আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

আইরিশদের উড়িয়ে বাংলাদেশের রেকর্ড গড়া জয়

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের রান পাহাড়ে রীতিমতো চাপা পড়েছে আয়ারল্যান্ড। বড় লক্ষ্য তাড়ায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে গেছে আইরিশদের ব্যাটিং লাইনআপ। তাসকিন-এবাদতদের তোপের মুখে ১৫৫ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারীরা। এর ফলে ১৮৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। যা নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়।

শনিবার (১৮ মার্চ) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে রেকর্ড ৩৩৮ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। যেখানে বড় অবদান রেখেছেন দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার সাকিব আল হাসান এবং তৌহিদ হৃদয়। জবাবে ৩০ ওভার ৫ বল খেলে ১৫৫ রান তুলে অলআউট হয়ে গেছে সফরকারীরা।

বাংলাদেশের দেওয়া ৩৩৯ রানের পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে নেমে ধীরগতির ব্যাটিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে আয়ারল্যান্ড। দুই আইরিশ ওপেনার স্টিফেন ধোয়েনি ও পল স্টার্লিংকে দুই প্রান্ত থেকেই চেপে ধরেন তাসকিন-মুস্তাফিজরা। প্রথম ছয় ওভারে সফরকারীরা কোনো উইকেট না হারালেও স্কোরবোর্ডে তুলে ২৩ রান। আর তাতে আইরিশদের প্রয়োজনীয় রান রেইট বেড়ে দাঁড়ায় ৭ এর ওপরে।

শুরুর সেই চাপ কমাতে এরপর আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেন দুই আরিশ ওপেনার। কাউন্টার অ্যাটাকে কিছুটা হলেও সাফল্য পেয়েছেন তারা। পাওয়ার প্লের শেষের ৪ ওভারে ২৮ রান তোলে আইরিশরা। তাতে শুরুর পাওয়ার প্লে শেষে বিনা উইকেটে স্কোরবোর্ডে ৫১ রান যোগ করেছে আয়ারল্যান্ড। এরপর আর বেশি দূর এগোতে পারেনি আইরিশদের উদ্বোধনী জুটি। বিপজ্জনক হয়ে উঠার আগেই ধোয়েনিকে সাজঘরে ফেরান সাকিব আল হাসান। এই স্পিনারের করা ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩৪ রান করেছেন তিনি।

ধোয়েনি ফেরার পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেলেন না পল স্টার্লিং। একটি করে চার ও ছক্কায় ২২ রানে থেমেছেন এই ওপেনার। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলটি খানিকটা শর্ট লেন্থে রেখেছিলেন এবাদত হোসেন। সেটা আগে থেকেই বুঝতে পেরে পুল করতে যান স্টার্লিং কিন্তু বলে বাড়তি বাউন্স থাকায় ঠিকমতো টাইমিং করতে পাররেননি এই ওপেনার। তাতে বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে মুশফিকের গ্লাভসে জমা পড়ে। এদিন উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ছিলেন অভিজ্ঞ মুশফিক।

আগের ওভারে স্টার্লিংকে ফেরানোর পর নিজের পরের ওভাররেই হ্যারি ট্যাক্টরকেও ফেরান এবাদত। ঠিক যেন আগের ওভারের কার্বন কপি! পার্থক্য ছিল শুধু ব্যাটারে, স্টার্লিংয়ের জায়গায় ট্যাক্টর। এবারও ওভারের দ্বিতীয় বলটি শট লেন্থে ছিল তাতে ব্যাটার পুল করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন। সাজঘরে ফেরার আগে ট্যাক্টরের ব্যাট থেকে এসেছে ৮ বলে ৩ রান।

এবাদত পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট নেওয়ার পর দুই প্রান্ত থেকেই পেস আক্রমণে যান তামিম। আর বোলিংয়ে ফিরেই অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিলেন তাসকিন। ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলে বার্লবির্নিকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফিরিয়েছেন এই পেসার। তার আগে ৫ রান এসেছে আইরিশ অধিনায়কের ব্যাট থেকে। তাসকিনের এই ওভারের কোনো বল থেকেই রান নিতে পারেনি আইরিশরা, ফলে উইকেট মেইডেইন পান তিনি।

নিজের পরের ওভারে আক্রমণে ফিরে আবারও উইকেটের দেখা পান তাসকিন। এবার তার শিকার টাকার। ওভারের প্রথম বলটি শট লেন্থে ফেলে অফ স্ট্যাম্পের বাইরে রেখেছিলেন এই পেসার, সেখানে অন সাইডে টেনে খেলতে গিয়ে ইয়াসির রাব্বির হাতে ধরা পড়েন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬ রান। ওভারের বাকি বল গুলোতেও কোনো রান দেননি তাসকিন, ফলে পরপর দুটি উইকেট মেইডেন পেয়েছেন এই পেসার।

৬০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৭৬ রান তুলতেই সাজঘরে টপ অর্ডারের পাঁচ ব্যাটার। ১৬ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে আইরিশরা যখন ধুঁকছে তখন দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলার চেষ্টা করেন জর্জ ডকরেল ও কার্টিস ক্যাম্পার।

ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজনে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। তবে অসহায় ছিলেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে। তাদের জুটিতে একশো পার হয় সফরকারীরা। কিন্তু দলীয় রান তিন অঙ স্পর্শ করার পর আর বেশিদূর এগোয়নি এই জুটি। ১৬ রান করা ক্যাম্পারকে ফিরিয়ে ৩৩ রানের এই জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ।

২৪তম ওভারের চতুর্থ বলটি অফ এবং মিডল স্ট্যাম্পের ওপর রেখে ফুল লেন্থে করেছিলেন নাসুম। বলে সামান্য টার্ন থাকায় ডিফেন্স করতে গিয়ে লাইন মিস করেন ক্যাম্পার। তাতে বল সরাসরি পায়ে আঘাত হানলে নাসুমের আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি এই আইরিশ অলরাউন্ডার। ফলে রিভিও নেন তিনি। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।

নিজের পরের ওভারে বোলিংয়ে ফিরে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন নাসুম। ওভারের পঞ্চম বলে ১ রান করা গেরেথ ডেলানিকে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলানোর পরের বলেই অ্যান্ড্রি ম্যাকব্রাইনকেও ফিরিয়েছেন এই স্পিনার। মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে রানের খাতা খুলতে পারেননি ম্যাকব্রাইন। ইনিংসে এটা নাসুমের তৃতীয় শিকার।

ব্যাটারদের এমন আসা-যাওয়ার মিছিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন ডকরেল। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। তার ৪৫ রান শুধুই হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৩০ ওভার ৫ বল খেলে ১৫৫ রান তুলে অলআউট হয়েছে আয়ারল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ দল। তবে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি তাদের। ব্যক্তিগত ৩ রানের মাথায় আইরিশ পেসার মার্ক অ্যাডায়ারের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ওপেনার তামিম ইকবাল। এরপর শুরুর সেই চাপ কিছুটা সামলে নেন লিটন দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে দলীয় ৪৯ রানের সময় সাজঘরে ফেরেন লিটনও। কার্টিস ক্যাম্ফারের বলে পল স্টার্লিংয়ের হাতে তালুবন্দী হওয়ার আগে তিনি ৩১ বলে ২৬ রান করেছেন।

এরপর দলেকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নেন সাকিব আল হাসান সঙ্গে থাকেন শান্ত। তবে বেশিদূর এই জুটি এগোতে পারেনি। দলীয় ৮১ রানে শান্ত সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ২৫ রান করে। তখনও অপরপ্রান্তে অবিচল ব্যাট হাতে সাকিব। এরপর উইকেটে আসেন অভিষিক্ত তৌহিদ হৃদয়। সাকিবকে নিয়ে গড়েন বড় জুটি। এদিনই সাকিব ওয়ানডেতে নিজের ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

অন্যপ্রান্তে অভিষিক্ত হৃদয়ও দারুণ খেলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধ শতক। যদিও দুজনের সামনেই সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও কেউই পারেননি ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছাতে। ৯৩ রানের মাথায় বিদায় নেন সাকিব। অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে ইয়র্কার ধরনের ডেলিভারি করেছিলেন গ্রাহাম হিউম। দূর থেকেই খেলার চেষ্টা করলেন সাকিব। তার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে গেল কিপার লরকান টাকারের হাতে। আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত জানাতেই ড্রেসিং রুমের দিকে হাঁটা ধরলেন সাকিব।

এই অলরাউন্ডারের বিদায়ের পরই মারমুখী হতে থাকেন হৃদয়। অন্যপ্রান্তে মুশফিুকর রহিম খেলেন টর্নেডো ইনিংস। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান অভিজ্ঞ এই টাইগার ক্রিকেটার। যদিও শেষ পর্যন্ত অর্ধ শতক তোলার আগেই বিদায় নেন মুশফিক। ২৫ বলে ৪১ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।

তখনও ব্যাট হাতে লড়ছিলেন হৃদয়। অবশ্য অভিষেকে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও তা আর পাওয়া হল না। নেহায়েত কপাল মন্দ! সাকিবের মতো নার্ভাস নাইন্টিতে কাটা পড়েন তরুণ এ ব্যাটারও। গ্রাহাম হিউমের করা ৪৬তম ওভাররের পঞ্চম বলটি গুড লেন্থে পড়ে লেগ স্ট্যাম্প বরাবর আসছিল, সেখানে ঘুরে দাঁড়িয়ে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে লফটেট শট খেলতে চেয়েছিলেন হৃদয়। কিন্তু ব্যাটে-বলে কোনো রকম সংযোগই হয়নি, তাতে বল সরাসরি তার উইকেটে আঘাত হানে। শেষপর্যন্ত ৯২ রানে বোল্ড হয়েই থেমে যায় হৃদয়ের ইনিংস, দলের রান তখন ২৯৭।

এরপর দলের হয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেন ইয়াসির আলি রাব্বি। যদিও অন্যপ্রান্তে তাসিকন আহমেদ ফিরে যান ১১ রান করে। এরপর রান আউটে কাটা পড়ে রাব্বি ফেরেন ১৭ রান করে। নাসুম আহমেদ অপরাজিত থাকেন ১১ রানে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৩৮ রান সংগ্রহ করে তামিম ইকবালের দল । আইরিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট সংগ্রহ ইনিংসের সেরা বোলার গ্রাহাম হিউম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩৩৮/৮ (তামিম ৩, লিটন ২৬, শান্ত ২৫, সাকিব ৯৩, হৃদয় ৯২, মুশফিক ৪৪, ইয়াসির ১৭, তাসকিন ১১, নাসুম ১১*, মুস্তাফিজ ১*; অ্যাডায়ার ১০-০-৭৭-১, হিউম ১০-০-৬০-৪, ম্যাকব্রাইন ১০-০-৪৭-১, ক্যাম্পার ৮-০-৫৬-১, ট্যাক্টর ৬-০-৪৫-০, ডেলানি ৬-০-৫০-০)।

আয়ারল্যান্ড: ৩০.৫ ওভারে ১৫৫ (ধোয়েনি ৩৪, স্টার্লিং ২২, বার্লবার্নি ৫, ট্যাক্টর ৩, ক্যাম্পার ১৬, ডকরেল ৪৫, ডেলানি ১, ম্যাকব্রাইন ০, অ্যাডায়ার ১৩, হিউম ২*; মুস্তাফিজ ৬-০-৩১-০, তাসকিন ৬-২-১৫-২, নাসুম ৮-০-৪৩-৩, সাকিব ৪-০-২৩-১, এবাদত ৬.৫-০-৪২-৪)।

ফল: বাংলাদেশ ১৮৩ রানে জয়ী।

সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১-০তে এগিয়ে।

ম্যান অব দা ম্যাচ: তৌহিদ হৃদয়।


আরও খবর
৪ বছরের জন্য ফুটবলে নিষিদ্ধ বিশ্বকাপজয়ী পগবা

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিজ দেশের নাগরিকদের রাখাইন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ দিন দিন বড় আকার ধারণ করছে মিয়ানমারে। জান্তা সেনাদের সঙ্গে বিরোধ, সংঘর্ষে কার্যত ভেঙে পড়েছে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এমনকি বাংলাদেশ ও ভারতে বাড়ছে অনুপ্রবেশ। প্রাণে বাঁচতে সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা।

এমন অবস্থায় ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির কারণে ভারতীয়দের মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে না যেতে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সরকার। এমনকি নাগরিকদের যারা সেখানে আছেন তাদের এখনই রাখাইন ছাড়তেও নির্দেশ দিয়েছে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় নাগরিকদের মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দিয়েছে ভারত। দেশটির সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার পর ভারত এই প্রথম এই ধরনের সতর্কতা জারি করল।

এনডিটিভি বলছে, মিয়ানমারে সহিংসতা বৃদ্ধির পর দেওয়া প্রথম নির্দেশনায় টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে ব্যাঘাত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতিসহ বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয়দের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করতে বলেছে।

এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি, ল্যান্ডলাইনসহ টেলিযোগাযোগের মাধ্যম ব্যাহত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তীব্র ঘাটতির পরিপ্রেক্ষিতে সকল ভারতীয় নাগরিককে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, যে সকল ভারতীয় নাগরিক ইতোমধ্যেই রাখাইন প্রদেশে রয়েছেন তাদের অবিলম্বে প্রদেশটি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে নেয় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে ব্যাপকভাবে সহিংস বিক্ষোভের সাক্ষী হয়ে আসছে মিয়ানমার।

আর রাখাইন প্রদেশসহ দেশটির অন্যান্য অনেক অঞ্চলে গত বছরের অক্টোবর থেকে সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই দেখা গেছে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ও অঞ্চলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে মণিপুর এবং মিজোরামের নিরাপত্তা নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্বেগও বেশ বেড়েছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তার বিরোধীদের লক্ষ্য করে এবং সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


আরও খবর



সংরক্ষিত আসনে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর বিকেলে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

যারা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন-রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়), দ্রৌপদি বেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও), আসিকা সুলতানা (নীলফামারী), ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট), কোহেলি কুদ্দুস (নাটোর), জারা জেবিন মাহমুদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), রুনু রেজা (খুলনা), ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট), ফারজানা সুমি (বরগুনা), খালেদা বাহার (ভোলা), নাজনীন নাহার (পটুয়াখালী), ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী), উম্মে ফারজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ), নাদিয়া বিনতে আমিন (নেত্রকোণা), মাহফুজা সুলতানা (জয়পুরহাট), পারভীন জাহান কল্পনা (ঝিনাইদহ), অ্যারোমা দত্ত (কুমিল্লা), লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা), বেধৈরা আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ), শবনম জাহান (ঢাকা), পারুল আক্তার (ঢাকা), সাবেরা বেগম (ঢাকা), শাম্মী আহমেদ (বরিশাল), নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা), ঝর্ণা হাসান (ফরিদপুর), ফজিলাতুন্নেছা (মুন্সিগঞ্জ), শাহিদা তারেক দীপ্তি (ঢাকা), অনিমা মুক্তি গমেজ (ঢাকা), শেখ আনারকলি (ঢাকা), মাসুদা সিদ্দিক (নরসিংদী), তারানা হালিম (টাঙ্গাইল), বেগম শামসুন্নাহার (টাঙ্গাইল), মেহের আফরোজ (গাজীপুর), অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল), হাসিনা বারি (ঢাকা), নাজমা আক্তার (গোপালগঞ্জ), অরুণা চক্রবর্তী (সিলেট), ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর), আশরাফুন্নেসা (লক্ষ্মীপুর),  কানন আরা বেগম (নোয়াখালী),শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম), ফারিদা খানম (নোয়াখালী), দিলারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম), ওয়াশিকা আয়েশা খান (চট্টগ্রাম),  ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙ্গামাটি), সানজিদা খানম (ঢাকা), নাসিমা জামান ববি (রংপুর)


আরও খবর



নিউইয়র্কে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনকে তৃতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আটক করে নিউইয়র্ক পুলিশ।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকেই তার খোঁজ শুরু করে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। তার ওপর হুলিয়া জারির পর থেকেই তিনি নানা সময় নিজের অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন।

পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রায়ান গ্রানশো জানান, আজ রোববার নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সকালবেলা তাকে স্টাটেন আইল্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রায়ান জানান, ইলিয়াস হোসেনকে আজ জ্যামাইকার ১১৩ প্রেসেন্ট হাজতখানাতে নেওয়া হয়েছে। আজ সারা দিন তাকে কারাগারেই থাকতে হবে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তাকে কোর্টে জামিনের জন্য তোলা হবে।

এর আগে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছিলেন ইলিয়াসকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তার বাড়ির দরজা ও শহরের বিভিন্ন স্থানে ধরিয়ে দিন পোস্টার লাগিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মিল্টন জ্যাকব ও প্রিমা রব্বানীর কুইন্স কাউন্টির ক্রিমিনাল আদালতে দায়ের করা মামলায় ১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক ইলিয়াস পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাকে আটক করা হয়। আটকের ৬ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। ১৭ জানুয়ারি সশরীরে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি। ফলে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়।

এদিকে চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলায় মিথ্যা ও অসত্য তথ্য সরবরাহ এবং তা প্রচারের অভিযোগে দেশের আদালতেও ইলিয়াসের বিরদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের মামলায় সাংবাদিক তাকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির প্রকাশের নির্দেশও দিয়েছিলেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। পরে গত ১৮ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালত তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন।


আরও খবর



যৌন নিপীড়ন

এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন আরেক ছাত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

এবার আরেক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে। রাজধানীর আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রী এই অভিযোগ করেছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক হিসাবে ক্লাস নিতেন তিনি। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বরাবর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একজনের কাছ থেকে ড. নাদির জুনায়েদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এসেছে। এ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো মূলত উপাচার্য বরাবর দেওয়া হয় এবং প্রক্টরের কাছেও অনুলিপি পাঠানো হয়। আমি সেই অনুলিপিটা পেয়েছি।

অভিযোগপত্রে ওই শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, আমি যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছি, সেখানে অধ্যাপক নাদির জুনাইদ একটি কোর্স পড়াতে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসাবে এসেছিলেন। আমি ক্লাসের সিআর হওয়ার সুবাদে আমাকে তার সঙ্গে এক ধরনের যোগাযোগ রাখতে হতো। প্রথমত উনি নিয়মিত আমাকে ফোন দিতেন। বাসায় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফোন দিতেন। কিন্তু সমস্যা হলো, উনি ব্যক্তিগত অনেক তথ্য জিজ্ঞেস করতেন। আমাকে এমনও জিজ্ঞেস করেছেন, আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কিনা-এ রকম। ব্যাপারটা এমন দাঁড়াল, উনার পড়াশোনার কাজের থেকে বেশি আগ্রহ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। এসব নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে চাইতেন। সাধারণত উনি রাত ১০টা বা ১২টার দিকে ফোন দিতেন। উনি আমাকে যখন এইভাবে ফোন বা ভিডিও কল দিতেন, আমি খুবই বিব্রত হতাম। আমি প্রায় উনার ফোন না ধরার চেষ্টা করতাম, কিন্তু সেটার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পরবর্তী ক্লাসে দেখা যেত। ফোন না ধরায় আমাকে ক্লাসে নানাভাবে হেনস্তা করতে চাইতেন। ক্লাসে এভাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার পরও উনি আবারও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

শিক্ষার্থী আরও বলেন, ক্লাসে ও ক্লাসের বাইরে উনার মুখ ও মুখোশ ছিল আলাদা। উনি ক্লাসে হেনস্তা করার পরে আবার দুঃখপ্রকাশ করে আমাকে মেসেজ দিতেন, ফোন দিতেন। পরে অনেকটা বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে উনার ফোন এবং ভিডিও কল রিসিভ করতাম। তখন ভিডিও কলে বলতেন, একটু তোমার চেহারাটা দেখি, তোমার চুলটা একটু দেখি, তোমার জুম পিক দেখি। আমার কয়েকবার মনে হয়েছে তখন উনি হস্তমৈথুন করেন। উনি সব সময় চাইতেন, তাকে সব আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখি। উনি অনেক হ্যান্ডসাম-এটা উনি বারবার শুনতে চাইতেন। উনি এত সুদর্শন, এত তরুণ, উনাকে দেখে আমরা আকর্ষিত বোধ কেন করছি না-এরকম বিষয় নিয়ে প্রায়ই খোঁচা দিতেন। প্রায়ই মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপে উনার ভিডিও বা ছবি পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করতেন, আমি দেখতে কেমন। পরে বুঝেছি, এর সবই ছিল উনার ফাঁদ পাতার কৌশল।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে অশ্লীল কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার অভিযোগ তুলে ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, উনি আমাকে শারীরিক স্পর্শ বা সেরকম কিছু করেননি। কিন্তু বিয়ের কথা বলে আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন কথোপকথন চালিয়ে গেছেন। উনি প্রায় অশ্লীল কথাবার্তা বলতেন। নানা রকম যৌন উত্তেজনামূলক কথা আমার সঙ্গে বলতে চাইতেন। সব সময় অন্তরঙ্গ কথা বলার প্রতি উনার বিশেষ আগ্রহ থাকত। আমার শরীরের স্পর্শকাতর জায়গা নিয়ে তিনি আমাকে প্রশ্ন করতেন।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদ অন্য নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন কাজ করেছেন উল্লেখ করে অভিযোগকারী বলেন, আমার ক্লাসের আরেকটা মেয়ের সঙ্গেও এমন করেছেন উনি। ওই মেয়েকেও উনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েছেন। ৬ মাসের জন্য পড়াতে গিয়ে একই ক্লাসের দুজন মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, এটাকে স্বাভাবিক মনে করার কোনো কারণ নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদকে একাধিকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।

৭ ফেব্রুয়ারি নম্বর কম দেওয়া নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তরের ১২তম ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগের পর ১০ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে প্রক্টরের কাছে লিখিত দেন বিভাগের এক ছাত্রী। যদিও তিনি (নাদির জুনাইদ) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এর পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে বলে দাবি করেন।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের দাবিতে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেন বিভাগের সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। তার বিভাগীয় অফিস কক্ষে তালা দেওয়ার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের তালা সিলগালা করে দেন। দরজায় যৌন নিপীড়ক অধ্যাপক নাদির জুনাইদ ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত সংবলিত পোস্টার ঝুলিয়ে দেন। এছাড়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপিও দেন।

পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে ৩ মাসের বাধ্যতামূলক ছুটি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ছুটির চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও তদন্ত করার জন্য বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সর্বশেষ রাজধানীর আরেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির অভিযোগ করলেন। 


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যথাসময়ে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তি পাওয়া যাবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের দেয়া বেশিরভাগ টার্গেটই পূরণ করায় সংস্থাটির দেয়া ঋণের তৃতীয় কিস্তি বাংলাদেশ সময় মতোই পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের একথা বলেছেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশে আইএমএফের  আবাসিক প্রতিনিধি জায়েন্দু দে এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার লিলি নিকলসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মাহমুদ আলী বলেন, আএমএফ যেসব টার্গেট দিয়েছিলো তার বেশিরভাগই আমরা পূরণ করতে পেরেছি। আইএমএফ এর পরীক্ষায় আমরা পাস করেছি। আরেকটা টিম আসবে। তৃতীয় কিস্তি ঋণের টাকাও যথাসময়ে পাওয়া যাবে, আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

আইএমএফের কাছ থেকে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ওই ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার বাংলাদেশ পায় গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। আর ডিসেম্বরে আসে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ৯৮ লাখ ডলার।

এদিকে দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত বা মার্জ করার বিষয়ে একমত অর্থমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।

তিনি বলেন, দুর্বল ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা ভালো। এ বিষয়ে আমাদের দুটি আইডিয়া আছে। দু-একটা ব্যাংক এমন আছে তারা একেবারেই কাজই করতে পারছে না। তাদের শক্তিশালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করাই ভালো।

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সংস্কার করে সবল কোনো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে প্রস্তুতও থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অর্থমন্ত্রী জানান, উন্নত অর্থনীতিতে দেশগুলোতে একীভূতকরণ অহরহই হচ্ছে। তবে এখানে তা করতে সময় দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎপরতা থাকলেও এই বিষয়ের বাস্তবায়ন সময় সাপেক্ষ। অর্থ মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে এখনো উদ্যোগ নেয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


আরও খবর