আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে সাজেকের পর্যটন স্পট

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের কারণে আগামী ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি সাজেকের পর্যটন স্পট বন্ধ ঘোষণা করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বাঘাইছড়ি এবং সাজেকে পর্যটকবাহী সব ধরনের যানবাহন এবং পর্যটন স্পট বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রশাসন থেকে ইতোমধ্যে সাজেকের সকল রিসোর্ট মালিকদের ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি দুই দিনের জন্য পর্যটকদের রিসোর্ট বুকিং নিতে নিষেধ করা হয়েছে।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এপ্রিলে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে আলোচনা ও উন্মাদনা। এরই মধ্যে নতুন-পুরোনো অনেক তারকাই নির্বাচনের প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন।

এদিকে চূড়ান্ত হয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের নতুন তারিখ। আগামী ৪ এপ্রিল (শুক্রবার) এফডিসিতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ডের সদস্য সামসুল আলম।

গত ১ ফেব্রুয়ারি শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা হয়েছে। সেখানেই চূড়ান্ত হয়েছে ২০২৪-২৫ সালে দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এ নির্বাচনে কারা অংশ নিচ্ছেন এখনো জানা যায়নি।

অনেক আগেই অভিনেতা-প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল চমক রেখে প্যানেল প্রস্তুত করে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া ভেতরে ভেতরে আরও অনেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি সেরেছেন। শিগগির প্যানেল ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শাকিব ‘রাজকুমার’ হলে আমি রাজা: জায়েদ খান

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরকার গঠনের পথে নওয়াজ-বিলাওয়াল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে নওয়াজের দল। এমন পরিস্থিতিতে জোট সরকার গঠনে মরিয়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ।

জোট সরকার গঠনের লক্ষ্যে রোববার লাহোরে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি)-এর সঙ্গে বৈঠক করেছে নওয়াজ শরিফ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর পিএমএল-এনের প্রধান নওয়াজ শরিফ পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট অ্যালায়েন্সের মতো একটি সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেন। সেই লক্ষ্যে তিনি তার ভাই শাহবাজ শরিফকে কাজ করতে বলেন। এ নির্দেশনা পাওয়ার পর অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ।

শুক্রবার রাতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা আসিফ আলি জারদারি এবং তার ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির সঙ্গে পাঞ্জাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মহসিন নাকভির বাসভবনে বৈঠক করেন। একটি সূত্র সাংবাদমাধ্যম ডনকে এ তথ্য জানিয়েছে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই বৈঠকে নির্বাচনপরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা সংক্ষিপ্ত হলেও ফলপ্রসূ ছিল।

গতকাল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) লাহরে বিলাওয়ালের বাসভবনে পিএমএল-এন এবং পিপিপির মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শাহবাজ শরিফ, বিলাওয়াল ভুট্টো, আসিফ আলি জারদারি, মরিয়ম আওরঙ্গজেভ, আজম নাসের তারারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠকের পর দুই দলই জানায়, বৈঠকে তারা সরকার গঠনে নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তবে পিপিপি জানিয়েছে, বৈঠকে পিএমএল-এন যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি আজ সোমবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে উত্থাপন করবে।

এদিকে গতকাল পিএমএল-এন সঙ্গে বৈঠক করেছে এমকিউএম-পির নেতারা। লাহোরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে এমকিউএম-পির নেতা সিদ্দিকী, ড. ফরুক সত্তার, কারমান তেসোরি ও মুস্তফা কামাল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আমেরিকাকে এক ঘণ্টার মধ্যে ধ্বংস করে দিতে পারে রাশিয়া!

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আমেরিকাকে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে রাশিয়া ধ্বংস করে দিতে পারবে বলে দাবি করেছেন ক্রেমলিনপন্থী রুশ সম্পাদক মার্গারিটা সিমোনিয়ান। তাঁর এমন দাবিকে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের সর্বশেষ হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে দ্য নিউজউইক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা একটি ভিডিও ক্লিপে রাশিয়ার আরটি নিউজের সম্পাদক মার্গারিটা বলেছেন, আমরা বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা এক ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে পারি।

এ বিষয়ে আজ সোমবার নিউজউইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্গারিটার বক্তব্যটি একটি রুশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিওর অংশবিশেষ। তবে এই ভিডিও কবে প্রচারিত হয়েছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে জানতে নিউজউইক কর্তৃপক্ষ রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে প্রায় সময় উসকানিমূলক বিষয়বস্তু সম্প্রচার করা হচ্ছে। এমনকি পারমাণবিক সংঘর্ষেরও ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে এসবের মধ্য দিয়ে।

ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ চলতি মাসেই দুই বছর পূর্ণ হবে। এই দুই বছর ধরে ইউক্রেনের প্রধান মিত্র ওয়াশিংটনের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। এই উত্তেজনা শিগগির থেমে যাবে, এমন সম্ভাবনা খুব কম বলে মনে হচ্ছে। ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য পশ্চিমা দেশের উদ্দেশে প্রায় সময় উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছে মস্কো।

তবে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগেই ২০১৯ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে মার্কিন সামরিক বিভিন্ন স্থাপনার একটি তালিকা সম্প্রচার করা হয়েছিল এবং এই স্থাপনাগুলোকে মস্কোর পারমাণবিক হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর ২০২২ সালের মে মাসে একজন রাশিয়ান রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে উপস্থিত হয়ে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে রাশিয়ার মাত্র চারটি ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজন হবে।

রাশিয়ার একজন রাজনৈতিক ভাষ্যকারও ২০২৩ সালের মাঝামাঝি বলেছিলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ একটি পারমাণবিক সংঘাতে গড়ালে যুক্তরাষ্ট্র রুশ নিশানায় থাকবে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপক ভ্লাদিমির সলোভিভ ক্রেমলিনপন্থী গণমাধ্যমের অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব। চলতি মাসের শুরুর দিকে তিনি বলেছিলেন, রাশিয়ার উচিত ন্যাটোর সদর দপ্তরে হামলা করা। এটি ইউক্রেনের যুদ্ধচেষ্টাকে সমর্থন করছে।

গত জানুয়ারির মাঝামাঝি রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর অস্ত্র দিয়ে রুশ ভূখণ্ডের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সাইটগুলোতে হামলা করছে ইউক্রেন, যা পারমাণবিক যুদ্ধকে উসকে দিতে পারে।

 

নিউজ ট্যাগ: আমেরিকা রাশিয়া

আরও খবর



বিশ্ববাজারে গমের ব্যাপক দরপতন

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে গমের ব্যাপক দরপতন ঘটেছে। এতে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) খাদ্যপণ্যটির দাম গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে গমের ব্যাপক সরবরাহ বেড়েছে। বিশ্বের শীর্ষ দুই উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া প্রতিযোগিতা করে সস্তায় ভোগ্যপণ্যটি রপ্তানি করছে। তাতে চাপে পড়েছে খাদ্যশস্যটির বৈশ্বিক বাজার।

আলোচ্য সপ্তাহে সিবিওটিতে গমের মূল্য হ্রাস পেয়েছে ৬ শতাংশ। প্রতি বুশেলের দর রয়েছে ৫ ডলার ৫০ সেন্টে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর যা প্রায় সবচেয়ে কম। চলতি সপ্তাহের সবশেষ কার্যদিবসেও সিবিওটিতে গমের দাম কমেছে। এ নিয়ে টানা ২ সপ্তাহ বেঞ্চমার্কটির দর নিম্নগামী রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক কমনওয়েলথ ব্যাংকের বিশ্লেষক ডেনিস ভোজনেসেনস্কি বলেন, চলতি বছর গমের মূল্য নিম্নমুখী থাকবে বলে আমরা আশা করছি। আসন্ন বিপণন বর্ষে বিশ্বজুড়ে মজুত বাড়বে। ফলে খাদ্যশস্যটির দরে নিম্নমুখিতা সৃষ্টি হবে।

বিশ্বের শীর্ষ গম আমদানিকারক চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেসব দেশে পণ্যটির আমদানি কমেছে। ফলে মজুত বেড়ে চলেছে। সঙ্গত কারণে দাম কমেছে। এছাড়া বিশ্বের বৃহৎ উৎপাদনকারী যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রাজিলে রেকর্ড গম উৎপন্ন হয়েছে। পাল্লা দিয়ে খাদ্যপণ্যটি বিশ্ববাজারে রপ্তানি করছে তারা। ফলে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দরপতন ঘটেছে।


আরও খবর



আরও ১০৮ শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আরও ১০৮ শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে তিন দফায় ৪৪৩ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করলো সরকার।

তৃতীয় ধাপে ১০৮ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করে ১৫ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে শিক্ষক, রাজনীতিক, সমাজকর্মী, চিকিৎসক, আইনজীবী, লেখক, চাকরিজীবী, প্রকৌশলী, নাট্যকার, সাংবাদিক, সংগীত শিল্পী এবং সংস্কৃতিকর্মী রয়েছেন।

গেজেটে বলা হয়েছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা অনুযায়ী এদের তালিকা প্রকাশ করা হলো।

৬ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী যাচাই-বাছাই কমিটির সভায় নতুন করে ১০৮ জনের নাম শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

২০২১ সালের ৭ এপ্রিল ১৯১ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২২ সালের ২৯ মে দ্বিতীয় তালিকায় ১৪৩ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের জন্য ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর গবেষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি নির্ধারিত শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সব সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, সংস্কৃতিসেবী, চলচ্চিত্র, নাটক সঙ্গীত ও শিল্পকলার অন্যান্য শাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যাদের বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী কিংবা তাদের সহযোগীদের হাতে শহীদ কিংবা চিরতরে নিখোঁজ হয়েছেন তারা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর কমিটির প্রথম সভায় প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২২২ জন বুদ্ধিজীবীর তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ১৯৭২ সালে এক হাজার ৭০ জন শহীদের তালিকা, পরবর্তীসময়ে ডাক বিভাগ ১৫২ জন শহীদের ডাক টিকিট প্রকাশ করে সেই তালিকাও অনুমোদন দেওয়া হয় ওই সভায়।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে পারে, তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব নয়। তখন তারা সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অঙ্কুরেই দুর্বল করে দিতে এক হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তাদের বাসা থেকে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এ গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দি অবস্থায়ও বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে হত্যা করা হয়।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি। কারও কারও লাশের হসিদই মেলেনি। এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

শহীদ বুদ্ধিজীবীর তৃতীয় তালিকা দেখুন এখানে।


আরও খবর