আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

ঈদের আমেজ শেষে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা ছেড়েছিল মানুষ। সেই আনন্দ ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীমুখী হচ্ছে তারা। শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। সড়ক ছাড়া সদরঘাটেও অনেক চাপ।

দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।

এক সিএনজিচালক বলেন, এতদিন মানুষের চাপ ছিল না। তবে আজ থেকে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে গাবতলীর যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।

ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক রনি খাঁ বলেন, আজ থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে সায়েদাবাদ থেকে অনেকগুলো ট্রিপ পেয়েছি, ভালো লাগছে।

কুষ্টিয়া থেকে বাসে গাবতলী এসেছেন সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।

এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকাফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন (রবি, সোম ও মঙ্গল) ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। এদিন সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক খুলতে দেখা গেছে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য। কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে রোববার (২৩ জুন) থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক ঢাকা-রাজশাহী রেল যোগাযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আজকের মতো অবরোধ তুলে নেওয়ায় স্বাভাবিক হয়েছে ঢাকা-রাজশাহীর রেল যোগাযোগ। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

সোমবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা সংলগ্ন ফ্লাইওভারের নিচের রেললাইনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। এতে প্রায় ৫ ঘণ্টা রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেলপথ বন্ধ ছিল। পরে বিকেল চারটায় শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। আগামীকাল থেকে আবারও আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এর আগে, বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হল এবং আশেপাশের বিভিন্ন মেস থেকে প্যারিস রোডে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। এরপর এক বিশাল মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, অ্যাকাডেমিক ভবন, সবকটি হলের সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রেললাইনে গিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় তারা মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা, সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে, আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার, জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে, কোটা না মেধা, মেধা মেধা, মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, আজকের মতো আমাদের আন্দোলন এখানেই। তবে আগামীকাল আমরা আবারও আন্দোলনে যাব। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরব না। আর আমাদের দাবি যৌক্তিক দাবি। দেশে সকল শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত দাবি। কোটা সংস্কার করতেই হবে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমরা আজ চারটায় রেল অবরোধ ত্যাগ করেছি। আমরা চাই সরকার আমাদের দাবি দ্রুত মেনে নিক। কোটা সংস্কার করে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াক। বিভিন্ন রকম কোটার কারণে আমাদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বায়ক আমান উল্লাহ খান বলেন, আজকের মতো আমাদের আন্দোলন এখানেই শেষ হয়েছে। তবে আগামীকাল কি হবে আমরা রাতে জানাব। আমরা আজ একদফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছি। আমাদের একটাই দাবি কোটা পদ্ধতি সংস্কার করতেই হবে। কোটা সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশের শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে আমাদের আন্দোলনও চলমান থাকবে। আমরা আগামীকাল সারাদেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় করে আজ রাতে আগামী কালকের কর্মসূচি ঘোষণা করব।


আরও খবর



ফেনীর দুই উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
রাজিব মাসুদ, ফেনী

Image

ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ফেনীর জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তার এ তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ বাংলা দ্বিতীয় পত্র বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

জেলা প্রশাসক বলেন, মুহুরী নদীর বাঁধ ভেঙে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আজকের পরীক্ষা স্থগিতের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। বিষয়টি আমরা তিন বোর্ডকে (সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ও ভোকেশনাল) চিঠির মাধ্যমে অবগত করি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ফেনীতে ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের পানিতে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৪টি স্থান ভেঙে জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া সোমবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টা থেকে ফুলগাজী বাজারে পানি বাড়ায় ফেনী-পরশুরাম আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

এর আগে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ফেনীর ২৫টি কেন্দ্রে ১৮৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকার তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর মাঝে এইচএসচিতে ১৩২ জন, অলিমে ৫১ জন ও ভোকেশনালে ২ জন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছর ফেনীর ২৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১১ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ হাজার ৩০১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৮৫ জন।

এদিকে বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগে স্থগিত হওয়া চার বিষয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশিত হয়েছে। নতুন রুটিনে এই চার বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়ে আগামী ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষাগুলো আগের রুটিন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগের চার জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। গত ৩০ জুন ওই পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো যথারীতি হবে বলে তখন জানানো হয়। এখন স্থগিত হওয়া চার বিষয়ের পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হলো।

এবার ৯ টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সংখা ৭ লাখ ৫০৯ জন।এবার মোট কেন্দ্র ২ হাজার ৭২৫ টি ও মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ৪৬৩ টি।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখা ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮০ জন এবং ছাত্রী সংখা ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬০১ জন। মোট কেন্দ্র ১ হাজার ৫৬৬ টি এবং মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৮৭০টি।

আলিম পরীক্ষায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৬ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৪৭ হাজার ৫৯২ জন এবং ছাত্রী সংখা ৪০ হাজার ৪৮৪ জন। মোট কেন্দ্র ৪৫২ টি এবং মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৬৮৫ টি।

এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা (কারিগরি) বোর্ডে চলতি বছরে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬৫ হাজার ৪২৪ জন। মোট কেন্দ্র ৭০৭ টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৯০৮ টি।

গতবছরের তুলনায় ২০২৪ সালে চলতি বছরে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন। মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯৪ টি, মোট কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।


আরও খবর



নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ব্যারিস্টার সুমন, শেরেবাংলা নগর থানায় জিডি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তাকে হত্যার জন্য অজ্ঞাতনামা একটি শক্তিশালী টিম মাঠে নেমেছে- এমন তথ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

শনিবার রাতে শেরেবাংলা নগর থানায় এই সাধারণ ডায়েরি করেন ব্যারিস্টার সুমন।

এতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ২৭ জুন ঢাকায় অবস্থানকালে রাত আনুমানিক ২টায় আমার নির্বাচনী এলাকা চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার সরকারি মোবাইল থেকে আমার হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে জানান যে, আপনাকে হত্যার জন্য অজ্ঞাতনামা একটি শক্তিশালী মহল গত তিন দিন আগে ৪-৫ জনের একটি টিম নিয়ে মাঠে নেমেছে। আপনি রাতে বাইরে বের হবেন না এবং সাবধানে থাকবেন।

তখন আমি ওসির কাছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি পরিচয় জানাতে অস্বীকার করেন এবং আমাকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন। এই বিষয়টি জানার পরে আমি মারাত্মকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটর ছিলেন। এই পদ থেকে তিনি ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর পদত্যাগ করেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




এমপি আনার হত্যা: জবানবন্দিতে যে নতুন তথ্য দিলো দুই আসামি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানিয়েছেন, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের নতুন তথ্য দিয়েছেন আসামি ফয়সাল ও মুস্তাফিজ। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) গণমাধ্যমকে তিনি এই তথ্য জানান।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, চট্টগ্রামের ফটিকছুড়ি থেকে আসামি ফয়সাল ও মুস্তাফিজকে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখনই তারা আমাদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছিলেন। এরপরও আরও বিস্তারিত জানতে আমরা আদালতে রিমান্ড আবেদন করি। আসামিরা আমাদের জানায়, আক্তারুজ্জামান শাহিন ফয়সাল ও মুস্তাফিজের পাসপোর্ট ও ভিসার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, যতদিন তাদের পাসপোর্ট হয়নি ততদিন তারা শাহিনের বাসায় ছিলেন। সেখানে থেকেই শাহিনের পিএস এর মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে। এরপর তাদেরকে ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছিলেন শাহিন। যেনো ফয়সাল ও মুস্তাফিজ রেলযোগে ভারত চলে যান। পরে প্রথমে সেখানে গিয়ে তারা হোটেলে ছিল। পরে সঞ্জীভা গার্ডেনে উঠেন।

ডিবিপ্রধান বলেন, এমপি আনার গোপালের বাসার থেকে বের হবার পর ফয়সাল লাল গাড়িতে করে তাকে নিয়ে এসে শিমুল ভূঁইয়ার কাছে পৌঁছে দেয়। পরে শাহিনের পিএস পিন্টুর মাধ্যমে ক্লু ফোন পায়। পরে সিয়ামের মাধ্যমে বাসায় নিয়ে যায়। এরপর চেয়ার-চাপাতিও ফয়সাল ও মুস্তাফিজ সেই বাসায় নিয়ে যায়।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার পর সবাই ওই বাসার থেকে বরে হওয়ার পর ফয়সাল ও মুস্তাফিজ সেই বাসায় থেকে যায়। তখন শাহিনে তাদেরকে বুঝায় যে বাসাটি যেনো ভালোভাবে পরিষ্কার করা হয়। কোথাও যেনো রক্তের দাগ লেগে না থাকে। তাহলে সিআইডি এলে বুঝে যাবে। এবং তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর যেনো তারা বাংলাদেশে ফিরে।

তিনি আরও বলেন, ফয়সাল ও মুস্তাফিজের বাংলাদেশে ফেরার টিকিটও শাহিন করে দিয়েছিলেন। তারা দেশে ফিরে শাহিনের বাসায় উঠে। এরপর ১৯ তারিখ শিমুল ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর তারা লাগেজ ফেলে শাহিনের সিকিউরিটি গার্ডের কাছে রাখা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়িয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে আমাকেও কথা শুনতে হয়েছে: কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

পদ্মা সেতু নির্মাণের পেছনে নানা ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্তে পর অনেকেই বিরোধিতা করেছিলেন৷ আমাকেও কথা শুনতে হয়েছে৷ কিন্তু আমি কিছু বলিনি৷

শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণের সাহস দেখাতে পেরেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নেত্রী যখন নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করার ঘোষণা দিলেন, তখন সবার মধ্যেই শোরগোল কেউ কেউ বলছেন পাগল নাকি! বিশ্বব্যাংক ছাড়া পদ্মা সেতু সম্ভব নাকি! তখন আমি পাশেই ছিলাম। আমাকে উদ্দেশ্য করেও কতজন কত কথা বলেছেন। আজকে আমরা পদ্মা সেতুর সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের হতাশ করে চলে গেলো। পদ্মা সেতু থেকে অপবাদ নিয়ে সরে গেলো। ২০১২ সালের জুলাই মাসে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেন, আমরা আমাদের টাকায় পদ্মা সেতু করবো। তখন আমাদের আশপাশে প্রথম ও দ্বিতীয় সাড়িতে অনেকে বসা ছিল। তারাও এটা নিয়ে নানান কথা বলেছেন। কিন্তু আমরা করে দেখিয়ে দিয়েছি।

পদ্মা সেতু নিয়ে স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটনে মাইনর অপারেশন করাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী৷ এদিকে পদ্মায় প্রথম স্প্যান বসবে৷ আমরা ওনাকে জানালাম, আপনি ফিরলে স্প্যান বসবে৷ তিনি বললেন, শেখ হাসিনার কারণে পদ্মা সেতুর কাজ যেন এক মিনিটের জন্যও থেমে না থাকে৷ যতদিন পদ্মা সেতু থাকবে, ততদিন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে৷ মানুষের হৃদয়ে যে নাম লিখিয়েছেন শেখ হাসিনা, সেখানেই বেঁচে থাকবেন৷

ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আরও বক্তব্য দেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মনজুর হোসেন ও পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পদ্মা সেতু থিমসং প্রচার করা হয়। এছাড়া পদ্মা সেতুর ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়। সুধী সমাবেশে সেতুমন্ত্রীর ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা স্মারক দেওয়া হয়।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪