আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

৪৩২ কোটি টাকা মুক্তির আগেই তুলে নিয়েছে ‘আদিপুরুষ’

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মুক্তির দিন কাছে এসে পড়ল। তার আগেই নাকি বাজেটের ৮৫ শতাংশ তুলে ফেলেছে আদিপুরুষ। কী করে? নির্মাতারা জানালেন সেই ফিরিস্তি। বিভিন্ন কর থেকেই নাকি টাকা উঠে এসেছে ছবির। বাকিটুকু প্রথম দিনেই সংগ্রহে এসে যাবে বলে আশা নির্মাতাদের।

ট্রেলার মুক্তির দিন থেকে চর্চায় ছিল ওম রাউত পরিচালিত আদিপুরুষ। রামায়ণ অনুসরণে তৈরি এই ছবির চরিত্রদের সাজপোশাক নিয়ে জারি ছিল বিতর্ক। রাবণের চরিত্রে সাইফ আলি খানের নীল বর্ম, দাড়ি নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। তাঁকে মুসলমান শাসকের মতো দেখতে লাগছে, দাবি করেছিলেন অনেকেই। এর পর নতুন চেহারার রাবণকে আনার ব্যাপারেও কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল। কিন্তু নতুন ট্রেলারে তাঁর চরিত্রটি এমন ভাবে দেখানো হয়েছে যে, কৌতূহল নিরসনের উপায় নেই। কৌতূহল কেবল বেড়েই চলেছে আদিপুরুষ নিয়ে। কী অপেক্ষা করছে তা জানা যাবে ১৬ জুন, যে দিন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

আরও পড়ুন<< ‘টিপ টিপ’ গানের অভিনয়ে যেসব শর্ত দেন রাভিনা ট্যান্ডন

তবে নির্মাতাদের হিসাবে তার আগেই আদিপুরুষ তুলে নিয়েছে ৪৩২ কোটি টাকা! বাজেট ছিল ৫০০ কোটি। কী ভাবে উঠল এই টাকা? হিসাব দেখানো হচ্ছে, আদিপুরুষ ২৪৭ কোটি টাকা তুলেছে প্রেক্ষাগৃহের বাইরে থেকে। তার মধ্যে রয়েছে স্যাটেলাইটের স্বত্ব, সঙ্গীতের স্বত্ব, ডিজিটাল স্বত্ব এবং অন্যান্য সূত্রে সংগৃহীত মুনাফা। এ ছাড়াও দক্ষিণের প্রেক্ষাগৃহ থেকে ১৮৫ কোটির নিশ্চয়তা আগাম পেয়ে গিয়েছে আদিপুরুষ। সব মিলিয়ে যাত্রা নয়, জয়যাত্রা শুরু করবে এই ছবি, এমনই আশা নির্মাতাদের। পরিকল্পনামাফিক শুরুতেই উঠে আসবে ১০০ কোটি টাকা। তাই লাভের অঙ্ক না পেলেও লোকসানের মুখে পড়ার যে কোনও সম্ভাবনা নেই, আগেই জানিয়ে দিল আদিপুরুষ গোষ্ঠী।

আরও পড়ুন<< ৮৩ বছরে বাবা হচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেতা আল পাচিনো

রামের ভূমিকায় দক্ষিণের তারকা প্রভাস। সীতা কৃতি স্যানন। তাই দক্ষিণ থেকেও লাভের দরজা খোলা। কৃতি ব্যক্তিগত ভাবে খুবই আশাবাদী এই ছবি নিয়ে। তিনি জানান, নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন জানকী (সীতা) চরিত্রে। চরিত্রটি করতে গিয়ে অনেক কিছু শিখেছেন বলেও জানান।

নিউজ ট্যাগ: আদিপুরুষ

আরও খবর



রংপুরে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মা-ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রংপুর প্রতিনিধি

Image

রংপুরের মিঠাপুকুরে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মা-ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার উদয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের বাদশা মিয়ার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৫৫), তার ছেলে ইদা মিয়া (৩৫) ও প্রতিবেশী তবারক হোসেনের ছেলে ইবনুল মিয়া (৩৫)।

স্থানীয়রা জানান, দেলোয়ারা নামে এক নারী সেপটিক ট্যাংক ভেঙে পড়ে যায়। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ছেলে ইদা ও প্রতিবেশী ইবলুল মিয়াও ট্যাংকে পড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

রংপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক বাদশা মাসুদ আলম বলেন, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওসি ফেনদৌস ওয়াহিদ জানান, সকাল ৬টার দিকে উদয়পুর গ্রামে নিজ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে পড়ে তারা নিহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে।


আরও খবর



দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে : সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আমরা অল্প সময়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।

বুধবার (২৪ জুলাই) শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে স্থাপিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, দেশের কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। মূল সমস্যা ছিল ঢাকায়। অল্প সময়ে আমরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের হয়ত আর অল্প কিছু দিন থাকতে হবে।

ওয়াকার-উজ-জামান আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অল্প সময়েই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। ঢাকা থেকে শেরপুর আসার পথে সড়কে যানবাহনসহ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক দেখেছি।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দুর্বৃত্তরা রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। হামলা থেকে রেহাই পাননি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীসহ সারা দেশে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক হাজার ১১৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৩২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে তিন পুলিশ সদস্যের।

রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দীসহ অন্যান্য হাসপাতালে অনেক পুলিশ সদস্য চিকিৎসা নিয়েছেন। এখনও অনেক পুলিশ সদস্য ভর্তি রয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: ওয়াকার-উজ-জামান

আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ মঙ্গলবার। সেনাসমর্থীত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা চলাকালে এ দিনে ধানমন্ডির সুধা সদনের বাসভবন থেকে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দিনটি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস হিসাবে পালন করে থাকে।

দিনটি উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও আলোচনা, দোয়া মাহফিল, গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে।

২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই সহস্রাধিক সদস্য শেখ হাসিনার ধানমন্ডির সুধা সদন ঘেরাও করে। সে সময় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে বন্দি অবস্থায় ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ হাসিনার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন। শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর দীর্ঘদিন জাতীয় সংসদ এলাকায় স্থাপিত বিশেষ সাবজেলে রাখা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। গ্রেপ্তারের পূর্ব মুহূর্তে শেখ হাসিনা একটি চিঠির মাধ্যমে জনগণ এবং দলের নেতাকর্মীদেরকে গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর অনড় দাবি, ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন এবং বঙ্গবন্ধু কন্যার আপোসহীন ও দৃঢ় মনোভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এগার মাস কারাভোগ শেষে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




জামালপুরে বানভাসী ৪২ ইউনিয়নের মানুষ, ডুবে আছে ১৭০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এখনও পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন জেলার ৭ উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ। ডুবে আছে দুর্গত এলাকার ১৭০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

পানির তোড়ে ভেঙে গেছে দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলার অনেক কাঁচা-পাকা রাস্তা। পানিতে তলিয়ে গেছে একাধিক ড্রাইভার্সন সড়ক। বন্যার পানি এখনও হু-হু করে ঢুকছে গ্রামগুলোতে। রাস্তা-ঘাট ডুবে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে দুর্গত এলাকার সঙ্গে উপজেলা ও জেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

জেলা প্রশাসক শফিউর রহমান জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকায় শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বানভাসী অনেক মানুষ সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। দুর্গত এলাকায় ৩২০ মেট্রিকটন চাল ও ৪ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার ও নগদ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শনিবার দেওয়ানগঞ্জে ভানবাসী মানুষের মধ্যে চাল-ডাল, শুকনা খাবার ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজানে ভারী বৃষ্টি না হলে এবং যমুনার পানি কমতে থাকলে এ অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।


আরও খবর



দাফনের ৯ দিন পর বাড়ি ফিরলেন নিখোঁজ তরুণী

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

দাফনের ৯ দিন পর বাড়ি ফিরলেন নিখোঁজ তরুণী রোকসানা আক্তার (৩০)। এ নিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, রোকসান তোমাকে দাফন করলাম, তুমি এখন এলে কোথায় থেকে?

বুধবার (২৬ জুন) ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের রাজবল্লবপুর গ্রামে। রোকসানা আক্তার ওই গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের মেয়ে। অপরদিকে ফিরে আসা তরুণীকে এক নজর দেখতে উৎসুক মানুষ তার বাড়িতে ভিড় জমায়।

শনিবার (২৯ জুন) রাতে জানা গেছে, মে মাসের শেষে রোকসানা আক্তার বাড়ি থেকে ছোট ভাই সালাহ উদ্দিনের চট্টগ্রামের ষোলশহরের বাসায় বেড়াতে যান। ১ জুন ভোরে কাউকে না জানিয়ে রোকসানা বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন আত্মীয়স্বজনসহ সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

গত ১৭ জুন ঈদুল আজহার দিন বিকেলে ফেনী শহরে ভাড়া বাসায় অবস্থানরত খালাতো বোন হাজেরা আক্তার ও খালাতো ভাই শাহজাহান খবর পান, ফেনী শহরের জিয়া মহিলা কলেজের সামনে ড্রেনের মধ্যে একজন নারীর লাশ পড়ে আছে। তারা সেখানে গিয়ে লাশের চেহারা রোকসানা আক্তারের চেহারার সঙ্গে মিল দেখে ভাই এবায়দুল হককে খবর পাঠান। এরই মধ্যে ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ লাশটির সুরতহাল শেষে উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। রাতে এবায়দুল হক জিয়া মহিলা কলেজের ড্রেন এলাকায় পৌঁছে আশপাশের মানুষকে বোনের ছবি দেখিয়ে লাশটি একই রকম কিনা জিজ্ঞেস করলে সবাই ছবির সঙ্গে মিল রয়েছে বলে জানান।

পরে এবায়দুল হকসহ আত্মীয়-স্বজন ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে লাশ উদ্ধারকারী উপপরিদর্শক প্রতুল দাসের সঙ্গে দেখা করে বোন রোকসানার ছবি দেখান। উপস্থিত পারস্পরিক আলোচনায় উপপরিদর্শক প্রতুল দাসকে তারা রোকসানার লাশ শনাক্ত করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ এবায়দুল হকের হাতে বোন রোকসানা আক্তারের লাশ হস্তান্তর করে। ওইদিন বাদ আসর গুণবতী ইউনিয়নের রাজবল্লবপুর মধ্যমপাড়ায় সামিশকরা দীঘির দক্ষিণ পাড়ে তার লাশ দাফন করা হয়।

লাশ দাফনের ৯ দিন পর গত ২৬ জুন বুধবার বিকেলে ঘটে বিপত্তি। হঠাৎ দাফন করা রোকসানা সশরীরে বাড়িতে হাজির হলে আৎকে উঠেন সবাই। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি জানাজানি হলে বাড়ির উঠানে আশেপাশের উৎসুক মানুষ তাকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। এ সময় নারী-পুরুষ তাকে একবাক্যে জিজ্ঞেস করে, রোকসান তোমাকে দাফন করলাম, তুমি কোথায় থেকে আসলে? তখন সে বলতে থাকে, কে বলছে আমি মারা গেছি? আমি ঢাকায় ঘুরতে গেছিলাম। শরীর খারাপ থাকায় কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। উল্টো এখন রোকসানাই ভাই এবায়দুল হক ও সাধারণ মানুষকে প্রশ্ন করছে, আমাকে ভেবে তোমরা কোন নারীকে দাফন করেছ, কি তার পরিচয়?

ফিরে আসা রোকসানা আক্তার বলেন, আমি চট্টগ্রামে ভাইয়ের বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে ঢাকায় চলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি একটি চাকরি পেয়েছি। যেহেতু আমি বাড়ি থেকে কোনো কাপড় নিয়ে যাইনি, তাই কাপড় নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়িতে ফিরে আসি। ২৬ জুন বুধবার বাড়িতে এসে দরজা নক করলে আত্মীয়-স্বজনরা আমাকে দেখে হতবাক হয়েছেন। তখন আমি জানতে পারি, আমি নাকি মারা গেছি এবং আমার লাশও দাফন করা হয়ে গেছে। আমিতো জীবিত ফিরে আসলাম।

ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক প্রতুল দাস শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, উদ্ধার করা লাশটি বিকৃত ছিল। এবায়দুল হক ও তার স্বজনরা উদ্ধারকৃত লাশটি রোকসানার বলে শনাক্ত করে আমার কাছ থেকে নিয়ে যায়। এখন যেহেতু তাদের বোন সশরীরে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছে, তাই আমরা বিষয়টি নতুন করে তদন্ত করব।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, তরুণী নিখোঁজ, উদ্ধার, দাফন ও আবার ফিরে আসার বিষয়ে কেউ আমাকে অবগত করেনি। খবর নিয়ে দেখব-আসলে কি ঘটেছে।


আরও খবর