আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

আজ বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানুষ স্বপ্ন দেখে, স্বপ্নে ভাসে। স্বপ্নে উজ্জীবিত হয়, দারুণ উৎসাহ পায়। সব বাধা-বিপত্তিকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে স্বপ্ন। স্বপ্ন না থাকলে মানুষের জীবন মিছে, বৃথা। দৃঢ় স্বপ্নই পারে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে।

আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে দিবসটির যাত্রা শুরু হয়।

বিশ্ব স্বপ্ন দিবসের উদ্দেশ্য হচ্ছে সবার মধ্যে উৎসাহ তৈরি করা। সবার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রয়াস। একটি ভালো কিংবা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন আমরা সবাই-ই দেখি। কিন্তু আমাদের স্বপ্ন পূরণে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এই বাধা কাটিয়ে কীভাবে স্বপ্ন পূরণে আরও বেশি উদ্যমী হওয়া যায়, সেটি অনুধাবন করাতেই এই দিবস।

স্বপ্ন অনেক প্রকার হতে পারে। কেউ স্বপ্ন দেখে ঘুমিয়ে, কেউ স্বপ্ন দেখে জেগে। বিজ্ঞানী আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না। সাহিত্যিক হুমায়ুন আজাদ বলেছেন, একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে তাঁর স্বপ্নটা জানা।

কারও বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বপ্ন দেখা। যে মানুষটি আজ বেঁচে আছে, সে এক বা একাধিক স্বপ্নকে সামনে রেখেই বেঁচে আছে। স্বপ্ন দেখতে হয়, স্বপ্ন দেখাতে হয়। যে স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে মৃত মানুষ। তার জীবন উপভোগ্য হতে পারে না।

যারা জীবনে কখনও বড় বা সুন্দর স্বপ্ন দেখে না, তারা মানুষকে ভয় দেখায়, নিরুৎসাহিত করে। আপনি যদি সাহসী হন, বিবেকবান হন আর আপনার মনে যদি বড় ও সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় থাকে, আর তা যদি আপনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে এমন কোনো অপশক্তি নেই যা আপনাকে থামাতে পারে। স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখুন, হৃদয়ে লালন করুন। স্বপ্ন নামক বৃক্ষটির প্রতি যত্নবান হউন। দেখবেন, একসময় ওই বৃক্ষটিতে সুন্দর পাতাসহ রঙিন ফুল ফুটবে, ফল ধরবে, ঠিক আপনার যেমনটা প্রত্যাশা ছিল।


আরও খবর



উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ গ্রহণের আহ্বান গণপূর্ত মন্ত্রীর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ অধিকহারে গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জোন এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের অধীনে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বেগবান, জনমুখী, সফল ও সার্থক করে তোলে। তাদের পরামর্শ গ্রহণ ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাদের সম্পৃক্তি স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল আইন-কানুন, বিধি-বিধান যথাযথ ভাবে মেনে চলতে হবে।

চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও জাতীয় গ্রহণ কর্তৃপক্ষসহ  সকল দপ্তর সংস্থার কাজে সমন্বয় সাধনের উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

পরিবেশ সুরক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন জলাশয় ভরাট করে উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো কর্মকান্ডে পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। বিশেষ করে সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পে সকল দপ্তর সংস্থায় পরিকল্পনা বৃত্তের অন্তর্ভুক্ত করার উপর তিনি জোর দেন। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পূর্বে তিনি প্রকল্পের সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাব পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে প্রকল্পের সম্ভাব্য সমস্যা সমূহ পর্যালোচনা এবং তার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে পূর্ব প্রস্তুতি  গ্রহণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ তোফায়েল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগের যে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে তার বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য গৃহায়ন  ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার পূর্বাহ্নে চট্টগ্রাম পৌঁছেন।

বিকেলে সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে তিনি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এছাড়াও তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এসব বিষয়ে কথা বলেন। 


আরও খবর



জয়পুরহাটে যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, দুর্ঘটনার ঝুঁকি

প্রকাশিত:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

লাইসেন্স ছাড়াই জয়পুরহাটে যত্রতত্র চলছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন দোকানে এসব সিলিন্ডার বিক্রির ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে সাধারণ মানুষ। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা বলছেন এসব লাইসেন্স বিহীন গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসার কারণে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

জয়পুরহাট জেলা শহর ছাড়াও পাঁচটি উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন হাট বাজারের তিন শতাধিক দোকানে দেদারছে চলছে এলপি গ্যাস সিল্ডিারের ব্যবসা। অথচ জেলায় এলপি গ্যাস ব্যবসার লাইসেন্স রয়েছে মাত্র ১শ টির মতো। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন দোকানে এসব সিলিন্ডার বিক্রির ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে সাধারণ মানুষ। লাইসেন্স ছাড়া অরক্ষিত অবস্থায় এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির কারণে যে কোন সময় বিস্ফোরণ ঘটে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। অনুমোদন ছাড়া খোলা বাজারে গ্যাস বিক্রিতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় অনুমোদন ভুক্ত ব্যবসায়ীরা। লাইসেন্স ছাড়া এসব গ্যাস বিক্রি বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার নতুনহাট এলাকার শামীম হোসেন জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দরকার। নজরদারি না থাকায় যত্রতত্র চলছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি। ফলে সাধারণ মানুষ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার তেঘর বিশা এলাকার দুলাল হোসেন বলেন সরকার নির্ধারিত দামে আমরা কখনো গ্যাস সিলিন্ডার পাইনা। সরকার দাম বেঁধে দেয় একটা আর খুচরা বাজারে বিক্রি হয় বেশি দামে। সরকারের হস্তক্ষেপে আমরা এর প্রতিকার চাই।

এ প্রসঙ্গে উপ-সহকারী পরিচালক ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স জয়পুরহাট মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, লাইসেন্স ছাড়া অরক্ষিত অবস্থায় এমন দেদারছে গ্যাস ব্যবসার কারনে এসব এলপিগ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর এতে করে সাধারণ ক্ষয়-ক্ষতিসহ প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, বর্তমানে গ্যাস সিলিন্ডার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য। এই পণ্য বাংলাদেশ বিতরণ এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগনই বিক্রয় করতে পারেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যত্রয় ঘটে। এ রকম যেন ব্যত্রয় না ঘটে এ জন্য জেলা প্রশাসক জয়পুরহাট প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে জেলার সাধারণ মানুষকে রক্ষায় এমন যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ ছাড়াও এ জেলার সচেতন নাগরিকগণ দ্রুত অবৈধ সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।


আরও খবর



ফেসবুকে কমেন্ট করায় যুবক খুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
যশোর প্রতিনিধি

Image

যশোরে আকাশ হোসেন (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে শহরের শংকরপুর বটতলা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি ঐ এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে।

নিহত আকাশের স্ত্রী জানান, ফেসবুকে একটি পোস্টে কমেন্ট করা নিয়ে একই এলাকার তানভিরের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। তানভির তার স্বামী আকাশকে হোয়াটাসঅ্যাপে হত্যার হুমকি দেয়। রাতে তাকে ফোন কলে ডেকে নিয়ে এসে সাব্বির ও তানভিরসহ ১০ থেকে ১২ জন তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাইফুর রহমান জানান, তাকে রাত ১টা ৩৫ মিনিটে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম-পরিচয় জেনে অভিযানে মাঠে নেমেছে। আসামিদের আটকে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।


আরও খবর



অকটেন-ডিজেল দামের ব্যবধান হবে ১০ টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, চলতি মাস থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় মূল্য নির্ধারণের সময় অকটেন-ডিজেলের ব্যবধান হবে ১০ টাকা। অর্থাৎ ডিজেলের চেয়ে ১০ টাকা বেশি হবে অকটেনের দাম। এ ছাড়া বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

শুক্রবার (০১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাস্তবতার নিরিখে দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল ব্যক্তিগত যানবাহনে অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় বিধায় এর মূল্য বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে বেশি রাখা হয়। বর্তমানে ডিজেল ও অকটেনের খুচরা বিক্রয় মূল্য পার্থক্য লিটারপ্রতি ২১ টাকা। ফর্মুলা অনুযায়ী অকটেনের মূল্য নির্ধারণকালে ডিজেলের সাথে পার্থক্য লিটার প্রতি ন্যূনতম ১০ টাকা যেন থাকে সে জন্য প্রাইসিং ফর্মুলায় ‘α’ ফ্যাক্টর বিবেচিত হবে।

পেট্রোলিয়াম পণ্য ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলসহ সরকার যেসব গ্রেডের জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে থাকে সেগুলোর জন্য এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। তবে সরকার/ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রয়োজন মনে করলে অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রেও শর্তসাপেক্ষে উক্ত নির্দেশনা প্রয়োগ করতে পারবে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রাথমিকভাবে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি মার্চ ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে।

ডিজেল ও কেরোসিনের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত ডিজেলের কস্ট কম্পোনেন্টসমূহের পাশাপাশি ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল থেকে উৎপাদিত ডিজেলের কস্ট কম্পোনেন্টসমূহ অন্তর্ভুক্ত হবে।

এ দুই ধরনের জ্বালানি তেলের কস্ট কম্পোনেন্টসমূহ বিবেচনা করে ডিজেল ও কেরোসিনের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ করা হবে:

যেভাবে মূল্য নির্ধারণ হবে তা নিম্নরূপ:

ডিজেলের স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় মূল্য (H)= পণ্য মূল্য (A) + আমদানি শুল্ক, অগ্রিম আয়কর ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট (B) + অপারেশনাল ব্যয় (C) + আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় (D) + বিপিসির মার্জিন (E) + ভ্যাট (F4) + বিক্রয় ও বিতরণ খরচ (G)।

অকটেন ও পেট্রলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত অকটেনের কস্ট কম্পোনেন্টসমূহ বিবেচনা করে নিম্নরূপভাবে অকটেনের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ করা হবে:

অকটেনের স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় মূল্য (H)= পণ্য মূল্য (A) + আমদানি শুল্ক, অগ্রিম আয়কর ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট (B) + অপারেশনাল ব্যয় (C) + আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় (D) + বিপিসির মার্জিন (E) + ALPHA (α)+ ভ্যাট (F) +বিক্রয় ও বিতরণ খরচ (G)।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই অনুযায়ী জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য তালিকা অনুমোদন করবে। এটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



নদীর তীরের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে আন্ধারমানিক নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির দায়ে একজনকে ২ মাস ও দুইজনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৭ ফেব্রয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকায় আন্ধারমানিক নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা।

জানা যায়, তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার আন্ধারমানিক নদীর তীর পার্শবর্তী পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার যমুনা ব্রিকসের কাছে প্রতি কাঠা ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন স্থানীয় সুজন ও নিপেন রায় নামের দুই ব্যক্তি। পরে যমুনা ব্রিকসের লোকজন ভেকু মেশিন দিয়ে আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি নিয়ে যায়। নদীর তীর কাটার ফলে গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়ার শঙ্কায় ঐ এলাকার পরিমল রায় নামের এক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও মাটি কাটা ফেরানো যায়নি। পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা মাটি কাটা বাধা দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেয়। খবব পেয়ে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে আটক করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর ৪(গ) ধারার বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

যমুনা ব্রিকস এর ম্যানেজার আবুল বাশার বলেন, আমরা নদীর তীরের মাটি ক্রয় করেছি। সেই মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে আসতেছি। নদীর তীরের মাটি ক্রয় কিভাবে করা হলো জানতে চাইলে ফোনের লাইন কেটে দেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি বিক্রী করার অপরাধে তিন জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাটি কাটার ভেকু মেশিন ও টার্মিনাল জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর