আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

জার্মানিতে কবুতরে বিরক্ত মানুষ, মেরে ফেলতে গণভোট

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

জার্মানিতে কবুতর মেরে ফেলতে গণভোট হয়েছে। সেই ভোটে কবুতর মেরে ফেলার পক্ষে ভোট দিয়েছেন শহরের বাসিন্দারা। অন্যদিকে এ ধরনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন প্রাণী অধিকার কর্মীরা। এ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রাণী অধিকার কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে লিমবুর্গ অ্যান ডার লাহন শহরে গণভোটটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এমন অদ্ভূত বিষয়ে গণভোট হওয়ার পেছনে কারণ হচ্ছে, কবুতরের বিষ্ঠা। কবুতরের মলমূত্রে অতিষ্ঠ হয়ে শহরের বাসিন্দারা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজপাখি দিয়ে কবুতর মেরে ফেলার দাবি জানান। কেউ কেউ কবুতরের বিষ্ঠায় অতিষ্ঠ হয়ে আইনের আশ্রয়ও নিয়েছেন। এ নিয়ে প্রাণী অধিকারকর্মীদের সঙ্গে চলছে আইনি লড়াই। এরই মধ্যে লিমবুর্গের নিউমার্কেট কেন্দ্রীয় স্কোয়ারের আশপাশের বাসিন্দা, রেস্তোরাঁ এবং বাজারের বিক্রেতারা আন্দোলনেও নেমেছেন।

গত ২০ জুন লিমবুর্গের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তারা গণভোটের ফলাফল নিয়ে এগিয়ে যাবে কি না, তা বিবেচনা করছেন।

শহরের মুখপাত্র জোহানেস লাউবাচক বলেন, গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। রেজোলিউশনে বলা হয়েছে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে আরও অধিকতর পর্যালোচনা করা হবে।

এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের দাবি, বছরের পর বছর ধরে শহরের কবুতরের কারণে তারা হতাশ। গত বছর নভেম্বরে শহরের কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেয়, লিমবুর্গের কবুতরের সংখ্যা কমানোর জন্য শহরে বাজপাখি ছেড়ে দেওয়া উচিত।

জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের সামাজিক মাধ্যম এক্সের (সাবেক টুইটারে) একটি পোস্টে বলা হয়, গত সপ্তাহে পশ্চিম জার্মান রাজ্য হেসের লিমবুর্গ আন ডার লাহন শহরের বাসিন্দারা ৭০০ কবুতরকে মেরে ফেলার জন্য ভোট দিয়েছেন।

মেয়র মারিয়াস হ্যান বলেছেন, লিমবুর্গের বাসিন্দারা তাদের অধিকার প্রয়োগ করেছে। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী দুই বছরের মধ্যে একটি বাজপাখির মাধ্যমে কবুতরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

এদিকে এ ধরনের কার্যক্রমে পশু অধিকার কর্মীরা আতঙ্কিত। সমালোচকেরা বলছেন, এ ধরনের কার্যক্রম সত্যিই অগ্রহণযোগ্য।

এদিকে ফ্রাঙ্কফুর্টসহ জার্মানির অন্যান্য শহরগুলোতে কবুতরের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে হেগেন শহরে পাখিগুলোকে সাময়িকভাবে বন্ধ্যা করে তোলার জন্য একটি ওষুধের পরীক্ষা চলছে।

নিউজ ট্যাগ: কবুতর

আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৫

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি

Image

নরসিংদীর রায়পুরার কমলপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচায় জানা যায়নি।

সোমবার (৮ জুলাই) সকালে উপজেলার কমলপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা বলছেন, ঢাকাগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

নরসিংদী স্টেশন মাস্টার এটিএম মুসা ও মেথিকান্দা স্টেশনের স্টেশনমাস্টার আশরাত আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকাগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

সকালে রেললাইনের পাশে ট্রেনে কাটা পাঁচটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শহিদুল্লা।

তিনি জানান, আজ ভোর পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার পলাশতলী ইউনিয়নের কমলপুরে চিটাগাং মেইল ট্রেনে কাটা পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


আরও খবর



পাকিস্তানে তীব্র তাপপ্রবাহ, ছয় দিনে ৫ শতাধিক মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে গত ছয়দিনে পাকিস্তানে ৫ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে একদিনেই প্রায় দেড়শো জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

দেশটির অন্যতম বাণিজ্যকেন্দ্র করাচি শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে, সেখানে অনুভূত তাপমাত্রা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পাকিস্তানের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা সংস্থা বলছে, তারা করাচি শহরের মর্গে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জনের লাশ নিয়ে যায়। তবে গত ছয় দিনে তারা প্রায় ৫৬৮ টি লাশ সংগ্রহ করেছে। গত মঙ্গলবারই তারা সংগ্রহ করেছে ১৪১টি লাশ।

করাচির সিভিল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রধান ডা. ইমরান সারওয়ার শেখ সংবাদবাদ মাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে গত রোববার থেকে বুধবারের মধ্যে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ২৬৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়া অধিকাংশের বয়স ৬০ বা ৭০ এর কোটায়। 

এদিকে উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে করাচির বাসিন্দারা কার্যত লড়াই করছে। শহরটিতে নিয়মিত লোডশেডিংয়ের ফলে নগরবাসীর জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। 

করাচি ছাড়াও গত মাসে পুরো সিন্ধ প্রদেশে প্রায় রেকর্ড ৫২.২ ডিগ্রি তাপমাত্রা নথিভুক্ত করা হয়।

পাকিস্তান ছাড়াও ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও অতিমাত্রার তাপপ্রবাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত মে মাস থেকে সেখানে প্রায় প্রতিদিনই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে আবার কখনও কখনও তা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,  জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো নিয়মিত এবং তীব্র হয়ে উঠছে। করাচির এই তীব্র তাপপ্রবাহ আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আলোচনায় বসতে রাজি নয় আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা সংস্কারপন্থী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের পক্ষ থেকে সম্মতি জানালেও আলোচনায় বসতে রাজি নয় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়করা।

বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষে সংলাপের আহ্বান আসার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংলাপ না করার কথা জানান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ বলেন, গুলির সাথে কোনো সংলাপ হয় না। এই রক্তের সাথে বেঈমানী করার চেয়ে আমার মৃত্যুই শ্রেয়। আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুকে লিখেন, রক্ত মাড়িয়ে কোনো সংলাপ নয়।

অপর সমন্বয়ক সারজিস আলম প্রশ্ন রেখে বলেন, একদিকে গুলি আর লাশ অন্যদিকে সংলাপ! আমার ভাইয়ের রক্তের উপর দিয়ে কিভাবে সংলাপ হতে পারে?

এদিকে শিক্ষার্থীরা যখনই আলোচনায় বসতে রাজি হবেন, তখনই এ আলোচনা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ আলোচনা সমন্বয় করার জন্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কয়রায় নির্মাণ হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন গুচ্ছগ্রাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
তারিক লিটু, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

Image

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ মদিনাবাদ গ্রামে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ৪৯টি দৃষ্টিনন্দন সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। সাড়ে ৪ একর জমির উপর পরিকল্পিত ডিজাইনের দৃষ্টিনন্দন গুচ্ছগ্রাম দেখতে হাজির হচ্ছে এলাকার মানুষ।

দৃষ্টিনন্দন এই গুচ্ছগ্রামে প্রতিটি ঘর নির্মাণের জন্য ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর ও একটি বাথরুম আছে। উপজেলায় যে কয়টি গুচ্ছগ্রাম আছে তারমধ্যে মদিনাবাদে নির্মাণধীন গুচ্ছগ্রামটি সব দিক দিয়ে গুনে মানে সেরা। উপজেলা সদরে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মিত হওয়ায় সব ধরণের আধুনিক সুযোগ সুবিধা পাবে গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা।

বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে মদিনাবাদ গুচ্ছগ্রামে সরেজমিন গেলে চোখে পড়ে, সারি করে সাজানো রঙিন টিনের ঘর। প্রতিটি ঘরের সাথে রয়েছে উন্নতমানের শৌচাগার ও রান্না ঘর। দুই কক্ষ ঘরে একটি পরিবার সুন্দন ভাবে থাকতে পারবে। লাল ও নীল রংয়ের টিনের ঘর দেখে মনে হবে, যেন পরিপাটি সাজানো একটি গ্রাম। গুচ্ছগ্রাম নির্মাণে সবচেয়ে ভাল মানের ইট ও উন্নতমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। কাগজে সর্বোনিম্ন ০.৩২০ মিমি ঘনত্বের টিন ব্যবহার করার কথা থাকলেও ব্যবহার করা হয়েছে সর্বোচ্চ মানের ০.৩৬০ মিমি ঘনত্বের টিন।

গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের কাজের দায়িক্তে থাকা কামরুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। সদরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় প্রকল্পের সভাপতি এক দিন পর পর এসে সব কিছু চেক করে দিক নির্দশনা দিয়ে যান। শুরুকে কিছু ঘরের বেস ঢালাই ভাল না হওয়ায় সেগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছি।

সরকারের এই প্রকল্পে অসহায় ভূমিহীন মানুষের জীবন বদলে যাবে বলে মনে করছেন কয়রা উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি মাস্টার খায়রুল আলম। তিনি বলেন আমি খোঁজ নিয়েছি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পটিতে সুন্দর ভাবে কাজ শেষের পথে।নির্মাণ কাজে কোন অভিযোগ নেই। গুচ্ছগ্রামে আশ্রয় পাবে এলাকার ভূমিহীন দিনমজুর, ভিক্ষুক পরিবার। যাদের ঘর করার সামর্থ্য নেই। এমন সুন্দর ঘর পেয়ে হত-দরিদ্র মানুষেরা খুব খুশি হবে। এতে সরকার, ইউএনওর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরা প্রশংসিত হবেন।


আরও খবর



চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (৮ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান চীন সরকারের একজন ভাইস মিনিস্টার, বেইজিংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

প্রধানমন্ত্রী ৮-১১ জুলাই বেইজিংয়ে অবস্থানকালে ১০ জুলাই চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিংপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে একটি প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক করবেন।

বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চার দিনের এই দ্বিপাক্ষিক সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ২০টি থেকে ২২টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এ সফরকালে অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং-খাতে সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ডিজিটাল অর্থনীতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা, ষষ্ঠ ও নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ, বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য রপ্তানি ও দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগের সমঝোতা স্মারকগুলো সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪