আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

তৃতীয় দফায় বেনজিরের ৮ ফ্ল্যাট, ৯১ একর জমি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে আরও সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ জুন) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

জব্দ হওয়া সম্পদ ও ফ্ল্যাটের মধ্যে- রুপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় ৩ কাঠা, বাড্ডায় ৩৯ দশমিক ৩০ জমির ওপর দুটি ফ্ল্যাট, বান্দরবান জেলায় ২৫ একর জমি, স্ত্রী জিসানের নামে আদাবর থানার পিসিকালচার এলাকায় ৬টি ফ্ল্যাট, গুলশানে বাবার কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে সম্পত্তিতে ৬ তলা ভবন, সিটিজেন টিভির শেয়ার ও টাইগার এপারেলসের শেয়ার রয়েছে।

মামলার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচাল হাফিজুল ইসলাম এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে, স্ত্রী জীশান মীর্জা ও কন্যাদের নামে দেশ-বিদেশে শত শত কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যাচ্ছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের মালিকানাধীন ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। যা করতে পারলে মামলার অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের, চার্জশিট দাখিল, আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সাজা অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় থেকে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণসহ সকল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।

তাই অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের, তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল, এরপর আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের সুবিধার্থে তথা সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে স্থাবর সম্পত্তিসমূহ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ করা একান্ত প্রয়োজন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।

এর আগে গত ২৩ ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজির আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ৬২১ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক বেনজিরের স্ত্রী জীশান মীর্জা। তার নামে প্রায় ৫২১ বিঘা জমি খুঁজে পেয়েছে দুদক। বাকি ১০০ বিঘার মতো জমি রয়েছে বেনজির, তার তিন মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজির, তাহসিন রাইশা বিনতে বেনজির ও জারা জেরিন বিনতে বেনজির এবং স্বজন আবু সাঈদ মো. খালেদের নামে।

বেনজির আহমেদের স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে মাদারীপুরের সাতপাড় ডুমুরিয়া মৌজায় ২৭৬ বিঘা জমি পাওয়া গেছে। ২০২১ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন সময় ১১৩টি দলিলে এসব জমি কেনা হয়। দলিলমূল্য দেখানো হয় মোট ১০ কোটি ২২ লাখ টাকা। ৮৩টি দলিলে ৩৪৫ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। যার দলিলমূল্য দেখানো হয়েছিল ১৬ কোটি ১৫ টাকার কিছু বেশি।

এছাড়া বেনজির আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে গুলশানে যে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। তার মধ্যে তিনটি তার স্ত্রীর নামে এবং একটি ছোট মেয়ের নামে। দুটি ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩৫৩ বর্গফুট, দাম ৫৬ লাখ টাকা করে। বাকি দুই ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ২৪৩ বর্গফুট করে, দাম সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা করে। চারটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে একই দিন একই ভবনে। ভবনটির নাম র‍্যানকন আইকন টাওয়ার।

নিউজ ট্যাগ: ড. বেনজির আহমেদ

আরও খবর
সেই মিল্টন সমাদ্দারের জামিন

সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪




ম‌ন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের পাঁচপাড়া বাজারে থাকা সর্বজনীন কালীমন্দির ভাঙচুর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি শিকদার মল্লিক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার স্বাক্ষরিত ৭ জুলাইয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র পিরোজপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গ্রহণ করায় এবং পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে শহিদুল ইসলাম হাওলাদারকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পিরোজপুর জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সরদার ফারুক আহম্মেদ জানান, মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় মামলার পর পুলিশ তদন্ত শেষে ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আদালতে  অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালত চার্জ গঠন করেন। তিনি বেশ কিছুদিন জেলহাজতে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।


আরও খবর



জয়পুরহাটে শিক্ষক হত্যায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আলী হাসান বাবু নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ১১ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করলে তাদের আরও দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।

বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) উদয় সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রূপসীপাড়ার নজিবর রহমানের ছেলে আসাদুল, পাঁচবিবি উপজেলার রহমতপুর গ্রামের হাসানের ছেলে মজিবর রহমান, পাইকদরিয়া গ্রামের ছলিমুদ্দিনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন, গোবিন্দপুর গ্রামের ফুলমিয়ার ছেলে আব্দুল হান্নান, একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মো. আনিছুর, একই উপজেলার জোড়া তেলখোর খাসপাড়ার মৃত হেমায়েত ফকিরের ছেলে মো. কালাম, একই গ্রামের রেজাউলের ছেলে খায়রুল ইসলাম, শিয়ারা গোবিন্দপুর গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে মো. বাবু, একই উপজেলার জোড়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো. সোহেল, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রুপসীপাড়া গ্রামের মোজাহার আলীর ছেলে মোর্শেদুল হাসান মশিউর ও জয়পুরহাট সদরের সুন্দরপুর ধোপাপাড়ার মোজাম উদ্দিনের ছেলে মো. আজিজুল।

রায় ঘোষণার সময় মোর্শেদুল হাসান মশিউর ও মো. আজিজুল নামে দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি আসামিদের পলাতক দেখানো হয়েছে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, পাঁচবিবি উপজেলার কাঁকড়া গ্রামের আলী হাসান বাবু একটি কলেজে শিক্ষকতা করতেন। এর পাশাপাশি তিনি স্টকের ব্যবসা করতেন। ২০০৯ সালের ১৭ জুন রাতে ব্যবসায়িক কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে পাঁচবিবি উপজেলার কাঁকড়া ব্রিজ এলাকায় খুন হন তিনি। তার মোটরসাইকেল এবং মরদেহ স্থানীয় হারামতি নদীতে পাওয়া যায়।

ঘটনার পরদিন নিহতের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডে মোট ১১ জনের সংশ্লিষ্টতা পান তদন্তকারী কর্মকর্তা। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পর আজ রায় ঘোষণা করা হলো।


আরও খবর



ইউরোতে আজ স্পেন-জার্মানির মহারণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শেষ ১৬ পার করে ইউরোতে এখন টিকে আছে আটটি দল। আট দল নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হচ্ছে আজ শুক্রবার (৫ জুলাই) থেকে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মুখোমুখি হবে স্বাগতিক জার্মানি ও স্পেন। নকআউট পদ্ধতির শেষ আটে হারলে বিদায়, জিতলে সেমি ফাইনাল।

স্টুটগার্টের এমএইচপি অ্যারেনায় স্বাগতিক হিসেবে এগিয়ে থাকবে জার্মানি। তবে, স্পেন প্রেরণা নিতে পারে ২০০৮ সালের ইউরো ফাইনাল থেকে। দুদল সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছিল ১৬ বছর আগে। সেই ফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তোলে স্পেন। দুদলের মুখোমুখি লড়াইয়েও এগিয়ে স্পেন। তিন ম্যাচের দুটিতে জিতেছে তারা, জার্মানি একটিতে।

শেষ ১৬-তে জর্জিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টারে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। অন্যদিকে, জার্মানরা ২-০ গোলে জিতেছিল ডেনমার্কের বিপক্ষে। স্পেন অনেকটাই মাঝমাঠ নির্ভর ফুটবল খেলে। জার্মানির কৌশল পুরোটাই আক্রমণাত্মক। জার্মানি হারলে বিদায় নেবে টুর্নামেন্ট থেকে। যদি হেরে যায়, তাহলে এটিই হবে দলের অন্যতম সেরা তারকা টনি ক্রুসের শেষ ম্যাচ। ইউরো শুরুর আগেই ক্রুস ঘোষণা দিয়েছিলেন, এই টুর্নামেন্টের পর অবসর নেবেন জাতীয় দল থেকে।

ম্যাচের আগে স্প্যানিশ কোচ লুইস ফুয়েন্তে বলেন, আমার কাছে এটি ফাইনালের মতো। শক্তিমত্তায় দুদলই সমান। জার্মানি সবসময়ই আক্রমণাত্মক ঢংয়ে ম্যাচ শুরু করে। আমাদের তাই সতর্ক থাকতে হবে এবং সুযোগ বুঝে পাল্টা আক্রমণে যেতে হবে।

জার্মান কোচ হুলিয়ান নাগেলসম্যান বলেন, আমাদের লক্ষ্য সেমি ফাইনালে যাওয়া। স্পেন টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল। তারা প্রতিপক্ষকে প্রচণ্ড চাপে রাখতে পারে। আমাদের নিজেদের সহজাত খেলাটা খেলতে হবে। আক্রমণে উঠতে হবে শুরু থেকে।


আরও খবর



“বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক অচলাবস্থার দায় শিক্ষকরা নেবে না”

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেছেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান একাডেমিক অচলাবস্থার দায় কোনোভাবেই শিক্ষকরা নেবে না। এই দায় আমরা এককভাবে সরকারকেও দিতে চাই না। সরকারের যে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ পেনশন সংক্রান্ত এ বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলায়তনের জন্য তারাই দায়ী।

রবিবার (৭ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনের সামনে শিক্ষকদের পূর্বনির্ধারিত অবস্থান কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেছেন রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি।

এ সময় রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে গরীব মানুষের পড়াশুনার আশ্রয়স্থল যে জায়গা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, সেটা আর থাকবেনা। কারণ সমাজের উচ্চশ্রেণীর লোকদের ছেলে-মেয়েরা বাইরে পড়াশোনা করে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় রয়েছে; আমি বলতে চাই শিক্ষকদের সাইড লাইনে রেখে দেশকে কখনো এগিয়ে নেওয়া যাবে না।

এদিকে, টানা অষ্টম দিনের মতো বন্ধ রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ধরণের একাডেমিক কার্যক্রম। এতে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

তবে এ প্রসঙ্গে রাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক সরকার জানান, এটি শুধু শিক্ষকদের নয়, শিক্ষার্থী-কর্মকর্তাসহ সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদার আন্দোলন। আমরা বাধ্য হয়েই সর্বাত্মক আন্দোলনের মতো কঠোর কর্মসূচিতে পালন করছি। তবে আমাদের দাবি পূরণ হয়ে গেলে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়টিও আমাদের মাথায় আছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে বিবৃতি প্রদান, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, মানববন্ধন, প্রতীকী কর্মবিরতি, স্মারকলিপি প্রদান এবং অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অর্ধদিবস এবং ৩০ জুন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হয়। এছাড়াও ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন তারা।


আরও খবর



সুরমা নদী ড্রেজিং করা হবে : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট নগরকে আগাম বন্যার কবল থেকে রক্ষা করতে সুরমা নদী ড্রেজিং করা হবে। নদীতে পলিমাটি থাকার ফলে এর আগেও ড্রেজিং কাজ ব্যহত হয়েছিল। উজান থেকে আসা পানির সাথে আসা পলিমাটি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। প্রকৌশলীদের সাথে আলাপ করেছি দ্রুত সুরমা নদী ড্রেজিং ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সিলেট নগরীর ৩৯ নং ওয়ার্ডের টুকেরবাজার এলাকার শাদীখাল পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এমপি এসব বলেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের ৯টি স্থানে ড্রেজিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। নদী ভাঙন, পলিমাটি অপসারণে নিয়মিত নদী খনন করা হবে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিশোরগঞ্জের মিটামইন সড়ক দিয়ে পানি পারাপারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো: আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিলেট জেলা প্রশাসন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর