিন্মমানের ইট দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিডিউলের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো দুটি সড়কে নিন্মমানের কাজ করছেন ঠিকাদার। কাজের শুরু থেকেই তদারকি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে এসব অনিয়ম করে চলছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কে নিন্মমানের ইটের খোয়া ও সড়কের পাশের গাইড ওয়াল গুলো একেবারে যেনতেন ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্নধার আবদুল হামিদ রাজু নিন্মমানের ইট-বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, রাস্তায় ইট-বালু ভালো মানের ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে যাঁদের কাছ থেকে এগুলো নেওয়া হচ্ছে, তাঁরা তারা ভুলবশত মাঝে মধ্যে এক নম্বর ইটের মধ্যে কিছু খারাপ ইট দিয়েছে। 

বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী কামরুল ইসলাম একজন সহকারী প্রকৌশলীর বরাত দিয়ে দাবি করেন  সড়কে নিন্মমানের কিছু খোয়া আছে। তবে সড়কে তেমন নিন্মমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়নি। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো.একরামুল হক বলেন, নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার অভিযোগ পাওয়া গেলে নিন্মমানের উপকরণ সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এলাকাবাসী তাঁর দাবি নাকচ করে দিয়ে দুষছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। তারা বলছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা থাকায় নিন্মমানের কাজ হয়। এটা রাষ্ট্রও জনগণের সাথে এক ধরনের প্রতারণা। 


আরও খবর
ভোটকেন্দ্রে গাঁজাসহ এজেন্ট আটক

রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২




করোনা সংক্রমণে রেড জোনে ১২ জেলা

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা ও রাঙ্গামাটিসহ ১২ জেলাকে করোনা সংক্রমণের রেড জোনে বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে ৩২ জেলা। আর গ্রিন বা সবুজ জোনে রয়েছে ১৬ জেলা।

গত এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে গত ৭ দিনে (১০ জানুয়ারি ১৬ জানুয়ারি) শনাক্ত ৩৪ হাজার ৪০৫ পূর্ববর্তী ৭ দিনে (৩ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি) শনাক্তের চেয়ে ২৩ হাজার ৯৩১ জন বা ২২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেশি এ সময়ে (১০ জানুয়ারি ১৬ জানুয়ারি) গত ৭ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জন। 

যা পূর্ববর্তী ৭ দিনে (৩ জানুয়ারি ৯ জানুয়ারি) মৃত্যুর চেয়ে ৩৭ জন বেশি যা শতাংশ হিবেসে ১৮৫ শতাংশ মৃত্যু বেড়েছে এক সপ্তাহে। এর প্রভাবে নতুন করে ১০ জেলা রেড জোনে বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় প্রবেশ করেছে।

অধিক ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো হলো গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া বগুড়া, দিনাজপুর, রাঙ্গামাটি, লালমনরিহাট, খাগড়াছড়ি, পঞ্চগড়। আগের দুটি ঢাকা ও রাঙ্গামাটি।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ১১ শতাংশ এবং রাঙ্গামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় শনাক্তের হার ১৪.৪৮ শতাংশ, গাজীপুর করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৪৯, রাজশাহী ১৪.৭৪ শতাংশ, যশোর ১১ দশমিক ২১, কুষ্টিয়া ১১.৩৮ শতাংশ বগুড়া ১১.৮৪ শতাংশ, দিনাজপুর ১১.২৬ শতাংশ, লালমনরিহাট ১০ দশমিক ৭১, খাগড়াছড়ি ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, পঞ্চগড় ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে যে ৩২ জেলা এসব জেলার শনাক্তের হার ৫ ১০ শতাংশের মধ্যে। এগুলো সিলেট, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদাহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, শেরপুর, ঝালকাঠি, ঠাকুরগাঁও।

ঝুঁকিমুক্ত ১৬টি জেলায় শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে। এগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, ভোলা, নেত্রকোনা, গাইবান্ধা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বরগুনা, চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী, মেহেরপুর।

গতবছর করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করে জোনভিত্তিক লকডাউন করার পরিকল্পনা করেছিল সরকার।


আরও খবর



বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের উড়ন্ত সূচনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আইসিসি কমনওয়েলথ গেমস-২০২২ এর নারী বাছাইপর্বে উড়ন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। মালয়েশিয়ান নারী দলকে ৮ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের বোলিংয়ের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিকরা। কুয়ালালামপুরে নির্ধারিত ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ মাত্র ৪৯ রান। দলের পক্ষে দুই অঙ্কের রানের দেখা পেয়েছেন মাত্র দুজন। উইনিফ্রেড দুরাইসিঙ্গাম ১২ ও মাস এলিসা ১১ রান করেন।

৫০ রানের লক্ষ্য টপকাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি শামিমা সুলতানাদের। উদ্বোধনী জুটিতেই ৩৮ রান যোগ করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন শামিমা সুলতানা বিদায় নেন। এরপর মুর্শিদা খাতুন ১৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

এরপর নিগার সুলতানা (৩) ও ফারজানা হকের (৭) ব্যাটের ওপর ভর করে ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এদিন ম্যাচ সেরা হন বাংলাদেশের রুমানা আহমেদ।


আরও খবর
সাড়ে ৩ বছর নিষিদ্ধ ব্রেন্ডন টেলর

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২