আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ৮৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা আজ বুধবার (২০ অক্টোবর)। শারদীয় দূর্গা উৎসবের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মী উৎসব এই লক্ষ্মীপূজা।

লক্ষ্মী ধনসম্পদ তথা ঐশ্বর্যের দেবী হিসেবে পূজিত হন। এ ছাড়া উন্নতি (আধ্যাত্মিক ও পার্থিব), আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দর্যের দেবীও তিনি। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হওয়ার পরবর্তী পূর্ণিমা তিথিতে হিন্দু সম্প্রদায় লক্ষ্মীপূজা উদযাপন করে থাকে। হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম এই ধর্মীয় উৎসবটি কোজাগরি লক্ষ্মীপূজা নামেও পরিচিত।

রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মন্দির, রামসীতা মন্দির, পঞ্চানন্দ শিব মন্দির, গৌতম মন্দির, রাধা মাধব বিগ্রহ মন্দির, রাধা গোবিন্দ জিও ঠাকুর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির এবং পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, সূত্রাপুর, ফরাশগঞ্জ, লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্মীপূজার বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। 

শারদীয় দুর্গোৎসব এর মতো কিছু কিছু এলাকায় শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার বাহিরে যেমন দোহার-নবাবগঞ্জ, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর এলাকায় অনেক মন্দিরে শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা আয়োজন করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন লক্ষ্মী ধনসম্পদের দেবী তথা ঐশ্বর্যের দেবী। তাই এই সব এলাকায় শ্রী শ্রী লক্ষ্মী দেবীর পূজা অনেক বড় উৎসবের মতো আয়োজন করা হয়। 

নিউজ ট্যাগ: লক্ষ্মীপূজা

আরও খবর



মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাসব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | ৩৩৫জন দেখেছেন

Image

ক্রীড়া প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাসব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। নিয়মিত শ্রেণি শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের মনোদৈহিক বিকাশের জন্য প্রতি বছর শিক্ষাবর্ষের শেষদিকে এসে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ ধরনের আনন্দময় আয়োজন নিয়মিতভাবে করে আসছে।

কলেজের দিয়াবাড়িস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসের সুবিশাল মাঠে অনুষ্ঠিত এই নান্দনিক আয়োজন চলবে মধ্য ডিসেম্ভর পর্যন্ত। মাইলস্টোনে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের জন্য আনন্দময় এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা কর্নেল নুরুন্নবী (অব.), মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোস্তফা কামালউদ্দিন ভূঁইয়া (অব.)-এর দিকনির্দেশনায় অনুষ্ঠিত ছাত্রছাত্রীদের দক্ষতা উন্নয়নে মাসব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজনের সকল দিক তত্ত্বাবধান করছেন মেইন ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সহিদুল ইসলাম। মাসব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার এই আনন্দময় বার্ষিক আয়োজনে প্রশাসনিক ও অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা ও সাফল্য অর্জনের অগ্রদূত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলম।

একমাসের এই আয়োজনে রয়েছে দৌড়, হ্যান্ডবল, ভলিবল, ক্রিকেট, ফুটবল, লং জাম্প, হাই জাম্প, গোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপের মতো বুদ্ধিবৃত্তিক ও শারীরিক কসরত প্রদর্শনের ইভেন্টগুলো। অতিমারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের পারদর্শিতা অনুযায়ী একক বা দল ভিত্তিক যে কোন খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারে। উল্লেখ্য, মাসব্যাপী আনন্দময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে মনোজ্ঞ আয়োজনের মাধ্যমে একক ও দলীয় ইভেন্টে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে।


আরও খবর



সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করবে খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল বোর্ড

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যা ৭টায় গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা বক্তব্য রাখবেন।

চেয়ারপারসনের মিড়িয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সংবাদ সম্মেলনে ম্যাডামের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা বক্তব্য রাখবেন। তারা ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলবেন।


আরও খবর



পূর্বাচলে ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাণিজ্যমেলা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) হবে ২০২২ সালের বাণিজ্যমেলা। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে মেলা শুরুর অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের মেলায় চলাচলের সুবিধার্থে কুড়িল ফ্লইওভার থেকে মেলাপ্রাঙ্গণে বিআরসিটিসির বাস চলবে। আর ডিসেম্বরের মধ্যেই পূর্বাচলের রাস্তা সংস্কার করে চলাচলের জন্য উপযোগী করা হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় আগামী ১ জানুয়ারি রাজধানীর পূর্বাচলে স্থাপিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ইপিবিকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এক্সিবিশন সেন্টারটির প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ করেছি। অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। মেলাপ্রাঙ্গণ প্রস্তুত। ইপিবি মেলার লেআউটসহ অন্যান্য কাজ করবে।

কুড়িল থেকে মেলাকেন্দ্রে চলবে বিআরটিসির বাস:

বাণিজ্যমেলাকে কেন্দ্র করে কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে পূর্বাচলের মেলাকেন্দ্রে বিআরটিসির বাস চলাচল করবে। মাসব্যাপী এই রুটে বিআরটিসির ৩০টি বাস চলাচলের জন্য চিঠি দিয়েছে ইপিবি। এসব বাসের ন্যূনতম একটা ভাড়া থাকবে। এতে সহজেই কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে মেলাকেন্দ্রে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক সংস্কার:

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে যাওয়ার পথে সড়কের দুর্দশা নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্বাচলের ১০ কিলোমিটার সড়কে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচলের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

মেলায় থাকবে প্রায় তিনশ স্টল:

এবারের বাণিজ্যমেলায় প্রায় তিনশ স্টল থাকবে। ভেতরে এবং বাইরে মিলে এসব স্টল থাকবে। তবে মেলাকেন্দ্রের ভেতরে থাকা জায়গার মধ্যে অধিকাংশই মানুষের চলাচলের জন্য ফাঁকা রাখা হবে। আর কেন্দ্রের বাইরে ডানপাশে স্টল বসলেও, আরেকদিক সৌন্দের্যের জন্য ফাঁকা রাখা হবে।

মেলায় থাকবে পার্কিং ব্যবস্থা:

নতুন মেলাকেন্দ্রে বৃহৎ পরিসরে পার্কিং সুবিধা রয়েছে। তবে মেলার শৃঙ্খলার স্বার্থে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কেন্দ্রের পাশেই রাজউকের পানির প্ল্যান্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানেই এক হাজার গাড়ি পার্কিং হবে। জানা গেছে, দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ আছে।

যেসব সুবিধা রয়েছে এক্সিবিশন সেন্টারে:

রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। যার মধ্যে চীনের অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ২৩১ কোটি টাকা ও ইপিবি নিজস্ব তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে।

এক্সিবিশন সেন্টারে তৈরি করা ফ্লোরের আয়তন ৩৩ হাজার বর্গমিটার, বিল্ডিংয়ের ফ্লোরের আয়তন ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার, এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। এক্সিবিশন হলে ৮০০টি বুথ রয়েছে, প্রতিটি বুথের আয়তন ৯ দশমিক ৬৭ বর্গমিটার। দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ আছে।

এছাড়াও রয়েছে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মাল্টি-ফাংশনাল হল, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি মিটিং রুম, ৫০০ আসনবিশিষ্ট ক্যাফেটেরিয়া, শিশুদের খেলার স্পেস, নামাজের কক্ষ, অফিস রুম দুটি, মেডিকেল রুম, ডরমিটরি-গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেটসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।

নিউজ ট্যাগ: বাণিজ্যমেলা

আরও খবর
আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




১৫ নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৬৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ভারত।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) সকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম দোরাইস্বামী।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছি আমরা। শুরুতে একমাস মেয়াদের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা প্রদান করা হবে। যেতে হবে বিমানে। পর্যায়ক্রমে বিমানের পাশাপাশি স্থল ও রেলপথেও ভিসা দেওয়া হবে।

দোরাইস্বামী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের সম্পর্ক অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো আছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




নিজেদের স্বপ্নে বুঁদ আফগানরা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে বিরাট কোহালিরা নিজেদের নেট রানরেট আফগানিস্তানের উপরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই ঝড় উঠেছে গণমাধ্যমে। শনিবার সকাল থেকে আফগানিস্তান বোর্ড এবং তাদের ক্রিকেটারদের টুইটারে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আসছে। প্রেরক, অবশ্যই ভারতীয় সমর্থকেরা। বার্তার বক্তব্য মোটামুটি এক: রবিবার যে করে হোক হারাতেই হবে নিউজল্যান্ডকে!

রশিদ খান হোক বা মহম্মদ নবি, আইপিএলের দৌলতে ভারতে এঁদের ভক্তসংখ্যা কম নয়। কিন্তু কোটি কোটি ভারতবাসী এবং কোহালিরাও কোনও দিন যে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য প্রার্থনা করবেন, এটা ভাবা যায়নি। ঘটনাচক্রে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেটাই হচ্ছে। কারণ সকলেরই জানা। কেন উইলিয়ামসনের বিরুদ্ধে দ্বৈরথে যদি শেষ হাসি হাসেন রশিদ খান, তবেই ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। আর যদি নিউজল্যান্ড হারিয়ে দেয় আফগানিস্তানকে? তা হলে কী হবে, তার উত্তরটা আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে দিয়েই রেখেছেন রবীন্দ্র জাডেজা। ভারতীয় অলরাউন্ডারের কথায়, তা হলে আমরা ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব।

আপনারা যখন নিউজল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন, তখন একশো কোটি নতুন সমর্থককে পাশে পাবেন। ভারতীয়দের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আপনারাও নিশ্চয়ই পাচ্ছেন ক্রমাগত?

শনিবার দুপুরে ভিডিয়ো কল মারফত প্রশ্নটা করা গেল আফগানিস্তান দলের ব্যাটার হাসমাতুল্লাহ শাহিদিকে। আইসিসির সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন এই অভিজ্ঞ আফগান ক্রিকেটার। প্রথমেই হাল্কা হেসে মাথা নাড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয়দের শুভেচ্ছাবার্তার ঢল যে নেমেছে, তা জানেন তিনি।

কিন্তু পাশাপাশি একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে দিতে চান শাহিদি। বুঝিয়ে দিলেন, এই ম্যাচটা আফগানিস্তান নিজেদের জন্য খেলতে নামবে, ভারতের জন্য নয়। শাহিদি বলে দিলেন, আমরা কিন্তু শুধু আমাদের কথাই ভাবছি। আর কারা কোন জায়গায় আছে, তা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই। আমাদের লক্ষ্য হল, সেমিফাইনালে যাওয়া। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। অন্য কোনও দলকে শেষ চারে তোলার জন্য নয়।

এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা, তাতে নেট রানরেটে ভারতের (+১.৬১৯) চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে আফগানিস্তান (+১.৪৮১)। ভারতের সবচেয়ে বড় সুবিধে হল, শেষ দিনে নামিবিয়াকে পাচ্ছে তারা। যে কারণে প্রয়োজনে নেট রানরেট বাড়ানোর বড় সুযোগ থাকবে কোহালিদের কাছে। ব্যাপারটা অজানা নয় আফগান ক্রিকেটারদের কাছেও। শাহিদি বলছেন, কাজটা কঠিন জানি। কিন্তু আমরা সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই নিউজল্যান্ড ম্যাচটা খেলতে নামব।

কোনও সন্দেহ নেই, রবিবার দুপুর থেকে আবু ধাবির স্টেডিয়ামে নজর থাকবে কোহালিদের। প্রার্থনা চলবে, রশিদ খানদের ঘূর্ণির সামনে যেন ভেঙে পড়ে নিউজল্যান্ডের ব্যাটিং। তারও আগে অবশ্য আরও একটা প্রার্থনা নিশ্চয়ই করছেন বিরাট-সহ কোটি কোটি ভারতবাসী। রহস্য স্পিনার মুজিব-উর-রহমান যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। স্কটল্যান্ড ম্যাচের পরে স্বয়ং সুনীল গাওস্কর টিভিতে বলেছিলেন, রশিদ খান, মহম্মদ নবি তো আছেই। এর সঙ্গে যদি মুজিব সুস্থ হয়ে যায়, তা হলে কিন্তু সমস্যা

আফগানরা যতই দাবি করুন, তাঁরা সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আছেন, বাস্তবটা কিন্তু সে রকম নয়। নিউজল্যান্ড হেরে গেলে ভারতেরই সেমিফাইনালে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশেরও বেশি।

সেক্ষেত্রে বিরাটদের স্বপ্নপূরণ করার মুখ কারা হতে পারেন? আফগানিস্তানের প্রাক্তন কোচ লালচাঁদ রাজপুত কয়েক জনকে আলাদা করে বেছে নিচ্ছেন। অবশ্যই তালিকায় আছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগস্পিনার রশিদ। যিনি ম্যাচের রং একাই বদলে দিতে পারেন। আছেন ব্যাটার হাজরাতুল্লাহ জ়াজ়াই, অলরাউন্ডার মহম্মদ নবিও। সুস্থ থাকলে রহস্য স্পিনার মুজিব।

নিউজল্যান্ড ফেভারিট হলেও একটা ব্যাপারে নিজেদের এগিয়ে রাখতে চায় আফগানিস্তানের ক্রিকেটারেরা। সেটা হল, মরুশহরের পরিবেশে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্পিন আক্রমণ। শাহিদি বলছিলেন, আমি আবু ধাবির উইকেট এখনও দেখিনি ঠিকই, কিন্তু এটা জানি এই পরিবেশে আমাদের স্পিনাররা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। ওরা এখানে অনেক খেলেছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে আসবে বলেই মনে হয়।

রবিবার যদি সত্যিই নিউজল্যান্ডকে হারিয়ে দিতে পারে আফগানিস্তান, তা হলে ভারতের মাটিতে রশিদ খানদের মূর্তি বসার দাবি উঠলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না!


আরও খবর