আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আবু ত্ব-হার সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার স্ত্রীর আকুতি

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছয় দিন ধরে নিখোঁজ ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান-এর সন্ধান চেয়ে তাঁর স্ত্রী সাবিকুন্নাহার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আকুতি জানিয়েছেন। 

বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ও তাঁর তিন সফরসঙ্গীর সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই আকুতি জানানো হয়।

আবু ত্ব-হা'র স্ত্রী সাবিকুন্নাহার বলেন, 'তিনি (আবু ত্ব-হা) নিরীহ মানুষ, ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। তাঁকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিন, নয়তো আমাকে তাঁর কাছে নিয়ে যান।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার স্বামী যদি সত্যিকার অর্থে কোনো অপরাধে যুক্ত থাকেন তাহলে রাষ্ট্রীয় আইনে তাঁর বিচার হোক। আমি কিছু বলবো না। তিনি কোনো দলের সংগে যুক্ত নন। আমি এবং কিছু যুবক ছাড়া তাঁর পাশে কেউ নেই।' সে নিখোঁজ কেন? আমি শুধু তাঁর সন্ধান চাই। আমি একজন স্ত্রী হিসেবে জানি না আমার স্বামী কোথায়। আমি আপনাদের কাছে হাতজোড় করে মিনতি করছি, আপনারা আমার স্বামীকে ফিরিয়ে দিন। এর বেশি কিছু চাই না।'

সাবিকুন্নাহার বলেন, 'আমার স্বামী রংপুর থেকে রওনা দিয়েছিলেন বগুড়ার উদ্দেশ্যে। সেখানে তাঁর একটা প্রোগ্রাম ছিলো। কোনো কারণে সেই প্রোগ্রাম না হওয়ায় তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে মোবাইল ফোনে তিনি (ত্ব-হা) আমাকে জানিয়েছিলেন দুইটি বাইক তাঁদের কারটি অনুসরণ করছিলো। শেষ পর্যন্ত আমাকে তিনি তাঁর গুগল ম্যাপ শেয়ার করেছিলেন সেখানে আমি জানতে পেরেছি মিরপুরের আমার বাসা থেকে তিনি আর ১৭ মিনিটের দূরত্বে আছেন। তখন সময় ছিলো রাত ২টা ৩৭ মিনিটের কাছাকাছি।'

ত্ব-হা'র স্ত্রী বলেন, চার জন মানুষকে গাড়িসহ নিয়ে যাওয়া কোনো প্রাইভেট (ব্যক্তিগত) কাজ নয়। রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পথে বিকাল ৪টার দিকে তাঁর সংগে ফোনে কথা হয়। দু'টি মোটরসাইকেল তাঁদের অনুসরণ করছিল। তিনি (ত্ব-হা) বলছিলেন, দোয়া করো যেন কিছু না হয়। এর ২০ থেকে ২৪ মিনিট পর ফোন করে জানান বাইকগুলো চলে গেছে।'

তিনি বলেন, 'আমার এখন অনেক কিছু মনে হয়। তিনি জিও পলিটিক্স নিয়ে কথা বলতেন। ইন্টারন্যাশনাল গোয়েন্দাদের বিষয় হতে পারে। ফিলিস্তিন-ইসরাইল ইস্যুতে কী কথা বলতেন- এমন প্রশ্নে ত্ব-হা'র স্ত্রী সাবিকুন্নাহার বলেন, 'বিশ্বের সব মুসলিম আল আকাসাকে ভালোবাসে, তিনি সেই ভালোবাসার জায়গা থেকে কথা বলতেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, ত্ব-হা'র পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসাইন বলেন, 'একটি গাড়ি ও ৪ জনকে মানুষকে এভাবে গায়েব করে দেওয়া কোনো প্রাইভেট লোকের কাজ হতে পারে না। এখানে কোনো সংস্থা বা অন্য কোনো মানুষ জড়িত আছে বলে আমরা মনে করি।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলন শেষে ডিআরইউ-এর সামনে দ্রুত সময়ের মধ্যে আবু ত্ব-হা'র সন্ধান চেয়ে 'আমরা আবু ত্ব-হা'র ভাই' ব্যানারে মানববন্ধন হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দিনগত রাত থেকে আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান তাঁর দুই সফরসঙ্গীসহ ও গাড়ির চালক নিখোঁজ রয়েছেন।


আরও খবর



মোংলা বন্দরে দীর্ঘ দুই বছর পর ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আবু বকর সিদ্দিক, মোংলা প্রতিনিধি

Image

ড্রেজিংয়ের উত্তোলিত বালু ফেলার জায়গা জটিলতা কেটে যাওয়ায় মোংলা বন্দরের ইনারবার চ্যানেলের ড্রেজিং কার্যক্রম ফের শুরু হয়েছে। খনন করা পলি ফেলার জায়গা সংকটে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল হতে বন্দরের পশুর চ্যানেলের/নদীর বেসক্রিক বয়া এলাকা থেকে এই ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রথম দিন সেকশন ৪-এর আওতায় বাল্কহেড ড্রেজারের মাধ্যমে এই খননকাজ শুরু করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে নিয়মিত পশুর চ্যানেল ড্রেজিংয়ের বিকল্প নেই।

২০২১ সালের ১৩ মার্চ শুরু হওয়া ইনারবার ড্রেজিংয়ের খনন করা পলি ফেলার জায়গার অভাব দেখা দিলে মাঝপথে বন্ধ থাকে। তবে আপাতত খনন করা পলি মাটি রাখার জায়গা নির্ধারণ হওয়ায় শুক্রবার থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই ড্রেজিংয়ের মাটি রাখা হচ্ছে জয়মনি এলাকায়। এবার থেকে ইনারবারের ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার রাসেল আহম্মেদ খান বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে খনন করা পলি মাটি রাখার জায়গার অভাব দেখা দিলে ইনারবারে ড্রেজিং বন্ধ থাকলেও পশুর চ্যানেল স্বাভাবিক ছিল। জাহাজ চলাচলে সমস্যা হয়নি। তবে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখা না গেলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হবে। এজন্য পুরোনো জায়গা জয়মনিতে মাটি ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর আগে এই ড্রেজিং কার্যক্রম শুরুর আগে সার্ভে করে দেখা হয়েছে যে কতটুকু পলি জমেছে। সেই সার্ভে শেষ করে এই ড্রেজিং শুরু করা হয়। এই চ্যানেলে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রাখতে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবসহ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের (বন্দর চ্যানেল) হাড়বাড়িয়া এলাকা থেকে বন্দর জেটি পর্যন্ত এলাকার নাম ইনারবার। ইনারবারের ২৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এলাকায় ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের উদ্বোধন করা হয় ২০২১ সালের ১৩ মার্চ। ওই বছরের ১০ এপ্রিল ড্রেজিংয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। সেই সময় প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৯৩ কোটি টাকা।

ড্রেজিং করা বালু বা পলি মাটি ফেলার জন্য মোংলা উপজেলায় ৭০০ একর ও খুলনার দাকোপ উপজেলায় বানিশান্তা এলাকায় ৩০০ একর জমি হুকুম দখল করা হয়। মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনি এলাকার জমিতে বালু ফেলা হয়। কিন্তু পশুর নদের পূর্ব পাশের খুলনার দাকোপ উপজেলার বানিশান্তার তিন ফসলি জমিতে বালু ফেলা ঠেকাতে আন্দোলন শুরু করে এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সংগঠন। তাদের আপত্তির মুখে সেখানে বালু ও মাটি ফেলা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেই থেকে প্রায় দুই বছর ধরে ইনারবার ড্রেজিং বন্ধ ছিল।

এ অবস্থায় মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সানবান্ধা মৌজায় ২৬২ একর জমিতে বালু ফেলানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হলে সেখান থেকে ভূমি মন্ত্রাণালয়ে পাঠানো হয়। এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় ২০২২ সালের জুন মাসে। এ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৩৪ শতাংশ। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯২কোটি টাকায়, যা গত বছরের ৪এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রোলিক্স) শেখ শওকত আলী বলেন, ইনারবারের গভীরতা সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় মিটার। ড্রেজিং করে সাড়ে আট মিটার করার কথা। ড্রেজিং করা স্থানগুলো থেকে যে পরিমাণ পলি অপসারণ করা হয়েছিল, গত প্রায় দুই বছরে তার ৭০ ভাগ পলি আবারও জমা হয়েছে। এ অবস্থা ড্রেজিং প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ড্রেজিং কাজ বন্ধ থাকায় এত দিনে পলি পড়ে নাব্য আরও কমে গেছে। এ ছাড়া ড্রেজারের তেলসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে।

বালু ফেলার জায়গার বিষয়ে শেখ শওকত আলী বলেন, নতুন করে কোনো জায়গা না মেলায় পুরোনো জায়গা জয়মনি এলাকায় আপাতত বালু ফেলা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সেকশন ৪-এর আওতায় বাল্কহেড ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি কেটে অন্য একটি বাল্কহেডে তোলা হচ্ছে। পরে তা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আগামীকাল রোববার থেকে কাটার সাকশন ড্রেজার দিয়ে পুরোদমে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে। খনন করা সেই পলি মাটি রাখা হবে আগেরই ডাম্পিং এলাকা জয়মনিতে।


আরও খবর



ছয় মাসে রাজস্ব আদায় এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা। যা কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা কম। তবে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বছরের প্রথম ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। 

এনবিআরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাই-ডিসেম্বর ছয় মাসে আয়কর আদায় হয়েছে ৫১ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। এ সময়ে ৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে।

অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে আমদানি-রপ্তানি শুল্কে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৪৯ হাজার ৬৮ কোটি টাকা। ঘাটতি ৮ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা।

একই সময়ে মূসক বা ভ্যাটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭০ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কম আদায় হয়েছে ৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা। ভ্যাট আদায় হয়েছে ৬৪ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাত চলছে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলেছে বিগত বছরে জুড়ে। নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে  যার প্রভাব পড়ে। এ ফলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যপূরণ করা সম্ভব হয়নি। তবে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি আদায় হয়েছে।


আরও খবর



ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

অনলাইনে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসের শুনানির সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাবা-মায়েদের দিকে তাকিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ। এদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির শিকার হয়ে মারা যাওয়া সন্তানদের ছবি নিয়ে সিনেট ফ্লোরে এসেছিলেন বাবা-মায়েরা।

জাকারবার্গ বলেন, আপনারা যা কিছুর মধ্য দিয়ে গেছেন, এ জন্য আমি দুঃখিত। আপনাদের পরিবার যে ক্ষতির শিকার হয়েছে, এ রকম হওয়া উচিত নয়। আর এ কারণে আমরা এত বিনিয়োগ করি। যেন এমনটি যেন আর কারও সঙ্গে না হয়। আর এ জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। 

আরও পড়ুন>> পাকিস্তানে নির্বাচনী প্রচারণার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা

বুধবার কংগ্রেসে বিগ টেক অ্যান্ড দ্য অনলাইন চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন ক্রাইসিস শীর্ষক শুনানিতে যে পাঁচজন নির্বাহীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তাদের একজন জাকারবার্গ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- এক্স-এর লিন্ডা ইয়াকারিনো, টিকটকের শো জি চিউ, স্ন্যাপের ইভান স্পিগেল এবং ডিসকর্ডের জেসন সিট্রন।

মার্কিন জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো অনলাইনে যৌন হয়রানি থেকে শিশুদের রক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না। তারা আরও কঠোর আইন চান। একই সঙ্গে এখন পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপ বিষয়ে নির্বাহীদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চান মার্কিন জনপ্রতিনিধিরা।

মার্কিন সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, অনলাইনে শিশু যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির অভিযোগ  তদন্তের জন্য এ শুনানি ডাকা হয়েছে।  


আরও খবর
সাত দশক পর পাকিস্তানে প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাশিয়াকে ‘জুলফিকার’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ইরান

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেডিকেল ভর্তিতে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষায় এটি কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে, ‌‍মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এবং সন্তানদের সন্তানাদির জন্য মোট আসনের ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে এই কোটার আসন শূন্য থাকলে সাধারণ কোটা থেকে মেধাক্রমের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে এই আসন পূরণ করা যাবে।

এই নীতিমালায় থাকা ২ শতাংশ কোটা রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এক রিট আবেদন আদালতে দায়ের করেন অহিদুল ইসলাম নামের এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কাউন্সিলের এক নেতা। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ।

রিটকারীর বক্তব্য হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫ শতাংশ রাখার গাইডলাইন সুপ্রিম কোর্টের রায় রয়েছে। তা লঙ্ঘন করে ভর্তি নীতিমালায় দুই শতাংশ রাখা হয়েছে। আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করে যেন ফলাফল দেওয়া হয়।

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর এক মাস পর ৮ মার্চ ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা হবে।


আরও খবর



সুবর্ণচরে ভোটের রাতে গৃহবধূকে ধর্ষণ: ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নোয়াখালী প্রতিনিধি

Image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দিন রাতে বহুল আলোচিত নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ১০ জনের ফাঁসি ও অপর ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে কাঠগড়ায় ১৫ আসামি উপস্থিত ছিলেন এবং এক আসামি পলাতক ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুবর্ণচরের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মো. সোহেল (৩৮), মো. হানিফ (৩০), স্বপন (৪২), মো. চৌধুরী (২৫), ইব্রাহীম খলিল বেচু (২৫), মো. বাদশা আলম বসু (৪০), আবুল হোসেন আবু (৪০), মোশারফ (৩৫), মো. সালাউদ্দিন (৩২), মো. জসিম উদ্দিন (৩২), মো. হাসান আলী বুলু (৪৫), মো. মুরাদ (২৮), মো. জামাল ওরফে হেঞ্জু মাঝি (২৮) ও মো. সোহেল (২৮)। আসামি মো. মিন্টু ওরফে হেলাল (২৮) ঘটনার পর থেকে পলাতক।

গত ১৬ জানুয়ারি মামলাটির রায় ঘোষণা করার কথা থাকলেও রায় লেখার কাজ শেষ না হওয়ায় তারিখ পিছিয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি পুনঃনির্ধারণ করা হয়।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাতে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে (৪০) মারধর ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতনের শিকার নারী চার সন্তানের জননী। নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ছিল, ভোটকেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পছন্দের প্রতীকে ভোট না দেওয়ার জের ধরে ওই হামলা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি তখন দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হয়। ওই ঘটনার পরদিন (৩১ ডিসেম্বর) নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী বাদী হয়ে চর জব্বর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত শেষে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কার হওয়া প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন মেম্বারসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বিগত ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ছালেহ আহম্মদ সোহেল খান বলেন, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ২৩ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন। আসামি পক্ষের পাঁচজন সাফাই সাক্ষী প্রদান করে। তবে কোনো সাক্ষীই ভোটকেন্দ্রে পছন্দের প্রতীকে ভোট না দেওয়ায় জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেনি।


আরও খবর