আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

১৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জালিয়াতির মাধ্যমে জিআর প্রকল্পের প্রায় ছয় হাজার মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলরসহ মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা সবাই গাইবান্ধার গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী।

গত ২৬ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসামিরা জাল কাগজপত্র তৈরি করে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দ করা ৫ হাজার ৮২৩ মেট্রিক টন সরকারি চাল উত্তোলন করে কালোবাজারে বিক্রি করে। ওই সময় এই পরিমাণ চালের সরকারি আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা। দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আসামিরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১ নং কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী, ২নং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রফিক), ৩নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. তাহাজুল ইসলাম, ৪নং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ সরকার, ৫নং সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাকিল আলম, ৬নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আ. র. ম. শরিফুল ইসলাম জজ, ৭নং তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান আতিক, , ৮নং নাকাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের প্রধান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম, ১০ নম্বর রাখালবরুজ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহাদাত হোসেন, ১১নং ফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা, ১২ নং গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শরীফ মোস্তফা জগলুল রশিদ রিপন, ১৩নং কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম রতন, ১৪নং কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন, ১৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মণ্ডল, ১৬ নং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ প্রধান ও ১৭ নং শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন শামীম ও গোবিন্ধগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মোছা: গোলাপী বেগম।


আরও খবর



সিগন্যালে ত্রুটি, বন্ধ মেট্রোরেল চলাচল

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এমআরটি লাইন-৬ এর সিগন্যালিং সিস্টেম ফেল করায় হঠাৎ করে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। একটি ট্রেন সচিবালয় স্টেশনে আটকা পড়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ট্রেন কাছাকাছি স্টেশনে আটকে আছে। এতে বহু যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই মুহূর্তে লাইনে ১০টি ট্রেন আটকে আছে। মূলত মেট্রোরেল সিগন্যালিং সিস্টেম ফেল করার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। সিগন্যালিং সিস্টেম ছাড়া ট্রেনগুলো আনা যাবে, তবে সেটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

কত সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে সূত্রগুলো জানায়, সিগন্যালিং সিস্টেমের সঙ্গে টেলিকম সিস্টেমেরও ঝামেলা দেখা দিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার এই মুহূর্তে লাইনে আছে। সমাধান হওয়া মাত্রই চালু হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাত্রীদের দেওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্টেশনে হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে, যাদের তাড়া রয়েছে তারা নিচে নেমে বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে পারেন। আর যারা টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা কাউন্টারে ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারবেন।

এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, আমাদের অপারেশন কন্ট্রোল সেন্টারে যে ট্রান্সফরমার থেকে বিদ্যুৎ যায়, সেটির লাইন অফ হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে কোনো সিগন্যাল পাঠানো যাচ্ছিল না আমাদের স্টেশনগুলোতে। এখন যাত্রীদের সেফটির জন্য সেটা রি-ইন্সটল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যতদূর জানি কিছুক্ষণের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। যদি সিগন্যালের কারণে কন্ট্রোল করা না যায় তাহলে কোনো এক্সিডেন্ট হয়ে যেতে পারে। তাই নিরাপত্তার জন্য মেট্রোরেল বন্ধ রাখা হয়েছে।


আরও খবর



এক ছাদের নিচে তাহসান-মিথিলা

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভক্তদের কাছে তাহসান-মিথিলা ছিল একটি আবেগের নাম। দুজনের বিচ্ছেদ বুক ভেঙে দিয়েছিল তাদের। তাদের এক ছাদের নিচে চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে ইভেন্টও খোলা হয়েছিল। আজও অনেকে আফসোস করেন অভিনেত্রী ও গায়কের বিচ্ছেদ নিয়ে। মন ভালো করা খবর হলো ফের এক হচ্ছেন তাহসান মিথিলা।

তবে বাস্তব জীবনে এক হচ্ছেন না তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। একটি ওয়েব সিরিজে এক সঙ্গে দেখা যাবে তাদের। বাজি নামের সাত পর্বের এই সিরিজটি নির্মাণ করেছেন আরিফুর রহমান। এবার এ সিরিজের মুক্তি উপলক্ষে আয়জিত সংবাদ সম্মেলনে এক ছাদের নিচে দেখা গেল তাহসান-মিথিলাকে।

এ সময় মিথিলা বলেন, চরকির সাথে এর আগেও কাজের অভিজ্ঞতা ভালো, আর এবার আরও ভালো কিছু হবে, অন্যরকম একটা গল্পে আরিফুর রহমানের পরিচালনায় কাজের অভিজ্ঞতাটাও বেশ ইন্টারেস্টিং।

তাহসান বলেন, ‌ওটিটিতে আমার প্রথম কাজ, চরকিতেও আমার প্রথম কাজ, আর একদম ভিন্নধর্মী গল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতাসব মিলিয়ে আমি খুবই রোমাঞ্চিত, এখন শুধু রিলিজের পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা। 

পরিচালক আরিফুর রহমান বলেন, যত্ন নিয়ে নিজেদের সবটুকু দিয়েই বানানো হয়েছে বাজি, অভিনয়শিল্পী থেকে কলাকুশলী সবারই চেষ্টা ছিল দর্শকদের ভিন্ন কিছু দেয়ার, আশা করছি সবার ভালো লাগবে সিরিজটি।

সংবাদ সম্মেলনে সিরিজটির ট্রেলার উন্মোচন করা হয়। এতে তাহসান-মিথিলা ছাড়াও অভিনয় করেছেন মিম মানতাসা, মনোজ প্রামাণিক, নাজিয়া হক অর্ষা, শাহাদাৎ হোসেন, পার্থ শেখ, তাসনুভা তিশা, আবরার আতহার প্রমুখ।


আরও খবর



ওয়াদুদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা, সালথা উপজেলা নির্বাচনে বাধা নেই

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে আগামী ২১ জুন সালথা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

রবিবার (১৯ মে) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৮ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ওয়াদুদ মাতুব্বরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শ. ম রেজাউল করিম, নুরুল ইসলাম সুজন ও অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক।

অপরপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী, অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা।

এর আগে গত ১৪ মে ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন চেম্বার আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

জানা যায়, ওয়াদুদ মাতুব্বর বর্তমানে সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। নিজ স্ত্রীর নামে লাভজনক প্রতিষ্ঠান থাকায় গত ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করলে সেখানেও মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এরপর মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট রিট খারিজ করে ওয়াদুদ মাতুব্বরের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।

পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ওয়াদুদ মাতুব্বর।

প্রসঙ্গত, ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থীর মধ্যে ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় প্রতীক বরাদ্দ না দিয়ে মো. ওয়াহিদুজ্জামানকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছিল। ওয়াদুদ মাতুব্বর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আগামী ২১ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



গাজায় জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হামাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনাকে সমর্থন করে জাতিসংঘের প্রস্তাব গ্রহণ এবং বিস্তারিত আলোচনার জন্য প্রস্তুত ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস।

মঙ্গলবার ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটির একজন সিনিয়র কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

হামাসের সিনিয়র কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি বলেছেন, তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন এবং বিস্তারিত আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। তবে ইসরায়েল এই প্রস্তাবটি মেনে চলবে তা নিশ্চিত করতে হবে ওয়াশিংটনকে।

তিনি বলেন, গাজা থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলে জেলে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে গাজায় বন্দি জিম্মিদের মুক্তির শর্তও মেনে নিয়েছে হামাস।

আবু জুহরি রয়টার্সকে বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন এবং অবিলম্বে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দখলদারিত্বকে (ইসরায়েল) বাধ্য করাই হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আসল পরীক্ষা।


আরও খবর



ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

Image

পারিবারিক কলহে ১৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য। নিহত ওই কনস্টেবলের নাম রুবেল মিয়া (২৮)।

রবিবার রাতে তিনি ওই থানার ব্যারাকে ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

রুবেল মিয়া ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের ছেলে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে তিনি রাত সাড়ে ৮টার দিকে থানার ম্যাসে খাবার খান। এরপর তিনি তার ফেসবুক আইডিতে দ্যা এন্ড লিখে স্ট্যাটাস দেন। এটি রাত ১২টার দিকে তার ছোট ভাই দেখতে পেয়ে ৯৯৯-এ কল করে জানান। এরপর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করে।

ঘটনা জানার পর নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ তাকে প্রথমে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর তাকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার বিকেল ৫টার দিকে রুবেল মিয়া মারা যান।

তিনি নেত্রকোণা শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত সপ্তাহে স্ত্রী ও সন্তানরা বাড়িতে চলে যাওয়ার পর থানা ব্যারাকে থাকতেন।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, কনস্টেবল রুবেল মিয়া ৮ বছর ৬ মাস ২৯ দিন আগে পুলিশে যোগদান করে। নেত্রকোণা মডেল থানায় ১ বছর ৬ মাস আগে যোগদান করে। পারিবারিক কলহের কারণে সে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।


আরও খবর