আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

আগামী বছর থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

Image

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রমে হয়রানি ও ব্যয় কমেছে। তবে নতুন কোনো পদ্ধতি চালু করতে গেলে সেখানে কিছু সমস্যা হয়ই। এ ক্ষেত্রেও কিছু সমস্যা হচ্ছে। আগামী বছর থেকে অন্যান্য দেশের মতো সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে একটি ভর্তি পরীক্ষা হবে। জাতীয় একটি মেধা তালিকা হবে, সেই তালিকা অনুসারে ভর্তি হবে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দৌলতপুর কলেজে আজ বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

এ সময় সাংবাদিকেরা র‍্যাগিং প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে দীপু মনি বলেন, র‌্যাগিং একেবারেই নিষিদ্ধ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে র‌্যাগিং বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। অন্যান্য সামাজিক সমস্যার মতোই একটি সমস্যা র‌্যাগিং। শুধু আইন করে বা শিক্ষকদের দিয়ে বলিয়েই হবে না। র‌্যাগিং বন্ধে এর বিরুদ্ধে মানসিকতা ও একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সবাই চাওয়া সত্ত্বেও, আইন থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের অনেক জায়গায় এখনো র‌্যাগিং হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন ধ্বংস হয়ে যায়। এটি কারও কাম্য নয়। র‌্যাগিং বন্ধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এতে গণমাধ্যমেরও ভূমিকা রয়েছে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি উদ্বোধনী আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য শরীফ এনামুল কবির, দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশা প্রমুখ।

বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত দেশ, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ স্লোগানে দৌলতপুর কলেজে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলায় কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর



বাজেটে কমতে পারে যে সব পণ্যের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট উত্থাপন হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার। সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার স্লোগানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এটি হবে তার প্রথম বাজেট ঘোষণা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বাজেট।

আয়-ব্যয়ের বিপুল ঘাটতির তোয়াক্কা না করে প্রতি বছরই বাড়ছে হুড়হুড় করে বাড়ছে বাজেটের আকার। যার প্রভাব পড়ে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর।

এবারের বাজেটে যে সকল পণ্যের দাম কমবে বলে জানা যায়, তারমধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, রসুন, মটর, ছোলা, চাল, গম, আলু, মসুর, ভোজ্য তেল, চিনি, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ভুট্টা, ময়দা, আটা, লবণ, গোলমরিচ, এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, খেজুর, তেজপাতা, পাট, তুলা, সুতা, সব ধরনের ফলসহ ৩০টি পণ্যে করছাড় দেওয়া হচ্ছে।

৩০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যশস্য সরবরাহের ওপর কর কমানোর পাশাপাশি শিশুখাদ্যেও কমছে করভার। বর্তমানে আড়াই কেজি ওজন পর্যন্ত গুঁড়া দুধের ওপর করভার ৮৯.৩২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫৮.৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব আসছে। বর্তমানে গুঁড়া দুধের বাল্ক আমদানিকারকদের জন্য মোট করভার ৩৭ শতাংশ।

দেশীয় শিল্পের বিকাশে ২০২৩-২৪ বাজেটে ল্যাপটপ-কম্পিউটার আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়। ফলে আমদানিকারকদের বর্তমানে ল্যাপটপ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্কসহ বর্তমানে ল্যাপটপে আমদানি মোট ৩১ শতাংশ শুল্ককর দিতে হয়। তবে নতুন ২০২৪-২৫ বাজেটে এ পণ্যটিতে শুল্ককর ১০ শতাংশ কমিয়ে ২০ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

কৃষিজাত পণ্য বিশেষ করে পোল্ট্রি, গবাদিপশু ও মাছের দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে ভর্তুকি, প্রণোদনা এবং আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ককর ও ভ্যাট ছাড় দেওয়া হবে।

সার, বীজ, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ এবং আরও কতিপয় শিল্পের কাঁচামালের ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্কহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হতে পারে। তৈরি পোশাক, ক্ষুদ্রঋণ, রেমিট্যান্স, পোলট্রি ও ফিশারি খাতেও করছাড় কমানো হতে পারে বলেও জানা যায়।


আরও খবর



সিলেটে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ২১ মিলিয়ন ঘনফুট

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের কৈলাসটিলার ৮ নম্বর অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। কূপটির তিন হাজার ৫০০ মিটার খনন শেষে সম্প্রতি গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে অনুসন্ধানকারী টিম। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন এ কূপ থেকে ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী তিন মাসের মধ্যে এখান থেকে প্রাপ্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কৈলাসটিলার ৮ নম্বর কূপের খনন কাজ শুরু করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। কূপ খননে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।

কৈলাসটিলার ৮ নম্বর কূপ নিয়ে গত সাত মাসে সিলেটে চারটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিললো। গত ২৭ জানুয়ারি রশিদপুরের ২ নম্বর কূপে গ্যাসের নতুন স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। যার পরিমাণ প্রায় ১৫৭ মিলিয়ন ঘনফুট। এর আগে গত ২৬ নভেম্বর দেশের সবচেয়ে পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র হরিপুরের ১০ নম্বর কূপে গ্যাসের সন্ধান মেলে। তারও আগে ২২ নভেম্বর সিলেটের কৈলাসটিলায় পরিত্যক্ত ২ নম্বর কূপ থেকে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হয়। এখান থেকে দৈনিক ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস সূত্রে জানা গেছে, কৈলাসটিলার ৮ নম্বর কূপের খনন কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে। খনন কাজ করছে বাপেক্স। এরইমধ্যে কূপটির তিন হাজার ৫০০ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩৪৪০ থেকে ৩৪৫৫ মিটার গভীরতায় নতুন গ্যাসের স্তর পাওয়া গেছে। এখন পরীক্ষা চলছে। এ কূপ থেকে প্রাথমিকভাবে দৈনিক ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, আমরা কৈলাসটিলার ৮ নম্বর কূপে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছি। বর্তমানে সেখানে আরও পরীক্ষা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ কূপ থেকে প্রতিদিন ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। আশা করছি, ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিডে আরও বেশি গ্যাস সরবরাহ করতে পারবো।

এরইমধ্যে কূপটির ৩৫০০ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরমধ্যে ৩৪৪০ থেকে ৩৪৫৫ মিটার গভীরতায় নতুন গ্যাসের স্তর পাওয়া গেছে। গ্যাসের চাপ রয়েছে ৩৩৭০ পিএসআই। আগামী তিন মাসের মধ্যে এখান থেকে প্রাপ্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

সিলেটের চারটি ফিল্ডের ১২টি কূপ থেকে প্রতিদিন ১১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যে আরও কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শেষে সেই উৎপাদন ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে বাড়ার আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। আর সরকারের বেধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে পারলে শুধু এ কোম্পানি থেকেই প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে ২৫০ মিলিয়ন গ্যাস যুক্ত করা সম্ভব।


আরও খবর



তানজিম সাকিবের পর তাসকিন, দিশেহারা দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

তানজিম সাকিবের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সঙ্গে জ্বলে উঠলেন তাসকিন আহমেদও। তার বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে গেলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম। টানা তৃতীয় ওভার বল করতে এসে আবারও উইকেট নিলেন তানজিম হাসান সাকিব। ট্রিস্টান স্টাবস ক্যাচ দিলেন সাকিব আল হাসানের হাতে।

দুই পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩ উইকেট নেন তানজিম সাকিব এবং ১ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।

এ রিপোর্ট লেখার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৫.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫ রান। ডেভিড মিলার ২ রানে এবং হেনরিকস ক্লাসেন শূন্য রানে উইকেটে রয়েছেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তানজিম সাকিবের প্রথম বল দেখে খেলেছিলেন কুইন্টন ডি কক। দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে বসলেন তিনি। পরের বলে বাউন্ডারি। এরপর সিঙ্গেল।

স্ট্রাইকে গেলেন অপর ওপেনার রিজা হেন্ডরিকস। মারমুখি ব্যাটার হিসেবে পরিচিত তিনি। কিন্তু তানজিম সাকিবকে খেলতে সমস্য হলো তার। ওভরের শেষ বলে হলেন পরাস্ত। এলবিডব্লিউ হয়ে গেলেন প্রোটিয়া ওপেনার রিজা হেন্ডরিকস।

প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু উপহার দিলেন তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিব। ১১ রান হজম করলেও ১টি উইকেটের পতন তো ঘটাতে পেরেছেন তিনি।

নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় ওভারে বল করতে এসে যেন আরও বেশি বিধ্বংসী তানজিম সাকিব। এবার ওভারের তৃতীয় বলে সরাসরি বোল্ড করে দেন তিনি কুইন্টন ডি কককে। ১১ বলে ১৮ রান করে আউট হন ডি কক। মাঝের ওভারে অবশ্য তাসকিন আহমেদকেও ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। এর আগে নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম।


আরও খবর



যোগী-মোদি ম্যাজিক ফিকে, বড় চমক ইন্ডিয়া জোটের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে অন্যতম নির্ধারক হিসেবে কাজ করে থাকে উত্তরপ্রদেশ। দেশটির একটি কথা প্রবাদের মতো প্রচলিত রয়েছে। বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ যার দিল্লি তার। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভোট গণনার শুরু থেকেই বিজেপি এবং ইন্ডিয়া জোটের টানটান লড়াই চোখ পড়েছে। ৮০ আসনের উত্তরপ্রদেশে ৪৩ আসনে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি (এসপি)। আর বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৩৬টি আসনে। এছাড়া কংগ্রেস ছয়টি ও রাষ্ট্রীয় লোকদল দুটি আসনে এগিয়ে আছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে সারা ভারতের নজর ভোটগণনার দিকে। এখন পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে দেখা গেছে, নরেন্দ্র মোদির বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএকে দূরন্ত চ্যালেঞ্জ দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট। তবে সবচেয়ে বেশি চমক দেখা গেছে উত্তরপ্রদেশে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৮০ আসনের মধ্যে ৬২টি আসনই পেয়েছিল এনডিএ। কিন্তু এবারের অঙ্ক একেবারে বিপরীতে। দেখা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে আছে ৪৩ আসনে। এনডিএ সেখানে এগিয়ে রয়েছে ৩৬টিতে। অন্যান্য ১।

যদিও এই ফলাফল প্রাথমিক। এখন পর্যন্ত যে চিত্র দেখা যাচ্ছে তাতে সত্যিই বড় চমক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই ট্রেন্ড বজায় থাকলে তা যে বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা হতে চলেছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কিন্তু কেন? ভোটব্যাঙ্কে এমন পরিবর্তনের পেছনে ফ্যাক্টর কী?

মনে করা হচ্ছে, এর পেছনে যে কয়েকটি ফ্যাক্টর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম জাতিগত আদমশুমারি ইস্যু। রাহুল গান্ধী বার বার দাবি করেছেন, তার জোট ক্ষমতায় এলে জাতিগত আদমশুমারি হবে। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব জোর দিয়েছেন পিডিএর উপরে। অর্থাৎ পিছড়া দলিত অল্পসংখ্যক। এর আগে যাদব ও মুসলিমদেরই প্রার্থী করতেন অখিলেশ। কিন্তু এবার দলিতদেরও প্রার্থী করেছে তার দল।

অন্যদিকে বিজেপি বরাবরের মতোই কট্টর হিন্দুত্ববাদী ইস্যুতে জোর দিয়েছে। কিন্তু কট্টর হিন্দুত্ববাদীতে গাজর নষ্ট হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি একের পর এক কেলেঙ্কারি ফাঁস, বেকারত্বের মতো বিষয়গুলো উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ম্যাজিককে ফিকে করেছে। শেষপর্যন্ত হিসেব কী দাঁড়াবে তা সময় বলবে। কিন্তু এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল যে চমকপ্রদ হতে যাচ্ছে তা বলাই যায়।

উত্তরপ্রদেশের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রাহুল গান্ধী রায়বরেলি ও অখিলেশ যাদব কনৌজ কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে মোদি বারাণসী কেন্দ্রে প্রাথমিকভাবে পিছিয়ে পড়েছিলেন কংগ্রেসের আজয় রাইয়ের কাছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটে এগিয়ে গেছেন মোদি। জিতছেন রাজনাথ সিংও। অন্যদিকে আমেথিতে পিছিয়ে রয়েছেন স্মৃতি ইরানি।


আরও খবর



কোরবানির ঈদকে ঘিরে শেরপুরে মসলার বাজার অস্থির

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে উৎসবের আমেজ আসতেই অস্থির হয়ে উঠেছে শেরপুরের মসলার বাজার।ঈদকে কেন্দ্র করে মসলা ব্যবসায়ীরা জিরা, এলাচ ও লবঙ্গের মতো মসলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অস্বাভাবিকভাবে। অথচ এসব মসলা আমদানি হয়েছে ৩-৪ মাস আগেই। ঈদের আগ মসলার দাম বড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। মসলার আকাশচুম্বী দামে পুড়ছে তাদের পকেট। হঠাৎ করেই মসলার দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই পছন্দের খাবার তৈরি করতে অসুবিধায় পড়ছেন। এ পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

শেরপুরের নয়ানী বাজারে মসলা কিনতে আসা জাকির হোসেন বলেন, সব মসলার দাম বেশী, এভাবে সবকিছুর দাম বাড়লে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষ কোথায় গিয়ে দাড়াবে?

এনজিও কর্মী ইমন জানান প্রতি কেজি মসলা ১০০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চাল-ডাল-আটাসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা। অথচ ধানের মূল্য কম।

মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে এলাচ, জিরা, লবঙ্গ, পিয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, হলুদ, ধনিয়াসহ বিভিন্ন প্রকারের মসলা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরাতে ছোট এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ টাকা, গতসপ্তাহে এলাচ কেজিপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়। ভালো মানের বড় এলাজ প্রতি কেজি ৪ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৮০০ টাকায়। লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়, লবঙ্গের দাম বেড়েছে প্রায় ১ হাজার টাকা। প্রতি কেজি জিরা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮০০/৯০০ টাকায়। গোলমরিচ প্রতি কেজি ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহে কেজি ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়াও দারচিনি ৭০০ টাকা, হলুদ ৩৫০ টাকা,কালিজিরা ৪০০ টাকা, কিসমিস ৮০০ টাকা, তেজপাতা ১২০ টাকা, সাদা সরিষা ৩০০ টাকা, এ সবের কেজি প্রতি ৮০- ১০০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সংকট ও ডলারের দাম বাড়ায় মসলার দাম বেড়েছে। তাদের দাবি মসলার দাম বাড়ছে ২কারণে। প্রথমত. দেশে চলছে ডলার সংকট, ডলারের অভাবে এলসি করা যাচ্ছে না। দ্বিতীয়ত. আন্তর্জাতিক বাজারে মসলার দাম বেড়েছে। প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। অথচ কোরবানির মসলা ২-৩ মাস আগে থেকেই মজুত করে রেখেছে ব্যবসায়ীরা বলছেন ভোক্তাগণ।

ঝিনাইগাতি মসলার বাজারের ক্রেতা আলহাজ শাহজাহান আকন্দ ও আলহাজ সরোয়ার্দী দুদু মন্ডল বলেন, প্রতিবছরই কোরবানির আগে ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা আয়ের জন্য মসলার দাম বাড়িয়ে দেয়। তারা জানেই কোরবানীর ঈদে মসলা অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। কোরবানির গোশত খাওয়ার জন্য সবাইকে মসলা কিনতেই হবে। তারা সাধারণ জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসা করছে। সিজনাল সময়গুলোয় চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে কম রাখা উচিত। অথচ তারা করছে উল্টো।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মসলা ব্যবসায়ী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কিছু মসলার দাম বেড়েছে। মসলাকে বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ পণ্য আমদানিতে প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি শুল্ক দিতে হয় মহাজনদের। পাশাপাশি ডলারের দাম বাড়ায় মসলার বাজার চড়া। এ কারণে এলাচসহ সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। আমরা অল্প করে মসলা কিনে আনি। অল্প লাভেই বিক্রি করি। দাম বাড়ে পাইকারি কিনতে গিয়ে। মসলা বিক্রেতারা বলেন, এই মসলা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও মৌলভীবাজার থেকে নিয়ে আসা হয়। সেখানকার ব্যবসায়ীরা ডলারসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে দাম বাড়াচ্ছেন। তাই বেশি দামে কিনে-বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। কোরবনীর ঈদে পর্যাপ্ত মসলার প্রয়োজন হয় ও আমদানি করা হয়। ভারত থেকে জিরা ও এলাচ এবং ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও গুয়েতেমালা থেকে লবঙ্গ ও দারচিনি আমদানি করা হয়।

এব্যাপারে অনেক ক্রেতা বলেন, ঈদের চাহিদাকে পুঁজি করে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

পূর্বে এসব দেশে উৎপাদন কম হওয়ার অজুহাত দেয়া হলেও বর্তমানে টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এ সমস্যায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কজন ক্রেতা বলেন, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

নিউজ ট্যাগ: মসলা

আরও খবর