আজঃ শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

২৮৪ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৭৮১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৫৬৮টি নমুনা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৯৫৮ জনে।  নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৮৪ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৬ জনে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩১৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৭৮১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৫৬৮টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৭ লাখ ৬১ হাজার ৯৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের ২ জন পুরুষ, একজন নারী। ঢাকায় একজন এবং চট্টগ্রামে ২ জন মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কারো মৃত্যু হয়নি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর
আরও ১০৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ জন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




উত্তরে বৃষ্টির মতো ঝরছে ঘনকুয়াশা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিনাজপুরের হিলিতে তিন দিন থেকে ঝরছে বৃষ্টির মতো ঘনকুয়াশা; সেই সঙ্গে বইছে ঠাণ্ডা বাতাসও। হঠাৎ করে জেঁকে বসেছে শীত। দিনে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। দুর্ঘটনা এড়াতে ধীরগতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন চালকরা। আবার তীব্র শীতে গরম কাপড় পরিধান করেছেন সবাই।

বৃহস্পতিবার সকালে হিলির বিভিন্ন স্থানে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

জানা যায়, কুয়াশার পানিতে রাস্তগুলো ভিজে গেছে। দেখে মনে হচ্ছে রিমঝিম বৃষ্টি পড়ছে। আবার তীব্র শীত আর ঠাণ্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতের প্রকোপে জড়োসড়ো হয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা।

এদিকে হিলি থেকে জয়পুরহাট, ঘোড়াঘাট ও দিনাজপুর সড়কে দেখা গেছে বাস, ট্রাক, কার-প্রাইভেটকার, চার্জারভ্যান-রিকশা ও ঢাকাগামী সব গাড়ি হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ঘনকুয়াশা আর শীতের প্রভাবে গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলছে। ভোর থেকে কুয়াশার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। সকাল ৮টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি।

বাসচালক কায়সার রহমান জানান, ঘনকুয়াশার মধ্যে খুব কষ্টে ঢাকা থেকে হিলিতে এলাম। ঘনকুয়াশার মধ্যে রাস্তায় তেমন কিছু দেখাই যাচ্ছে না। অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে গাড়ি ধীরগতিতে চালাতে হচ্ছে। কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে, যার জন্য গন্তব্যে পৌঁছাতে সময়ও বেশি লাগছে।

দিনাজপুর জেলার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এ কারণে কুয়াশাও বেশি পড়ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় দিনাজপুর অঞ্চলের তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সকাল ৮টা থেকে ৯টার দিকে ৩ ডিগ্রিতে আসতে পারে বলেও জানান

নিউজ ট্যাগ: ঘনকুয়াশা

আরও খবর
দিনাজপুরে বাড়ছে শীতের প্রকোপ

সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১




সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জননী সাহসিকাখ্যাত কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির সমস্ত প্রগতিশীল আন্দেলনে ভূমিকা পালনকারী সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালের এই দিন (২০ নভেম্বর) সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, কবি সুফিয়া কামালের জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম বৈষম্যহীন-অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। রাষ্ট্রপতি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তার আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে জনগণের জননী সাহসিকা উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।

সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বিকেল ৩টায় বরিশালের শায়েস্তাবাদস্থ রাহাত মঞ্জিলে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেন।

১৯৭০ সালে তিনি মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ কার্ফু উপেক্ষা করে নীরব শোভাযাত্রা বের করেন।

সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এ ছাড়া সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরী তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামালের লেখা কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, দিওয়ান, অভিযাত্রিক, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি। কেয়ার কাঁটা নামে একটি গল্পগ্রন্থ ছাড়াও তিনি ভ্রমণ কাহিনী, স্মৃতি কথা, শিশুতোষ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনাও লিখেছেন। সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরী তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।


আরও খবর
দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

এএসপি হলেন ২২ পুলিশ কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




খালেদার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি না করার অনুরোধ ড. হাছানের

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করতে বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষ চট্টগ্রাম জার্নালিস্ট ফোরামের নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় বিএনপি। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে। খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এটি কে বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। কোনো ডাক্তার এখনও বলেনি বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এখন বিএনপির নেতারা চিকিৎসক হয়ে গেছেন। এখন বিএনপি নেতাদের প্রেসক্রিপশনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি, বেগম জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছেন তখন তারা দাবি তুলেছে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে হবে। হাঁটু ও গাঁয়ের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। কিছু হলেই বিদেশ পাঠাতে হবে এই জিকির তোলার কারণ কি? কারণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চান। তারা বিশেষত বেগম জিয়াকে পাঠাতে চান লন্ডনে যেখানে তারেক জিয়া আছে।

তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও বেগম জিয়া যাতে সেখান থেকে আবার রাজনীতি করতে পারেন। তারেক রহমানও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে সেখান থেকে রাজনীতি করছেন। বেগম জিয়াকে পাঠিয়ে দিয়ে তারা সেই কাজটি করতে চান। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবি, তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণে এ দাবি উত্থাপন হচ্ছে। ডাক্তাররা এই দাবি করছে না, এ দাবি করছেন বিএনপি নেতারা। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এ দাবি করছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়ার যাতে সঠিক চিকিৎসা হয় সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করে দিতে বদ্ধপরিকর। দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে চায় সরকার। দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছে, তারা কি বলেছেন? তারা কি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন? দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বেগম জিয়ার আসলে কি হয়েছে সেটা পরীক্ষা করার কথা সেটা তো তারা বলছেন না। তারা বলছেন, বিদেশ পাঠিয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু নানা কথাবার্তা বলছেন, সভা-সেমিনার করছেন। আর এই সভা-সেমিনার করার একটি প্রতিযোগিতাও দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। কারণ তাদের আবার পদ রক্ষা করতে হয়। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের। সেজন্য তারা আবার অনশনও করছেন। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করার জন্য। বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে।

বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে সরকার রহস্যজনক আচরণ করছে- বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। দেশের সব বড় বড় চিকিৎসকদের নিয়ে বেগম জিয়ার চিকিৎসা করাতে চাইলে সেটাও করতে চায় সরকার। কিন্তু বেগম জিয়া অসুস্থ হলে বিদেশ নিতে চায় এটিই আসলে রহস্যজনক।

দিন দিন হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে দিন দিন যেভাবে হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে গত কয়েক বছরে ১৩৭টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। এর অনেকগুলো কারণ আছে। যেমন- নানা কারণে বনভূমি কমে গেছে, হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। আবাসস্থলগুলোতে মানুষ বসবাস করছে, চাষাবাদ করছে। হাতি যাতে আসতে না পারে সেজন্য ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এগুলো সত্যিই উদ্বেগজনক। এক্ষেত্রে খুব দ্রুত আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানাবো পৃথিবী শুধু মানুষের জন্য নয়, মহান স্রষ্টার সব সৃষ্টির বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।


আরও খবর



‘আমার মনে হতো মা পর্ন সাইট চালায়’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ নভেম্বর ২০২১ | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউড অভিনেত্রী সারা আলী খান নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ খোলামেলা। বাবা সাইফ আলী খান আর মা অমৃতা সিংয়ের সম্পর্কের ব্যাপারেও তাঁর কোনো লুকোছাপা নেই। সম্প্রতি তিনি তাঁর মা-বাবাকে নিয়ে অবাক করার মতো তথ্য ফাঁস করেছেন।

সারা জানিয়েছেন, ছোটবেলায় তাঁর মনে হতো যে তাঁর মা-বাবা মানুষ হিসেবে অত্যন্ত নেতিবাচক। সাইফের ওমকারা আর অমৃতা অভিনীত কলযুগ ছবি দুটি দেখার পর এমন ধারণা ছোট্ট সারার মনে জন্মেছিল। এক সাক্ষাৎকারে এই বলিউড নায়িকা বলেছেন, আমার যত দূর মনে আছে ওমকারা আর কলযুগ ছবি দুটি দেখার পর আমি খুব বিরক্ত বোধ করেছিলাম।

আমার শুধু মনে হতো যে মা-বাবা দুজনেই নেগেটিভ মানুষ। তখন আমি ছোট ছিলাম। আমার মনে হতো যে মা পর্ন সাইট চালায়, আর বাবা শুধুই গালাগালি দেয়। আর ব্যাপারটা মোটেও মজার ছিল না। সেই বছর দুজনকেই নেগেটিভ চরিত্রের জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছিল।

সুপার হিট ছবি ওমকারাতে ল্যাংড়া ত্যাগী নামের এক ধূসর চরিত্রে অভিনয় করে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন সাইফ আলী খান। এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন কারিনা কাপুর, অজয় দেবগন, বিবেক ওবেরয়, কঙ্কণা সেনশর্মাসহ অনেকে। এদিকে কলযুগ ছবিতে অমৃতা সিং ধূসর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এই ছবির মুখ্য চরিত্রে অমৃতা ছাড়া ছিলেন কুনাল খেমু, আশুতোষ রানা, ইমরান হাশমি।

সাইফ আলী খান আর অমৃতা সিংয়ের বিয়ে ১৯৯১ সালে হয়েছিল। তাঁদের দুই সন্তানকন্যা সারা আর পুত্র ইব্রাহিম। ২০০৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। পরে কারিনা কাপুরকে বিয়ে করেন সাইফ। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান তৈমুর আর জাহাঙ্গীর।


আরও খবর



মোংলায় পৌঁছেছে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি ও ২ ইঞ্জিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে মেট্রোরেলের আরও একটি চালান। শুক্রবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চারটি বগি ও দুটি ইঞ্জিন নিয়ে বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করে পানামা পতাকাবাহী ব্রাইটলি কোরাল জাহাজটি। গত ২৫ অক্টোবর জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসা এই জাহাজে মেট্রোরেলের বগি ছাড়াও ৮০ প্যাকেজের ৪২৩ মেট্রিক টনের সরঞ্জামও এসেছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। শনিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে জেটিতে এসব পণ্য খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

পানামা পতাকাবাহী এম ভি ব্রাইটলি কোরালর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, এ পর্যন্ত মোট ছয়টি জাহাজে করে মেট্রোরেলের মোট ৪৮টি বগি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। আগামী মাসে মেট্রোরেলের আরও একটি চালান আসার কথা রয়েছে। সব মিলে ২০২২ সালের মধ্যে মেট্রোরেলের আরও ৯৮টি বগি ও ইঞ্জিন আসবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে পাঁচটি জাহাজে করে সর্বমোট ৪৪টি বগি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। এসব বগি সংযোজন হয়ে ইতোমধ্যে বাস্তবে রুপ নিয়েছে। গত ২৯ আগষ্ট উত্তরা থেকে পল্লবী পর্যন্ত স্বপ্নের মেট্রোরেলের বাস্তবে পরীক্ষামূলক চলাচলও শুরু হয়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, দেশে আমদানি হওয়া মেট্রোরেলের এসব বগি মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস হওয়ার ক্ষেত্রে বন্দরের সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন মালামাল ও যন্ত্রাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে আসে। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে বন্দরের আউটার বারের ড্রেজিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ইনার বারের ড্রেজিং চলছে। নাব্যতা সংকট দূর হওয়ায় এখন বড় বড় জাহাজ এই বন্দরে ভিড়তে পারছে। সবমিলিয়ে এটা একটা প্রতিফলন যে, মোংলা বন্দর একটি গতিশীল বন্দর হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে এবং বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, মেট্রোরেলের প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানির (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে। 


আরও খবর
দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

এএসপি হলেন ২২ পুলিশ কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1