আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দুপুরের মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঋতুচক্রে প্রকৃতিতে চলছে বর্ষাকাল। এই মৌসুমে তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে ঝড়বৃষ্টি। দেশের সব বিভাগেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর মধ্যে দেশের ২ অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকাল রোববার সকালে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আবহা পূর্বাভাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা থেকে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আগামীকাল মঙ্গলবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল ময়মনসিংহ ও বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



আজ থেকে যাত্রীদের কাঁধে চাপলো মেট্রোরেলের অতিরিক্ত ভাড়া

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকেই যাত্রীদের কাঁধে চাপলো মেট্রোরেলের অতিরিক্ত ভাড়া। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মেট্রোরেলের টিকিটের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্যসংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপ করেছে। ফলে আজ থেকে মেট্রোরেলে চলাচল করতে রাজধানীবাসীকে বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে।

সোমবার (১ জুলাই) সকালে মেট্রোরেলের প্রথম ট্রিপ থেকে এ মূল্যসংযোজন কর কার্যকর হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে মেট্রোরেল চালুর পর থেকে টিকিটের দামে ভ্যাট মওকুফ ছিল। এই মেয়াদ শেষ হয়েছে রোববার (৩০ জুন)।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগের দ্বিতীয় সচিব ব্যারিস্টার মো. বদরুজ্জামান মুন্সীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দাম বৃদ্ধির কথা জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ডিএমটিসিএল ভ্যাট অব্যাহতির সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করলেও এনবিআরের পর্যালোচনায় দেখা যায়, রূপকল্প ২০৪১ অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলমান। এই কার্যক্রমগুলোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণে তহবিল প্রয়োজন, যার প্রাথমিক উৎস প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, দেশীয় শিল্পের বিকাশ, বিকল্প পণ্য আমদানি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের বিকাশের জন্য পর্যায়ক্রমে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যাপক উন্নয়ন প্রচেষ্টা টেকসই করতে এবং কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে সরকারকে ধীরে ধীরে এসব সুবিধা প্রত্যাহার করতে হবে। তারই অংশ হিসেবে মেট্রোরেলের টিকিটে ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

নতুন অর্থবছরে মেট্রোরেলের টিকিটে ভ্যাট আরোপ করা হলেও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ছাড় পাবেন। এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তিন ফুটের কম উচ্চতার শিশুরা বিনামূল্যে মেট্রোরেলে চলাচল করতে পারবেন।


আরও খবর



রুশ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাশিয়ার মস্কোর কাছে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির জরুরি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মস্কোর কাছাকাছি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। সুখোই সুপারজেট ১০০ নামের বিমানটি বনাঞ্চল এলাকায় তিনজন ক্রু নিয়ে বিধ্বস্ত হয়। ধারণা করা হচ্ছে তাদের কেউ বেঁচে নেই। বিমানটিতে কোনো যাত্রী ছিল না। শুক্রবার (১২ জুলাই) এই ঘটনা ঘটেছে বলে রুশ সংবাদ সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এএফপি।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি মেরামতের পরই পরীক্ষামূলকভাবে উড্ডয়নের পর বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১২ জুলাই) পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করতে বিমানটি উড্ডয়ন করা হয়।

রাশিয়া নিজেদের তৈরি সুখোই সুপারজেট বিমান বিভিন্ন অঞ্চলে মোতায়েন করেছে। মূলত দেশটির যেসব অঞ্চলে পশ্চিমাদের তৈরি বিমান ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে এই বিমান ব্যবহার হচ্ছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর নিজেদের তৈরি বিমান ব্যবহারে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছে মস্কো।

শুক্রবার রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানটি গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এতে স্থানীয় কোনো ব্যক্তি আহত ও নিহত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হচ্ছে। বিধ্বস্তের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর ঋণের ৭ম ও ৮ষ্ঠ কিস্তি পরিশোধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য নেওয়া ঋণের ৭ম ও ৮ষ্ঠ কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই দুই কিস্তি বাবদ ৩১৪ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চেক হস্তান্তর করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

৭ম ও ৮ষ্ঠ কিস্তি বাবদ ৩১৪ কোটি ৬৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯৬৩ টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এ নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় পুরো অর্থই ঋণ হিসেবে দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

এর আগে গত ৫ এপ্রিল ১ম ও ২য় কিস্তি বাবদ মোট ৩১৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা পরিশোধ করা হয়। এরপর গত ১৯ জুন ৩য় ও ৪র্থ কিস্তির ৩১৬ কোটি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩ টাকা এবং ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ৫ম ও ৬ষ্ঠ কিস্তি বাবদ ৩১৫ কোটি ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪২ টাকা অর্থ বিভাগকে বুঝিয়ে দেয় সেতু কর্তৃপক্ষ।

স্বপ্নের এই সেতু নির্মাণে অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়া হয়। শেখ হাসিনা ২০২২ সালের ২৫ জুন প্রমত্ত পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দেশের বৃহত্তম এই সেতু উদ্বোধন করেন।


আরও খবর



চুয়েট-রুয়েট-কুয়েটের ভর্তি প্রক্রিয়া স্থগিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া ও ওরিয়েন্টেশন স্থগিত করা হয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে চলমান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি এবং দেশব্যাপী চলমান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভর্তি প্রক্রিয়া ও ওরিয়েন্টেশনের নতুন তারিখ পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জন্য চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।

এ ছাড়াও, ১৪ ও ১৫ জুলাই নির্ধারিত ভর্তি প্রক্রিয়ার চতুর্থ ধাপও অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। নতুন ভর্তির তারিখ শিক্ষার্থীদের এসএমএস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



ব্লকেড কর্মসূচির নামে রাস্তা বন্ধ করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলা ব্লকেড কর্মসূচির নামে রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন হুঁশিয়ারি দেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ মহিদ উদ্দিন।

মহিদ উদ্দিন বলেন, আমরা অনুরোধ করব, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আর নতুন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির মতো কর্মসূচি দেবেন না, অন্তত এই চার সপ্তাহ। এরপরেও যদি আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।

এর আগে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগে সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বাংলা ব্লকেট কর্মসূচি হিসেবে বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সারা দেশের শিক্ষার্থীরা বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবে। সড়ক ও রেলপথগুলো এই কর্মসূচির আওতায় থাকবে। আমরা নির্বাহী বিভাগকে বলতে চাই, অতি দ্রুত আমাদের দাবিটি মেনে নিন, যাতে আমরা পড়ার টেবিলে বসতে পারি।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে যে পরিপত্র দেওয়া হয়েছিল হাইকোর্ট সেটি বাতিল করেছেন। আমরা এই আইনের প্রক্রিয়ায় হাইকোর্টের বারান্দায় যেতে চাই না। আমরা আমাদের রুটিন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই। যতদিন না আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব। আমাদের যে এক দফা দাবি জানিয়েছি, সে ব্যাপারে সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য আসতে হবে। একটি কমিশন গঠন করে এই কোটা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।


আরও খবর