আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

আমার বিজয় সুনিশ্চিত : আইভী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন আজ শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি)। এ উপলক্ষে সকালে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাকে পরাজিত করতে অনেক পক্ষ হয়েছে। কীভাবে আমাকে পরাজিত করা যায় তার চেষ্টা অনেকেই করছে। তবে সবাই জানে আমার বিজয় সুনিশ্চিত।

নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আইভী বলেন, আমি সহিংসতার বিপক্ষে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমার সম্পর্কে চাচা। আমাদের বাসায় তার অনেক আগে থেকে যাতায়াত রয়েছে। তার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। কিন্তু ভোটযুদ্ধে আমরা প্রতিপক্ষ।

আইভী বলেন, সহিংসতা হলে আমারই ক্ষতি হবে। আমার যে কেন্দ্রগুলো জমজমাট, ভোট বেশি, সেখানে অন্যরা সমস্যা করতে পারে। যাতে আমার ভোটাররা কেন্দ্রে না আসতে পারে। আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছি। তারা যেন সজাগ থাকে সেটা বলেছি।

কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচন প্রভাবিত করার জন্য এখানে আসছে এমন অভিযোগের জবাবে আইভী বলে, ঢাকা থেকে নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষণে এসেছে তারা। এখানে কোনো ঝামেলা হচ্ছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করছে। তারা আমার জয় নিয়ে শঙ্কিত নয়, কখনো ছিল না। তাই প্রভাবিত করার কিছু নেই।

আগের নির্বাচনগুলোর চেয়ে এই নির্বাচন কঠিন হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আইভী বলেন, সবগুলো নির্বাচনই চ্যালেঞ্জিং ছিল। এই নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ একটু বেশি। এর বিভিন্ন কারণ রয়েছে।’


আরও খবর



চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২ | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সর্বশেষ ভোট প্রদান করেন অভিনেতা পীরজাদা শহীদুল হারুণ। তিনি এই নির্বাচনের প্রধান কমিশনারের দায়িত্বও পালন করছেন। ভোটগ্রহণ শেষে গণমাধ্যমের কাছে তথ্যটি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেন।

পীরজাদা হারুণ বলেন, ৪২৮ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬৫ জন ভোট দিয়েছেন। আমরা এতো ভোট আশাও করিনি। করোনার কারণে  সবগুলো সংগঠনকে নিয়ে নির্বাচন করতে আমাকে অনুমতি দেয়নি এফডিসি কর্তৃপক্ষ। এরপরও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, ২০২২-২৪ মেয়াদের এই নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। প্রতি বছরই শিল্পী সমিতির ভোট গণনায় দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, ভোটগুলো বেশ কয়েকটি ভাগে গণনা করতে হয়। এ কারণেই অধিক সময় লাগে।

এবার বাইরে প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে গণমাধ্যম কর্মী থেকে শুরু করে প্রার্থী সবাই ভোট গণনা দেখতে পারবেন। তাই বিষয়টি নিয়ে কার সংশয় থাকবে না বলে আশাব্যক্ত করেছেন পীরজাদা হারুণ।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টায় শুরু হয় শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। প্রথম ভোটটি দিয়েছিলেন এবারের সভাপতি পদপ্রার্থী ইলিয়াস কাঞ্চন। এরপর একে একে অন্য প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা ভোট দেন।

শিল্পী সমিতির এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দুটি প্যানেল। একটি গঠন করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ আক্তার। অন্যটিতে আছেন মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান। দুটি প্যানেলে রয়েছে একাধিক প্রজন্মের বহু তারকা।


আরও খবর
টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন জায়েদ খান : নিপুণ

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




অধ্যাপক সাইদা হত্যা: আনোয়ারুল ৩ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা গাফফার হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে আনারুলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে গাজীপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ হাজির করে পুলিশ। পরে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মেহেদী পাভেল সুইট তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কাশিমপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব-এ খোদা জানান, গ্রেফতার আনারুল গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর থানার বুজুর্গ জামালপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। অধ্যাপক সাইদা গাফফারকে হত্যার পর তিনি তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায় পালিয়ে যান।

ওসি জানান, গ্রেফতার আনারুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তবে কী কারণে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং নিহতের বাড়ি থেকে কি কি জিনিস তিনি লুট করেছেন- সেসব জানার জন্য রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সানোয়ার জাহান জানান, হত্যাকাণ্ডের পর আনারুল গাইবান্ধার পলাশবাড়ি এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে রাতযাপন করেন। পরদিন তিনি তার গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাহপুরে চলে যান।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশের দুটি টিম আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আনারুলের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে পুলিশ গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাদুল্লাহপুর থানার জাউলিয়া বাজার থেকে আনারুল অটোরিকশা যোগে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে নিহত অধ্যাপক সাইদা গাফফারের ব্যবহৃত একটি বাটন মোবাইল, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট এবং নগদ ২ হাজার ৬৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

এদিকে শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহত অধ্যাপক সাইদা গাফফারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে তার স্বজনরা মরদেহ ঢাকায় নিয়ে যান। রাতে ঢাকায় জানাজা শেষে তাকে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে সকালে কাশিমপুরের পানিশাইল পলাশ হাউজিংয়ের একটি জঙ্গল থেকে অধ্যপক সাইদা গাফফারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ১১ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।


আরও খবর



দীর্ঘ ৭৭ বছর পর আনা ফ্রাঙ্কের ‘বিশ্বাসঘাতক’ শনাক্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি নতুন এক তদন্তে নাৎসিদের হাতে আনা ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবারকে তুলে দেয়ায় অভিযুক্ত এক সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে ওই ব্যক্তিই আনা ফ্রাঙ্কের পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। যদিও শনাক্ত হওয়া ভ্যান ডেন বার্গ নামের ওই ব্যাক্তি ১৯৫০ সালে মারা গেছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বহুল আলোচিত চরিত্র ইহুদি কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ক। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে এক নাৎসি বন্দিশিবিরে মারা যান আনা। এর ছয় মাস আগে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের একটি গোপন জায়গা থেকে আনা ও তার পরিবারের সদস্যদের আটক করে নাৎসি বাহিনী।

কৌশলে লুকিয়ে থাকতলেও তারা কীভাবে পড়ে তা অবশ্য সে সময় জানা যায়নি। তাদের ধরিয়ে দিতে কে বা কারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এ বিষয়ও ছিল আড়ালে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘ ৭৭ বছর পর কিশোরী আনাকে ধরিয়ে দেয়ার পেছনে কে ছিলেন তা বেরিয়ে এসেছে নতুন এক তদন্তে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তদন্তকারী দলে রয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ইতিহাসবিদ ও বিশেষজ্ঞরা।

এই তদন্তে সময় লেগেছে ছয়টি বছর।তদন্ত শেষে এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা ভিন্স প্যানকোকে আরনল্ড, ভ্যান ডেন বার্গ নামের আমস্টারডামের ওই ইহুদি ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেছেন।

নানা সূত্র মিলিয়ে আরনল্ড বলছেন, নাৎসিদের হাত থেকে নিজের পরিবারকে বাঁচাতেই হয়তো আনা ও তার পরিবারকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন ভ্যান ডেন বার্গ।

আমস্টারডামের ইহুদি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন ভ্যান ডেন বার্গ। এই কাউন্সিলকে ইহুদি এলাকায় নাৎসি নীতি বাস্তবায়নে বাধ্য করা হয়েছিল।

১৯৪৩ সালে যুদ্ধ চলাকালে এই কাউন্সিল ভেঙে দেয়া হয় এবং এর সদস্যদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। যদিও ভ্যান ডেন বার্গকে ওই সময় ক্যাম্পে পাঠানো হয়নি। তিনি তখন আমস্টারডামেই বাস করছিলেন।

সে সময় এটিও শোনা গিয়েছিল যে, ইহুদি কাউন্সিলের এক সদস্য নাৎসিদেরকে তথ্যপাচার করছেন।

সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস প্রোগ্রামে এফবিআইর সাবেক এজেন্ট ভিন্স প্যানকোক বলেন, ভ্যান ডেন বার্গ তখন এমন পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন যে,পরিবারসহ তার ক্যাম্পে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনও উপায় ছিল না। আর সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতেই, বিনিময়েই তিনি আনা ফ্রাঙ্ক ও তার পরিবারের তথ্য নাৎসি বাহিনীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

পরিবারসহ ধরা পড়ার আগে আনার বাবা ওটো ফ্রাঙ্কের কাছে একটি চিরকূট এসেছিল অজ্ঞাত কারও কাছ থেকে। ওই চিরকূটে লেখা ছিল বিশ্বাসঘাতকের সম্পর্কে। তবে সে সময় ওটো ফ্রাঙ্ক বিষয়টি চেপে গিয়েছিলেন।

এর কারণ হিসাবে এফবিআইয়ের কর্মকর্তা বলছেন,ইহুদি বিদ্বেষী ওটো ফ্রাঙ্ক হয়তো ভেবেছিলেন, বিশ্বাসঘাতকের নাম প্রকাশ করলে তা শুধু আগুনে ঘিই ঢালবে।

ডাচ পত্রিকা ডি ভল্কসক্রান্ট জানিয়েছে, ১৯৫০ সালে মারা গেছেন ভ্যান ডেন বার্গ। আনা ফ্রাঙ্কের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার সন্দেহে গত কয়েক দশকে কয়েক ডজনেরও বেশি মানুষের নাম শোনা গেছে। তবে আগে কখনই আধুনিক তদন্ত কৌশল কাজে লাগিয়ে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করার এমন চেষ্টা করা হয়নি।

১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট গ্রেফতার হন আনা ও তার পরিবার। আনাকে পাঠানো হয় ওয়েস্টারবর্কের শিবিরে। এরপর তাকে নেয়া হয় জার্মানিতে নাৎসি বাহিনীর বার্গেন-বেলসেন শিবিরে। সেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আনা।

মেয়ের মৃত্যুর পর বাবা ওটো ফ্রাঙ্ক আনার হৃদয়স্পর্শী একটি ডায়েরি পান। প্রথম সেটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ২৫ জুন। বিশ্বজুড়ে ডায়েরিটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। ডায়েরিটি ২০০৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


আরও খবর



বন্ধুর স্ত্রীকে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৮২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বন্ধুর স্ত্রীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একটি ওষুধ কোম্পানির ম্যানেজার প্রতারক লুত্ফর রহমানের (৪৫) বিরুদ্ধে। ঐ প্রতারক গোপনে অশ্লীল ভিডিও ধারণ ও ভয় দেখিয়ে গৃহবধূর কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন ২০ লাখ টাকাসহ ১৫ ভরি স্বর্ণ। প্রতারকের হাত থেকে বাঁচতে গৃহবধূ র‌্যাবের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর সোমবার রাতে উপজেলার জামুর্কি ইউনিয়নের পাকুল্যা এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব অবশেষ লুত্ফরকে গ্রেফতার করে।

লুত্ফর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী গ্রামের মো. মইনুল হকের ছেলে।

গত মঙ্গলবার টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সূত্র জানায়, বেক্সিমকো ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত লুত্ফর রহমান পাকুল্যা বাজারের সোনালী ব্যাংকের মোহনা টাওয়ারের চারতলা বাসায় ভাড়া থাকতেন। চাকরির সুবাদে সখীপুর উপজেলার এক বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে নানা প্রলোভন ও প্রতারণার ফাঁদ পেতে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।


আরও খবর



শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের ৫ ধাপ অগ্রগতি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশ আরও ৫ ধাপ এগিয়েছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া ৪০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা হেনলি অ্যান্ড পার্টনারসের প্রকাশিত এক সূচকে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে ১০৩তম দেশের অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া ও কসোভো। এর আগে, গত বছরের অক্টোবরে পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৮তম।

পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের। দেশটির পাসপোর্টধারীরা আগামী ভিসা ছাড়া ৮৮টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। আর দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশ বাংলাদেশের পেছনে অবস্থান করছে। এর মধ্যে পাকিস্তান ১০৮তম ও নেপাল ১০৫তম। সাত ধাপ এগিয়ে ৮৩তম অবস্থানে উঠে এসেছে ভারত। দেশটির পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া ৬০টি দেশে যাওয়া যায়।

বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হচ্ছে জাপান ও সিঙ্গাপুরের। দেশ দুটির নাগরিকেরা আগাম ভিসা ছাড়াই ১৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন। আর তালিকায় ১১১তম হয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া মাত্র ২৬টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।


আরও খবর