আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আজকের রাশিফল: মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর ২০২৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

আজ নতুন কী ঘটতে চলেছে? আজ কি আপনার জন্য ভাল কিছু অপেক্ষা করে আছে? কেমন থাকবে আপনার আর্থিক অবস্থা? নাকি খারাপ কিছুর অপেক্ষা করে আছে আপনার ভাগ্যে। বিখ্যাত জ্যোতিষীর দ্বারা বিশ্লেষণের পর আজকের দিন নিয়ে ভবিষ্যত গণনা জানুন আপনার আজকের রাশিফলে।

মেষ : তাড়াহুড়ো করে কোনও বিষয়ে মতামত দিতে যাবেন না। নিজেকে সংযত করার চেষ্টা করুন। বিপদের দিনের জন্য অর্থ সঞ্চয় করুন। সবদিক বিবেচনা করে বিনিয়োগ করুন। পরিবারের থেকে সহযোগিতা পাবেন না।

বৃষ : বেশি খাওয়ার ফলে আপনার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। খাওয়া দাওয়া কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন। প্রেমিকাকে বেশি প্রশ্রয় দিলে পরে পস্তাতে হতে পারে। পরিবারের সাথে কেনাকাটায় যাওয়া হতে পারে।

মিথুন : সবকিছুর মধ্যে ইতিবাচক দিকটি খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করুন। ধৈর্য হারাবেন না। আজ ভালোবাসার ক্ষেত্রে আশাপ্রদ দিন। ইন্দ্রিয়সুখের পিছনে ছুটবেন না। সঠিক পরিকল্পনায় কাজ আরও সহজ হবে।

কর্কট : আর্থিক বিষয়ে উন্নতি হবে। কিন্তু সকলের প্রতি আপনার সন্দেহ মনমালিন্যের কারণ হতে পারে। এর ফলে আপনার মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হবে। ছেলেবেলার কথা স্মরণে আনন্দ হবে।

সিংহ : দীর্ঘস্থায়ী লাভের জন্য সঠিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করুন। আপনার দয়া নিজের পরিবারে এবং আশপাশে সকলের মধ্যে খুশি বয়ে আনবে। কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ বেড়ে যাবে। ফলে সাফল্য আসবে।

কন্যা : চলতে থাকা সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। সন্তনদের কাজ আজ আপনাকে গর্বিত করবে। নাচ গান এবং সৃজনশীল কাজে সময় কাটান। আজ নতুন করে প্রেমে পড়বেন।

তুলা: নতুন কোনও কাজ শুরু করতে না যাওয়াই ভালো। নাহলে কাজে বাধা আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে যেকোনো রকম বিবাদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। যারা নেতিবাচক কথা বলেন তাদের থেকে দূরে থাকুন।

বৃশ্চিক : আপনার মধ্যে ধৈর্যের অভাব দেখা যাবে। সবকিছুতে তাড়াহুড়োর ফলে আপনার কাজগুলিতে ভুল হবে বারবার। আপনার একাগ্রতা কমে যাবে। ফলে কাজে দেরি হবে। যা আপনাকে অস্থির করে তুলবে।

ধনু : ব্যবসায় কোনও সিদ্ধান্ত আপনার স্বপক্ষে নাও যেতে পারে। আপনি কাজে মন দিতে পারবেন না। অজানা ভয় থেকে মানসিক চাপ বাড়বে। আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবেন। সমস্ত কাজ মিটতে দেরি হবে।

মকর : উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা হতে পারে। শান্ত ও ধৈর্যশীল থাকার চেষ্টা করুন। সম্পত্তি সংক্রান্ত লেনদেনের ব্যাপারে সাবধান হোন। পরিবারের সাথে আনন্দে কাটবে। মোকদ্দমা চললে জয় নিশ্চিত।

কুম্ভ : সম্পত্তি নিয়ে ভাইবোনের বিবাদ এই সপ্তাহে মিটে যাবে। ব্যাবসায় লাভের সম্ভাবনা। চাকুরি প্রার্থীরা নতুন চাকরি পেতে পারেন। বিবাহিত জীবনে কলহের সম্ভাবনা রয়েছে তাই অযথা বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।

মীন : কর্মক্ষেত্রে উন্নতির জন্য উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে পরিকল্পনা করতে পারেন। পুরানো বিনিয়োগ থেকে লাভ পাবেন। আপনার যোগাযোগ দক্ষতায় সমস্যার সমাধান হবে। ঘরের পরিবেশ শান্ত রাখতে কঠোরতার প্রয়োজন হতে পারে।


আরও খবর
নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২৩ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রোমাঞ্চকর ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে বাঘিনীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পাওয়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল তৃতীয় ম্যাচ জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। রবিবার (২৮ জানুয়ারি) কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে ১ রানের জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।

১১৫ রানের লক্ষ্যে নেমে ধীরেসুস্থে এগোতে থাকে শ্রীলঙ্কা। উদ্বোধনী জুটিতে দুই ওপেনার নেথমি পূর্ণা সেনারত্না ও দেওমি বিহঙ্গ বিজেরত্নে যোগ করেন ৫৬ রান। ১১তম ওভারের তৃতীয় বলে বিজেরত্নেকে ফেরান রাবেয়া। ৩৪ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রান করেন লঙ্কান ওপেনার।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের অধিনায়ক সুমাইয়া আকতার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৪ রান করেছে বাংলাদেশ। ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেছেন রাবেয়া খান। ৪০ বলের ইনিংসে ৬ চার মেরে অপরাজিত থাকেন বাংলাদেশের এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।

শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন দেওমি বিহঙ্গ বিজেরত্নে, শাসিনি জিমহানি বিজয়ারত্না ও মানুদি দুলানসা নানায়াক্কারা। বাকি ৩ উইকেট হয়েছে রান আউট।

কক্সবাজারে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের ত্রিদেশীয় সিরিজে পরশু মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। একই মাঠে বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ফাইনালও হবে কক্সবাজারে শুক্রবার।


আরও খবর



নগরবাসীর নিরাপত্তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ডিএমপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ৫০টি থানার ৩৪ হাজার জনবল নিয়ে ঢাকায় বসবাস করা নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশের মোট জনবল দুই লাখ ১০ হাজারের বেশি। সেই হিসাবে একজন পুলিশ ৮২৫ জন মানুষকে নিরাপত্তা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল, সে জন্য আমরা কাউন্টার টেররিজম ইউনিট গঠন করেছিলাম। আমরা সাইবার ইউনিট তৈরি করেছিলাম, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার গড়ে তুলেছিলাম, আমরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রের জন্য ট্রাফিক ইউনিট করেছি যা ডিএমপির কমিশনারের অধীনে কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ডিএমপির ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজারবাগ এসে মনে পড়ে যায় সেই ২৫ মার্চের কথা। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ যে ডাক দিয়েছিলেন সেই ডাকে পুলিশ বাহিনী নিজের জীবনবাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। অনেক পুলিশ সদস্য সেদিন শহীদ হয়েছিলেন। 

আরও পড়ুন>> সৌদি আরবসহ ব্রিকসের নতুন সদস্যপদ পেল ৫টি দেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন পুলিশ জনগণের পুলিশ হবে। আজকে কিন্তু পুলিশ জনগণের পুলিশ হয়েছে। জনগণের জন্য তারা সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। আরও বিশ বছর আগে পুলিশের কথা যদি চিন্তা করি, সে সময় মানুষ পুলিশকে ভয় পেত। আজকে কিন্তু পুলিশের ওপর আস্থা, বিশ্বাস রাখছে, কোনো প্রয়োজন হলে মানুষ পুলিশের কাছে যাচ্ছে। কোভিডের সময় আপনারা দেখেছেন মায়ের মরদেহ সন্তান ফেলে রেখে গেছে। পুলিশই তাদের শেষ কার্যটি করেছে।

ঢাকার মেয়রদের কাছে দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের কাছে (দুই মেয়র) জোর দাবি জানাব,আমাদের ট্রাফিক সার্জেন্টরা ভয়ানক অসুবিধায় থাকেন। তাদের জন্য যদি মাঝে মাঝে বিশ্রামের জন্য ব্যবস্থা করে দেন। এই আহ্বানটি রাখছি।

তিনি বলেন, ডিএমপি আরও এগিয়ে যাবে, তাদের সেবার পরিধি বাড়াবে। আরও দক্ষতায় সব কিছু মোকাবিলা করবে এই আস্থা ও বিশ্বাস রাখি।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




‘টিবিতে আক্রান্ত ৯০ শতাংশ রোগী থেকে যায় শনাক্তের বাইরে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

দেশে প্রতি বছর ৩৮ হাজার মানুষ টিবিতে মারা যাচ্ছেন। এমনকি ৯০ শতাংশ রোগী থেকে যায় শনাক্তের বাইরে। টিবি রোগ নির্ণয় কখনও খুব সহজ আবার কখনও খুবই কঠিন। ফলে রোগী ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সময়ে অপ্রত্যাশিত ভুল এড়াতে শুধু এক্স-রে দেখে টিবির ওধুষ না দেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল পরীক্ষার করিয়ে নিশ্চিত হয়ে তারপর ওষুধ দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

 পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪ নয় দিনের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞ ।

বিশেষজ্ঞ বলেন, টিবি শনাক্তে দক্ষ না হয়ে উপায় নেই। কারণ আরো অনেক রোগেরও উপসর্গ টিবির মত। তাই টিবি শনাক্তে চিকিৎকদের যথেষ্ঠ সতর্ক হতে হবে।

এছাড়া এক্স-রে, আল্ট্রাসাউন্ড, এমআরআই, সিটি স্ক্যান দ্বারা শরীরের যেকোনো অংশ কিভাবে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পযর্বেক্ষণ করা যায়, সেসব বিষয়গুলো রেডিওলজি কোর্সে উপস্থাপন করা হয়। রেডিওলোজির ব্যবহার নিয়ে যেসব ভুল ব্যাখ্যা আছে সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখিয়ে দেন বিশেষজ্ঞরা। রেডিওলজির পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে কমীদের করনীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেন।

আল্টাস্নোগ্রাফির পদ্ধ এবং এর মাধ্যমে রোগ নিণয় সম্পর্কে ও দিক নির্দেশনা দেন। তারা বলেন, আল্টাস্নোগ্রাফি এক্সরের থেকে কম ঝুঁকির্পূণ। কার্ডেওভাসকুলার, এবডোমেন এবং লাং এর বিভিন্ন রোগ আল্টাস্নোগ্রামের মাধ্যমে সহজে শনাক্তের পদ্ধডু হাতে কলমে শেখান। প্রেজেন্টেশনে তারা কেইস স্টাডি বেইস অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। এমনকি হাতে কলমে প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হয়।

এই সেশনে প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম, পিএইচএ এর রেডিওলজি ফ্যাকাল্টি লিড ডা. সাদিয়া সুলতানা, সিসিএম ফ্যাকাল্টি লিড অধ্যাপক আয়েশা শিকদার, কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসাস সেন্টারের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুসরাত গফুর, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. হেনা খাতুন, এভার কেয়ার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল পৃথক পৃথক বিষয়ে প্রেজেন্টেশন দেন।

এ দিনে হল-১ এ লন্ডন কোর রিভিউ এবং হল-২ এ ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইন অবসটেট্রিকস, রেডিওলোজি কোর্স অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি রোববার সম্মেলন পূর্ব কোর্স শুরু হয়। এদিন লন্ডন কোর রিভিউ ও পিএএলএস কোর্স অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের মূল পর্ব শুরুর আগে আগামী ৩ দিনে লন্ডন কোর রিভিউ, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইন অবসটেট্রিকস, সিস্টেমেটিক রিভিউ অফ মেডিক্যাল লিটারেচার, ইন্টারন্যাশনাল করফারেন্স অন প্রেডিয়াট্রিকস, মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন, হোমোডায়ালিস কোর্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ফরগাট এবং পেলভিক মোটিলিটি, ব্রেস্টক্যান্সার প্রিসেটরসিপ ফর ইয়াং অনকোলজিস্ট, কোর্স অন কউিনিকেশন স্কিল নিউরোরেডিওলোজি ওয়ার্কশপ, স্টাটিজিক কোর্স, মাস্টারক্লাস ইন লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, আইআর ট্রোন্সপ্লান্ট হেপাটোলজি, ইনাগুরেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এসব কোর্সে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন চিকিৎসা বিজ্ঞানীর তাদের মতামত তুলে ধরবেন।

এই প্রথম বারের দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পিএইচএ গ্লোবাল সামিট ২০২৪। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুধু বাংলাদেশে নয়; দক্ষিণ এশিয়ায় এই প্রথম। নয় দিনের এই সম্মেলনে দুই হাজারের অধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও মেডিক্যাল শিক্ষাথী অংশ নিচ্ছেন।

স্পিকার হিসেবে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ৫০ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং দেশের ১০০ জনেরও অধিক খ্যাতিমান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ। নয় দিনের সম্মেলনে থাকছে ৩০ টির বেশি কোর্স এবং সাইন্টিফিক সেশন ।

আগামী ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলনের মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের পরে ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে আরো তিনটি কোর্স। দেশের বৃহৎ কয়েকটি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে হতে যাওয়া লাইভ সেশনগুলো দেশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কাছে নবীন চিকিৎসকগণ নানা জটিল বিষয়ে হাতে কলমে শেখার সুযোগ পাবেন।

ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সামিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫ টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

এই সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি, রয়েল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস লন্ডন, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এডিনবার্গ এর প্রেসিডেন্টবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

নিউজ ট্যাগ: টিবি

আরও খবর



সরকারি হাসপাতালে ওষুধ পান না ৬৯ শতাংশ রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫০টির বেশি নীতিমালা, আইন থাকার পরেও এখনো নিশ্চিত হয়নি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গবেষণায়।

আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্ল্যানিং মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ (পিএমআর) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে প্রকাশ করা হয় বিষয়ভিত্তিক ১৪টি গবেষণা প্রতিবেদন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে এই গবেষণাগুলো করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এবং জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

দেশের হাসপাতালগুলোয় সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) অবস্থাবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ হাসপাতালে আইপিসি কমিটি আছে। কিন্তু অধিকাংশ কমিটি কার্যকর নয়। অধিকাংশ হাসপাতালেই নেই আইপিসির জন্য নির্দিষ্ট জনবল। সরকারি ৬০ শতাংশ হাসপাতালে আইপিসি ব্যবস্থাপনা নেই। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৫০ শতাংশে এই ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে হাসপাতাল থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয়, সেটি বাড়বে। এই সংক্রমণ মারাত্মক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ব্যবহার করা হবে, এর একটি গাইডলাইন থাকলেও হাসপাতালগুলোয় তা মানা হয় না। এক-চতুর্থাংশ হাসপাতালে হ্যান্ড হাইজেনিং স্টেশন অর্থাৎ যেখানে হাত ধোয়ার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেই। প্রতি বেডে একজন রোগী থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালগুলোয় বেডের চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী থাকছে। উন্নত দেশে আইপিসি হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও এশিয়ার দেশগুলোয় এই হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা রয়েছে ১৫২টির মতো। আইনের অভাব না থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব একটা নেই। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তথ্যের ঘাটতি-সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের যে ৪০টি সূচক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে সরকার কাজ করলেও পরিপূর্ণ তথ্য নেই। এ ৪০টি সূচকের মধ্যে চারটির কোনো সঠিক তথ্যই নেই। অন্যদিকে, ১০ সূচকের আংশিক তথ্য রয়েছে। আর বাকি ২৬টি সূচকের যাচাই করার মতো তথ্য আছে, তবে তা পরিপূর্ণ নয়। যে চারটি সূচকের কোনো তথ্য নেই, তা হলো জন্মহার, অনিরাপদ পানি ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে মৃত্যুহার, স্বাস্থ্য সুযোগ-সুবিধার অনুপাত (যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় ওষুধের সুবিধা রয়েছে) এবং নির্বাচিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণের তথ্য।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম ছয় মাস (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় ৬ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম দুই বছর মায়ের দুধ পায় না ৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের পরেও মায়ের দুধের পাশাপাশি ৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশু বাড়তি খাবার পায় না।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. কাজী মো. রাশিদ উন নবীসহ ১৩ জন চিকিৎসক একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে নেওয়া রোগীদের সুস্পষ্ট মতামত উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে ওষুধ কিনে খেতে হয়। যদিও তাদের হাসপাতাল থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ রোগীকে সরকারি হাসপাতালের সেবা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। হাসপাতালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ রোগী।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ব্রাজিলে ছোট বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৭ জন

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৭ জন নিহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার (২৮ জানুয়ারি) ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্ব মিনাস গেরাইস প্রদেশে ছোট একটি বিমান বিধ্বস্ত হলে ওই সাতজন নিহত হয়।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

দমকলকর্মীরা এএফপিকে জানিয়েছেন, প্রতিবেশী সাও পাওলো প্রদেশের ক্যাম্পিনাস ছেড়ে যাওয়ার পর একক ইঞ্জিনের এই বিমানটি দৃশ্যত মাঝ-আকাশ থেকে ভেঙে পড়ে এবং সকাল সাড়ে ১০টায় খনি-সমৃদ্ধ শহর ইতাপেভাতে বিধ্বস্ত হয়।

দমকলকর্মীরা বিমানটিতে সাতজন আরোহীকে মৃত অবস্থায় খুঁজে পেয়েছেন বলেও বিভাগটি এক বিবৃতিতে বলেছে। এর আগে তারা তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে বলে ঘোষণা করেছিল।

স্থানীয়দের তোলা ছবিতে ঘাস এবং গাছে ঢাকা পাহাড়ের পাশে ভেঙে পড়ার কিছুক্ষণ পরে প্লেনের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে। দেশটির সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এবং ব্রাজিলিয়ান মিডিয়াতেও এসব ছবি প্রচারিত হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বিমান বিধ্বস্ত

আরও খবর