আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির মানববন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আগামী রোববার বেলা ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। একইদিন ঢাকা ছাড়াও দেশের সব জেলা শহরে এ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

শুক্রবার বিকালে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কথা জানান।

গত দুদিন বিএনপির অবরোধ সফল করায় দলের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান রিজভী। তিনি বলেন, আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি আগামী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে। যারা গুম-খুন হয়েছেন, তাদের পরিবারের সমন্বয়ে এই মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। ঢাকা মহানগরসহ সব জেলা সদরে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

রিজভী জানান, ঢাকায় মানববন্ধন হবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেলা ১১টায়। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর বিএনপি সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে এবং ঢাকার বাইরে অন্যান্য জেলায় মানববন্ধন সফল করতে নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিয়েছে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সরকারের দিক থেকে সব বাধা-বিপত্তি যদি আসে সবকিছুকে প্রতিহত করে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে এ কর্মসূচি সফল করতে হবে।

আরও পড়ুন>> রবিবার হরতাল-অবরোধ দিচ্ছে না বিএনপি

ঢাকাসহ সারা দেশের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব পরিবার নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, গুম-খুন হয়েছে, সেসব পরিবারের সদস্যদের আপনারা মানববন্ধনে নিয়ে আসবেন। এসব কর্মসূচি অনাচারের বিরুদ্ধে, অবিচারের বিরুদ্ধে, অত্যাচারের বিরুদ্ধে।

সরকারকে ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, তাদের কাছে নাশকতার সংজ্ঞা হলো, গণতন্ত্রের পক্ষে, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা। এ ধরনের কথা বলা মানেই একজন নাশকতাকারী। নিজের হাতে ক্ষমতা ধরে রাখতে স্বৈরাচারে রূপান্তরিত হয়েছে আওয়ামী সরকার। তারা দেশ থেকে রাষ্ট্র থেকে সমাজ থেকে সত্য কথা ভুলিয়ে দিতে চাচ্ছে। এ রকম একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে যেখানে সত্য কথা, মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলা সবচেয়ে বড় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিএনপির ২১৫ জনের বেশি নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে দাবি করে তিনি বলেন, সাতটি মামলায় সাড়ে ৮০০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।


আরও খবর



জেল থেকে জ্যাকলিনকে হুমকি দিচ্ছেন তার প্রেমিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরই নাকি এর জন্য দায়ী।

গেলো দুবছর ধরে আর্থিক তছরুপের কেসে জেলবন্দি জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখর। এ মুহূর্তে দিল্লির ম্যান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। জেলে বসেই নাকি প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন জ্যাকলিনকে। আর তাতেই ভয় রয়েছেন জ্যাকলিন।

এবার সুকেশের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ কমিশনর সঞ্জয় অরোরার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেন তিনি। তার অভিযোগের ভিত্তিকে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল প্রাথমিক তদন্ত শুরুও করেছেন।

শোনা যায়, এক সময় নাকি কনম্যান সুকেশের প্রেমে পড়েছিলেন কিক খ্যাত অভিনেত্রী। সম্পর্কে থাকাকালীন সুকেশের কাছ থেকে একাধিক দামি উপহারও পেয়েছেন তিনি। সুকেশের সঙ্গে নাম জড়ানোর জেরে একাধিক বার বিতর্কের মুখে পড়েছেন জ্যাকলিন। প্রতারণাকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন একাধিক বার আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।

শুধু তাই-ই নয়, অভিনেত্রীর বিদেশযাত্রাতেও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। সেই নিষেধাজ্ঞা তোলা হয় গেলো বছর। সম্পর্কের কথা জ্যাকলিন যতই অস্বীকার করুন না কেন সুকেশে ছাড়ার পাত্র নয়। তিনি জেলে বসেই ক্রমাগত প্রেমপত্র লিখে গিয়েছেন অভিনেত্রীকে। তাতেই বিব্রত হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের প্রেমপত্র কখনও রয়েছে ভালবাসার কথা, কখনও ছিল প্রচ্ছন্ন হুমকি। অবশেষে দিল্লি পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে অভিনেত্রী জানান, দ্রুত সুকেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে, এবং তার নিরাপত্তার দিকটা সুনিশ্চিত করতে।


আরও খবর
আস্থার জায়গা খুঁজছেন মাহি

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ডিএমপির পথচলার ৪৯ বছর আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সেবা ও সদাচার, ডিএমপির অঙ্গীকার-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আনুষ্ঠানিকতায় আজ উদযাপিত হবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ৬,০০০ পুলিশ সদস্য এবং ১২টি থানা নিয়ে যাত্রা শুরু করে ডিএমপি। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ঢাকা মহানগরীর প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপির কার্যক্রম ৫০টি থানায় বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে কাজ করছেন ৬ জন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), ১২ জন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতি. ডিআইজি), ৫৭ জন উপপুলিশ কমিশনারসহ (এসপি) ৩৪ হাজার কর্মকর্তা ও ফোর্স।

মহানগরীর নাগরিকদের জন্য নিরাপদ, নির্ভয় ও নির্বিঘ্ন ঢাকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করেছে ৮টি ক্রাইম বিভাগ এবং ৫০টি থানা। ২০২৩ সালে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় অপরাধ দমন ও উদঘাটনে সর্বমোট ২৫ হাজার ৯০২টি মামলা করা হয়েছে। বর্তমান কমিশনারের উদ্যোগে ছিনতাই প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে ছিনতাই প্রতিরোধ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সবার জন্য সমান আইনি সেবা নিশ্চিত করতে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী হেল্প ডেস্ক থেকে ৪০ হাজার ১৮২ জনকে সেবা দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> আজ শুরু হচ্ছে বাঙালির প্রাণের বইমেলা

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান জানান, ডিএমপির সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের অধীন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, প্রবাসী লিগ্যাল সার্ভিস, কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তর, ইন্টারনাল ওভারসাইট, মেসেজ টু কমিশনার, কেন্দ্রীয় রিসিভ ডেসপাস শাখা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের প্রধান মুনিবুর রহমান জানান, গত পাঁচ বছরে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থায় ডিভাইসের মাধ্যমে ২৭ লাখ ২২ হাজার ২৯৫টি মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ২০২৩ সালে প্রতি মাসে গড়ে ২০০টি সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমানে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে সিটিটিসি বিশ্বের রোল মডেল। সিটিটিসি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে ৯টি গবেষণা শেষ করেছে।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার (ডিসি) ফারুক হোসেন বলেন, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (ডিবি), জনগুরুত্বপূর্ণ, চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস মামলার তদন্তে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে। মামলা তদন্তের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য, চোরাইগাড়ি, জাল টাকা, চোরাই মোবাইল উদ্ধারে মাইলফলক অর্জন করেছে। এছাড়া সাইবার অপরাধী ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ।


আরও খবর



পাপুয়া নিউগিনিতে জাতিগত সহিংসতায় নিহত ৬৪

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাপুয়া ‍নিউগিনির পার্বত্য অঞ্চলে জাতিগত সহিংসতার ঘটনার কমপক্ষে ৬৪ জন নিহত হয়েছে। এতে এনগা প্রদেশের লোকজনের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। বলা হচ্ছে, এই অতর্কিত হামলা গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ। খবর বিবিসির।

অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের কারণে সংঘর্ষ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজধানী পোর্ট মোরেসবি থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার (৩৭৩ মাইল) উত্তর-পশ্চিমের ওয়াবাগ শহরের কাছে মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ।

রয়্যাল পাপুয়া নিউ গিনি কনস্ট্যাবুলারির ভারপ্রাপ্ত সুপার জর্জ কাকাসের বরাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এবিসি) বলছে, এনগাতে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা। এর আগে এমন ঘটনা দেখা যায়নি। 

আরও পড়ুন>> ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আজ ঐতিহাসিক শুনানি

তিনি বলেন, আমরা সবাই বিধ্বস্ত, আমরা সবাই মানসিকভাবে চাপে আছি। এটা বোঝানো সত্যিই কঠিন। পুলিশ ঘটনাস্থলের বেশ কিছু ভিডিও এবং ফুটেজ পেয়েছে। সেখানে একটি লাশ বোঝাই ট্রাক দেখা গেছে।

দেশটিতে প্রায়ই জমি এবং সম্পদ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে জাতিগত দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে এনগা প্রদেশে তিন মাসের লকডাউন জারি করা হয়। সেই সময় পুলিশ কারফিউ এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।


আরও খবর
পেট্রোল রপ্তানি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়িঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে জান্তা সরকার

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আসছে স্মার্ট কানের দুল, থাকবে যেসব সুবিধা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

স্মার্টফোনের যুগে প্রবেশের পর একে একে বাজারে এসেছে স্মার্ট ঘড়ি, চশমা ও আংটি। এবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট কানের দুলও। এর মাধ্যমে মানসিক চাপ, তাপমাত্রা, জ্বর, ব্যায়াম, খাদ্যাভাস ও নারী স্বাস্থ্যের নানা বিষয়ে ডেটা সংগ্রহ করা যাবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক এই দুল তৈরি করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়টি গত ৭ ফেব্রুয়ারি স্মার্ট দুল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, থার্মাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে কানের লতির মাধ্যমে সব সময় শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করবে এই দুল। দুলটিতে থাকা স্কিন টেম্পারেচার সেন্সর ত্বকের তাপমাত্রা ও ড্যাংলিং সেন্সর আশপাশের তাপমাত্রা মাত্রা পরিমাপে সাহায্য করে।

গবেষণাপত্রের লেখক ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডক্টরাল ছাত্র কিউইউয়ে জুই বলেন, কবজিতে পরা ঘড়ির চেয়ে কানের লতির মাধ্যমে ত্বকের তাপমাত্রা নির্ধারণের এই প্রযুক্তি অনেক বেশি নির্ভুল তথ্য দেবে। ছয়জন মানুষের উপর এই দুলের এর পরিধানযোগ্যতা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, সঠিকভাবে ত্বকের তাপমাত্রা নির্ণয়ে কানের দুল স্মার্টওয়াচকে ছাড়িয়ে যায়।

জানা গেছে, একবার চার্জ দিয়ে স্মার্ট কানের দুল ২৮ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। এতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য কম শক্তি খরচ করে এমন ব্লুটুথ ব্যবহার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে দুলটি সৌরশক্তি ও কাইনেটিক বা গতি শক্তি দিয়ে চার্জ দেয়া যাবে। তখন চার্জ দিতে কান থেকে দুল খুলতে হবে না।

যদিও এই দুল এখনো রয়েছে পরীক্ষানিরীক্ষামূলক পর্যায়ে। তাই দুল নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। এত ছোট ডিভাইস কীভাবে চার্জ দেয়া হবে, ডান ও বাম কানের জন্য একই ধরনের দুল থাকবে কিনা, বাস্তবে দুটি দুলই কি ডেটা সংগ্রহ করবে নাকি একটি নকল হিসেবে ব্যবহার করা হবে- এসব প্রশ্নের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও বেশ কিছু সময়।


আরও খবর



একুশে ফেব্রুয়ারিতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখতে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হবে। এ কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ, রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন সংগঠনসহ অনেকেই শ্রদ্ধা জানাবেন। এই সময়ের জন্য কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয় সে কারণেই পোশাক পরিহিত পুলিশের সঙ্গে সাদা পোশাকের পুলিশসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত আশপাশের কিছু সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এ কারণে বিকল্প রাস্তা দিয়ে যানবাহন ও জনসাধারণকে চলাচল করতে হবে। পাশাপাশি শহীদ মিনারে আগত ব্যক্তিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পলাশী মোড় থেকে দোয়েল চত্বর ও বইমেলার পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শহীদ মিনারের প্রত্যেকটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানো থাকবে। যারাই আসবেন আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। শহীদ মিনারে চার স্তরে নিরারাপত্তাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন থাকবে বোম ডিসপোজাল, সোয়াত টিম, টহল দল, ড্রোন, সাইবার পেট্রোলিং।


আরও খবর