আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আজকের রাশিফল: মঙ্গলবার ৭ নভেম্বর ২০২৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

আজ নতুন কী ঘটতে চলেছে? আজ কি আপনার জন্য ভাল কিছু অপেক্ষা করে আছে? কেমন থাকবে আপনার আর্থিক অবস্থা? নাকি খারাপ কিছুর অপেক্ষা করে আছে আপনার ভাগ্যে। বিখ্যাত জ্যোতিষীর দ্বারা বিশ্লেষণের পর আজকের দিন নিয়ে ভবিষ্যত গণনা জানুন আপনার আজকের রাশিফলে।

মেষ : এমন কোনও কাজ করুন, যা আপনার ভালো লাগে। অতীতের বিনিয়োগগুলি থেকে আজ লাভ পাবেন। আজ সারাদিনের ব্যস্ততা থাকলেও সন্ধ্যার পরে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

বৃষ : ভবিষ্যতের জন্য আজ থেকেই সঞ্চয় করা শুরু করুন। নিজের শরীরের প্রতি নজর দিন। শরীর ভালো রাখার মত কাজ করুন। বাড়ির কারোর জন্য গহনা কেনা হতে পারে। প্রেমের মানুষের সাথে সুন্দর সময় কাটবে।

মিথুন : সঠিক কাজ এবং চিন্তা আপনাকে সাফল্য এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধুরে আটকে থাকা টাকা আজ ফেরত পেয়ে যাবেন। প্রিয়জনকে সন্দেহ করবেন না। এর ফলে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। অবসর সময় নিজের কাজে লাগান।

কর্কট : আপনার সহনশীলতা এবং নির্ভীক মনোভাব সকলের প্রশংসা পাবে। স্ত্রীয়ের সাথে ভালো বোঝাপড়া পরিবারে শান্তি নিয়ে আসবে। অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করবেন না। ইতিবাচক কোনও বই পড়লে মন ভালো হবে।

সিংহ : আজ আপনি খুশির মেজাজে থাকবেন। আজকের নতুন বিনিয়োগগুলি আপনাকে লাভ দেবে। স্ত্রীয়ের স্বাস্থ্য ভালো নাও থাকতে পারে। তাকে মানসিকভাবে সহযোগিতা করুন। বিয়ের ব্যাপারে আজ কথা হতে পারে।

কন্যা : জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে যত্ন নিন। অলসতা জীবনে সমস্যার তৈরি করতে পারে। ধার দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন। ফলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। অকারণ রাগ পরিস্থিতি জটিল করতে পারে।

তুলা : আজ কোথাও ঘুরতে যাওয়া হতে পারে। বন্ধুদের সাথে আনন্দ করতে পারবেন। অকারণ টাকা পয়সা খরচ করলে আর্থিক অবস্থা সঙ্গিন হতে পারে। কোনও সামাজিক জমায়েতে যোগ দিতে পারেন। পরিবারের জন্য খুশির খবর আসবে।

বৃশ্চিক : মন থেকে বিষাদ ঝেড়ে ফেলুন। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সব কাজে এগিয়ে যান। কোনও কাছের মানুষের সাথে ঝগড়া হতে পারে। পারিবারিক বিবাদের সময় নিজেকে সংযত রাখুন। বাড়ির কেনাকাটায় কিছু খরচ হবে।

ধনু : অকারণ আশঙ্কায় মানসিক চাপে থাকবেন। কাউকে টাকা ধার দেওয়ার আগে সবদিক ভালো করে বিবেচনা করা উচিত। দূরের কোনও আত্মীয়ের থেকে সুখবর আসতে পারে। কোনও ধর্মীয় স্থানে যাওয়া হতে পারে।

মকর : আজ বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাবেন না। আজ ভালোবাসার মানুষের প্রতি নিজের টান উপলব্ধি করবেন। যোগাভ্যাস এবং ধ্যানে কিছুটা সময় কাটালে মনে শান্তি পাবেন। নির্জনে থাকার চেষ্টা করুন।

কুম্ভ : আজ সমস্ত ব্যস্ততা এবং মানসিক চাপ থেকে দূরে গিয়ে বিশ্রাম নিন। আর্থিক সমস্যাগুলি থেকে আজ মুক্তি পাবেন। বাচ্চাদের সাথে সময় কাটিয়ে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হবেন। কোনও ভুলের জন্য গুরুজনদের থেকে ধমক পেতে পারেন।

মীন : আজ ব্যবসায় প্রচুর লাভ হবে। সারাদিন জাঁকজমকের সাথে কাটবে। তবে এর মধ্যেও আপনি কোনও প্রিয়জনের অভাব অনুভব করবেন। প্রেমিক প্রেমিকাদের মধ্যে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ছেলে বেলার স্মৃতিচারণ আনন্দ দেবে।

 


আরও খবর
নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২৩ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রান্সফরমার চুরি করতে এসে চার চোর আটক

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ট্রান্সফরমার চুরির সময় চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক করেছেন এলাকাবাসীরা। শনিবার সকালে উপজেলার ইসলামাবাদ (গোগদ) এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়।

আটকরা হলেন- উপজেলার মীর সরাইল এলাকার মুগল মিয়ার ছেলে তারেক মিয়া (২৮), দামাউড়া এলাকার আবুল উদ্দিনের ছেলে মো: শিপন মিয়া (২৭), অরুয়াইল এলাকার শওকত মিয়া ছেলে হাবিব মিয়া (৫০) ও নাসিরনগর এলাকার চাতলপাড় এলাকার মৃত: চান মিয়ার ছেলে সাদেক মিয়া (৩৮)।

স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কের পাশে ইসলামাবাদ এলাকায় খুঁটি থেকে ট্রান্সমিটার খুলছিলেন চোর চক্রের সদস্যরা। ট্রান্সমিটারটির ভেতরের কয়েলে ব্যবহৃত তামার ক্যাবল বের করার সময় টের পায় স্থানীয় কয়েকজন লোক। এরপর তাদেরকে আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, ট্রান্সফরমারের ভিতরের কয়েল থেকে পিতলের তার চুরির সময় ৪ চোরকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশকে খবর দেয় এলাকাবাসীরা। তাদেরকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


আরও খবর



ফেসবুকে বাংলাদেশি পুরুষ কমছে, নারী বাড়ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশি পুরুষ ব্যবহারকারীদের উপস্থিতি কমছে। তবে নারী ব্যবহারকারীদের উপস্থিতি বেড়েছে।

সম্প্রতি পোল্যান্ডভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নেপোলিয়নক্যাটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করে।

জানা গেছে, গত এক বছরে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারী ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। আর গত এক মাসে বেড়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। আর গত এক বছরে পুরুষ ফেসবুক ব্যবহারকারী ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৩৯ লাখ ৫৫ হাজার ১০০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ। আর নারী ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নারী ব্যবহারকারী ৩২ দশমিক ১ শতাংশ এবং পুরুষ ৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ ছিলেন।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারকারী ৫ কোটি ৭২ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ জন। যার ৬৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৪ শতাংশ নারী। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ ছিলেন নারী। আর পুরুষ ছিলেন ৬৮ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ ২ দশমিক ৬ শতাংশ নারী ব্যবহারকারী বেড়েছে এবং একই হারে পুরুষ ব্যবহারকারী কমে গেছে।

তবে নেপোলিয়নক্যাটের তথ্যানুযায়ী ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ইনস্টাগ্রামে। এতে গত এক বছরে দেশের নারী ব্যবহারকারী কিছুটা কমেছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে প্রতি ১০০ জন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর মধ্যে ৬৬ জনই পুরুষ। শতাংশের হিসাবে নারী ৩০ দশমিক ৮ এবং পুরুষ ৬৯ দশমিক ২ শতাংশ। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের মধ্যে নারী ছিল ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দুই-তিন বছর ধরে অনেক নারী ই-কমার্সে ঝুঁকছেন। ফলে এসব নারী উদ্যোক্তারা তাদের পণ্যের প্রচার-প্রসারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন। সে জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: ফেসবুক

আরও খবর



হাসপাতালের সেবা নিয়ে জিরো টলারেন্সে থাকব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্যখাতে অনিয়মরোধে জিরো টলারেন্স বজায় থাকবে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, আমরা গত এক মাসে এক হাজার ২২৭টি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করেছি। এখনও অভিযান চলমান আছে। বৈধ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত লোকবল ও যন্ত্রপাতি না থাকলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়াদির ওপর মিডিয়া ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন>> পিলখানা হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত বিচার অল্পদিনের মধ্যে শেষ হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, দেশব্যাপী স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে কথা হচ্ছে। ঘটনাগুলো যেকোনো মানুষের মনকেই নাড়া দেবে। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে আমাকে শক্তহাতে উদ্যোগ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করতে বলেছেন। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই বৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আমরা বন্ধ করতে চাই না। তবে এগুলো চালাতে হলে যতগুলো চিকিৎসক, নার্স প্রয়োজন তা থাকতে হবে; যা যা যন্ত্রপাতি থাকার কথা সেগুলো থাকা নিশ্চিত করতে হবে। সেটা করা না হলে, আমি কঠোর ব্যবস্থা নিতে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করবো। কোনো অনুরোধ বা তদবিরেই এ সকল অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সচল রাখা হবে না।

ব্রিফ্রিংয়ের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিডিয়াকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদানকালে বলেন, আমি রোগীদের সুরক্ষা নিয়ে যেভাবে ভাবছি, একইভাবে আমি চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিয়েও কাজ করছি। ভালো সেবা পেতে হলে ভালো চিকিৎসক লাগবে। ভালো সুযোগ-সুবিধা না পেলে ভালো চিকিৎসক পাওয়াও মুশকিল হবে।

ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অতীতে কী কী হয়েছে সেগুলো নিয়ে না ভেবে এখন থেকে কী কী করা হচ্ছে সেদিকে বেশি মনোযোগ দিতে মিডিয়া কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান। স্বাস্থ্যসেবার সঠিক মান একা কেউই শতভাগ ঠিক করতে পারবে না। এজন্য দায়িত্ব কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার নয়, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নততর করতে চিকিৎসক, পুলিশ, সাংবাদিকসহ প্রত্যেককেই এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

এর আগে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল ও ক্লিনিক সেবা শাখার সাথে সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে একটি বৈঠক করেন। এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বিএমডিসি সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান, বিএসএমএমইউ-এর এনেস্থেসিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. দেবব্রত বণিক, ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের এনেস্থিসিওলজি বিভাগের প্রধানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার, মানতে হবে যেসব নিয়ম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজসমূহে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার)। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টাব্যাপী দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

তিনি জানান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৫৩৮০টি আসন এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭টি মেডিকেল কলেজে মোট ৬২৯৫টি আসনের বিপরীতে এই ভর্তি পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হবে।

মন্ত্রী বলেন, এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি মেডিকেল কলেজে বিগত কয়েক বছর অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্নকরণ এবং ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছে এবং একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

সামন্ত লাল সেন বলেন, ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়ম রোধ এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধের লক্ষ্যে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনলাইন প্রক্রিয়ায় শুরু হওয়ায় প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি, অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পথ বন্ধ হয়েছে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় বিষয়টি জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য

প্রশ্নপত্র বহনকারী ট্রাকে একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস রয়েছে যার মাধ্যমে অধিদপ্তর হতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা নেওয়া কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়।

পরীক্ষার দিন কেন্দ্র/ভেন্যুর গেট খুলবে সকাল ৮টায়। পরীক্ষার দিন সকাল ৯.৩০ মিনিটের পর কোন পরীক্ষার্থী হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি নিয়ে আসবেন।

কেন্দ্র/ভেন্যু-তে পরীক্ষার্থীদের (ছেলে ও মেয়ে) পৃথক পৃথক তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ও বল পয়েন্ট কলম ব্যতীত অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেলক্ষ্যে মেটাল ডিটেক্টরের পাশাপাশি আর্চওয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের বিষয়টি তদারক করা হবে।

ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র/ভেন্যুতে সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে ইনভিজিলেটরগণ (কক্ষ পরিদর্শক) সকাল ৮টা হতে পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষে অবস্থান করে প্রবেশপত্রে পরীক্ষার্থীর ছবির জলছাপ ও রঙিন ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারা মিলিয়ে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

পরীক্ষার্থী, ইনভিজিলেটর ও ভেন্যুর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মন্ত্রণালয়/অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ কোনোভাবেই মোবাইল, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্লুটুথ, এয়ারফোন, ইত্যাদি বহন করবেন না। ভর্তি পরীক্ষার হলে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িত কেউ মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র/ভেন্যুতে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবে না।

১০ জানুয়ারি ২০২৪ হতে মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টারসমূহ বন্ধের নির্দেশনার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অফলাইন কোচিং সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও অনলাইন কোচিং বন্ধ ও সাইবার অপরাধ রোধকল্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

পরীক্ষার দিন পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের আশেপাশের ফটোকপি মেশিন বন্ধ থাকবে।

পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রকার অসদাচরণ/প্রতারণা/গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


আরও খবর



অসদাচরণের অভিযোগ ইবি শিক্ষকের পদাবনতি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ইবি প্রতিনিধি

Image

অসদাচরণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক ড. বখতিয়ার হাসানের সহযোগী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি হয়েছে। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ড. বখতিয়ার হাসান বিশেষজ্ঞ সদস্যসহ বোর্ডের অন্য সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠে। পরে একজন বিশেষজ্ঞ সদস্যদের এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়। পরবর্তীতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬২ তম সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি এমপ্লয়িজ ইফিসিয়েন্সি এ্যান্ড ডিসিপ্লিন রুলসের ৩(সি) ধারায় সংশ্লিষ্ট ৯ এর ৪ ধারার উপধারা (ডি) অনুযায়ী কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ড. বখতিয়ারকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি করা হয়। একই সঙ্গে তার প্রারম্ভিক বেতন স্কেল ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সিন্ডিকেট সভার তারিখ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ দিকে ড. বখতিয়ারের পদাবনতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে নওগাঁ জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি। রোববার দুপুরে প্রশাসন ভবনের সামনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিতে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় তারা।

এ ছাড়া এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিট। রোববার সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন ও অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিয়োগ বোর্ডে সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে এ কারণে ড. বখতিয়ারকে পদ অবনমন করার মাধ্যমে সকল বিভাগের সভাপতির কণ্ঠরোধ করে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের পরিকল্পনা করছে প্রশাসন। যে ধারায় তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে সেটা আইনের শাসনের পরিপন্থী ও ব্যক্তি প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। আমরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে ড. বখতিয়ার হাসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো। সে অনুযায়ী সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রতিবদেন জমা দিয়েছে। সে আলোকেই সিন্ডিকেট তাকে এই শাস্তি দিয়েছে। প্রশাসন থেকে শুধু তাকে এটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে আমাদের বলার কিছু নেই।


আরও খবর