আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

আজ বায়ুদূষণে রাজধানী ঢাকার অবস্থান ১৬তম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বায়ুদূষণে আজ মঙ্গলবার ঢাকার অবস্থান ১৬তম। সকাল ৯টার দিকে আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-একিউআই) ঢাকার স্কোর ছিল ৯৬। বাতাসের এই মান মাঝারি বা গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে সকাল ৯টার দিকে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে ছিল পাকিস্তানের করাচি। একিউআই সূচকে শহরটির স্কোর ২২৮। ১৮২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের আরেক শহর লাহোর। ১৭৫ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি।

ঢাকায় গত জানুয়ারিতে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক দিন দুর্যোগপূর্ণ বাতাসের মধ্যে কাটিয়েছে নগরবাসী। জানুয়ারিতে মোট নয় দিন রাজধানীর বাতাসের মান দুর্যোগপূর্ণ ছিল, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। 

আরও পড়ুন>> প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন ওবায়দুল হাসান

আইকিউএয়ার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান। তারা নিয়মিত দূষিত বাতাসের শহরের তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানায়।

একিউআই স্কোর ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে স্বাস্থ্যসতর্কতাসহ জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ পরিমাণে বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।


আরও খবর



ফের করোনা আতঙ্ক, সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে ১৭০০ মানুষের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার অবসান ঘটেছে আগেই। সারা বিশ্বেই এই মহামারি সংক্রান্ত নানা বিধিনিষেধও তুলে নেওয়া হয়েছে। হাত ধোয়া, মাস্ক পরা বা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার মতো স্বাভাবিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপও এখন আর অনেকেই মানেন না।

আর এর মধ্যেই আবারও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯। সংক্রামক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হচ্ছে প্রায় ১৭০০ মানুষের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই তথ্য সামনে এনেছে বলে শুক্রবার (১২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এখনও সারা বিশ্বে সপ্তাহে প্রায় ১৭০০ জনের প্রাণ কাড়ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে। আর এই কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণের হার হ্রাসের বিষয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ক্রমাগত মৃত্যুর সংখ্যা সামনে আসা সত্ত্বেও তথ্যগুলোতে দেখা যাচ্ছে, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে ভ্যাকসিনের কভারেজ হ্রাস পেয়েছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে তারাও রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা লোকেদের তাদের শেষ ডোজ নেওয়ার ১২ মাসের মধ্যে আবারও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিতে ডব্লিউএইচও সুপারিশ করছে।

একইসঙ্গে ভাইরাস নজরদারি এবং সিকোয়েন্সিং বজায় রাখতে ও সাশ্রয়ী মূল্যে এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা এবং সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত হুনান সি-ফুড মার্কেটে প্রথম করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটে। এরপর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারিতে মারা গেছেন ৭০ লাখেরও বেশি মানুষ।

যদিও এই মহামারিতে প্রাণ হারানো মানুষের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে মনে করা হয়। মানুষের প্রাণ কাড়ার পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের অনেকে দেশের অর্থনীতিকেও ছিন্নভিন্ন করেছে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিয়েছে।

অবশ্য চীনের উহানে ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হওয়ার তিন বছরেরও বেশি সময় পরে ২০২৩ সালের মে মাসে করোনাভাইরাস মহামারি আর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা নয় বলে ঘোষণা করেছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস।

পরে একই মাসে ডব্লিউএইচও প্রধান অবশ্য বলেছিলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা সম্পর্কিত স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সমাপ্তি ঘোষণা করা হলেও তা বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসের স্বাস্থ্য হুমকির সমাপ্তি নয়। বিশ্বে করোনাভাইরাসের আরেকটি ভ্যারিয়েন্ট উদ্ভূত হওয়ার হুমকি এখনও রয়ে গেছে যা নতুন করে এই রোগ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়াতে পারে। এছাড়া নতুন করে আরও রোগজীবাণু উদ্ভূত হওয়ার মারাত্মক হুমকি এখনও রয়ে গেছে।


আরও খবর



মেসি জাদুতে কানাডাকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

আরেকটি ফাইনাল, আরেকটি মহামঞ্চ, আরেকবার আর্জেন্টিনা। কোপা আমেরিকার এবারের আসরে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলতে নেমে আবারও ফাইনালের মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। প্রথম সেমি-ফাইনালে তারা ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে কানাডাকে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় ও ৩০তম বারের মতো ফাইনালের মঞ্চে পৌছালো আলবিসেলেস্তেরা।

আজ বুধবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও কানাডা। ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলের লড়াইয়ে নিজেদের আধিপত্য জানান দেয় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা রক্ষণে জোর দেওয়ায় কানাডাও বল দখলের লড়াইয়ে প্রায় সমতায় চলে আসে।

পুরো ম্যাচে ৫১ শতাংশ বল দখলে রাখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বিপরীতে ৪৯ শতাংশ বল পায়ে রাখে কানাডা, যেটা প্রথমার্ধে ছিল ৪১ শতাংশ। আর্জেন্টিনা ১১টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রেখে দুই গোল আদায় করে নেয়। কানাডাও ৩টি শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রেখেছিল, তবে কোনো গোল পায়নি তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা বল দখলে রাখলেও প্রথম আক্রমণ করে কানাডা। তবে জ্যাকিব শাফেলবার্গের বল লক্ষ্যে থাকেনি। সপ্তম মিনিটে আবারও মিস করেন শাফেলবার্গ। বিপরীতে দ্বাদশ মিনিটে আক্রমণ শাণিয়ে মিস করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিও।

সপ্তাদশ মিনিটে দারুণ একটি পাস দিয়েছিলেন ডি পল। আলভারেজ বল পেয়েছিলেন ৩৫ গজ দূরে। সেখান থেকে তার ডানপায়ের শট মিস করে লক্ষ্যের সীমানা। ঠিক এর পাঁচ মিনিট পরেই শাপমোচন করেন বড় মঞ্চের তারকা আলভারেজ।

ম্যাচের ২২তম মিনিট মাঝমাঠে বল দখলে নিয়ে ডি পলের চোখ খুঁজে নিল আলভারেজকে। ফাকায় দাঁড়ানো আলভারেজও বুঝে নিলেন ডি পলের ইঙ্গিত। থ্রু বলটা উড়িয়ে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের সেনানি ডি পল। এক পায়ে সেটা নামিয়ে দুজনকে কাটিয়ে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জাল খুঁজে নেন আলভারেজ।

ম্যাচের প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আরও কয়েকটি আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা ও কানাডা। তবে গোলের দেখা পায়নি। তাতে এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আসরের হট ফেভারিটরা।

দ্বিতীয় হাফে অবশ্য দাপট দেখিয়েছে কানাডা। তবে ম্যাচের ৫১তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল আদায় করে নেয় আলবিসেলেস্তারা। ডি বক্সের ভেতর থেকে এনজো ফার্নান্দেজের নেয়া শট মেসি হালকা পা ছুঁয়ে দেন। এটি চলতি কোপায় মেসির প্রথম গোল। তার পাশাপাশি ছয়টি কোপায় গোল পেলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। কোপার ইতিহাসে এটি মেসির ১৪তম গোল।

দুই গোল হজম করার পর বেশকিছু পরিবর্তন আনে কানাডা। আক্রমণেও যায় বেশ কয়েকবার। তবে আর্জেন্টিনার ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি ডেভিস-ডেভিডরা। ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে গোলে সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। তবে তানি ওলুওয়াসেই নেয়া শট দারুণভাবে সেভ করেন মার্টিনেজ।

বাকি সময়ে আর্জেন্টিনা ডিফেন্সে মনোযোগ দেয়। ফলে গোল দিতে পারেনি কানাডা। ২-০ তে জিতে আবারও কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠলো আর্জেন্টিনা। গেল আট কোপার মধ্যে ষষ্ঠবার ফাইনালে উঠলো তারা।


আরও খবর
প্যারিস অলিম্পিকে নতুন যা থাকছে

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




পলিটিক্যাল তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না: কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, কোনো পলিটিক্যাল তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না। রোববার (৭ জুলাই) সড়ক পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

কাদের বলেন, কোনো পলিটিক্যাল তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না। এক্ষেত্রে আগে বিআরটিএতে প্রচুর লেনদেন হত। তার বিনিময়ে কর্মকর্তাদের বদলির কাজ চলত। সেটি অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। তবে বিভিন্ন স্থানে অনেক অপকর্ম হয়। সর্ষের মধ্যে দালালদের মতো ভূত রয়েছে। জনস্বার্থে কোন প্রকল্প দরকার সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে। সেই বিষয়টাকে সর্বপ্রথম বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, মন্ত্রী, সচিব ও কর্মকর্তারা সৎ থাকলে দুর্নীতি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। দুর্নীতি এখন বেপরোয়া গতিতে বিস্তার লাভ করছে। কিন্তু ধরা পড়ে অনেক পরে। দুর্নীতির জন্য যে মূল্য দিতে হয়, সেটা আমাদের জন্য সত্যিই দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক। দেশের অর্থনৈতিক সম্পদ মাথায় রেখে সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো অবস্থাতেই শ্রীলংকার দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি কিংবা শ্রীলংকার ভুলের পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। ভালো কাজের যেমন পুরস্কার, সেভাবে খারাপ কাজের জন্য নিন্দা ও শাস্তির ব্যবস্থা থাকা দরকার।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




ত্রিশালে কালের সাক্ষী ৫'শত বছরের পুরনো শিমুল গাছ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের বালির বাজার এলাকার অতি নিকটে চিনু মোড়লের বাড়ির পাশেই একটি বিশাল আকৃতির পুরনো শিমুল গাছ যা কালের সাক্ষী হয়ে ৫শত বছর ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে এখনও। এলাকার মানুষের দাবি গাছটির বয়স অন্তত পাঁচশত বছর হবে। এই পুরনো শিমুল গাছটি নিয়ে জড়িয়ে আছে নানা গল্প কাহিনী।

সৌন্দর্যমন্ডিত প্রাচীণ এই গাছটিকে নিয়ে রয়েছে নানা গল্পকাহিনী। গাছের গোড়ায় দাঁড়ালে নিজেকে উচ্চতার দিক থেকে অতিক্ষুদ্র মনে হয়। আবার কখনও বা মনে হয় পাহাড়ের পাদদেশে দাঁড়িয়ে থাকার অনুভব। এর বিশালতায় দর্শনার্থীদের ভরে যায় মন। আলোচিত এই গাছটি দেখতে দূর থেকেও ছুটে আসেন অনেকে।

পুরাতন এ শিমুল গাছজুড়ে যখন টকটকে লাল শিমুল ফুল ফোটে তখন এক অপরুপ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এই গাছটির নিচে অনেকেই মনের বাসনা পূরণের জন্য মানত হিসাবে গরু খাসি, মোরগ, জবাই করে রান্নাবান্না করে। গাছ দেখার জন্য আগত ভক্তদের উদ্দেশ্য একটাই যেন তাদের মনের বাসনা পূর্ণ হয়।

স্থানীয়রা অনেকেই জানান, প্রায় সময় এখানে বিভিন্ন এলাকার লোকজন গাছটি একনজর দেখার জন্য এসে ভিড় করে থাকেন। তারা মানত করেন, স্থানীয়দের মাঝে মোরগ-পোলাও মিষ্টি বিতরণ করেন। তারা মনে করে এ গাছে অলৌকিক কোন কিছু আছে। তাই মনের বাসনা পুরণ করার জন্য দূর থেকে ছুটে আসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকছেদ আলী জানান, এই পুরাতন শিমুল গাছটি কাটার জন্য অনেকেই চেষ্টা করেছে কিন্তু কোন অবস্থাতেই কাটা যায় না। যে গাছটি কাটতে যায় সে অসুস্থ হয়ে যায়। শুনেছি অনেক আগে এ গাছ কাটতে এসে নাক, মুখ দিয়ে রক্ত এসেও মারা গিয়েছে একজন। এটি আমাদের এলাকার পুরাতন একটি গাছ। এটি আমাদের ঐতিহ্য।এভাবেই রুপকথার গল্পের মতো কথাগুলো বললেন মোকছেদ আলী। তার কথাগুলো হাস্যকর মনে হলেও এখানকার মানুষজন তাই বিশ্বাস করেন।

জমির মালিক ইউসুফ আলী জানান, এই বিশাল আকৃতির শিমুল গাছটির বয়স কমপক্ষে হলেও পাঁচশত বছর হবে। পূর্বপুরুষের মুখে শুনে এসেছি এই প্রবীণ শিমুল গাছের কথা। এছাড়াও এই গাছটি নিয়ে অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে। তাই মানুষ এ গাছে মানত পূরণ করতে আসে। প্রতিবছর ফাল্গুন মাস এলে গাছে শিমুল ফুলের সমারোহ সৌন্দর্য বৃদ্ধ করে এই প্রবীণ গাছটি। ওই সময় এই গাছটি ফুলে লালে লাল হয়ে যায়। গাছের ফুলে ফুলে মৌমাছি, পাখিদের আনাগোনা বেড়ে যায়। এই শিমুল বৃক্ষটি ত্রিশালের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে এমনটাই মনে করেন আগতরা।


আরও খবর



সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিন ধরে ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, সব বিভাগেই ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যে ঢাকাসহ ১৮ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপিতে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ সময় দেশের সব বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।


আরও খবর