আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

১০ জন এক্সিকিউটিভ নেবে গাজী গ্রুপ

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গাজী গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গাজী টায়ারসে সেলস এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: গাজী গ্রুপ

বিভাগের নাম: গাজী টায়ারস

পদের নাম: সেলস এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ

পদসংখ্যা: ১০ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক

অভিজ্ঞতা: ০৩-০৬ বছর

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: পুরুষ

বয়স: ৩২ বছর

কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৮ জানুয়ারি ২০২৩

নিউজ ট্যাগ: চাকরির খবর

আরও খবর
সিটি গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিভিল বিভাগে চাকরি সুযোগ

বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিরাজগঞ্জে একই পরিবারের তিনজনকে জবাই করে হত্যা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একই পরিবারের দিন জনকে (মা-বাবা-মেয়ে) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে তাড়াশ পৌর এলাকার বারোয়ারি বটতলা মহল্লায় নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতেরা হলেন,তাড়াশ পৌরসভার বারোয়ারি বটতলা মহল্লার কালিচরন সরকারের ছেলে বিকাশ সরকার (৪৫) তার স্ত্রী স্বর্ণা রানী সরকার ও মেয়ে পারমিতা সরকার তুষি (১৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,গত শনিবার থেকে বিকাশ সরকারের ঘরে দরজা তালাবদ্ধ ছিলো। গত দুই দিন যাবত স্বজনরা মোবাইল ফোনে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়। তাদের খোঁজ না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে অবগত করে। সোমবার রাত তিনটার দিকে পুলিশ বিকাশ সরকারের বাড়িতে যায়। এসময় ঘরের বাইরে তালা ঝোলানো দেখতে পায় পুলিশ। পরে ঘরের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখতে পান বিকাশ সরকার, তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে। তাদেরকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার পর মরদেহ ঘরের মেঝেতে ফেলে রাতে দুর্বৃত্তরা।হত্যা শেষে ঘরের দরজা তালাবদ্ধ করে রাখে তারা।

তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নুরে আলম বলেন, রবিবার রাত থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন এক সময় তাদের কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। হত্যাকান্ডের সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: সিরাজগঞ্জ

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে শয্যা বাড়লেও জনবল অপর্যাপ্ত

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং (এইচএসএস) সূচকে ২০২৩ সালে দেশসেরা হাসপাতালের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নেয় জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল। ওই বছরই হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। তবে শয্যা বাড়লেও পর্যাপ্ত জনবল নেই। ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে সেবামূলক এই প্রতিষ্ঠান। শয্যার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি থাকায় মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকেই।

কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতালের কার্যক্রমের মধ্যে শুধু বেড়েছে ৫০ জনের খাবার বরাদ্দ। চিকিৎসকসহ অন্যান্য জনবল, শয্যা, ওষুধ, পরীক্ষার যন্ত্রাংশ, খাবার সবই রয়েছে শুধু কাগজ-কলমে সীমাবদ্ধ। সীমিতসংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, শয্যা ও ওষুধ নিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবা নিতে আসা রোগীরাও।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিলেও পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ, পরীক্ষার যন্ত্রাংশ কোনো কিছুরই বরাদ্দ আসেনি। শুধু খাবার বরাদ্দ ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ জনের করা হয়েছে। প্রতিদিন জেলার পাঁচ উপজেলার রোগী ছাড়াও পাশের চার জেলার আরো চার-পাঁচটি উপজেলা থেকে প্রায় ৫০০ রোগী গাদাগাদি করে ভর্তি থাকে হাসপাতালটির মেঝে-বারান্দাসহ বিভিন্ন স্থানে। এছাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নেয় গড়ে প্রায় ১ হাজার ৭০০-১ হাজার ৯০০ রোগী। নানা সংকটের মধ্যে ২০২৩ সালে দেশসেরা হাসপাতালের মধ্যে রাজশাহী বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে হাসপাতালটি। স্বাস্থ্য সুবিধার পর্যাপ্ততা (ফ্যাসিলিটি স্কোরিং), ওয়ান সাইট মনিটরিংয়ের অনলাইন পর্যবেক্ষণ, ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশনে ও পেশেন্ট স্যাটিসফেকশন নিয়ে নির্দিষ্ট নম্বরের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থান নির্ধারণ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অবশ্য এর আগের বছর প্রথম স্থানে ছিল জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল।

পুরুষ মেডিসিন, অর্থো ও সার্জারি, গাইনি, কার্ডিওলজি, ডায়রিয়া, অবজারভেশন, কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারসহ ১২টি ওয়ার্ডে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শূন্য রয়েছে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলোজিস্ট ও ফার্মাসিস্টের পদ।

এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও অন্য সবকিছু ১০০ শয্যারই রয়েছে। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা নিয়ে ১০০ শয্যার ব্যবস্থাপনা দিয়েই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে গত এক বছরে ২ কোটি টাকা হাসপাতালের রাজস্ব আয় হয় যা বিগত দিনের তুলনায় আট গুণ বেশি আয় হয়েছে। প্রতি মাসে সব ধরনের অপারেশন হয় এক হাজারেও বেশি। ১০ শয্যার আইসিইউ ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে। তবে অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকের অভাবে এখনো চালু হয়নি।

ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, সেন্ট্রাল লিকুইড অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব যন্ত্র সরকারি ও বেসরকারিভাবে ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডায়ালাইসিস সেন্টারে নেফ্রোলজিস্ট চিকিৎসক নেই, অন্য চিকিৎসক ও নার্সকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চালানো হচ্ছে। ২৫০ শয্যার সবকিছু পেলে রোগীকে ভালো সেবা দেয়া যাবে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আলোচিত সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলাটি যুক্তিতর্কের শুনানির পর ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য দিন ঠিক করেছিলেন আদালত। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইন মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও হাসান আলীর স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদ ওরফে শাহীন, শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং ডা. হাসান আলীর ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা ও মন্টু।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ জানান, তারা আশা করছেন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হবে।

আদালত মামলাটির বিচারকালে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। মামলাটি প্রথমে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারাধীন ছিল। ১৩৫ কার্যদিবসে মামলাটির নিষ্পত্তি না হওয়ায় পরবর্তীতে রায় ঘোষণাকারী আদালতে পাঠানো হয়।

৩৫ বছর আগে ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই রমনা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী সগিরা মোর্শেদ মেয়েকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে আনতে গিয়ে স্কুলের কাছেই রিকশায় থাকাবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন। এরপর ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সগিরা মোর্শেদ মারা যান। এ ঘটনায় তার স্বামী আবদুস ছালাম চৌধুরী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

এ মামলা ২৫ জন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করে গড়ে একজন করে আসামি গ্রেপ্তার করেন। ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মন্টু নামে একজনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। আদালতে বিচারও শুরু হয়। কিন্তু সাক্ষ্য গ্রহণের এক পর্যায়ে সাক্ষীরা মারুফ রেজা নামের এক ব্যক্তির নাম এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জানান। ফলে আদালত পুনঃতদন্তের আদেশ দেন। ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান মারুফ রেজা। এরপর হাইকোর্ট ২০১৯ সালের হাইকোর্ট পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই মারুফ রেজাকে ঘিরে তদন্তে নেমে হত্যার আসল রহস্য বের করেন। ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালত চার্জশিট জমা দেন। ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

চার্জশিটে বলা হয়, হত্যাকারী মারুফ রেজার মোটরসাইকেলের পেছনে আসামি হাসানের শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান যান। যাতে সগিরাকে সহজে দেখিয়ে দিতে পারেন। রেজওয়ান দেখিয়ে দিলে মারুফ রেজা গুলি করে পালিয়ে যায়।

ডা. হাসান আলী চৌধুরী আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন, তিনি ইস্কাটনে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতেন। আসামি মারুফ রেজা তার রোগী ছিলেন। সে শহরে মাস্তানি করত। সগিরা মোর্শেদকে শায়েস্তা করার জন্য তিনি তাকেই ঠিক করেন। তার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হয় এ কাজের জন্য। কিন্তু সে সগিরা মোর্শেদকে চিনত না। এজন্য তার শ্যালককে দায়িত্ব দেন সগিরা মোর্শেদকে চিনিয়ে দেওয়ার জন্য।

সগিরা মোর্শেদের স্বামীর নাম আবদুস ছালাম চৌধুরী। তার বড় ভাইয়ের নাম সামছুল আলম চৌধুরী। মেজো ভাই চিকিৎসক হাসান আলী চৌধুরী। তিনজনই তাদের পরিবার নিয়ে আউটার সার্কুলার রোডে তখন বসবাস করতেন। সগিরা মোর্শেদরা থাকতেন দ্বিতীয় তলায়। চিকিৎসক হাসান তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীনকে নিয়ে থাকতেন ওই বাসার তৃতীয় তলায়। শাহীন তিন তলা থেকে প্রায় সময় ময়লা-আবর্জনা ফেলতেন, যা সগিরা মোর্শেদের পেছনের রান্না ঘর ও সামনের বারান্দায় পড়ত। এ নিয়ে সগিরার সঙ্গে শাহীনের প্রায় ঝগড়াঝাঁটি হতো। ওই তুচ্ছ কারণেই শাহীন সগিরাকে শায়েস্তা করার জন্য তার স্বামী হাসানকে দিয়ে তার রোগী তৎকালীন সিদ্ধেশ্বরী এলাকার সন্ত্রাসী মারুফ রেজাকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া করে ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করান।


আরও খবর
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কতটি ফোন লাগে গুগল প্রধানের, দিলেন অবাক করা তথ্য

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

গুগল ইনকপোরেশনের সিইও সুন্দর পিচাই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই প্রযুক্তিবিদ জানিয়েছেন, তিনি ঠিক কীভাবে ব্যবহার করেন প্রযুক্তিকে। এ সময় মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ে অবাক করা এক তথ্যই দিয়েছেন তিনি।

একসঙ্গে দুইটি ফোন ব্যবহার করেন অনেকেই। কেউ আবার তিনটিও করেন। কিন্তু গুগল এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই একসঙ্গে ২০টিরও বেশি ফোন ব্যবহার করে। কেন এতগুলো ফোন একসঙ্গে ব্যবহার করেন, তারও কারণ জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, তাকে কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস পরীক্ষা করতে হয়, প্রতিটি ডিভাইসে গুগলের সমস্ত ফিচার সঠিকভাবে কাজ করে কি না, তা জানতেই একসঙ্গে এত ফোন ব্যবহার করতে হয় তাকে।

সুন্দর পিচাই যে শুধুমাত্র প্রচুর ফোন ব্যবহার করার জন্যই পরিচিত, তা নয়। সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে গুগল প্রধানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার সন্তানরা ফোনের উপর কতটা সময় ব্যয় করে? এর উত্তরে তিনি জানান, কঠোর নিয়ম দিয়ে কোনও কিছুকে আটকে রাখা যায় না। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। কঠোর নিয়মের পরিবর্তে আত্মনিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।

যখন তাকে তার অ্যাকাউন্টগুলো সুরক্ষিত রাখার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন সুন্দর পিচাই জানান যে, তিনি ঘন ঘন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেন না। বরং নিরাপত্তার জন্য তিনি 'টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন' ব্যবহার করেন।

এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ এআই-তেও অগাধ বিশ্বাস রাখেন সুন্দর পিচাই। এআইকে মানবজাতির তৈরি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি বলেই মনে করেন তিনি।


আরও খবর
শনিবার ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

৮ এপ্রিল দিনকে রাত দেখবে তিন দেশের মানুষ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইজতেমা থেকে ফেরার পথে ট্রাক উল্টে ৩ জন নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখিরি মোনাজাত শেষে বাড়ি ফেরার পথে ময়মনসিংহের ভালুকায় ট্রাক উল্টে ৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহতরা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার আবুল কালাম আকন্দের ছেলে নাঈম (১৩), ভালুকা উপজেলার ফারুক খানের ছেলে সানাউল্লাহ সজল (১৯) ও ফজলু (১৮)। তাৎক্ষণিক ফজলুর বাবার নাম জানা যায়নি। তারা সবাই ভালুকা উপজেলার জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ভালুকা জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ কওমি মাদ্রাসার ৩০ ছাত্র-শিক্ষক বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে যান। মোনাজাত শেষে সবাই ট্রাকযোগে মাদ্রাসায় ফিরছিলেন।

রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢালিবাড়ী মোড় ইউটার্নের কাছাকাছি এলে ট্রাকের সামনে থানা একটি কাভার্ডভ্যান ইউটার্ন নিতে দেখে তাৎক্ষণিক ব্রেক করেন চালক। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলেই নাঈম নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। আহত হন ১৪ জন। তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।- বলেন তিনি।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর মধ্যে, সানাউল্লাহ সজল নামের একজন মারা গেছেন। গুরুতর ৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পথে আরও একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪