আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কোম্পানীগঞ্জে বাদলের ৪ অনুসারী গুলিবিদ্ধ, চার পুলিশ আহত

প্রকাশিত:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের চার অনুসারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার (১২ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে বাদলের এই ৪ অনুসারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে।

বাদল অনুসারী চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিনের ভাষ্যমতে গুলিবিদ্ধরা হলো, চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হিয়াল্লাগো বাড়ির বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ (৫৫), তার ছেলে চয়ন (২০), তার ভাগিনা আরিয়ান (২৩) ও চরকাঁকড়া ইউনিয়নের রূপনগর গ্রামের বাসিন্দা হৃদয় (২৮)।

এর আগে, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বসুরহাট বাজারের বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়কের কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ও তার অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা হাসিবুল হোসেন আলালের ওপর কাদের মির্জার নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে পুরো উপজেলার পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠে।

স্থানীয়রা জানায়, বাদলের ওপর মির্জার নেতৃত্বে হামলার খবরে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে অবস্থান নিয়ে বসুরহাট টু পেশকারহাট রাস্তার মাথার প্রধান সড়ক অবরোধ করে বাদলের অনুসারীরা। এ সময় পুলিশ এসে তাদেরকে বাঁধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ওপর। তারপর পুলিশ আওয়ামী লীগ নেতা সবুজকে বেধড়ক মারধর করলে তার অনুসারীরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এতে আওয়ামী লীগ নেতা সবুজ, তার ছেলে ও তার ভাগিনসহ চারজন গুলিবিদ্ধ হয়। বাদলের ওপর হামলার ঘটনার পর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে এ ঘটনায় কাদের মির্জার সম্পৃক্ততার অভিযোগে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ও বসুরহাট পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় কাদের মির্জার বিচার দাবি করে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বাদলের অনুসারীরা। সমাবেশ থেকে বক্তারা কাদের মির্জার গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, রাস্তায় পুলিশের ওপর আক্রমণ করলে পুলিশ পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। তবে এ ঘটনায় কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি জানান, তিনি গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনেছেন। তবে কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে এ বিষয়ে তিনি এখনো সু-নির্দিষ্ট ভাবে জানেন না। ওসি সাইফুদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে তিনি হাসপাতালে খোঁজ খবর নিয়ে পরে বিস্তারিত জানাবেন।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো.আলমগীর হোসেন বলেন, কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে তা স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। তবে তারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছিল। পুলিশ সরাতে গেলে তারা পুলিশের গাড়ি ও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ শর্ট গানের ২০-২২ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আওয়ামী লীগ নেতা আলালসহ ঢাকার উদ্দেশ্যে বসুরহাট হয়ে রওনা করে। যাত্রা পথে বসুরহাট বাজারের প্রেসক্লাব কোম্পানীগঞ্জের একটু সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে কাদের মির্জা তার ৪০-৫০ জন অনুসারী নিয়ে বাজার পরিদর্শন করে আসার পথে বাদলের গাড়ির মুখোমুখি হয়। এ সময় কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার অনুসারী কেচ্ছা রাসেল, ডাকাত মাসুদ, খান, শিহাব, সজল, আরিফ, ওয়াসিমসহ ৪০-৫০ জন অনুসারী মিজানুর রহমান বাদলের গাড়ির গতিরোধ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মঞ্জু অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা প্রথমে তার গাড়ির পিছনে গুলি করে। এক পর্যায়ে গাড়ির গতি রোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তার হাত-মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ বিষয়ে জানতে কাদের মির্জার ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



ঈদে এলো ১৯ হাজার ৪৩২ কো‌টি টাকার প্রবাসী আয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রতিবছর ঈদের আগে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বেড়ে যায়। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। ঈদের সময় ১৪ দিনে ১৯ হাজার ৪৩২ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদে‌শিরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের প্রথম ১৪ দিনে বৈধ বা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৪ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৮ টাকা ধ‌রে) যার পরিমাণ ১৯  হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ঈদের সময় দৈনিক রেমিট্যান্স এসেছে ৯৯১ কোটি টাকার বেশি সমপরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা।

আলোচিত সময় অর্থাৎ জুনের প্রথম ১৪ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১২০ কোটি ৮১ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মে মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে দে‌শে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৫ কোটি মার্কিন ডলার। গত ৪৬ মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ এবং এ যাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে ২৬০ কোটি ডলার।

চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১০ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে আসে ২১৬ কো‌টি ৬০ লাখ ডলার। মার্চ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে আসে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার এবং এপ্রিলে আসে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।


আরও খবর



ছয়দিনের ব্যবধানে ফের হাসপাতালে খালেদা জিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

হৃদরোগে টানা ১১ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে বাসায় ফেরার ছয়দিনের মাথায় আবারও হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। গভীর রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।

সোমবার (৮ জুলাই) ভোর সোয়া চারটার দিকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয় তার ব্যক্তিগত গাড়ি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২২ জুন রাত সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর সিসিইউতে ভর্তি করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ২৪ জুন তার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়ার হৃদরোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে ব্লক ছিল, একটা স্টেন্টও (রিং) লাগানো ছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে মেডিকেল বোর্ড তার হার্টে পেসমেকার বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানোর পর অবস্থার উন্নতি হলে ৯দিন পর ২ জুলাই বিকেলে বেগম খালেদা জিয়াকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস এবং হৃদরোগ ছাড়াও ফুসফুস, লিভার ও কিডনি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিল রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ২০২১ সালের এপ্রিলে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকবার অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে তাকে। ইদানিং তার শারীরিক অবস্থার ঘন ঘন পরিবর্তন ঘটছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে গিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ওই বছরের অক্টোবরে হাই কোর্টে আপিল শুনানি শেষে সাজা বেড়ে হয় ১০ বছর। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও আরও সাত বছরের সাজা হয় বিএনপি নেত্রীর। তিনি তখনও পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের কারাগারে ছিলেন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পরিবারের আবেদনে ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে খালেদার দণ্ড স্থগিত করেন ছয় মাসের জন্য। ওই বছরের ২৫ মার্চ মুক্তি পাওয়ার পর থেকে গুলশানে নিজ বাড়িতে রয়েছেন খালেদা জিয়া।


আরও খবর



অপারেশন পরবর্তী ঝুঁকি থেকে এখনো মুক্ত নন খালেদা জিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছু উন্নতি হয়েছে। তবে, অপারেশন পরবর্তী ঝুঁকি থেকে এখনো তিনি মুক্ত নন। সেই কারণে এখনো চিকিৎসকদের বাইরে অন্য কাউকে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে খালেদা জিয়া কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবক্ষেণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিয়মিত তার শারীরিক অবস্থার পর্যালোচনা করছেন চিকিৎসকরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওষুধের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখনো তিনি ভারী খাবার খেতে পারেন না। তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হচ্ছে তাকে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ম্যাডামের অবস্থা খুব বেশি ভালো নয়। উনাকে কেবিনে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। ম্যাডাম এমনিতে খাবার কম খান। এখন শুধু উনাকে তরল স্যুপ ও জাউ জাতীয় খাবার দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ম্যাডাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। উনার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। উনার শারীরিক অবস্থা আগের চাইতে উন্নতি কিংবা অবনতি হয়নি। আগের মতোই আছেন তিনি।

বিএনপির চিকিৎসক একজন নেতা বলেন, অপারেশনের পর ম্যাডামের অবস্থা এখন কিছুটা উন্নতির দিকে। কিন্তু অপারেশন পরবর্তী ইনফেকশন হওয়ার একটা ভয় থাকে। যার কারণে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেবিনে চিকিৎসকদের বাইরে শুধু তার ব্যক্তিগত স্টাফরা রয়েছেন।

গত ২৩ জুন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে। গত ২১ জুন মধ্যরাতে খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নজরুল ইসলাম চৌধুরীর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা, কক্ষে প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন করেন জেলার সাংবাদিকরা।

রোববার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে পেশাগত কাজে জেলার সাংবাদিকেরা উপস্থিত হন। এসময় সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান কক্ষে প্রবেশের বাঁধা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় উপস্থিত সকল সাংবাদিকেরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এবং প্রতিবাদস্বরূপ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অনুষ্ঠান বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

এসময় সাংবাদিকরা বলেন, আমাদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

এবিষয়ে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আমীন সরকার বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত দেওয়া হয়। দাওয়াত দেওয়ার পরও তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তাদেরকে বসার কোন জায়গা দেওয়া হয়নি। আমরা সকল সাংবাদিকেরা জেলা প্রশাসকের সকল অনুষ্ঠান বর্জন করলাম।

ঠাকুরগাঁও সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও গণমাধ্যমকর্মী কল্যাণ ট্রাষ্টের সভাপতি জিয়াউর রহমান বকুল বলেন, আজকে শ্রম ও কর্মসংস্থার প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এটি গণমাধ্যমের জন্য একটি হুমকিস্বরূপ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাক'র জেলা প্রতিনিধি তানভীর হাসান তানু বলেন, আজকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধী অনুষ্ঠানে আমার সংবাদকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেওয়া হয়। আমি তারপরও সে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করি এবং দেখি যে আমার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুনসুর আলী অনুষ্ঠানে পিছনে। তার জন্য কোন ধরনের চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি এরই প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে স্মার্ট শিশু গড়ে তুলতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ একটি প্রতিশ্রুতি যা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করার পরিকল্পনা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের গড়ে তুলতে হবে স্মার্ট শিশু যাদের জ্ঞান, বুদ্ধি এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে ভিশন ২০৪১ স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে ঢাকার মহাখালীতে আইসিডিডিআরবি সাসাকাওয়া অডিটরিয়ামে আইসিডিডিআরবি আয়োজিত বাংলাদেশে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ কর্মসূচি শীর্ষক সেমিনারে ডা. সামন্ত লাল সেন এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আইসিডিডিআরবি আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সংক্রান্ত এমন একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা দেশের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, গবেষণা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে আইসিডিডিআরবি গবেষণা, প্রশিক্ষণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার, আইসিডিডিআরবি এর চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিট এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে একত্রিত হয়ে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের বিষয়টিকে ত্বরান্বিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি গতকাল (৩ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীকে বলছিলাম, আমি শুধু সোমবার আর মঙ্গলবার ঢাকা থাকবো আর বাকী কয়দিন সারা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা পরিদর্শন করব। আমি যদি উপজেলা, জেলা কমিউনিটি ক্লিনিক, হাসপাতাল এগুলোকে উন্নত করতে পারি। আমার রোগীর ওখানে যথাযথ চিকিৎসা হয় তাহলে ঢাকা শহরে রোগীদের ভিড় হবে না। সাধারণ মানুষের যাতে উপকার হয় সে লক্ষে কাজ করতে হবে। আইসিডিডিআরবি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। তারা প্রশংসনীয়ভাবে গ্রামেগঞ্জে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিশুদের বিকাশ, স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও সুন্দর করে আমরা যদি তাদেরকে যথাযথভাবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। আমরা এগিয়ে যাবো।

আইসিডিডিআরবির প্রধান নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদের সভাপতিত্বে এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪