আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

কলকাতায় উদ্ধার খণ্ডিত মাংস এমপি আনারের, ধারণা হারুনের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শেষে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, আনোয়ারুল আজিম আনারকে গত ১৩ মে কলকাতার মাটিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। একই ঘটনায় কলকাতায়ও একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তিনজন ঘাতক গ্রেপ্তার রয়েছেন। এর মধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া। হত্যার পরিকল্পনা হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে আর হত্যাটি সংগঠিত হয়েছে কলকাতায়। মামলাটির তদন্তের জন্য আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ও ঘটনাস্থলে ডিজিটাল এভিডেন্সগুলো দেখতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশবিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এ ছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।

হারুন বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরেকজন অভিযুক্ত নেপালে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা কাঠমুন্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শাহীনকে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে ভারতকে অনুরোধ করেছি।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজিম।


আরও খবর



নেপালে আটক সিয়াম কলকাতার গোয়েন্দা হেফাজতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আখতারুজ্জামান শাহীনের সহযোগী নেপালে আটক সিয়ামকে হেফাজতে নিয়েছে কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশ (সিআইডি)। শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অভিযুক্ত সিয়াম নেপালে পালিয়ে ছিলেন। তাকে নেপাল পুলিশ আটক করে। কলকাতার সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

সম্প্রতি আনোয়ারুল আজিম আনারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন মো. সিয়াম হোসেনকে নেপালে আটক করা হয়। আটক সিয়াম আজিমের লাশ গুমে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। তিনি আক্তারুজ্জামান শাহীনের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে।

এছাড়া হত্যার ঘটনা তদন্তে নেপাল সফর করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। নেপাল থেকে ফিরে তিনি বলেন, নেপাল থেকে সিয়ামকে নেওয়ার জন্য ভারতও চেষ্টা করছে, তাদের কাছেও সিয়াম মোস্ট ওয়ান্টেড। নেপাল কাঠমান্ডু অ্যাক্ট অনুযায়ী অপরাধের ধরণ এবং স্থান বিবেচনা করে ঠিক করবে সিয়ামকে কার কাছে দেওয়া হবে। যাকেই দেওয়া হোক, তদন্তে কোনো দেশেরই কোনো সমস্যা হবে না। সিয়ামকে পেলে আলামত উদ্ধারের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।


আরও খবর



ঈদের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছরের ঈদুল আজহার আগে সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)। ছুটি কাটিয়ে আগামী বুধবার (১৯ জুন) ঈদের পর অফিস করবেন তারা।

এবার টানা পাঁচ দিনের ছুটি মিলবে সরকারি চাকরিজীবীদের। এর মধ্যে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি আর তিন দিন ঈদের ছুটি।

আগামী ১৭ জুন (সোমবার) দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এ হিসাব করে আগেই সরকারি ছুটির তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, কোরবানির ঈদের ছুটি শুরু হবে ঈদের আগের দিন অর্থাৎ ১৬ জুন (রোববার) থেকে, যা চলবে ১৮ জুন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত।

এর আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসাবে মোট পাঁচ দিনের ছুটি মিলছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

মুসলমানদের জীবনে আল্লাহ প্রদত্ত দুটি আনন্দের দিনের অন্যতম একটি ঈদুল আজহা। ঈদুল ফিতরের দুই মাস ১০ দিন পর মুসলমানরা ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।

হিজরি ক্যালেন্ডারের জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালন করা হয়। তবে পশু কোরবানি করা যায় ৩ দিন- ১০, ১১ ও ১২ জিলহজ।


আরও খবর



এমপি আনারের মরদেহ গুম করা সিয়াম কলকাতায় গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

কলকাতার নিউটাউনে বাংলাদেশি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। এদের মধ্যে সিআইডির হাতে গ্রেফতার একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তার নাম সিয়াম। ১৩ মে হত্যাকাণ্ডের দিন তিনি সঞ্জীবা গার্ডেনসের ওই ফ্ল্যাটে ছিলেন বলে জানা গেছে। এমপির মরদেহের খণ্ডিত অংশ গুমের দায়িত্ব ছিল সিয়ামের ওপর।

ওই একই ঘটনায় জুবের নামে এক ক্যাবচালককেও আটক করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। টানা জিজ্ঞাসাবাদ চলছে তাকে। এরই মধ্যে তার গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে জব্দ করা হয় সাদা রঙের মারুতি গাড়িটিকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩০ এপ্রিল অনলাইন রেন্টালের মাধ্যমে গাড়িটি ভাড়া করেছিলেন আততায়ীরা। গত ১২ মে ভারতে আসেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। তিনি ওঠেন বরানগরের পূর্ব পরিচিত গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে। পরদিন, ১৩ মে চিকিৎসা করাতে যাবেন বলে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন এমপি আনার।

ওইদিন রাতেই নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসের একটি ফ্ল্যাটে তাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ১৪ মে প্রথম পর্যায়ে এমপির মরদেহের খণ্ডিত অংশ একটি ট্রলিব্যাগে করে ফ্ল্যাট থেকে বের করা হয়। এরপর তোলা হয় ওই সাদা রঙের ক্যাবে।

সূত্র জানিয়েছে, সিআইডির হাতে গ্রেফতার সিয়ামের দায়িত্ব ছিল ওই মরদেহের টুকরোগুলোকে সরিয়ে দেওয়া।

সঞ্জীবা গার্ডেনসের ওই ফ্ল্যাট থেকে বেশ কিছু প্লাস্টিক ব্যাগ পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, এমপি আনারের মরদেহের টুকরোগুলো সরানোর উদ্দেশ্যে ব্যাগগুলো আনা হয়েছিল।

জিজ্ঞাসাবাদে ক্যাবচালক জানিয়েছেন, গত ১৪ মে এক নারী ও দুই পুরুষকে ট্রলিব্যাগসহ অ্যাকসিস শপিং মলের সামনে নামিয়ে দেন তিনি।

সিসিভিটি ফুটেজ দেখে সিআইডি জানতে পেরেছে, অ্যাক্সিস শপিং মলে নামানোর আগে নজরুল তীর্থের কাছে গাড়িটি প্রায় ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিল।

সেই সময় দেহাংশ কোথায় ফেলা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয় গাড়ির মধ্যেই। সিআইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাবচালক সেই আলোচনা শুনতে পারেন। এরপর অভিযুক্তদের অ্যাক্সিস শপিং মলের সামনে নামিয়ে দেন তিনি। ফলে ক্যাবচালক অনেক কিছুই জানেন, যা তিনি বলছেন না বলে অনুমান তদন্তকারীদের।

বাংলাদেশি এমপি খুনের ঘটনায় এরই মধ্যে নিউটাউন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এদিকে, এই ঘটনায় আরও একটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। ওই গাড়িতে চড়ে এমপি আনার কলকাতা নিউমার্কেট ও সঞ্জীবা গার্ডেনসে গিয়েছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় নিউটাউন থানার সামনে এনে গাড়িটির ভেতর থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে ফরেনসিক টিম। জানা গেছে, মালিক গাড়িটিকে ভাড়ায় ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে নিউটাউন থানার পুলিশ।


আরও খবর



ঢামেক থেকে আটক হওয়া ভুয়া নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢামেক প্রতিবেদক

Image

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডের গাইনি বিভাগ থেকে আটক হওয়া রিপা আক্তার (২০) নামে সেই ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেছেন ওয়ার্ড মাস্টার মো. আবুল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহ আলম।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে ঢাকা মেডিকেল থেকে ভুয়া এক নারী চিকিৎসককে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে ২১২ নম্বর ওয়ার্ডের গাইনি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল হোসেন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাজিরুর রহমান জানান, ওই নারী হাসপাতালের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডের গাইনি বিভাগে সন্দেহজনকভাবে অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা নারী আনসার সদস্যরা তাকে সন্দেহ করে এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাক্তার মো. খালেকুজ্জামান রুমে নিয়ে যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন তিনি ডাক্তার নন। পরবর্তীতে আনসার সদস্যদের সহায়তায় থানা পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়।


আরও খবর



নীরবে লাগামহীন কাঁচামরিচ-আদা-রসুনের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন মসলার সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে আদমানি কম হওয়াসহ মোকামে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে এমনটাই আশা ব্যবসায়ীদের।

শনিবার (১ জুন) সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১৫ দিন আগেও যে আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা কেজি দরে, এখন সেই আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। ১৭০ টাকা কেজির রসুন বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। ৫৫ টাকা কেজির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় আর ৫০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

ফুলবাড়ী পৌর বাজারে বাজার করতে আসা মো. মাহাবুব আলম বলেন, গত দুই সপ্তাহ আগে আদা ১৮০ টাকা কেজি দারে কিনতে পাওয়া গেলেও এখন সেই আদা কিনতে হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি দরে। এভাবে দাম বাড়লে সাধারণ মানুষ চলবে কীভাবে।

অপর ক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদ আসছে। সবার মসলা প্রয়োজন হয়। বাজারে এসে দেখা যাচ্ছে আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম বেড়ে গেছে। নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকলে অনেক ভালো হয়।

ফুলবাড়ী পৌর বাজারের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী বিধান চন্দ্র ও আলমগীর হোসেন বলেন, ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে আদার দাম বাড়ছে। দেশের বাজারে রসুনের আমদানি বর্তমান কম, যার কারণে দাম বাড়ছে। আবার মোকামে দাম বৃদ্ধিসহ আমদানি কম হওয়ায় পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। প্রচণ্ড দাবদাহে মরিচের গাছ ঝলসে যাওয়ায় ফলন কমে গেছে। ফলে আমদানি কমে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। এসব কারণেই দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ্‌ তমাল বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও নজরদারি রাখা হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যদি সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর