আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আমের মুকুলে সুবাসিত বরগুনার প্রকৃতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

প্রকৃতিতে যখন মাঘের হাওয়ার শীতের কাঁপন চলছে। তখন শীত ভেদ করে পাতার ফাঁকে ফাঁকে এখন শতে শতে দেখা মিলছে আমের স্বর্ণালী মুকুলের। ইতিমধ্যে মৌ মৌ ঘ্রাণ ছড়াতেও শুরু করেছে প্রকৃতিতে।

রোদ-কুয়াশার লুকোচুরির মধ্যেই বরগুনার ৪নং ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া গ্রামের এ্যাড. সোহরাব এর আমের বাগানের প্রকৃতি সাজাতে স্বর্ণালী মুকুল প্রষ্ফুটিত হচ্ছে গাছে গাছে। তিনি এরই মধ্যে বাগান পরিচর্যায় নেমে পড়েছেন। এবার অনেক গাছে আগাম মুকুলের দেখা মিলছে। এতে সে এবং তার পরিবার সহ তার কমর্চারিরাও ভীষণ খুশি।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মৌসুম শুরুর আগে গাছে মুকুল আসা তেমনটা ভালো নয়। কারন আগেভাগে মুকুল আসায় কুঁয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে গাছে গাছে আগাম মুকুলে বাগানের মালিক সোনাখালী এলাকার নাসির উদ্দিন, ও অন্যান্য চাষিরাও খুশি।

শুক্রবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, চান্দখালী, লাকুরতলা, বুড়িরচর, সোনাখালী, কোটবাড়িয়া, আদম দরবার এলাকায় অপেক্ষাকৃত ছোট ছোট আম গাছে মুকুল আসতে শুরু হয়েছে। কিছু কিছু গাছে মুকুলে ছেয়ে গেছে গাছ। সোনারাঙা সেই মুকুলের সৌরভ ছড়াচ্ছে বাতাসে। প্রজাপতি, মৌমাছি মধু সংগ্রহে ব্যাস্ত হয়ে পরছে। অন্যদিকে মুকুল আসা শুরুর পর থেকেই বাগানের পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বাগানের মালিক, চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

আম চাষি ও বাগান মালিকরা বলছেন, মাঘের মাঝামাঝিতে গাছে মুকুল দেখে তারা বুঝছেন, আমের মৌসুম এসে গেছে। বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে পরিশ্রম শুরু করে দিয়েছেন। ভালো ফলনের আশায় জোরেশোরে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার গাছগুলোতে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবারও আমের বাম্পার ফলন হবে।

বরগুনা অঞ্চলে ১৫ থেকে ২০ জাতের আম চাষ হয়ে থাকে। আর সারা বাংলাদেশে রয়েছে ২শ ৫০ জাতের। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ফজলী, গোপাল ভোগ, মোহন ভোগ, ন্যাংড়া, ক্ষিরসাপাত, হিমসাগর, কৃষাণ ভোগ, মল্লিকা, লক্ষণা, আম্রপলি, দুধসর, দুধকলম, বিন্দাবনী, আরজান, রাণী পসন, মিশ্রীদানা, সিঁন্দুরী, আশ্বিনা সেই সঙ্গে নানা প্রকার গুটি আম।

বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া আদম দরবার এলাকার এ্যাড. সোহরাব হোসেন মামুন আম চাষি জানান, তার একটি আম বাগান রয়েছে। অধিকাংশ গাছেই মুকুল দেখা দিয়েছে। তাও খুব সামান্য। সম্ভাব্য মুকুলের মাথাগুলোকে পোকা মাকড়ের আক্রমন থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে। তবে কিছুদিন থেকে ঘন কুয়াশার কারনে মুকুল কিছুটা নষ্ট হয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, এবার শেষ সময়ে শীতের প্রকোপ থাকার পরেও আমের মুকুল এসেছে। তাদের ভাষ্য, জলবায়ূ পরিবর্তনের কারণে অপেক্ষাকৃত উষ্ণ এলাকায় কিছু কিছু গাছে আগাম মুকুলের দেখা মিলেছে। ফাল্গুনের শুরুতেই এবার শতভাগ গাছেই প্রষ্ফুটিত হবে মুকুল। আর এক সপ্তাহের মধ্যে পাল্টে যাবে আম বাগানের চেহারা। তখন গাছে গাছে দেখা মিলবে শুধু মুকুল আর মুকুল। স্বর্ণালী মুকুলের সুবাসিত গন্ধে মুখরিত হবে বরগুনা। তার আভাস এখনই পাওয়া যাচ্ছে বরগুনার প্রকৃতিতে। তাই আম প্রধান এই অঞ্চলের মানুষের এখনই সময় কাটটে শুরু করেছে আম গাছ ও মুকুলের যত্নআত্তি নিয়েই।

এদিকে এরইমধ্যে মুকুলের উকিতে গাছে গাছে প্রজাতির, মৌমাছির গুঞ্জন শুরু হয়েছে। মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ যেন জাদুর মতো কাছে টানছে তাদের। গাছের প্রতিটি শাখা-প্রশাখায় তাই চলছে মৌমাছি আর ভ্রমরের সুর-ব্যঞ্জনা। বছর ঘুরে আবারও তাই ব্যাকুল হয়ে উঠেছে আম চাষিদের মন।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতেও চাষ হয়ে থাকে নানা জাতের আম। লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছরই আম চাষের জমি বাড়ছে বরগুনায়। কৃষি বিভাগ জানায়, আমের ফলন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরাও।

বরগুনা সদর উপজেলার বেতাগী উপজেলার আমবাগান মালিক অ্যাড. মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার বাগানে কিছু ড়কিছু গাছে মুকুল দেখা দিয়েছে। তবে ২০-২৫ দিনের মধ্যে সব গাছে মুকুল চলে আসবে।

বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মো. জোবায়দুল আলম বলেন, এখনও পুরোদমে গাছে মুকুল আসেনি। তবে কিছু কিছু গাছে এসেছে। এ সময় পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু আমাদের সাধারণ চাষিদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে কিছু প্রতিষ্ঠান অতি মুনাফার লোভে অতিরিক্ত রাসায়নিক ও হরমোন প্রয়োগ করাচ্ছে। এতে আমের গুণগত মান ঠিক থাকছে না।

নিউজ ট্যাগ: বরগুনা

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অবশেষে ভারতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন বিক্রির অনুমোদন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নানা নাটকীয়তার পর ভারতের কাছে প্রায় চারশ কোটি ডলার মূল্যের সশস্ত্র ড্রোন বিক্রির বিয়ষটি অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির আওতায় ৩১টি সশস্ত্র ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পাবে ভারত।

২০২৩ সালের জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় এমকিউ-৯বি প্রিডেটর ড্রোন চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে হঠাৎ করেই নিজেদের সিদ্ধান্তে বদল এনেছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রে শিখ নেতা গুরপতবন্ত সিং পান্নুনকে হত্যাচেষ্টায় ভারতের যুক্ত থাকার তদন্ত ঝুলে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে ডিসেম্বরে চুক্তিটি স্থগিত করেছিল মার্কিন সিনেট কমিটি।

এবার পেন্টাগন জানিয়েছে, এ চুক্তির আওতায় ভারত ৩১টি সশস্ত্র এমকিউ-৯বি স্কাইগার্ডিয়ান ড্রোন, ১৭০টি এজিএম-১১৪আর হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র, ছোট ব্যাসের ৩১০টি লেজার ক্ষেপণাস্ত্র, যোগাযোগ ও নজরদারি সরঞ্জামসহ একটি প্রিসিশন গ্লাইড বোমা পাবে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে শিখ নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের পূর্ণ তদন্তে ওয়াশিংটন রাজি হওয়ার পর ওই বিক্রয় চুক্তি আটকে রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন সিনেটর বেন কার্ডিন।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিককে হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রে দিল্লিকে অভিযুক্ত করেছিল ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের সেই নাগরিকই হলেন খালিস্তান আন্দোলনের নেতা পান্নুন।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মনে হচ্ছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেই বসে আছি : ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

এজলাসে বসে বাংলাদেশের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের অন্য দুই বিচারপতিসহ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এজলাসে উঠেন। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানান। পরে একে একে বিচারকাজ চলতে থাকে।

একেবারে শেষ পর্যায়ে এজলাস ছাড়ার আগে ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আমার জন্য এটা সম্মানের যে আপনাদের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারলাম। তিনি বলেন, আমার অন্য দুই কলিগকে নিয়ে বসে আছি, মনেই হয়নি বাংলাদেশে আছি। কারণ, এমন আদেশ আমাকেও দিতে হয় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। এ সময় এজলাসে সবাই হেসে ওঠেন।

পরে বাংলাদেশের আইনজীবী ও বিচারপতিদের ভারতের বিচারকাজ পরিদর্শনে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আমন্ত্রণ জানিয়ে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আপনারা আসুন, আমাদের বিচারকাজও পরিদর্শন করুন। ভারত ও বাংলাদেশের বিচারের সংস্কৃতি একই রকম।

ভারতের প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আপনাদের বার সভাপতি আইনজীবীদের ট্রেনিংয়ের যে কথা বলেছেন, তা আমি ফরোয়ার্ড করে দেবো। তবে এক্ষেত্রে তরুণ আইনজীবীদের প্রাধান্য দিতে বলবো। পরে সর্বোচ্চ আদালতে নিয়ে আসায় প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে উঠে যান তিনি।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। তিনি দেশটির ৫০তম প্রধান বিচারপতি। ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর শপথ নেয়া বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের প্রধান বিচারপতি হিসেবে মেয়াদ ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।

ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বাবা ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত টানা সাত বছর তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবা-ছেলের দেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার এমন নজির ভারতে আর নেই। বাবার দেয়া দুটি রায়ও ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় খণ্ডন করেছিলেন। বলেছিলেন, বাবার দেয়া রায়ে গুরুতর ত্রুটি ছিল। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে এটাও নজিরবিহীন ঘটনা।

রামের জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের অংশীদার ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্যও ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলার রায় দিয়েছিলেন। আধার মামলার রায় দেয়া বেঞ্চের সদস্যও ছিলেন তিনি। সেই মামলার রায়ে চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, সব তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আধারকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করা হলে, তাতে ব্যক্তি অধিকার খর্ব হতে পারে।


আরও খবর
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিশ্ব ইজতেমায় দ্বিতীয় দিনের বয়ান চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের আম বয়ান চলছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য নিজের ইমান, আমল ও আখলাককে পরিপূর্ণ শুদ্ধরূপে গড়ে তুলতে বয়ান শুনছেন ইজতেমার শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বিরা।

আগামীকাল রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। শনিবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে বলে ইজতেমা সূত্রে জানা  গেছে।

এর আগে হেদায়েতি বয়ান করা হবে। তাবলীগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বিদের পরামর্শের ভিত্তিতে বিশ্ব তাবলিগ জামায়াতের শীর্ষ মুরুব্বি বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আখেরি মোনাজাতে প্রায় ৩৫-৪০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেবেন বলে আয়োজকদের ধারণা। ইজতেমার প্রথম পর্বে শিল্প নগরী টঙ্গী ইতোমধ্যেই ধর্মীয় নগরীতে পরিণত হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> বিশ্ব ইজতেমায় পুলিশ সদস্যসহ সাতজনের মৃত্যু

শনিবার সকালেই টঙ্গী শহর এবং ইজতেমাস্থল ও এর আশপাশের এলাকা যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় আগত লাখ লাখ মুসল্লির আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। শনিবারও টঙ্গী অভিমুখী বাস, ট্রাক, ট্রেন, লঞ্চসহ বিভিন্ন যানবাহনে ছিল মানুষের ভিড়। রোববার আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত মানুষের এ ঢল অব্যাহত থাকবে।

ধুলা, ময়লা, শীত, বৃষ্টিসহ নানা প্রতিকূলতা উপক্ষো করে সবারই মনোযোগ আলেমদের বয়ানের দিকে। আর আল্লাহু আকবর ধ্বনিতে টঙ্গীর তুরাগ তীর মুখিরত। ফজরের নামাজের পর থেকে রাত পর্যন্ত অবিরাম চলছে বিভিন্ন ভাষায় বয়ান। দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট আলেমগণ বিভিন্ন বিষয়ের উপর বয়ান করছেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মনোনিবেশ করে ঈমান, আখলাক ও দ্বীনের বিভিন্ন বয়ান শুনেন। প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিন শনিবার বাদ ফজর থেকে তুরাগ তীরে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে লাখ-লাখ মুসল্লির উদ্দেশ্যে চলে পবিত্র কোরআন-হাদিসের আলোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বয়ান।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে শনিবার বাদ ফজর মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান, তার বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিন।

বাদ জোহর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইসমাইল গোদরা। বাদ আসর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান। বাদ আসর যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা।

সকালে বয়ানে ওলামায়ে কেরাম বলেন, পরকালের চিরস্থায়ী সুখ শান্তির জন্য আমাদের প্রত্যককে দুনিয়াতে জীবিত থাকা অবস্থায় দ্বীনের দাওয়াতের কাজে জানমাল দিয়ে মেহনত করতে হবে। ঈমান আমলের মেহনত ছাড়া কেউ হাশরের ময়দানে কামিয়াব হতে পারবে না।

বয়ানে বলা হয়, দাওয়াতের মেহনত হলো নবুওয়াতি মেহনত। এই মেহনত খুলুসিয়াত ও আজমতের সাথে যারা করবে তাদের যেকোন আমলের ফজিলত বহুগুণ বেড়ে যায়। ইজতেমায় মূল বয়ান উর্দুতে হলেও অংশ নেওয়া বিভিন্ন ভাষাভাষি মুসল্লিদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে বাংলা, ইংরেজি, আরবি, তামিল, মালয়, তুর্কি ও ফরাসিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ১৪ কর্মকর্তা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (গ্রেড-২) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন পুলিশের ১৪ কর্মকর্তা। সুপারনিউমারারি পদের বিপরীতে এসব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

সুপার নিউমারারিতে পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন- পুলিশ টেলিকমের এ কে এম শহিদুর রহমান ও বশির আহম্মদ, পুলিশ ট্রেনিং ড্রাইভিং স্কুলের মইনুল ইসলাম, স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটেলিয়নের গোলাম কিবরিয়া, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, সিআইডির কুসুম দেওয়ান, পুলিশ সদর দপ্তরের আনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এ কে এম হাফিজ আক্তার ও ড. খঃ মহিদ উদ্দিন এবং রংপুর রেঞ্জের আব্দুল বাতেন।

এছাড়া নিয়মিত পদোন্নতির অংশ হিসেবে উপমহাপরিদর্শক থেকে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক হয়েছেন চারজন। এসব কর্মকর্তারা হলেন- পুলিশ সদর দপ্তরের খন্দকার লুৎফুর কবির ও তওফিক মাহমুদ চৌধুরী, এটিইউয়ের আব্দুল আলীম মাহমুদ এবং হাইওয়ে পুলিশের মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া।


আরও খবর



নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বিপত্তি, যুবকের পা কামড়ে দিল হাঙর

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ঘটলো বিপত্তি। হাঙরের হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের পালঘরে বৈতরণ নদীতে। নদীটি নাসিক ও পালঘর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে।

খবর অনুসারে, ভিকি গোয়ারি মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মাছ ধরার জন্য কিছু লোকের সাথে উপসাগরে প্রবেশ করেন। কিন্তু তাদের অবাক করে দিয়ে উপসাগরে একটি হাঙর উপস্থিত হয় এবং ভিকির পায়ে কামড় দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

লোকটি বেঁচে গেলেও তার বাম হাঁটুর নিচের প্রায় অর্ধেক পা হাঙরের আঘাতে কেটে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

ভিকিকে দ্রুত মনোরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে দেখতে তীরের কাছে ভিড় জমে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় এক ব্যক্তির তোলা ভিডিওতে দেখা যায়, হাঙরটি পানি থেকে উঠে এসে লেজ নাড়ছে। স্থানীয়রা জাল ব্যবহার করে মাছটি ধরে তীরে নিয়ে আসে। পানিতে আরও হাঙর আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪