আজঃ শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪
শিরোনাম

১ লাখ ৩৬ হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে ঋণ দেবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উৎপাদনশীল ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে কৃষকের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে দেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে ঋণ দেবে সরকার। এ ঋণের সুদহার হবে ১১ শতাংশ। তবে সুফলভোগীদের তহবিলে ১ শতাংশ যুক্ত হবে। প্রকল্পের আওতায় কিছু বৃহৎ ঋণও দেওয়া হবে। ফলে প্রকল্প অনুমোদনের পর ঋণের আওতায় আসবে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার কৃষক। আড়াই থেকে ৫ শতাংশ জমি থাকলেই কোনো ব্যক্তিকে ক্ষুদ্র কৃষক হিসেবে বিবেচনা করে এ ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া হবে। ঋণ দেওয়ার দুই মাস পর থেকে নেওয়া হবে সুদ। প্রথম ধাপে ক্ষুদ্রঋণের ভলিউম হবে ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। প্রকল্পের আওতায় কিছু কৃষক বা বর্গা নেওয়া খামারিদের দেওয়া হবে বড় ঋণ। এর ভলিউম দেড় লাখ থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত হবে।

রূপকল্প ২০৪১: দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র সঞ্চয় যোজন প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ)। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ১৪৯ কোটি টাকা। আগামীকাল বুধবার (১ জুন) পরিকল্পনা কমিশনের একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হবে। দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্পের আওতায় ১১ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন প্রান্তিক কৃষক। কৃষকের বাড়ি বাড়ি ঘুরে এ ঋণ বিতরণ করা হবে। এ ঋণের ১১ শতাংশ সুদহারকে সুদ না বলে সার্ভিস চার্জ বলছে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। এ ঋণ হবে জামানতবিহীন। ১ শতাংশ আবার কৃষক ফেরত পাবেন। ১ শতাংশ যাবে তহবিলে। দেশের দুইশো উপজেলার কৃষকের মাঝে এ ঋণের টাকা বিতরণ করা হবে।

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক (আইসিটি, পরিকল্পনা ও ডকুমেন্ট) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রকল্পটি বুধবার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্প অনুমোদনের পর এ ঋণের আওতায় আসবে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ক্ষুদ্র কৃষক। ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন অলাভজনক সংস্থা। আমরা ১১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ নিই। এটা সুদ নয়, সার্ভিস চার্জ। ব্যাংক ঋণের সঙ্গে এর তুলনা করলে হবে না। আমরা কৃষকের ঘরে ঘরে গিয়ে ঋণ দিয়ে আসি। এ কাজে এনজিওগুলো ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ সুদ নেয়। আমরা নিচ্ছি ১১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ। ১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ আবার কৃষকদের ফেরত দেওয়া হবে। আমরা প্রফিট করি না, আয় থেকে ব্যয় হবে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ১৪৯ কোটি টাকা উল্লেখ করা হলেও লজিক্যাল ফ্রেমওয়ার্কসহ একাধিক অনুচ্ছেদে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ২৭৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পে ক্ষুদ্রঋণ ৮৬ কোটি টাকা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ ২০ কোটি ৬০ লাখ এবং বিশেষ উৎসাহ তহবিল বাবদ ১০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। এ অর্থ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৭৮ শতাংশ প্রায়। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর ৩০ জুন ২০২৪ সাল নাদাগ বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্প এলাকা: বর্তমানে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম দেশের ৩৬টি জেলার ১৭৩টি উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি আরও ২৭টি নতুন উপজেলায় সম্প্রসারণসহ ২০০টি উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রান্তিক চাষিদের জামানতবিহীন ঋণসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। উৎপাদনশীল বা আয়বর্ধক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য দেশের ক্ষুদ্র কৃষকের আর্থিক সক্ষমতা অত্যন্ত অপ্রতুল। এরই ধারাবাহিকতায় পল্লি অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের একটি সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আর্থিক সহায়তা, উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে আরও ২৭টি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২০০টি উপজেলায় ক্ষুদ্রঋণ বাস্তবায়নের জন্য রূপকল্প ২০৪১: দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র সঞ্চয় যোজন শীর্ষক প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য: প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ২০০টি উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন। প্রকল্প বাস্তবায়নের অন্যতম উদ্দেশ্য ২০২৪ সালের মধ্যে সুফলভোগী ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু আয় চার হাজার টাকা বাড়ানো।

প্রকল্পের মেয়াদকালে ৩০ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া সুফলভোগীদের নিজস্ব সঞ্চয় ও প্রকল্পের অর্জিত সার্ভিস চার্জের ১ শতাংশ সঞ্চয় যোজনের মাধ্যমে মাথাপিছু সঞ্চয় দুই হাজার ৫০০ টাকা বাড়ানো হবে। প্রকল্প মেয়াদে ২০ হাজার সুফলভোগীর আয়বর্ধক কার্যক্রম পরিচালনা ও সচেতনতায় দক্ষতা বাড়ানোও অন্যতম উদ্দেশ্য। সুফলভোগীদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমও বাড়ানো হবে। ছেলেমেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার কল্যাণ, যৌতুক প্রথা ও বাল্যবিয়ে রোধ, নারী নেতৃত্বের বিকাশ, নারীর ক্ষমতায়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ, শিশু অধিকার সংরক্ষণ, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের যথাযথ ব্যবহার, আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মাতৃত্ব ও শিশুস্বাস্থ্য ইত্যাদি কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধকরণ ও উৎসাহ দেওয়া হবে প্রকল্পের আওতায়।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রম: গ্রাম পর্যায়ে দুই হাজার চারটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক উন্নয়ন কেন্দ্র গঠন এবং ১০ হাজার সুফলভোগীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ১৪ লাখ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করবেন ১৭৩ জন উপজেলা ব্যবস্থাপক ও ৪৬৮ জন মাঠ কর্মকর্তা। প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার ২০০টি উপজেলায় মোট জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার। এ জনগোষ্ঠীর মধ্যে তিন কোটি প্রান্তিক কৃষক। তাদের মাসিক আয় আট হাজার টাকার মতো। প্রকল্পভুক্ত ২০০টি উপজেলায় দারিদ্র্য বিমোচন এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এসব উপজেলার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ দশমিক ৫ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। দারিদ্র্য বিমোচন ও আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ অন্যতম স্বীকৃত পন্থা।

বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের সংগঠন সমন্বিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বিশেষভাবে পল্লি এলাকার দরিদ্র, যারা কার্যত সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫ একর চাষযোগ্য জমির মালিক- এরূপ গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র কৃষককেন্দ্রিক। ক্ষুদ্রঋণের সহজলভ্যতা প্রান্তিক এসব কৃষককে দারিদ্র্যসীমার নিচে নামা রোধ করতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১৯৭৬ সালে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার তিনটি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প কার্যক্রম শুরু করে। এ প্রকল্পের মাধ্যমেই দেশে সর্বপ্রথম জামানতবিহীন ঋণদান কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীসময়ে এ কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন উপজেলায় প্রসার লাভ করে। এরপর সরকার ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন বা এসএফডিএফ নামে স্বতন্ত্র একটি সংগঠন গড়ে তোলে। গরিব, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের সমস্যা সমাধানই এর মূল উদ্দেশ্য।


আরও খবর



আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব গাধা দিবস

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রায় সময়ই কেউ বোকামি করলেই আমরা তাকে গাধার সঙ্গে তুলনা করি। আবার ভুল করলেও তুলনা এই প্রাণীটির সঙ্গেই আমরা হরহামেশাই করে থাকি। পরিশ্রমী এই প্রাণীটি আসলেই বোকা নাকি উপকারী সে কথা আজ নাই বলি। আজকের দিনটি গাধাকে সম্মান জানানো, ভালোবাসার। কারণ আজ ৮ মে গাধা দিবস।

২০১৮ সালে প্রথম এই দিবস পালিত হয় বিশ্বব্যাপি। এই দিবসের শুরু করেন বিজ্ঞানী ও মরুভূমির প্রাণী গবেষক আর্ক রাজিক। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো গাধাকে নিয়ে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং তারা কীভাবে মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে তা তুলে ধরা। গাধা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। তারপরেও কোনো স্বীকৃতি নেই এই প্রাণীটির। এই ভাবনা থেকেই ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে আর্ক প্রচারণা চালান। অনেকেই সাড়া দেন আর শুরু হয় গাধা দিবস।

বিগত কয়েক শতাব্দীতে গাধা মানুষের জীবনের একটি অংশ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে পণ্য পরিবহণে মানুষকে সাহায্য করে এসেছে, এমনকি তারা যুদ্ধেও ভূমিকা রেখেছে। তবে সময়ের সঙ্গে বর্তমানে প্রায় বিলুপ্ত এই প্রাণীটি। বাংলাদেশের সরকারি হিসাব বলছে দেশে কোনো গাধা নেই।

এক সংবাদমাধ্যমে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রশাসন ডা. পল্লব কুমার দত্ত বলেন, চিড়িয়াখানা ছাড়া দেশে কোনো গাধা নেই। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশে ভেড়া, গরু, ছাগল, মহিষসহ হাঁস-মুরগির সংখ্যা বাড়ছে। প্রাণিসম্পদ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। 

পরিশ্রমী এবং উপকারী প্রাণী গাধাকে সম্মান দেখিয়ে আজকের বিশ্ব গাধা দিবস পালন করতে পারেন। গাধার ইতিহাস এবং আমাদের সমাজে এর ভূমিকা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। এই শক্তিশালী প্রাণী সম্পর্কে কিছু লেখা করতে পারেন আজ। গাধা সম্পর্কে জানতে বিভিন্ন বই পড়তে পারেন অথবা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করেও জানতে পারেন বহু চমকপ্রদ তথ্য।

এ ছাড়া গাধার তত্ত্বাবধানকারী দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করতে পারেন, যা এই প্রাণীটির যত্নে সহায়তা করে। অনেক সংস্থা ও এনজিও গাধার খাদ্য ও পরিচর্যা করে থাকে। তাদের অর্থ সাহায্যের প্রয়োজন হয়

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব গাধা দিবস

আরও খবর



ইতালির ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভিএফএস গ্লোবাল এবার ইতালির ভিসা প্রত্যাসীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে। আগামী ২৭ মে ফ্যামিলি রিইউনিয়ন, ট্যুরিস্ট ও স্টাডি ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট চালু করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ভিএফএস তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেজে বাংলাদেশে ইতালি ভিসা আবেদনকারীদের জন্য হালনাগাদ তথ্য’ শিরোনামে এ খবর জানিয়েছে।

ফেসবুক পেজে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে ভিএফএস গ্লোবাল জানায়, ইতালিতে ফ্যামিলি রিইউনিয়ন, ট্যুরিস্ট ও স্টাডি ভিসার জন্য ১ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট আগামী ২৭ মে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে খোলা হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত ভিসা আবেদনকারীরা কোনো ধরনের তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভর না করে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ও সহজে ভিএফএস ওয়েবসাইট থেকে নিজেরাই আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারবেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ মে) ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ইতালি আগামীতে ৭ লাখ কর্মী নিতে পারে এবং বৈধভাবে দেশটিতে দক্ষ জনবল প্রেরণ করা হবে। এ বিষয়ে দুই দেশ যৌথ উদ্যোগে কাজ করবে।


আরও খবর



গভীর রাতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, ৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের হরিয়ানায় যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন লেগে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ও দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ২৪ জন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হরিয়ানার নুহ জেলায় মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে।

কী কারণে চলন্ত বাসে আগুন ধরল তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। পুলিশ পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। বাসটিতে প্রায় ৬০ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের অধিকাংশই তীর্থযাত্রী। বাসটি বৃন্দাবন এবং মথুরা থেকে তীর্থযাত্রীদের নিয়ে ফিরছিলেন। পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুর, লুধিয়ানা এবং চণ্ডীগড়ের যাত্রীরা বাসটিতে ছিলেন।

জানা যায়, নুহ জেলার কাছে কুন্ডলি-মানেসার-পালওয়াল জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়। এতে ৮ জনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ছুটে এসে যাত্রীদের উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। দমকল বাহিনী দ্রুত আগুন নেভালেও তার আগেই মৃত্যু হয় ৮ জনের। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাসটির এক নারী যাত্রী ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে জানিয়েছেন, বাসে আগুন ধরে যাওয়ার পর তিনি লাফ দিয়ে প্রাণ বাঁচান।

তিনি আরও জানান, বাসে আগুন ধরেছে দেখে এক বাইক আরোহী চালককে সতর্ক করতে এগিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ছড়িয়ে যায়।

ওই যাত্রী বলেন, আমি বাসের নিচ থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলাম। ভেবেছিলাম বাম্পারে ধাক্কা খাওয়ার কারণে এমন আওয়াজ হচ্ছে। পরে পোড়া গন্ধ পেয়ে বুঝতে পারি আগুন লেগেছে। একজন বাইক আরোহী তখন চালককে আগুন লাগার বিষয়ে সতর্ক করেন। আমি একদম সামনের সিটে বসেছিলাম। তাই প্রাণ বাঁচাতে লাফ দিয়েছিলাম।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি পঞ্জাবের বাসিন্দা এবং তীর্থযাত্রা করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাসে তার আরও অনেক আত্মীয় ছিলেন।


আরও খবর



বৃষ্টির পর আসছে হিট ওয়েভ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কয়েকদিন ধরে চলা দাবদাহের কারণে হাঁসফাঁস করছিলেন রাজধানীবাসী। জলীয় বাষ্পের আধিক্য অস্বস্তি বাড়িয়ে দিচ্ছিল কয়েকগুণ। ঘরের মধ্যে থেকেও মিলছিল না স্বস্তি। নগরবাসী আকাশপানে তাকিয়ে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা পাচ্ছিল না।

অবশেষে শনিবার (১৮ মে) সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি নামে রাজধানীতে। আর তাতে নগরজীবনে কিছু হলেও নেমে এসেছে স্বস্তি। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। যদিও উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- বৃষ্টির পর পরই আসতে পারে আরও কয়েকটি হিট ওয়েভ।

শনিবার (১৮ মে) বেসরকারি একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির এসব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে গত এপ্রিল মাসব্যাপী সারা দেশে ছিল তীব্র তাপপ্রবাহ। যার ধকল এখন কাটিয়ে না উঠতেই আবারও গরমের দাপট। আজ শনিবারও ভ্যাপসা গরম দিয়ে দিন শুরু হয় নগরবাসীর। সকাল ৮টার কিছু পরে কয়েক মুহূর্তের জন্য এক পশলা বৃষ্টির নিয়ে আসে স্বস্তি।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও তিন থেকে চার দিন অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে আগামী সোমবারের (২০ মে) পর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তবে সেটি এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।

তিনি আরও বলেন, সামনে কয়েকটি হিট ওয়েভ আসতে পারে। তবে কোনোটিই আর আগের মতো দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

নিউজ ট্যাগ: হিট ওয়েভ

আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে লবণ বোঝাই ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ অর্ধশতাধিক

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো.আমজাদ হোসেন, আনোয়ারা

Image

বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূলে লবণবাহী ট্রলার ডুবে অর্ধশতাধিক নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (৮ মে) সকাল ৮ টার দিকে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও বাঁশখালী থেকে লবণ বুঝাই ১৫ থেকে ২০টি ট্রলার আনোয়ারা উপকূলে সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ ৩৪ জনকে উদ্ধার করলেও বাকিদের উদ্ধারে কাজ করছে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।

উদ্ধার মাঝি মাল্লাদের মধ্যে ১৩ জনের নাম পাওয়া যায়, তারা হল কুতুবদিয়া উপজেলার তৌফিক এলাহী ট্রলারের মাঝি মো: মানিক, নূরুল আমিন, মো আনিস, বাঁশখালী উপজেলার আল্লার দান ট্রলারের মাঝি মো:জিয়া, মো আলী, মো মানিক, মো. সোহেল, মো. মনছুর, জাবেদ আহমদ, "বার আউলিয়া ট্রলার'র মাঝি মো. ফারুক, বদি আলম, আবু হানিফ ও আবু তৈয়ব। নিখোঁজ মাঝি মাল্লাদের উদ্ধারে কাজ করছে নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড সাঙ্গু স্টেশন।

নিখোঁজ বার আউলিয়া ট্রলারের মালিক কুতুবদিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, আমার ট্রলারটি লবণ নিয়ে কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রাম নগরীর দিকে যাচ্ছিল। একই সাথে কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও বাঁশখালী থেকে আরো ১৫-২০টি লবণবাহী ট্রলার গহিরার বারআউলিয়া উপকূলে সাগরে ডুবে যায়। তবে আনার ট্রলারের মাঝি মাল্লাদের উদ্ধার করা হয়। আমার ডুবে যাওয়া ট্রলারের মূল্য ২০ লাখ টাকা।

গহিরা বার আউলিয়া নৌ পুলিশের ইনচার্জ টিটু দত্ত বলেন, আনোয়ারা উপকূলে বঙ্গোপসাগরে বেশ কয়েকটি ট্রলার ডুবির খবর পেয়েছি। কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করলেও এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।


আরও খবর