আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

মুক্তির আগেই ‘কল্কি’র আয় প্রায় চারশো কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউডের বহুল অপেক্ষিত সিনেমা কল্কি মুক্তি পাবে আগামী ২৭ জুন। প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান অভিনীত সিনেমাটি মুক্তির আগেই প্রায় চারশো কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশে বিক্রি হওয়া সিনেমার স্বত্ব থেকে ৮৫ কোটি রুপি আয় হয়েছে। কিছু স্বত্বের বিনিময়ে ২৭ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। স্বত্ব মারফত আরও আয় হয়েছে ৭০ কোটি রুপি। ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ টেকনোলজি সার্ভিস থেকে সিনেমাটির প্রযোজকরা এখনই পকেটে ভরেছেন ১৮২ কোটি রুপি।

একইভাবে স্বত্ব থেকে তামিলনাড়ু এবং কেরালায় কল্কির আয় ২২ কোটি রুপি। কর্ণাটক থেকে পাওয়া গেছে ৩০ কোটি রুপি। আর গোটা উত্তর ভারত থেকে ৮০ কোটি রুপির ব্যবসা করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদেশের স্বত্বের বিনিময়ে আরও ৮০ কোটি রুপি ধরা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মুক্তির আগেই কল্কি ২৮৯৮ এডির আয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৩৯৪ কোটি টাকা। এর পর আবার অগ্রিম বুকিংও রয়েছে।

নাগ অশ্বিন পরিচালিত সিনেমাটিতে আছে মহাভারতের যোগ। তার ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক নাগ অশ্বিন। এই সিনেমার সুবাদেই দীর্ঘ ৩৮ বছর পর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন কমল হাসান। অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিগ বি। আর কমল হাসান প্রধান খল চরিত্র সুপ্রিম ইয়াসকিন।

এছাড়াও ছবিতে রয়েছেন দক্ষিণী অভিনেতা ব্রহ্মানন্দম, পশুপতি, শোভনা। ভৈরবের ছায়াসঙ্গী বুজ্জির জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন কীর্তি সুরেশ। আর সিনেমায় বাঙালির পাওনা কমান্ডার মানসের চরিত্রে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনের মধ্যে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা আন্দোলনের মধ্যে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, গতকাল রাতে যে ধরনের স্লোগান দেয়া হয়েছে, রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই দেশে রাজাকারের পক্ষে স্লোগান, এটি রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। এটি সরকারবিরোধী নয় এটি রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান। একই সঙ্গে সেখানে সরকারবিরোধী, প্রধানমন্ত্রীবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে, আমরা বলেছিলাম আগে যে কোটা আন্দোলনের মধ্যে রাজনৈতিক অপশক্তি ঢুকেছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দেশকে কখনো অস্থিতিশীল করতে দেবো না। আমাদের সরকার অনেক শক্তিশালী সরকার। আমরা কোন রাজনৈতিক অপশক্তিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলা করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেবো না।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামায়াতসহ যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তারা কোটা আন্দোলনে ঢুকেছে। তাদের প্ল্যান্টেড কিছু মানুষ সেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা যেটি বলেছিলাম সেটি তারা গতকাল স্পষ্ট করেছে। এটি আসলে কালকের স্লোগান এবং কালকের যে সমস্ত ঔদ্ধত্বপূর্ণ স্লোগান এবং বক্তব্য, এতে প্রমাণিত হয় এটি কোটাবিরোধী আন্দোলন নয়। এটি রাষ্ট্রবিরোধী, সরকারবিরোধী আন্দোলনে রুপ দেয়ার চেস্টা করা হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছু নেতা এবং বাইরে থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যরা সেখানে ইন্ধন দিচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার স্পষ্ট করে বলেছে আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। আদালতে এটি নিষ্পত্তি হওয়ার পর আদালত যেভাবে নিষ্পত্তি করবে সরকারকে সেভাবে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে, এটি স্পষ্ট।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এরপরও এ ধরনের স্লোগান দেওয়া এবং আন্দোলন করা এবং কালকের স্লোগান, কালকের বক্তব্য একেবারে দিবালোকের মতো স্পষ্ট করে দিয়েছে এটির মধ্যে রাজনীতি ঢুকেছে এবং রাজনীতিকদের রাজনৈতিক অপশক্তির পরিকল্পনামাফিক কিছু ব্যক্তিবিশেষ এখানে যে নেতৃত্ব দিচ্ছে, ইন্ধন দিচ্ছে সেটি গতকাল স্পষ্ট হয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




শিশু হাসপাতালসহ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, নিহত ৪১

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। এতে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ। ইউক্রেনজুড়ে চালানো এই হামলার সময় রাজধানী কিয়েভের প্রধান শিশু হাসপাতালেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা ঘটে। গত কয়েক মাসের মধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার এটিই সবচেয়ে মারাত্মক হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া সোমবার প্রকাশ্য দিবালোকে কিয়েভের প্রধান শিশু হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং ইউক্রেনজুড়ে অন্যান্য শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করেছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক এই হামলায় কমপক্ষে ৪১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

দিনের বেলা ইউক্রেনে রাশিয়ার এই ধরনের হামলা বেশ বিরল এবং বিমান হামলার পর বাবা-মায়েরা শিশুকে ধরে হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় হাঁটছিলেন, তাদের অনেকে হতবাক হয়ে পড়েছিলেন এবং কাঁদছিলেন। হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কিয়েভের শত শত বাসিন্দা ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করেন।

৩৩ বছর বয়সী স্বিতলানা ক্রাভচেঙ্কো রয়টার্সকে বলেন, হামলাটি ছিল ভীতিজনক। আমি শ্বাস নিতে পারছিলাম না, আমি (আমার শিশুকে) ঢেকে রাখার চেষ্টা করছিলাম। আমি তাকে এই কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম যাতে সে শ্বাস নিতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ওয়াশিংটনে যাওয়ার আগে পোল্যান্ডে যাত্রাবিরতি করেন। সেখানে তিনি বলেন, রাশিয়ার এই হামলায় তিন শিশুসহ ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে আহত হয়েছেন আরও ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ।

তবে রয়টার্স বলছে, ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলার স্থান থেকে পাওয়া নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে।

টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে লেখা এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, হামলায় শিশুদের হাসপাতাল এবং কিয়েভের একটি মাতৃত্ব কেন্দ্র, শিশুদের নার্সারি এবং ব্যবসায়িক কেন্দ্র ও বাড়িসহ ১০০ টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেছেন, রুশ সন্ত্রাসীদের অবশ্যই এর জবাব দিতে হবে। কেবল উদ্বিগ্ন হলেই সন্ত্রাস বন্ধ হয় না। সমবেদনা কোনো অস্ত্র নয়।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রিভি রিহ এবং ডিনিপ্রো ও আরও দুটি পূর্বাঞ্চলীয় শহরেও ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ এই হামলা ও হতাহতের পর জেলেনস্কির সরকার মঙ্গলবার শোক দিবস ঘোষণা করেছে। সরকার বলেছে, ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে জরুরিভাবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষার আপগ্রেড প্রয়োজন।

সোমবার ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ৩৮টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে বলে দেশটির বিমানবাহিনী জানিয়েছে।

রয়টার্সের প্রাপ্ত একটি অনলাইন ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের শিশু হাসপাতালে আঘাত হানছে এবং তারপরই বড় বিস্ফোরণ ঘটে। দৃশ্যমান ল্যান্ডমার্ক থেকে ভিডিওটির অবস্থান যাচাই করা হয়েছে।

ইউক্রেনের সিকিউরিটি সার্ভিস মিসাইলটিকে কেএইচ-১০১ ক্রুজ মিসাইল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কিয়েভের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীতে তিন শিশুসহ ২৭ জন মারা গেছেন এবং হামলায় আরও ৮২ জন আহত হয়েছেন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে রাজধানীতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১০টায় পর বের হওয়া এই মিছিলে শিয়া সম্প্রদায়ের হাজারো মানুষ অংশ নিয়েছেন।

পুরান ঢাকার হোসেনি দালান থেকে শুরু হয় মিছিলটি। খালি পায়ে, বুক চাপড়ে হায় হোসেন, হায় হোসেন মাতম তুলে, লালবাগ, আজিমপুর, নিউ মার্কেট, নীলক্ষেত ঘুরে, সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় হয়ে ধানমণ্ডির দিকে এগিয়ে যায়। পরে ধানমণ্ডি লেকের পাড়ে প্রতীকী কারবালা প্রান্তে গিয়ে শেষ হবে শোকের মিছিল।

তাজিয়া মিছিলে কারবালার স্মরণে কালো মখমলের চাঁদোয়ার নিচে কয়েকজন বহন করেন ইমাম হোসেনের (রা.) প্রতীকী কফিন। মিছিলের সামনে ছিল ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের দুটি প্রতীকী ঘোড়াও। মিছিলটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পুরান ঢাকার লালবাগের হোসেনি দালান ইমামবাড়া, বড় কাটারা ইমামবাড়া ও এর আশপাশের শিয়া সম্প্রদায়কেন্দ্রিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া (শোক) মিছিল ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ভোর থেকেই পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে জড়ো হন হাজারো মানুষ। শোকের মিছিলে আংশগ্রহণের জন্য পরনে কালো পোশাক, মাথায় কালো ফেট্টি, কারও হাতে আবার ঝালর দেওয়া লাল, কালো, সোনালি রংঙের ঝাণ্ডা দেখা গেছে।

দিবসটি নির্বিঘ্নে পালনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া আশুরায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে তাজিয়া মিছিল সম্পন্ন করতে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি বহন নিষিদ্ধ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একই সঙ্গে আতশবাজি ও পটকা ফাটানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।


আরও খবর
আজ পবিত্র আশুরা

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী ২ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। টানা ৬ দিন স্থায়ী বন্যায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে ধরলা ও ব্রহ্মপূত্র নদী তীরবর্তী মানুষের কষ্টের শেষ নেই। এখানকার হাজার হাজার বন্যা কবলিত মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের রোববার (৭ জুলাই) সকাল ৯টায় পাওয়া তথ্য মতে, ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টের পানি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি।

তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার, ধরলা ২৬.৩৬ সেন্টিমিটার, দুধকুমার ৩০.১১ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি ২৯.২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার ৯টি উপজেলার দুটি পৌরসভাসহ প্রায় ৬০টি ইউনিয়নের দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে মানুষ যেসব উঁচু স্থানে গবাদিপশু রেখেছেন গত দুদিন ধরে সেসব স্থানে পানি ওঠায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। জীবন বাঁচাতে অনেকে নিজস্ব নৌকা, উঁচু রাস্তা, ফ্লাড শেল্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উঁচু ভূমিতে কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে নতুন করে আরও প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার পুরাতন বেড়িবাঁধটির দুটি স্থানে প্রায় ১শ মিটার এলাকা ভেঙে যায়। ফলে ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে প্রবেশ করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হতে থাকে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নাগেশ্বরী পৌর শহর পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁধ ভাঙায় এরইমধ্যে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়া পাড়া, মালিয়ানি, সেনপাড়া, তেলিয়ানী, পাটেশ্বরী, বোয়ালেরডারা, অন্তাইপাড়, ধনিটারী, বিধবাটারী, বড়মানী, বামনডাঙ্গা, নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাঞ্জুয়ার ভিটা, ভুষিটারী, ফকিরটারী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বাঁধ ভাঙার বিষয়টি আমি জেনেছি, সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ-মুর্শেদ, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৮৩টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিত এলাকায় কাজ করছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৬০ হেক্টর ফসলি জমি, বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার জানান, ২৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, দুধকুমার নদীর তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ চলমান আছে। সেগুলো বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙার কোনো খবর তাদের কাছে নেই।


আরও খবর



কর্মবিরতিতে অচল ঢাবি, অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা বাতিলের দাবিতে একদিকে শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলন চলছে। অন্যদিকে চলছে পেনশন সংক্রান্ত প্রত্যয় স্কিম বাতিলে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতি। চলমান এ আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম। একই পথে হেঁটেছে দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ও।

বন্ধ রয়েছে একাডেমিক ক্লাস-পরীক্ষা, স্থবির হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। সেবা মিলছে না বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে।

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে চলমান এ কর্মবিরতির মধ্যেই অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে।    

বুধবার (৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদে টানা কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অর্থমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্মিলিতভাবে কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। একইসঙ্গে তাদের দাবি, জুলুম হিসেবে প্রত্যয় স্কিম তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই নীতি বাতিল করতে হবে।

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কর্মচারীদের নেতা মনিরুজ্জামান বলেন, অবিলম্বে এই পেনশন নীতি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় কিভাবে অধিকার আদায় করে নিতে হয় তা আমরা জানি। অর্থমন্ত্রীকে বলতে চাই, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে উন্নয়নের দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তখন আপনাদের মত কুচক্রী মহল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চান। অবিলম্বে নতুন পেনশন নীতি বাতিল করুন।

গত ৩০ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ-কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। ওই দিন প্রশাসনিক ভবনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া একাডেমিক কার্যক্রম থেকেও বিরত ছিলেন শিক্ষকরা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪